ক্ষেপণাস্ত্র


ক্ষেপণাস্ত্র হচ্ছে স্বচালিত উড্ডয়নে সক্ষম একপ্রকার যুদ্ধাস্ত্র। এটি জেট বা রকেট ইঞ্জিন দ্বারা চালিত হতে পারে। কোনো বিশেষ লক্ষ্যের দিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালিত হলে একে নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র বলে। ক্ষেপণাস্ত্র সাধারণত পাঁচটি অংশ নিয়ে গঠিত: টার্গেটিং, গাইডেন্স ব্যবস্থা, উড্ডয়ন ব্যবস্থা, ইঞ্জিন ও মুখ। উৎক্ষেপণের অবস্থান ও লক্ষ্যের উপর নির্ভর করে ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে, যেমন ভূমি-ভূমি, আকাশ-ভূমি, ভূমি-আকাশ ও আকাশ-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র।
নামকরণ এবং ব্যবহার
[সম্পাদনা]সমরাস্ত্রে কোনো কিছু নির্দিষ্ট লক্ষ্যে প্রক্ষেপন করাকে কয়েকভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়:
- নির্দিষ্ট লক্ষ্যে ছোড়া শক্তিশালী গাইডেড গোলাবারুদকে ক্ষেপণাস্ত্র অথবা গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র বলে।
- শক্তিশালী কিন্তু গাইডেড নয় এরকম প্রক্ষেপন করা যায় এইরকম গোলাবারুদকে রকেট বলে।
প্রকারভেদ
[সম্পাদনা]ব্যালিস্টিক
[সম্পাদনা]
ক্রজ
[সম্পাদনা]
আন্টি শিপ
[সম্পাদনা]
আন্টি ট্যাঙ্ক
[সম্পাদনা]
সারফেস টু এয়ার
[সম্পাদনা]আন্টি এয়ারক্রাফট
[সম্পাদনা]
আন্টি ব্যালিস্টিক
[সম্পাদনা]
এয়ার টু এয়ার
[সম্পাদনা]
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র
[সম্পাদনা]
রাশিয়া নতুন এক ধরনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র উদ্ভাবন করার দাবি করেছে যার নাম আভনগার্ড হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি চলে শব্দের চেয়ে বিশগুণ বেশি গতিতে। ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮ তে রাশিয়া পরীক্ষামূলকভাবে এই নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। এই পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি উরাল পর্বতমালা থেকে উৎক্ষেপিত হয়ে ছয় হাজার কিলোমিটার দূরে দূরপ্রাচ্যের কানচাকায় গিয়ে আঘাত হানে। হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপনের পর খুব দ্রুত উপরে উঠে আবার দ্রুত নেমে আসে। এরপর আনুভূমিকভাবে বায়ুমন্ডলের মধ্যেই চলতে থাকে এবং চলমান অবস্থাতেও গতিপথ পরিবর্তন করা যায়, যা ব্যালিস্টিক মিসাইল থেকে ভিন্ন।[১]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "রাশিয়ার নতুন হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র যেভাবে বদলে দিতে পারে বিশ্বে সামরিক শক্তির ভারসাম্য"। বিবিসি বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮।
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |