চামারা দুনুসিংহে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
চামারা দুনুসিংহে
චාමර දුනුසිංහ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামচামারা ইরোশান দুনুসিংহে
জন্ম১৯ অক্টোবর, ১৯৭০
কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাউইকেট-রক্ষক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৬৪)
১১ মার্চ ১৯৯৫ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ টেস্ট২২ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ বনাম পাকিস্তান
একমাত্র ওডিআই
(ক্যাপ ৮৬)
৬ এপ্রিল ১৯৯৫ বনাম বাংলাদেশ
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা
রানের সংখ্যা ১৬০
ব্যাটিং গড় ১৬.০০ ১.০০
১০০/৫০ ০/১ ০/০
সর্বোচ্চ রান ৯১
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৩/২ ১/১
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৯ মে ২০২০

চামারা ইরোশান দুনুসিংহে (সিংহলি: චාමර දුනුසිංහ; জন্ম: ১৯ অক্টোবর, ১৯৭০) কলম্বো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক শ্রীলঙ্কান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।[১] শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯৫ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে অ্যান্টোনিয়ান্স স্পোর্টস ক্লাব, নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাব ও সারাসেন্স দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন চামারা দুনুসিংহে

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

নালন্দা কলেজ কলম্বোয় পড়াশুনো সম্পন্ন করেছেন তিনি। ১৯৯০-৯১ মৌসুম থেকে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম পর্যন্ত চামারা দুনুসিংহে’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল।

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে পাঁচটিমাত্র টেস্ট ও একটিমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন চামারা দুনুসিংহে। ১১ মার্চ, ১৯৯৫ তারিখে ন্যাপিয়ারে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৫ তারিখে শিয়ালকোটে স্বাগতিক পাকিস্তান দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি। অন্যদিকে, ৬ এপ্রিল, ১৯৯৫ তারিখে শারজায় বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে একমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিয়েছিলেন।

চামারা সিলভা শ্রীলঙ্কার ৬৪তম টেস্ট ক্যাপের অধিকারী হন। ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে দলের সাথে নিউজিল্যান্ড গমন করেন। নেপিয়ারে সিরিজের প্রথম টেস্টে তার টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। টেস্ট অভিষেক পর্বটি দূর্দান্তভাবে শুরু করেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ৯১ রান তুলেন তিনি। এরফলে, শ্রীলঙ্কার প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেকে স্নায়ুচাপে ভোগা ৯০-এর কোটায় আউট হন।[২][৩][৪][৫]

এছাড়াও, সাতটি ডিসমিসালের সাথে স্বীয় নামকে জড়িয়ে রাখেন। ঐ টেস্টে তার দল বিদেশের মাটিতে দুর্লভ জয়ের সন্ধান পেয়েছিল। এ পর্যায়ে শ্রীলঙ্কা দল অবশেষে উইকেট-রক্ষণের দূর্বলতা কাটিয়ে উঠার ন্যায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে। তবে, পাকিস্তান সফরে ফাস্ট বোলারেরা তার দূর্বলদিক লক্ষ্য করে অগ্রসর হয় ও সফলতা পায়। তাসত্ত্বেও, স্ট্যাম্পের পিছনে তিনি বেশ সুন্দর ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করছিলেন।

দলে প্রত্যাখ্যান[সম্পাদনা]

কিন্তু, অস্ট্রেলিয়া সফরে রমেশ কালুবিতরাণাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়। উইকেট-রক্ষক হিসেবে তিনি বেশ ভালোমানের হলেও ব্যাটিং বিভাগকে শক্তিশালীকরণে দল নির্বাচকমণ্ডলী অগ্রসর হয়েছিলেন। এমনকি দুই বছরের মধ্যে তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটকেও বিদেয় জানাতে বাধ্য হন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://www.espncricinfo.com/magazine/content/story/598345.html
  2. "1st Test: New Zealand v Sri Lanka at Napier, Mar 11-15, 1995 | Cricket Scorecard | ESPN Cricinfo"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৩-২৪ 
  3. "New Zealand v Sri Lanka 1994-95"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৩-২৪ 
  4. "Sri Lanka's greatest Test victories"Cricinfo (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৩-২৪ 
  5. "Records | Test matches | Batting records | Ninety on debut | ESPN Cricinfo"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৩-২৪ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]