আল শুয়াইবিয়া মসজিদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আল শুয়াইবিয়া মসজিদ
আরবি: جامع الشعيبي‎‎
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিইসলাম
জেলাআল-আকাবা
অঞ্চলপূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয়
অবস্থান
অবস্থানসিরিয়া আল-আকাবা জেলা, আলেপ্পো, সিরিয়া
রাজ্যআলেপ্পো
দেশসিরিয়া
আল শুয়াইবিয়া মসজিদ সিরিয়া-এ অবস্থিত
আল শুয়াইবিয়া মসজিদ
সিরিয়ায় মসজিদের অবস্থান
ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক৩৬°১১′৫৮″ উত্তর ৩৭°০৯′১০″ পূর্ব / ৩৬.১৯৯৩৩১° উত্তর ৩৭.১৫২৭৩৮° পূর্ব / 36.199331; 37.152738স্থানাঙ্ক: ৩৬°১১′৫৮″ উত্তর ৩৭°০৯′১০″ পূর্ব / ৩৬.১৯৯৩৩১° উত্তর ৩৭.১৫২৭৩৮° পূর্ব / 36.199331; 37.152738
স্থাপত্য
ধরনমসজিদ
সম্পূর্ণ হয়৬৩৭
নির্দিষ্টকরণ
গম্বুজসমূহ
মিনারসমূহ

আল শুয়াইবিয়া মসজিদ (আরবি: جامع الشعيبية‎‎) বা আল ওমারি (الجامع العمري) বা আল-তুতেহ (جامع التوتة) বা আল-আতরাস (جامع الأتراس) নামেও পরিচিত সিরিয়ার আলেপ্পোয় অবস্থিত প্রাচীনতম মসজিদ। ৬৩৭ সালে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের প্রাচীনতম মসজিদ। মসজিদটি আলেপ্পোর প্রাচীন শহরের পশ্চিমাংশে বাব আনতাকে নিকটে শহরের ঐতিহাসিক দেয়ালের মধ্যে অবস্থিত। [১][২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

৬৩৭ সালে ইসলামের প্রসারের সময় আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ নেতৃত্বে আলেপ্পোর পতনের পরে আল শুয়াইবিয়া মসজিদটি বাব আনতাকের নিকটে নির্মাণ করা হয়েছে।[২] ১৯৮৬ সালে প্রাচীন শহর আলেপ্পোর অংশ হিসাবে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়। [৩]

সংস্কার[সম্পাদনা]

দশম শতাব্দীতে শিয়া পন্থী আবু হাসান আল-গাদাইরি মসজিদটি সংস্কার করেন।[৪] ১১৫০-এর দশকে জেনগি রাজবংশের শাসক নুরউদ্দিন জেনগি এটিকে শিয়া মসজিদ থেকে শায়খ শুয়াইবের জন্য একটি শাফিঈ মাদ্রাসায় রূপান্তর ও সংস্কার করেন।[৫] মসজিদের প্রাচীরের ১২ শতাব্দীর বহু কুফিক শিলালিপি জন্য মসজিদটি পরিচিত।[১] আয়তক্ষেত্রাকার ছোট মিনারটি ইসলামী স্থাপত্যের ইতিহাসের প্রথম দিকের নকশাগুলিকে প্রতিফলিত করে। ১৪০১ সালে মসজিদটি পনুরায় সংস্কার করা হয়।

আধুনিক যুগে ১৯৮০ এবং ১৯৯০ সালে মসজিদটি সংস্কার করা হয়। [২][৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Raby 2004, পৃ. 295।
  2. "World Beautiful Mosques Pictures"www.beautifulmosque.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-০৫ 
  3. "Al-Shuaibiyah Mosque | Archiqoo"archiqoo.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-০৫ 
  4. Raby 2004, পৃ. 296।
  5. Raby 2004, পৃ. 295, 296।
  6. Alkeltawia:Al-Shuaibiyah Mosque

সূত্র[সম্পাদনা]

  • রাবি, জুলিয়ান (২০০৪)। "Nur Al-Din, the Qstal al-Shu-aybiyya, and the "Classical Revival""। ২১। ব্রিল। 

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]