আলাপ:বাংলা লিপি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

বর্ণসংখ‍্যা[সম্পাদনা]

নিবন্ধে দেখলাম লিখা বর্ণ ৪৯টা। কিন্তু সেটা কিভাবে লিখা নাই। স্বরবর্ণ অাছে ১১টা, ব‍্যঞ্জনবর্ণ ৩৫টা। বাদবাকি কোন ৩টা বর্ণকে বর্ণমালায় ধরা হচ্ছে? অার এটার সূত্র কি? বাংলা একাডেমী? -Amr (আলাপ) ১৭:৪৬, ১৬ মে ২০১০ (UTC)

চিত্র অপসারন[সম্পাদনা]

পত্রিকা বা অন্য চিত্র দিয়ে অলংকরণ করার কোনো দরকার নেই। কারণ বিভিন্ন জন বিভিন্ন তার পছন্দের ছবি রাখার চেষ্টা করবে। বরঞ্চ এখানে আরো লেখার বাকি আছে।--জয়ন্ত (আলাপ | অবদান) ১৭:১২, ৫ আগস্ট ২০১০ (UTC)

উন্নতিকরণ প্রয়োজন[সম্পাদনা]

বাংলা উইকিতে বাংলা লিপি সংক্রান্ত এই নিবন্ধটিকে মানসম্মত অবস্থায় আনা আশু প্রয়োজন, বিশেষ করে যেখানে আর কিছুদিনের মধ্যেই বাংলা উইকির দশ বছর পূর্ণ হতে চলেছে। সকল সক্রিয় ব্যবহারকারীকে এই বিষয়ে দৃষ্টি দিতে অনুরোধ করি। বোধিসত্ত্ব (আলাপ) ০১:৫৮, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ (ইউটিসি)

আমি এই নিবন্ধের উন্নতির কাজে আছি এখন, আপনার আলোচনার জন্যে ধন্যবাদ্ বব২৬ (আলাপ) ১৬:৫৮, ২০ অক্টোবর ২০১৪ (ইউটিসি)

তথ্যসূত্র কি?[সম্পাদনা]

Gnome-edit-redo.svgAmi.bangali: আপনার এই সম্পাদনাটি ব্যাখ্যা করুন। সিলেটি লিপি ব্রাহ্মী লিপি থেকে তৈরী নবীন সদস্য়| এটি মূলত ইসলামিক সম্প্রদায় হিন্দুয়ানাকে সরাতে আরবি ও ফার্সি মিশিয়ে তৈরী করে| যদিও বর্তমানে বাংলা লিপির ব্যবহার দেখা যাচ্ছে| এই তথ্যটির সূত্র কি? --আফতাব (আলাপ) ১৭:১৫, ৮ আগস্ট ২০১৭ (ইউটিসি)
Gnome-edit-redo.svgAftabuzzaman: লিংক দিলাম https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BF_%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%80 https://en.wikipedia.org/wiki/Brahmic_scripts

সাধারণ বর্ণানুক্রম[সম্পাদনা]

"বাংলা একাডেমী, ব্যবহারিক বাংলা অভিধান--পঞ্চদশ পুনর্মুদ্রণ :মাঘ ১৪১৮/জানুয়ারি ২০১২" এই বইটিতে �'অভিধান ব্যবহার নির্দেশিকা' এর 'তালিকা ১ বাংলা বর্ণানুক্রম' শিরোনামের অধীনে; সাধারণ বর্ণানুক্রম দেয়া আছে -- "অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ প ফ ব ভ ম য র ল শ ষ স হ ড় ঢ় য় ৎ ং ঃ ঁ "

তাহলে বাংলা ৫০ টি বর্ণ একসাথে দেখানো কি ভুল হবে? Masud.pce (আলাপ) ১৩:২১, ১ মার্চ ২০১৮ (ইউটিসি)

বাংলা লিপির উৎপত্তি[সম্পাদনা]

বাংলা লিপির উৎপত্তি ঠিক করা দরকার। এটি যোগ করা কি সঠিক হবে:

"খ্রীঃ পূঃ দ্বিতীয়-প্রথম শতকে ব্রাহ্মী লিপির উত্তর ভারতীয় লিপিরূপ থেকে জন্ম নেয় কুষাণ লিপি, যা থেকে পরে গুপ্ত লিপির উৎপত্তি হয়। গুপ্ত লিপির ক্রমবিবর্তনের ফলে সিদ্ধমাতৃকা বা কুটিল লিপির উৎপত্তি হয়, যার কালক্রমিক পরিণতি থেকে বাংলা লিপি বর্তমান রূপ ধারণ করে"?
সূত্র: https://samakal.com/todays-print-edition/tp-muktomoncha/article/1702270247 (http://archive.is/v1CQc), http://onushilon.org/lipi/lipi_a.htm (এখানে আরো সূত্র দেয়া নিচের দিকে)

নাকি কুষাণ লিপির কথা বাদ দিব? সরাসরি "ব্রাহ্মী লিপির বিবির্তন থেকে পরে গুপ্ত লিপির উৎপত্তি হয়। গুপ্ত লিপির ক্রমবিবর্তনের ফলে সিদ্ধমাতৃকা বা কুটিল লিপির উৎপত্তি হয়, যার কালক্রমিক পরিণতি থেকে বাংলা লিপি বর্তমান রূপ ধারণ করে"? --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ২১:২৯, ১৩ মার্চ ২০১৯ (ইউটিসি)

উৎপত্তি এরকম: ব্রাহ্মী লিপি → কুষাণ লিপি → গুপ্ত লিপি। () গুপ্ত লিপি থেকে হর্ষের সময় আসে সিদ্ধমাতৃকা লিপি, প্রথমদিকে একটা ভুল বোঝাবুঝির দরুণ ঐতিহাসিকরা একে কুটিল লিপি বলতেন। (). চীন-জাপানের সংস্কৃত বৌদ্ধ গ্রন্থাদি এই লিপিতে রচিত। কাম্বোডীয় ও থাই লিপিও সিদ্ধমাতৃকা থেকে এসেছে ()। এই লিপির প্রাচীন-মধ্য-অন্তিম তিনটি রূপ ছিল। পূর্ব ভারতীয় অন্তিম রূপটিকে বলে প্রাক্-বাংলা বা গৌড়ী লিপি (), পাল যুগের তাম্রশাসনগুলি এই গৌড়ী সিদ্ধমাতৃকায় লিখিত। Hrishikes (আলাপ) ০৩:০১, ১৪ মার্চ ২০১৯ (ইউটিসি)
Gnome-edit-redo.svgHrishikes: তাহলে এটি দিব
"খ্রীঃ পূঃ দ্বিতীয়-প্রথম শতকে ব্রাহ্মী লিপির উত্তর ভারতীয় লিপিরূপ থেকে জন্ম নেয় কুষাণ লিপি, যা থেকে পরে গুপ্ত লিপির উৎপত্তি হয়। গুপ্ত লিপির ক্রমবিবর্তনের ফলে সিদ্ধমাতৃকা লিপির বা কুটিল লিপির উৎপত্তি হয়, যার কালক্রমিক পরিণতি থেকে বাংলা লিপি বর্তমান রূপ ধারণ করে"?
বা অন্য কীভাবে সাজিয়ে লিখব তা লিখে দিন। --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ০৩:১০, ১৪ মার্চ ২০১৯ (ইউটিসি)
Gnome-edit-redo.svgআফতাবুজ্জামান: — ঠিক আছে। তবে ক্রমবিবর্তন বোঝাতে ছবি দেওয়া উচিত। ধর্মপালের খালিমপুর লিপি → প্রথম মহীপালের বাণগড় লিপি → বিজয়সেনের দেওপাড়া লিপি। সিদ্ধমাতৃকার (মানে = নিখুঁত লিপি) প্রাচীন রূপটিকে (যা চীন-জাপান গেছে) হর্ষ লিপি বা সিদ্ধং লিপি বলে, hyperlink দেওয়া যেতে পারে। Hrishikes (আলাপ) ০৫:০১, ১৪ মার্চ ২০১৯ (ইউটিসি)
Gnome-edit-redo.svgHrishikes: লেখা বাংলা_লিপি#উৎস ঠিক আছে? --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ২১:১২, ১৪ মার্চ ২০১৯ (ইউটিসি)