বিষয়বস্তুতে চলুন

চন্দ্রভাগা নদী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
চন্দ্রভাগা
নদী
দেশ ভারত, পাকিস্তান
উৎস বারা লালচা পাস
দৈর্ঘ্য ৯৬০ কিলোমিটার (৫৯৭ মাইল) প্রায়
প্রবাহ for Akhnoor
 - গড় ৮০০.৬ /s (২৮,২৭৩ ft³/s) []

চন্দ্রভাগা নদী বা চেনাব নদী (গুরুমুখী: ਚਨਾਬ, چناب, উর্দু: درياۓ چناب, হিন্দি: चनाब, (/əˈnɑːb/, canāb) ভারত এবং পাকিস্তানের একটি প্রধান নদী। হিমালয়ের উপরিভাগে ভারতের হিমাচল প্রদেশের লাহাউল জেলায় এই নদীর উৎপত্তি হয়। পরবর্তীতে এটি ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর হয়ে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সমতল ভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। সিন্ধু জল চুক্তি অনুযায়ী চন্দ্রভাগা নদীর জল পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ করা হয়। [][]

ভূগোল

[সম্পাদনা]
চন্দ্র নদী, চন্দ্রভাগা নদীর একটি ঊর্ধ্ব উপনদী.
জিস্পা, লাহাউল্লের নিকট ভাগা নদী

হিমাচল প্রদেশের বারা লাচলা পাস ৩২°৪৪′ উত্তর ৭৭°২৬′ পূর্ব / ৩২.৭৩৩° উত্তর ৭৭.৪৩৩° পূর্ব / 32.733; 77.433 থেকে তুষার গলনের মধ্য দিয়ে চন্দ্রভাগা নদীর প্রবাহের শুরু হয়। বারা লাচলা পাসের দক্ষিণ দিক দিয়ে যে প্রবাহ যায় তা চন্দ্র নদী নামে পরিচিত এবং পাসের উত্তর দিকের প্রবাহ ভাগা নদী নামে প্রবাহিত হয়।

গুজরাটের নিকটে চন্দ্রভাগা নদীর একটি দৃশ্য

ইতিহাস

[সম্পাদনা]
  • ঋগ্বেদীয় উল্লেখ: চেনাব নদী (যার ঋগ্বেদীয় নাম আশিকানি) প্রাচীন ভারতে লিখিত ঋগ্বেদে উল্লিখিত একটি পবিত্র নদী ছিল।
  • সাহিত্যিক ঐতিহ্য: এটি পাঞ্জাবের লোককথা এবং সুফি সাহিত্যে প্রেম, আকাঙ্ক্ষা, এবং বিচ্ছেদের প্রতীক হিসাবে চিত্রিত হয়েছে, বিশেষ করে হীর-রাঞ্জা উপাখ্যানে।
  • ঐতিহাসিক গতিপথ: একসময় নদীটি মুলতানের পূর্বে প্রবাহিত হলেও, ১২৪৫ সালের পর এর প্রবাহ পরিবর্তিত হয়।


নদীটি বৈদিক যুগে ভারতীয়দের কাছে পরিচিত ছিল। খ্রিস্টপূর্ব ৩২৫ সালে, আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট নাকি সিন্ধু নদীর তীরে (বর্তমান পাকিস্তানের উচ শরীফ বা মিথানকোট বা চাচারান এলাকায়) “অ্যালেক্সান্দ্রিয়া অন দ্য ইন্দাস” নামের একটি শহর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এটি ছিল সিন্ধু নদী ও পাঞ্জাবের সম্মিলিত নদীগুলোর (বর্তমানে যা পাঞ্জনদ নদী নামে পরিচিত) সংযোগস্থলে।[]

আরিয়ান তার Anabasis of Alexander গ্রন্থে প্রত্যক্ষদর্শী পটোলেমি লাগিডেসের উদ্ধৃতি দিয়েছেন, যেখানে বলা হয়েছে যে আলেকজান্ডার যখন নদীটি পার হয়েছিলেন, তখন এর প্রস্থ ছিল প্রায় ২ মাইল (৩.২ কিলোমিটার)।

বর্তমানে ভারতীয় অংশে ৩টি বাঁধ রয়েছে। সম্মিলিতভাবে ২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।  

রেইসি জেলায় অবস্থিত সালাল বাঁধ ভারতীয় অংশের সর্বনিম্নমুখী বাঁধ।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Gauging Station - Data Summary"। ORNL। ৪ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটার রয়েছে: |2= (সাহায্য)
  2. 1 2 "River Chenab" (পিডিএফ)। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০০৭
  3. "Indus Waters Treaty"। The World Bank। ১৬ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০০৭

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]