এরিক ফিশার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এরিক ফিশার
এরিক ফিশার.jpg
১৯৫০-এর দশকের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে এরিক ফিশার
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামফ্রেডরিক এরিক ফিশার
জন্ম(১৯২৪-০৭-২৮)২৮ জুলাই ১৯২৪
জনসনভিলে, নিউজিল্যান্ড
মৃত্যু১৯ জুন ১৯৯৬(1996-06-19) (বয়স ৭১)
পালমারস্টোন নর্থ, মানাওয়াতু, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনবামহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ৫৮)
৬ মার্চ ১৯৫৩ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১৫
রানের সংখ্যা ২৩ ৪৮৫
ব্যাটিং গড় ১১.৫০ ২১.০৮
১০০/৫০ ০/০ ০/২
সর্বোচ্চ রান ১৪ ৬৮
বল করেছে ২০৪ ৩১৬৮
উইকেট ৫৩
বোলিং গড় ৭৮.০০ ২৩.২৪
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ১/৭৮ ৮/৩৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/- ৯/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৩ জুলাই ২০১৯

ফ্রেডরিক এরিক ফিশার (ইংরেজি: Eric Fisher; জন্ম: ২৮ জুলাই, ১৯২৪ - মৃত্যু: ১৯ জুন, ১৯৯৬) জনসনভিল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।[১][২][৩] নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৫৩ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওয়েলিংটনসেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ বামহাতি মিডিয়াম বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকরী ব্যাটিংশৈলী উপস্থাপন করতেন এরিক ফিশার

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৫১-৫২ মৌসুম থেকে ১৯৫৪-৫৫ মৌসুম পর্যন্ত এরিক ফিশারের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ১৯৫২-৫৩ মৌসুমে প্লাঙ্কেট শীল্ডে ওয়েলিংটনের সদস্যরূপে খেলেন। ২৭.৬০ গড়ে ১৩৮ রান ও ১০.২০ গড়ে ২৯ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি।তন্মধ্যে, অকল্যান্ডের বিপক্ষে ৪/২৬ ও ৭/৪৮ পান। এছাড়াও, ৬৮ ও অপরাজিত ১৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।[৪] ক্যান্টারবারির বিপক্ষে ৮/৩৪ ও ৩/৩১ পান।[৫]

১৯৫৫-৫৬ মৌসুম থেকে ১৯৬৬-৬৭ মৌসুম পর্যন্ত হক কাপে অংশ নেন। হকস বে, পোভার্টি বে ও সাউদার্ন হকস বে দলের পক্ষে খেলেছেন। এছাড়াও, সেন্ট্রাল ল্যাঙ্কাশায়ার লীগে রোচডেলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।[৬]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন এরিক ফিশার। ৬ মার্চ, ১৯৫৩ তারিখে ওয়েলিংটনে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করা ছিল।

১৯৫৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা দল নিউজিল্যান্ড গমন করে। সিরিজের প্রথম টেস্টে বোলিং উদ্বোধনে নামেন তিনি। মার্চ, ১৯৫৩ সালে অনুষ্ঠিত ঐ টেস্টে তিনি মাত্র এক উইকেট পেয়েছিলেন। খেলায় তার দল ইনিংস ব্যবধানে পরাভূত হয় ও তাকে আর দলে নেয়া হয়নি।

বার্ট সাটক্লিফের আত্মজীবনীকার রিচার্ডে ব্রুক মন্তব্য করেন যে, ‘ঐ সময়ের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে অতিরিক্ত ওজনের কারণে মূল্য প্রদানের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন তিনি।’[৭]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

ঘরোয়া ক্রিকেটে অনিন্দ্যসুন্দর ক্রীড়ানৈপুণ্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৫৩ সালে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট অ্যালমেনাক কর্তৃক বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননায় ভূষিত হন তিনি। ১৮ জুন, ১৯৯৬ তারিখে ৭১ বছর বয়সে মানাওয়াতুর পালমারস্টোন নর্থ এলাকায় এরিক ফিশারের দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. List of New Zealand Test Cricketers
  2. "New Zealand Test Batting Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৯ 
  3. "New Zealand Test Bowling Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৯ 
  4. Wellington v Auckland, 1952-53
  5. Wellington v Canterbury, 1952-53
  6. Wisden 1997, p. 1402.
  7. Richard Boock, The Last Everyday Hero, Longacre, Auckland, 2010, p. 100.

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]