কলকাতা শ্রেণী ডেস্ট্রয়ার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
INS Kolkata entering Mombasa, Kenya.jpg
আইএনএস কলকাতা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে কেনিয়ার মোম্বাসা বন্দরে প্রবেশ করছে
Class overview
নাম: কলকাতা শ্রেনি
নির্মাতা: মাজাগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড
ব্যবহারকারী:  ভারতীয় নৌবাহিনী
পূর্বসূরী: টেমপ্লেট:শ্রেনি-
উত্তরসূরী অনুযায়ী: বিশাখাপত্তনাম শ্রেণী
নির্মিত: ২০০৩ - ২০১৫
In commission: ২০১৪ - বর্তমান
পরিকল্পিত:
সম্পন্ন:
সক্রিয়:
সাধারণ বৈশিষ্ট্য
প্রকার: Stealth guided missile destroyer
ওজন: ৭,৪০০ টন (৭,৩০০ লং টন; ৮,২০০ শর্ট টন) full load[১]
দৈর্ঘ্য: ১৬৩ মি (৫৩৫ ফু)
প্রস্থ: ১৭.৪ মি (৫৭ ফু)
ড্রাফট: ৬.৫ মি (২১ ফু)
প্রচালনশক্তি: Combined gas and gas system: 4 × Zorya-Mashproekt DT-59 reversible gas turbines[২][৩]
গতিবেগ: ৩০ নট (৫৬ কিমি/ঘ)
সীমা: ৮,০০০ নটিক্যাল মাইল (১৫,০০০ কিমি) at ১৮ নট (৩৩ কিমি/ঘ)
লোকবল: 40 Officers and 350 Sailors[৪][৫]
সেন্সর এবং
কার্যপদ্ধতি:
যান্ত্রিক যুদ্ধাস্ত্র
ও ফাঁদ:
রণসজ্জা:
বিমান বহন: ২ × সি কিং বা এইচএল ধ্রুব হেলিকপ্টার
বিমানচালানর সুবিধাসমূহ: দ্বৈত সন্নিবেশিত হ্যাঙ্গার

কলকাতা শ্রেনি  (প্রকল্প ১৫এ) হল থ্রেসল গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত ডেস্ট্রয়ার শ্রেনির যুদ্ধজাহাজ, যা ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য নির্মিত। এই শ্রেনির তিনটি জাহাজ রয়েছে, যথা- কলকাতা, কোচি এবং চেন্নাই, যার সবগুলি মাজাগাও ডক লিমিটেড (এমডিএল) দ্বারা নির্মিত হয়েছিল এবং জাহাজগুলি ভারতীয় নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত বৃহত্তম ধ্বংসাত্মক জাহাজ (ডেস্ট্রয়ার)। নির্মাণের বিলম্বের কারণে এবং সমুদ্র ট্রায়ালে একটি সমস্যা দেখাদিলে, কলকাতা শ্রেনির প্রথম জাহাজের প্রাথমিক কমিশন তারিখ ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পিছিয়ে যায়।[১২] সবার শেষে চেন্নাই জাহাজের কমিশন ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে হয়েছিল। [১৩]

এই ডেস্ট্রয়ারগুলি নির্মাম করা হয় দিল্লি শ্রেনির ডেস্ট্রয়ার গুলিকে অনুসরন করে,  কিন্তু নকশার ফলে, উল্লেখযোগ্য ভাবে স্থলে আক্রমণের ক্ষমতা যোগে, এবং আধুনিক সেন্সর এবং অস্ত্র সিস্টেমের ফিটিং-আউট মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি কারণে কলকাতা শ্রেনির ডেস্ট্রয়ার গুলি যুদ্ধে দিল্লি শ্রেনির ডেস্ট্রয়ার গুলির থেকে যথেষ্ট সক্ষম।[১৪]

উন্নয়ন[সম্পাদনা]

১৯৮৬ সালে রাজনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিপিএ) দিল্লি-শ্রেনির ডেস্ট্রয়ারের আনুসরন করে একটি নতুন  শ্রেনির ডেস্ট্রয়ারের নির্মাণের অনুমোদন করে। লক্ষ্য ছিল আনুসরন করে নির্মিত শ্রেনিটি পূর্বের শ্রেণির চেয়ে উচ্চতর বায়ু প্রতিরক্ষা, ভূমি আক্রমণ, এন্টি-সাবমেরিন এবং অ্যান্টি-জাহাজ (অ্যান্টি-শিপ) ক্ষমতা অন্তর্ভুক্ত হবে। যাইহোক, ভারতীয় নৌবাহিনী প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্পটি গ্রহণে সময় নষ্ট করেনি।[১১] ২০০০ সাল নাগাদ ভারতীয় নৌবাহিনী আবারও উচ্চ স্তরের প্রযুক্তি যুক্ত করে (আধুনিক চুপচাপ বৈশিষ্ট্য সহ) আনুসরন করে নির্মিত (ফলো-অন) কলকাতা শ্রেণির ডেস্ট্রয়ার গুলির নতুন করে নকশা (ডিজাইন) করেছে এবং সেই বছরের মে মাসে নির্মাণের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্প ১৫এ-এর জন্য ধারণা এবং কার্যকরণ নৌবাহিনীর ডিরেক্টরেট দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল, তবে মাজাগাও ডক লিমিটেড (এমডিএল) বিস্তারিত নকশাটি তৈরি করেছিল।[১৫][১৬][১৭]

প্রাথমিকভাবে ২০০৮ সালে, দীর্ঘমেয়াদী খুচর যন্ত্রাংশের জন্য মোট  খরচ ছিল ৩,৮০০ কোটি টাকা (৫৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),[১৫] কিন্তু নির্মাণ ব্যয় ২২৫% বৃদ্ধি পেয়েছিল, এবং ২০১১ সালের মধ্যে নির্মাণ খরচ ₹১১,৬৬২ কোটি টাকা ($ ১.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) পৌছায় এবং প্রতিটি জাহাজের জন্য ₹৩,৯০০ কোটি টাকা ($৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) খরচ হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এ কে এন্টনি নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি কারণ হিসাবে উল্লেখ করেছেন রাশিয়ায় যুদ্ধবিষয়ক স্তরের ইস্পাত সরবরাহে বিলম্ব, রাশিয়ার বিশেষজ্ঞদের বেতন বৃদ্ধির, নির্মাণকালের সময় মুদ্রাস্ফীতির, অক্টোবরে ২০০৩ সালের মজুরি পুনর্বিবেচনা এবং অস্ত্র ও সেন্সর দাম নিধারন করতে বিলম্ব।[১৮][১৯] ২০১২ সালে প্রকাশিত একটি ক্যাপ্ট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের রিপোর্টে বিলম্বের জন্য নৌবাহিনীকে দোষারোপ করে, যেখানে বারাক নামের ভূমি থেকে বায়ু ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রতিস্থাপনের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া, বন্দুকের মাউন্ট পরিবর্তন, সোনার ডোম অন্তর্ভুক্ত করা এবং হেলিকপ্টার হ্যাঙ্গারের পরিবর্তন এইচএলএকে অন্তর্ভুক্ত করার সিধান্তের সমালচনা করা হয়।[২০][২১]

নির্মাণ[সম্পাদনা]

মাজাগাও ডকে নির্মিত হছে একটি কলকাতা শ্রেনির ধ্বংসকারী জাহজ।

২০০০ সালের মে মাসে ভারতের কলকাতা শ্রেনির তিনটি জাহাজ নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, এবং ২০০৩ সালের মার্চ মাসে নেতৃত্বাধীন জাহাজের জন্য ইস্পাতটি কাটা হয়েছিল। ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে নির্মাণ শুরু মুম্বাইয়ের মাজাগাও ডকে, প্রাথমিকভাবে আশা করা হয়েছিল যে কলকাতা শ্রেনির প্রথম জাহাজ ২০১০ সালের মধ্যে নৌবাহিনীর হাতে হস্তান্তর করা হবে। যাইহোক, তখন থেকে কলকাতা শ্রেনির নির্মাণ ক্রমাগত বিলম্ব, ধীর নির্মাণ প্রক্রিয়া এবং কারিগরি সমস্যার সম্মুখীন হতে থাকে যা ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে এই শ্রেনির প্রথম জাহাজের কমিশন করা হয়। ভারতীয় নৌবাহিনী নতুন অস্ত্রশস্ত্র ব্যবস্থা ও সেন্সরকে অন্তর্ভুক্ত করার কারণে নির্মাণ প্রকল্পে বিলম্ব হয়, এছাড়া জাহাজের প্রপেলার এবং শ্যাফ্ট সরবরাহে ইউক্রেনীয় শিপইয়ার্ডের ব্যর্থতা এবং পরবর্তীতে রাশিয়ান সংস্থার সঙ্গে চুক্তিতে সম্মত হয়ার জন্য নির্মাণে বিলম্ব ঘটে,[২২] এবং অবশেষে বারাক-৮ এন্টি-এয়ার মিসাইল সরবরাহে বিলম্ব, যা ইসরায়েল এরস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন সাথে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌচ্ছাতে বিলম্বের কারণে ঘটে।[২৩]

কলকাতা শ্রেনি হচ্ছে মাজাগন ডকে নির্মিত সর্ববৃহৎ ধ্বংসকারী জাহাজ (ডেস্ট্রয়ার), এবং ২০১৩ সালের হিসাবে, এই শ্রেনির তিনটি জাহাজ চালু করা হয়েছে এবং এটি তৈরি হচ্ছে।[২৪] কলকাতা শ্রেনির প্রধান জাহাজের সমুদ্র ট্রায়ালের সময় কারিগরি সমস্যা দেখা যায়, যা ২০১৪ সালের শুরুতে ছয় মাস পর্যন্ত প্রকল্পটি বিলম্বিত করেছিল।

নকশা এবং বিবরণ[সম্পাদনা]

কলকাতা শ্রেণি পূর্ববর্তী দিল্লি শ্রেণির অনুরূপ মাত্রা, তবে তাদের মধ্যে ২৩৬৩ টি পরিবর্তন করা হয়েছে যার মধ্যে অস্ত্রশস্ত্র, সেন্সর এবং হেলিকপ্টার হ্যাঙ্গারের আপগ্রেড অন্তর্ভুক্ত।[২০] একটি আদর্শ স্থানচ্যুতি সঙ্গে ৬,৮০০ টন (৬,৭০০ লং টন; ৭,৫০০ শর্ট টন) এবং একটি পূর্ণ লোড স্থানচ্যুতির সময় ৭,৪০০ টন (৭,৩০০ লং টন; ৮,২০০ শর্ট টন) ওজন হয় জাহাজ গুলির, তারা এখনও পর্যন্ত ভারতীয় নৌবাহিনীর দ্বারা পরিচালিত সবচেয়ে বড় ধ্বংসাত্মক জাহাজ (ডেস্ট্রয়ার)। কিছু গণমাধ্যমের রিপোর্টে বলা হয়েছে এই শ্রেণির জাহাজের একটি পূর্ণ-লোড স্থানচ্যুতি হল ৭,৫০০ টন (৭,৪০০ লং টন; ৮,৩০০ শর্ট টন).[২৫] এই শ্রেণির জাহাজ গুলিকে ভারত দ্বারা নির্মিত প্রথম থ্রেসল ডেস্ট্রয়ার এবং ভারতে জাহাজনির্মাণ প্রযুক্তি একটি উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। জাহাজগুলিতে আধুনিক অস্ত্র এবং সেন্সর অন্তর্ভুক্ত করা হবে, এবং একটি উন্নত তথ্য ওয়ারফেয়ার স্যুট থাকবে, একটি অত্যাধুনিক শক্তি বিতরণ পরিকাঠাম সাথে একটি অক্সিলিয়ারি কন্ট্রোল সিস্টেম এবং মডুলার ক্রু কোয়ার্টার থাকবে।[২৬]

এই শ্রেনির জাহাজগুলি ১৬৩ মি (৫৩৫ ফু) দীর্ঘ, চওড়া  ১৭.৪ মি (৫৭ ফু) গভীরতা ৬.৫ মি (২১ ফু)। জাহাজগুলি  বিদ্যুৎ প্রক্রিয়াকরণে এবং যৌথ গ্যাস এবং গ্যাস ব্যবস্থায় চারটি ডিটি-৫৯ রিভারসবল গ্যাস টারবাইন ব্যবহার করে। এই কনফিগারেশনটি জাহাজকে ৩০ নট (৫৬ কিমি/ঘ; ৩৫ মা/ঘ)-এর বেশী গতি পৌছতে সাহায্য।[২৭] জাহাজে বিমান সুবিধাগুলির মধ্যে  একটি বড় আবতরণ ক্ষেত্র (ফ্লাইট ডেক) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা দিল্লি-শ্রেণীর তুলনায় বড় হেলিকপ্টারগুলি আবতরণ ও উড্ডয়ন করতে পারে এবং দুটি সামুদ্রিক হেলিকপ্টারের জন্য একটি আচ্ছাদিত হ্যাঙ্গার পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল।

এল / এম -২২৪৮ এমএফ-স্টার আইইএসএ হল কলকাতা শ্রেনির প্রাথমিক রাডার

এই শ্রেনির প্রাথমিক রাডার সেন্সর হল এল / এম-২২৪৮ এম এফ-স্টার বহু-মিশন এইএসএ। এটি থার্স এলডব্লিউ -৮ দূরবর্তী   অনুসন্ধান রাডার এবং ই এল / এম -২২৩৮ এস-ব্যান্ড স্টার নজরদারি রাডার দ্বারা ইসরায়েল এরস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে সজ্জিত। একটি নম-মাউন্ট সোনার '''এইচইউএমএসএ-এনজি''' (হুল মাউন্ট সোনার অ্যারে - নতুন প্রজন্ম) দ্বারা উপপৃষ্ঠ নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হয়।

জাহাজটির প্রধান বায়ু-প্রতিরক্ষা অস্ত্রাগারটি দুটি ৪x৮-সেল উল্লম্ব লঞ্চ সিস্টেম (VLS) যা ৩২ টি বারাক-৮ (মাঝারি লম্বা পরিসীমা) বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রগুলির জন্য অনুমোদন করে। উপরন্তু, চার একে-৬৩০ সিআইডব্লুউএস নিকটবর্তী প্রতিরক্ষা জন্য ব্যবহার করা হয়।

আন্তর্জাতিক ফ্লিট পর্যালোচনা -২০১৬ এর পটভূমিতে আইএনএস কলকাতা এবং ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির ডেস্ট্রয়ার এইচএমএস ডিফেন্ডার

বিরোধী জাহাজ এবং স্থলপথে আক্রমণের সুপারসনিক ব্রাহ্মস  মিসাইল কলকাতা শ্রেনির প্রাথমিক আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসাবে যুক্ত করা হয়েছে।[২৮] ব্রাহ্মস মিসাইল ১৬ সেল ইউনিভার্সাল উল্লম্ব লঞ্চার মডিউল (UVLM)-এর প্রতি সেলে একটি করে  ক্ষেপণাস্ত্র লাগানো হয়, এবং ১৬ টি মিসাইল একই সঙ্গে ছোড়া যাবে।[২৯] সম্ভবত কলকাতা শ্রেনির সবচেয়ে সুস্পষ্ট এবং উল্লেখযোগ্য অস্ত্রটি হল সেতুটির সামনে অবস্থিত ৭৬ মিমি (৩.০ ইঞ্চি) নৌ বন্দুক। ৭৬ মিমি নৌ বন্দুকটি স্থল ভিত্তিক অপারেশন জন্য তার অগ্নি-সহযোগিতা ভূমিকা ছাড়াও সীমিত বিরোধী-জাহাজ (অ্যান্টি-শিপিং) ক্ষমতা এবং বিরোধী-যুদ্ধজাহাজ (অ্যান্টি-এয়ার) ক্ষমতা প্রদান করে। এন্টি-সাবমেরিন যুদ্ধের জন্য, কলকাতা-শ্রেণীটি চারটি টর্পেডো টিউব এবং দুটি আরবিইউ-৬০০০ অ্যান্টি-সাবমেরিন রকেট লঞ্চার দ্বারা টর্পেডো চালু করার ব্যবস্থা দিয়ে সজ্জিত।[৩০] বিএল এর ইলেকট্রনিক মডুলার কমান্ড ও কন্ট্রোল অ্যাপ্লিকেশন (ইএমসিএসিএ) এমকি৪ যুদ্ধ ব্যবস্থাপনা প্রদান করে।

আইএনএস কোচি জাহাজের উন্নত যুদ্ধ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করার জন্য চার মিলিয়ন লাইন কোড লেখা হয়েছে। এই সিস্টেম ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে পার্শ্ববর্তী হুমকি সম্পর্কে সমস্ত তথ্য এক জায়গায় আসে হুমকির ধরনের সম্পর্কে বিশ্লেষণ সহ। সিস্টেমও হুমকি মোকাবেলায় কোন ধরনের অস্ত্রের ব্যবহার করা উচিত সেই সম্পর্কে কমান্ডিং অফিসারকে পরামর্শ দেয়। স্পষ্টতই, এই সব বাস্তব সময়ে বা বাস্তব পরিস্থিতিতে ঘটবে[৩১] জাহাজটি অত্যাধুনিক ডিজিটাল নেটওয়ার্কের সাথে সজ্জিত, যেমন অসিঙ্ক্রোনাস ট্রান্সফার মোড ভিত্তিক ইন্টিগ্রেটেড শিপ ডেটা নেটওয়ার্ক (এআইএসডিএন), কম্যাট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিএমএস), অটোমেট পাওয়ার পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এপিএমএস) এবং অক্সিলিয়ারি কন্ট্রোল সিস্টেম (এসিএস)। এআইসডিএন (AISDN) হল তথ্য মহাসড়ক যেখনে সমস্ত সেন্সর এবং অস্ত্র ছোড়ার তথ্য আসে। সিএমএস  তথ্য-সংযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করে অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে তথ্য সমন্বয় করতে ব্যবহৃত হয়, মেরিটাইম ডোমেন সচেতনতা প্রদানের জন্য। জটিল বিদ্যুত সরবরাহ ব্যবস্থাপনা এপিএমএস এবং রিমোট কন্ট্রোল ব্যবহার করে করা হয় এবং এসিএস দ্বারা যন্ত্রপাতি পর্যবেক্ষণ করা হয়।[৩২]

শ্রেনির জাহাজগুলি[সম্পাদনা]

আইএনএস কলকাতা কমিশনিং অনুষ্ঠান
নাম
ধ্বজা ইয়ার্ড নং. নির্মাতা
নির্মাণ শুরু উদ্বোধন অনুমোদন লাভ হোমপোর্ট অবস্থা
আইএনএস কলকাতা ডি৬৩
৭০১[৩৩]: মাজাগাঁও ডক লিমিটেড
২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৩[৩৪] ৩০ মার্চ ২০০৬[৩৫][৩৬] ১৬ অগাস্ট ২০১৪[৩৭] মুম্বই সক্রিয়
আইএনএস কোচি ডি৬৪ ৭০২[পৃষ্ঠা নম্বর প্রয়োজন]
২৫ অক্টোবর ২০০৫[৩৮] ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫[৩৯] সক্রিয়
আইএনএস চেন্নাই ডি৬৫
৭০৩[পৃষ্ঠা নম্বর প্রয়োজন]
২১ ফেব্রুয়ারী ২০০৬ ১ এপ্রিল ২০১০ ২১ নভেম্বর ২০১৬ সক্রিয়

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "INS Kolkata"indiannavy.nic.in। Indian Navy। ১৬ জুন ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০১৫ 
  2. Siddiqui, Huma (৫ অক্টোবর ২০১৫)। "INS Kochi turbocharged"The Financial Express 
  3. Bedi, Rahul (১৮ আগস্ট ২০১৪)। "India commissions first-of-class destroyer Kolkata"IHS Jane's Navy International। ২১ আগস্ট ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  4. http://indiannavy.nic.in/content/ins-kochi-commissioned-mumbai
  5. "INS Kochi commissioned at Mumbai | Indian Navy"indiannavy.nic.in। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৬ 
  6. "Country's most potent indigenous warship joins service this month"। SP's Naval Forces। ৮ জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০১৪ 
  7. "Bharat Electronics Ltd. awards LW08 contract to Thales"। Thalesgroup.com। ২ জুলাই ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০১০ 
  8. Som, Vishnu (২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। "Inside India's New and Deadliest Warship"NDTV। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০১৭ 
  9. Som, Vishnu (১৬ আগস্ট ২০১৪)। "On INS Kolkata, PM is Only Partially Correct"। NDTV। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৫At the moment, she is designed to carry only 32 Barak surface-to-air missiles... 
  10. Bedi, Rahul (২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। "India commissions second Kolkata-class destroyer"IHS Jane's Defence Weekly। ২ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  11. Kolkata-class destroyer GlobalSecurity.org
  12. "Navy's ongoing hunt for heavy torpedoes leads to delay in modernisation process"India Today। ১০ জুন ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০১৩ 
  13. "Guided Missile Destroyer INS Chennai Joins the Indian Navy" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। Indian Navy। ২১ নভেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৬ 
  14. Toshi Yoshihara; James Holmes। James R. Holmes, সম্পাদক। Strategy in the second nuclear age : power, ambition, and the ultimate weapon। Washington, DC: Georgetown University Press। পৃষ্ঠা 143। আইএসবিএন 1589019288 
  15. Shukla, Ajai (১৫ এপ্রিল ২০০৮)। "World-class warships at Indian prices"Business Standard। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০১০ 
  16. Bhatt, Arunkumar (২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৩)। "Mazagon Dock lays keel of destroyer"। The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০১০ 
  17. "Mazagon Dock Annual Report" (PDF)। Mdlindia.com। ১ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০১০ 
  18. "Indian warships' costs escalate over 225%"StratPost। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০১৩ 
  19. "Delay in Indigenous Warship Projects of Navy"Press Information Bureau। ৩ আগস্ট ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৩ 
  20. Shukla, Ajai (২০ আগস্ট ২০১২)। "Dangerous consequences of warships built in India"। Rediff News। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০১৪ 
  21. "Report No. 32 of 2010 - Performance Audit of Indigenous Construction of Indian Naval Warships" (PDF)। Comptroller and Auditor General of India। পৃষ্ঠা 41। 
  22. Shukla, Ajai (১ এপ্রিল ২০০৯)। "Russia steps in to bail out sinking Project 15-A"। Business Standard। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০১০ 
  23. Shukla, Ajai (২০ আগস্ট ২০১২)। "Navy's wavering delaying warships by years"। Business Standard। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০১২ 
  24. "India's 3rd indigenous naval destroyer launched"CNN-News18। ১ এপ্রিল ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০১৩ 
  25. "Navy gets its largest destroyer"। The Hindu। ১৩ জুলাই ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৪ 
  26. "INS Chennai adds to Naval might"Zee News। ১ এপ্রিল ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০১৩ 
  27. "Project 15-A destroyer, INS Kochi To be launched on 18 Sep 2009"। PIB। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০১৩ 
  28. "First test of BrahMos land-attack variant from the sea"India today। India today। ৫ মার্চ ২০০৮। ৫ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০১৩ 
  29. "BrahMos missile test-fired from warship INS Kolkata"। The Times of India। ৯ জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০১৪ 
  30. "Project 15-A Improved Delhi / VIshakhapattanam / DDGHM Kolkata"। Global Security। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০১৩ 
  31. "INS Kochi is proof India good at integrating different systems on one platform"। sunday guardian। ৯ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৫ 
  32. "INS Kochi commissioned at Mumbai | Indian Navy"indiannavy.nic.in। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৫-০৫ 
  33. "MDL Annual Report" (PDF)। ৫ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  34. Saunders, Stephen, সম্পাদক (২০০৮)। "India"। Jane's Fighting Ships 2008–2009 (111th সংস্করণ)। Coulsdon: Jane's Information Group। পৃষ্ঠা 326। আইএসবিএন 978-0710628459 
  35. Rasquinha, Reagan Gavin (১ এপ্রিল ২০০৬)। "Queen of the high seas"The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০১০ 
  36. Bhatt, Arunkumar (১ এপ্রিল ২০০৬)। "A lethal combination of stealth and strength"The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০১০ 
  37. Pandit, Rajat (১৬ আগস্ট ২০১৪)। "PM Modi inducts India's largest indigenously built warship INS Kolkata"The Times of India 
  38. Ved, Mahendra (৮ অক্টোবর ২০১৫)। "Make in India at Indian Navy"The Hans India (ইংরেজি ভাষায়)। 
  39. "INS Kochi, largest India-made warship, commissioned"The Times of India। TNN। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫।