আলাপ:মুলায়ম সিংহ যাদব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

নাম[সম্পাদনা]

এই ব্যক্তির নাম সর্বত্র "মুলায়ম সিং যাদব" উচ্চারিত হতে শুনেছি (বিবিসি, ভারতীয় হিন্দি টিভি চ্যানেল ইত্যাদি)। তদুপরি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমসমূহের সাইটে (যারা বাংলা ইউনিকোড ব্যবহার করে), সর্বত্র "সিং" বানান দেখি। আদি সংস্কৃত বানানে সিংহ থাকুক বা না থাকুক, তাতে কিছু আসে যায় না, এই ব্যক্তিটির নাম সর্বত্র যদি "সিং" উচ্চারিত হয়, তাহলে আনন্দবাজার বা অন্য কোনো পত্রিকার তা পাল্টানোর অধিকার নেই। এটি সহ অন্য সব "সিং" নামধারী ব্যক্তিদের নিবন্ধের শিরোনাম "সিংহ" বানান থেকে "সিং" বানানে সরানোর প্রস্তাব রাখছি। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ২২:৫৭, ৫ এপ্রিল ২০০৯ (UTC)

কোন আলোচনা না করে সুমঙ্গল একরোখা ভাবে তিনি সকল সিং কে সিংহ করছেনে এবং গান্ধীকে গাধীঁ হিসেবে না লেখার সিদ্ধান্ত হওয়ার পরেও তা নিবন্ধে পরিবর্তন করে গাধীঁ যোগ করেছেন, এ কাজের আমি সরাসরি বিরোধীতা জানাই। তাকে সতর্ক করে দেওয়ার পরেও তিনি এই কাজগুলো করেছেন। রাগিব ভাইয়ের সাথে আমি একমত প্রসন করে আরও একটু যোগ করতে চাই যে, তার সম্পাদনা গুলো আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হোক।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ০৪:২৩, ৬ এপ্রিল ২০০৯ (UTC)
সেই এটা একই সমস্যা আনন্দবাজার। সুমঙ্গল যা করছেন তা আনন্দবাজারের বহিঃপ্রকাশ মাত্র । আমি একটু পুরানো যুগের মানুষ তাই এই সবগুলো চোখে লাগে। আমি রোজ আনন্দবাজার পড়ি কিন্তু তাদের বানানের রীতি ও নীতি কি তা এখনো বুঝে উঠতে পারিনি। সিংহের সিং টাই থাক না। ধন্যবাদ সহ--জয়ন্ত (আলাপ | অবদান) ০৪:৪৯, ৬ এপ্রিল ২০০৯ (UTC)

সিংহ[সম্পাদনা]

সিং-কে সিংহ-এ স্থানান্তরকরণ কোন পত্রিকার বানান অনুসারে হয়নি, হয়েছে প্রতিবর্ণীকরণ অনুসারে। হিন্দিতে সিংহ (सिंह) লিখিত হয় বলেই বাংলাই সিংহ গৃহীত হয়েছে।--ভার্গব চৌধুরী ১৭:২৩, ২৪ এপ্রিল ২০০৯ (UTC)

সিংহ[সম্পাদনা]

সিং-কে সিংহ-এ স্থানান্তরকরণ কোন পত্রিকার বানান অনুসারে হয়নি, হয়েছে প্রতিবর্ণীকরণ অনুসারে। হিন্দিতে সিংহ (सिंह) লিখিত হয় বলেই বাংলাই সিংহ গৃহীত হয়েছে।--ভার্গব চৌধুরী ১৭:২৩, ২৪ এপ্রিল ২০০৯ (UTC)


সবার আগে আপনাকে প্রচলিত নাম বা বানানটিকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে। অন্য যা আছে তা আসবে এর সমার্থক হিসেবে। দয়া করে এ ব্যপারটি লক্ষ্য রাখুন।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৮:০৮, ২৪ এপ্রিল ২০০৯ (UTC)
পূজ্যপাদ বেলায়েত ভাই বারংবার একটি বিষয়ের প্রতি সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করছেন, সেটি হচ্ছে প্রচলিত বানান। উনি আমাকে বানান বিষয়ে কোন সুনির্দিষ্ট রীতি মান্য করার পরিবর্তে বহুল প্রচলিত বানানগুলিকেই অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেছেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে তো আমাদের পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমিকে অমান্য করতে হয়। কারণ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রচলিত বানানকে উপেক্ষা করে একটি সম্পূর্ণ নতুন বিজ্ঞানসম্মত বানানবিধি প্রণয়ন করেছেন যার ফলে বহু শব্দের ক্ষেত্রে প্রচলিত বানান পরিহার করে নবপ্রণীত বানান গৃহীত হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে শ্রেণি এবং কাহিনি শব্দদু’টির উল্লেখ করা যেতে পারে। শ্রেণি শব্দটি একটি তৎসম শব্দ এবং সংস্কৃত ব্যাকরণানুসারে এই বানানটিতে হ্রস্ব ই কার (ি) এবং দীর্ঘ ঈ কার (ী) উভয়ই শুদ্ধ। কিন্তু বাংলা ভাষায় সুদীর্ঘকাল ধরে যে বানানটি প্রচলিত সেটি হল শ্রেণী, শ্রেণি নয়। অথচ আকাদেমি শ্রেণি বানানটিকেই মান্যতা দিয়েছে। আবার কাহিনি শব্দটির কথা যদি ধরি সেটি সম্পূর্ণভাবেই একটি তদ্ভব শব্দ এবং এই বানানে শুধুমাত্র সংস্কৃত বাহিনী-র অনুকরণে প্রযুক্ত হয়েছিল দীর্ঘ ঈ কার (ী)। কিন্তু বর্তমানে আকাদেমি প্রণীত বানানবিধি অনুসারে কাহিনী বানানটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ অথচ বহুল প্রচলিত। আকাদেমি কর্তৃক বানান সংস্কারের পূর্বে শ্রেণি বানানটির তবু আভিধানিক স্বীকৃতি ছিল কিন্তু কাহিনি বানানটির তো কোন অস্তিত্বই ছিল না। কিন্তু তবু এখন পশ্চিমবঙ্গে সর্বক্ষেত্রে কাহিনি বানানটিই ব্যবহৃত হচ্ছে, বহুল প্রচলিত কাহিনী নয়। বহুল প্রচলিত বানান সবসময় নির্দিষ্ট নীতি মেনে চলে না বলেই একটি সুনির্দিষ্ট বানানরীতি প্রবর্তন করে আকাদেমি প্রয়োজনে প্রচলিত বানানকেও বর্জন করেছে কারণ এর অন্যথা হলে বানানে সমতা রক্ষা করা প্রায় দুঃসাধ্য।--ভার্গব চৌধুরী ০৫:৩৭, ২৫ এপ্রিল ২০০৯ (UTC)
যে বানানটি জন মানুষের কাছে পরিচিত এবং যা দিয়ে বেশির ভাগ মানুষ কোন নিবন্ধ অনুসন্ধান করবেন এবং অনুসন্ধানের করে তিনি যে বানাটি আশা করবেন সে কাঙ্খিত বানানটিই তার সামনে থাকা উচিত। উইকিপিডিয়া কোন বানান শুদ্ধকরণ প্রকল্প নয়। যেখান থেকে শুদ্ধ বানান ব্যবহারের সূচনা হবে। উইকিপিডিয়ায় এমন বানানই ব্যবহার করতে হবে যা বাংলা ভাষাভাষীর কাছে কাঙ্খিত। বানান শুদ্ধিকরণ এবং এর প্রচলন এগুলো বাংলা একাডেমী বা এ ধরণের প্রতিষ্ঠানের, উইকিপিডিয়ার নয়। উইকিপিডিয়া কোন অভিধান নয় যে এর সকল বানান এবং শব্দের বানান অবশ্যিক ভাবে শুদ্ধ হতে হবে। উইকিপিডিয়ার নিবন্ধের ব্যাপারে সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি, তাদের আকাঙ্খা ইত্যাদির কথাও বিবেচনা করতে হবে।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৪:৪৯, ২৫ এপ্রিল ২০০৯ (UTC)