আলাপ:বঙ্গাব্দ

    উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

    ভারতের নববর্ষ[সম্পাদনা]

    ভারতে প্রতি বছরের পহেলা বৈশাখ ১৫ এপ্রিলই হয়, এমনটা কোন নিয়ম নেই। ওনারা পঞ্জিকা দেখে ঠিক করেন। বছয় দুয়েক আগে ওরা ওকবার ১৪ তারিখে করেছে। 203.188.254.154 ১৭:২৪, ২ মে ২০০৮ (UTC)

    ঈদের দিন যেভাবে চাঁদ দেখে নির্ধারণ করা হয়, ঠিক সেভাবেই বাংলা তারিখ নির্ধারণ করা হয় সূর্যের অবস্থানের উপর। ঈদের দিন যেভাবে কোনও ইংরেজী তারিখের সাথে নিদিষ্ট করে বেধে দেয়া যায় না বাংলা তারিখও তাই। তবে আধুনিক বিজ্ঞানের কল্যানে আগে থেকে সুর্যের অবস্থান জানা সম্ভব। সূর্য বিভিন্ন রাশিতে প্রবেশেই নির্ধারিত হয় একেকটি মাস। যেমন- ১৩ এপ্রিল রাত ১২টার মধ্যে যদি সূর্য মেষ রাশিতে অর্থাৎ ০ ডিগ্রিতে আসে তাহলে ১৪ই এপ্রিল ১লা বৈশাখ নতুবা ১৫ই এপ্রিল নতুন বর্ষ শুরু হবে। অনেক পূর্বে মার্চ মাসে ১লা বৈশাখ হত। ভবিষ্যতে ১৬ এপ্রিল ১লা বৈশাখ আসবে, যেমন- ১৪৬৬ বঙ্গাব্দ (২০৫৯ খ্রী:), ১৬ এপ্রিল প্রথম বারের মত ১লা বৈশাখ হবে। তাই বাংলা পঞ্জিকা হয়ত গায়ের/ক্ষমতার জোরে পরিবর্তন করানো যাবে, কিন্তু সাধারণ মানুষকে তা পালনে বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঐ তারিখে অনুষ্ঠিত করতে বাধ্য করা যাবে না। দয়া করে বাংলা পঞ্জিকাকে তার সূত্র অনুসারে এবং তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিন। আমি সবার সুবিধার্থে ২০০০ বৎসরের বাংলা পঞ্জিকা গননা করেছি, দয়া করে দেখুন। -ধন্যবাদউত্তম সিংহ (আলাপ)
    উত্তম ভাই, এখানে যেটা গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো প্রমিত ক্যালেন্ডার। বাংলাদেশে সরকারী পর্যায়ে এবং সর্বত্র বাংলা একাডেমীর ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হয়। সাধারণ মানুষ এখন তাই ব্যবহার করে থাকে। কেবল ধর্মীয় কিছু অনুষ্ঠানের জন্য পুরাতন পঞ্জিকা ব্যবহার করা হয়। এখানে আবেগের চেয়ে ফ্যাক্টই মূখ্য। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৪:১৯, ৯ জুন ২০১১ (ইউটিসি)উত্তর দিন[উত্তর দিন]
    রাগিব ভাই, মনে কিছু করবেন না। অপ্রয়োজনীয় হলেও আমি বিস্তারিত আলোচনা করছি হয়ত অনেকে উপকৃত হবেন মনে করে। বাংলাদেশে ১লা বৈশাখ ছাড়া আর কোথাও সরকারীভাবে বাংলা পঞ্জিকা ব্যবহার করা হয় বলে জানা নেই, কিন্তু বাংলাদেশের বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা নিত্য নৈমিত্তিক কাজে বাংলা ব্যবহার করে থাকে। পঞ্জিকা সংস্কারের সময় যারা এর ব্যবহার করেন অর্থাৎ হিন্দু/বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মতামত নেয়া হয়ে ছিল কি? যা হোক,আমার মনে হয় বাংলা পঞ্জিকার সঠিক গননা (ইংরেজীর সাথে সামঞ্জস্য রাখা) সাধারণ জনগনের জানা ছিল না। আর যারা জানতেন তারা কাউকেই শিক্ষা দেননি। এই জন্যই হয়ত অনেকে বাংলা পঞ্জিকা সংস্কারে জোর দিয়েছেন, বা হয়ত আমরা জানার জন্য মনোনিবেশ করিনি। আমি অনেক ঘাটি ঘাটি করে নিম্নের ছক তৈরি করেছি যা থেকে সহজেই মাসের শেষ ও ১ম দিন এবং পরবর্তী বৎসরের প্রথম দিন নির্ণয় করা যায়, স্থান ভেদে ৩/৪ মিনিট বেশ কম হতে পারে।
    সুত্র উদাহরণ: বিগত মাসের শেষ দিন (সংক্রান্তি) ও সময় চলতি মাসের প্রথম দিন মাস

    সংক্রান্তি সময় = বিগত বৎসরের শেষ দিন

    4/14/2007 2:32:42 PM

    4/15/2007

    বৈশাখ

    সংক্রান্তি সময় + 30.93081

    5/15/2007 12:53:04 PM

    5/16/2007

    জ্যৈষ্ঠ

    সংক্রান্তি সময় + 62.35364

    6/15/2007 11:01:56 PM

    6/16/2007

    আষাঢ়

    সংক্রান্তি সময় + 93.9999999999999

    7/17/2007 2:32:42 PM

    7/18/2007

    শ্রাবণ

    সংক্রান্তি সময় + 125.47636

    8/18/2007 1:58:40 AM

    8/19/2007

    ভাদ্র

    সংক্রান্তি সময় + 156.48933

    9/18/2007 2:17:20 AM

    9/19/2007

    আশ্বিন

    সংক্রান্তি সময় + 186.92405

    10/18/2007 12:43:20 PM

    10/19/2007

    কার্তিক

    সংক্রান্তি সময় + 216.3179999

    11/16/2007 10:10:37 PM

    11/17/2007

    অগ্রহায়ণ

    সংক্রান্তি সময় + 246.3153999

    12/16/2007 10:06:53 PM

    12/17/2007

    পৌষ

    সংক্রান্তি সময় + 275.14288

    1/14/2008 5:58:27 PM

    1/15/2008

    মাঘ

    সংক্রান্তি সময় + 305.09428

    2/13/2008 4:48:28 PM

    2/14/2008

    ফাল্গুন

    সংক্রান্তি সময় + 334.91145

    3/14/2008 12:25:11 PM

    3/15/2008

    চৈত্র

    সংক্রান্তি সময় + 365.258756

    4/13/2008 8:45:19 PM

    4/14/2008

    পরবর্তী বত্সরের বৈশাখ

    --ধন্যবাদ উত্তম সিংহ (আলাপ)

    বঙ্গাব্দ এবং ধর্মীয় পর্বাদি[সম্পাদনা]

    বাঙালি হিন্দু এবং বৌদ্ধদের ধর্মীয় উৎসব (সংক্রান্তিতে পালিত উৎসব বাদ দিয়ে) সৌর বঙ্গাব্দানুসারে অনুষ্ঠিত হয় না। এই সকল উৎসব পালিত হয় "সূর্যসিদ্ধান্তে" উল্লিখিত চান্দ্রাব্দানুসারে (অর্থাৎ তিথি মতে)। --সুমঙ্গল, ভারতীয় সময়: সকাল ১০:৩৮, ৪ ফাল্গুন ১৯৩০ শক, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।

    আমার মনে হয় কথাটি পুরাপুরি সত্য নয়, সংক্রান্তি ছাড়াও চৈত্র মাসের শেষ দিন চড়ক পূজা, ভাদ্র মাসের শেষ দিন শ্রীশ্রীবিশ্বকর্মা পুজা, ও কার্ত্তিক মাসের শেষ দিন কার্ত্তিক পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে যা পুরাপুরি সৌর বঙ্গাব্দানুসারে। -উত্তম সিংহ (আলাপ)

    বঙ্গাব্দ[সম্পাদনা]

    বাংলা সন নিবন্ধটির শিরোনাম পরিবর্তিত করে বঙ্গাব্দ করা উচিত। কারণ বাংলা সন অপেক্ষা বঙ্গাব্দ শব্দটিই অধিক শ্রুতিনন্দন এবং লিখিত ভাষার পক্ষে উপযুক্ত।--ভার্গব চৌধুরী ১৭:০২, ৩০ মার্চ ২০০৯ (UTC)

    কেনো? শ্রুতিনন্দন ও লিখিত ভাষার উপযুক্ত -- কীভাবে এটা নির্ধারিত হলো? কে নির্ধারণ করলো? --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৮:২৫, ৩০ মার্চ ২০০৯ (UTC)

    আকবর এবং বঙ্গাব্দ[সম্পাদনা]

    সম্রাট আকবর প্রত্যক্ষভাবে বঙ্গাব্দ সৃষ্টি করেননি। উনি যে অব্দটি প্রচলিত করেছিলেন সেটি হল পারস্যে প্রচলিত সৌরাব্দ তারিখ-ই-ইলাহী। সেই অব্দ প্রচলনের পরে তারই অনুকরণে বাঙালি জ্যোতির্বিদগণ সূর্যসিদ্ধান্ত অনুসারে যে সৌর অব্দ প্রচলন করেন সেটিই হল বঙ্গাব্দ।--ভার্গব চৌধুরী ১৬:৫৪, ৪ এপ্রিল ২০০৯ (UTC)

    ইতিহাস[সম্পাদনা]

    নিবন্ধের ইতিহাস বিভাগটি প্রশাসকদের রিভিউ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। অবিশ্বকোষীয়ভাবে মুহাম্মাদকে "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম" লেখা হয়েছে, এবং বাংলা সনকে "মূলত হিজরী সন" বলে দাবি করা হয়েছে। বাংলা সন অবশ্যই হিজরী সনের সালকে (Year number) ভিত্তি করে প্রবর্তন করা হয়েছিল কিন্তু তাকে কখনওই "মূলত হিজরী সন" বলা যেতে পারে না। এই ব্যাপারটি প্রশাসকদের বিবেচনা করার অনুরোধ করছি। -তৃণাঞ্জন (আলাপ) ১৪:১৭, ৮ জানুয়ারি ২০১৩ (ইউটিসি)উত্তর দিন[উত্তর দিন]

    ইতিহাস অংশটি সংশোধনের আর্জি জানাচ্ছি। ইতিহাস অংশে বঙ্গাব্দের উৎপত্তির প্রথম মত হিসেবে লেখা হয়েছে "১৪ এপ্রিল ৫৯৪" বঙ্গাব্দ সূচিত হয়। কিন্তু উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রবর্তিত সংস্কারকৃত বর্ষপঞ্জী প্রবর্তিত হওয়ার আগে সর্বত্রই সনাতন বাংলা বর্ষপঞ্জী ব্যবহৃত হত। আর এই বর্ষপঞ্জী নিরয়ণ, আর তাই গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডারের মত ঋতুভিত্তিক নয়, ক্রমশ মূল ঋতু থেকে পিছিয়ে যেতে থাকে। বর্তমানে সনাতন বর্ষপঞ্জী অনুসারে পয়লা বৈশাখ পড়ে ১৪/১৫ এপ্রিল। তার মানে ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে তা মার্চ মাসের কোন তারিখে হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাই ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১৪ এপ্রিল কখনওই কোন বিশেষজ্ঞ ঐতিহাসিকের মতে "পয়লা বৈশাখ" হতে পারে না। এছাড়া ইতিহাসের দ্বিতীয় মতে লেখা রয়েছে "ইতোপূর্বে বঙ্গে প্রচলিত শকাব্দ বা শক বর্ষপঞ্চির প্রথম মাস ছিল চৈত্র মাস।" এখানেও উল্লেখ্য যে ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দের আগে ভারতে বা উপমহাদেশের কোথাও সৌর শকাব্দ চৈত্র মাস থেকে শুরু হত না। শুরু হত বৈশাখ মাস থেকে। এবং শকাব্দের ক্যালেন্ডার ও বাংলা ক্যালেন্ডার ছিল অভিন্ন। ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকার শকাব্দকে সংস্কার করার পরেই তা চৈত্র মাস থেকে গণনা করা হয় এবং চৈত্র শুরু হয় সাধারণ বছরে ২২ মার্চ এবং লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষে ২১ মার্চ। আর তথ্যসলূত্র হিসেবে "কোরানের আলো" নামের একটি সাইটের উল্লেখ করা হয়েছে। সাইটটি ঘুরে আসার পর একটাই প্রশ্ন, এরকম একটি সাইটকে নির্ভরযোগ্য ও নিরপেক্ষ তথ্যের উৎস হিসেবে কি আদৌ ভরসা করা যায়? - তৃণাঞ্জন (আলাপ) ১৪:৩৭, ১৩ এপ্রিল ২০১৪ (ইউটিসি)উত্তর দিন[উত্তর দিন]
    তারিখ গণনা আসলেই ভুল হয়েছিল, আমার হিসাবে জুলিয়ান ক্যালেণ্ডারে ১৮ মার্চ হয়।  ঠিক করা হয়েছে। --Aftab1995 (আলাপ) ১৫:২৭, ১৩ এপ্রিল ২০১৪ (ইউটিসি)উত্তর দিন[উত্তর দিন]

    শশাংক কর্তৃক বাংলা সন প্রবর্তন সম্পর্কে[সম্পাদনা]

    প্রাচীন বাংলা ভাষার প্রথম নিদর্শন পাওয়া যায় ৯০০-১০০০ খ্রিস্টাব্দে। তার প্রায় ৪০০ বছর আগে বাংলা সন প্রবর্তন হওয়া কতটা যুক্তি বহন করে??? — 103.230.6.86 (আলাপঅবদান) এই স্বাক্ষরহীন মন্তব্যটি যোগ করেছেন।

    বাংলা সন মানে বাংলা অঞ্চলে প্রচলিত পঞ্জিকা সাল। এর মানে এই নয় যে এটি বাংলা ভাষা প্রচলনের আগে থাকতে পারবেনা। এবং যে বাংলা ভাষার নিদর্শনের কথা বলছেন সেটা বাংলা ভাষার পূর্বপুরুষ, প্রকৃত বাংলা নয়। মেহেদী আবেদীন ১৭:০১, ৫ অক্টোবর ২০২১ (ইউটিসি)উত্তর দিন[উত্তর দিন]

    তথ্য অপসারণ[সম্পাদনা]

    @আফতাবুজ্জামান অনুবাদ করা নতুন সংস্করণ মুছে না ফেলে আগে আলোচনায় এসে একটি উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত বলে মনে করি। অনেক তথ্য বাদ পড়ে গেছে এই কারণ উপযুক্ত নয়। মেহেদী আবেদীন ২২:২৪, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)উত্তর দিন[উত্তর দিন]

    @Mehediabedin পূর্বের সংস্করণে কী ভুল তথ্য ছিল? আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ২২:২৫, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)উত্তর দিন[উত্তর দিন]
    পূর্বের সংস্করণে "বাংলা বর্ষপঞ্জির সংস্কার" নামে অনেক বড় একটি অনুচ্ছেদ ছিল। নতুন সংস্করণে সেটাকে ৫-৬ লাইনে নামিয়ে আনা হয়েছে। "ব্যবহার", "অধিবর্ষ" নামের অনুচ্ছেদ ছিল সেটা বাতিল করে ফেলা হয়েছে। আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ২২:৩০, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)উত্তর দিন[উত্তর দিন]
    @আফতাবুজ্জামান এই অংশটি:
    ৯৯২ হিজরী মোতাবেক ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট আকবর নতুন বর্ষপঞ্জি ‘তারিখ-ই-ইলাহী’ বা ‘ইলাহী সন’ চালু করেন। তবে তিনি ঊনত্রিশ বছর পূর্বে তার সিংহাসন আরোহণের বছর থেকে এ পঞ্জিকা প্রচলনের নির্দেশ দেন। এজন্য ৯৬৩ হিজরী সাল থেকে বঙ্গাব্দ গণনা শুরু হয়। ৯৬৩ হিজরী সালের মুহররম মাস ছিল বাংলা বৈশাখ মাস, এজন্য বৈশাখ মাসকেই বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস এবং ১লা বৈশাখকে নববর্ষ ধরা হয়।
    এখানে একটা ভুল হলো ৯৬৩ হিজরিতে ১ মুহররম শুরু হয় নভেম্বর মাসে। এবং পুরো তথ্যতেই একাধিক ত্রুটি বিদ্যমান। এই তথ্যের বিপরীতে যে সূত্র দেওয়া আছে তা অনিরপেক্ষ ও দূর্বল। তবে নতুন করে নিবন্ধ অনুবাদের কারণ এটাই নয়। আগের সংস্করণে কিছু অপ্রাসঙ্গিক অনুচ্ছেদ রাখা হয়েছে। "সনাতন বাংলা বর্ষপঞ্জি" নামক অনুচ্ছেদে বাংলা বর্ষপঞ্জি সম্পর্কে তথ্য নেই। এখানে সূর্যসিদ্ধান্ত সম্পর্কে লেখা আছে। এই অনুচ্ছেদের প্রয়োজন নেই কেননা নিবন্ধে উল্লেখ করাই আছে যে পুরোনো বাংলা বর্ষপঞ্জি সূর্যসিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে নির্মিত।
    আপনি আমার অনূদিত সংস্করণ মুছতে গিয়ে কিছু প্রয়োজনীয় অনুচ্ছেদ মুছে দিয়েছেন। যেমন আমার সংস্করণে "২০১৮-এর সংস্কার" একটি অনুচ্ছেদ ছিলো যা বঙ্গাব্দের নতুন সংস্কার বর্ণনা করেছে। আবার অনুবাদের সময় আমিও খেয়াল করিনি যে আমি কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ বাদ দিয়েছি। পুরোনো সংস্করণ থেকে "বাংলা বর্ষপঞ্জির সংস্কার" ও "অধিবর্ষ" অনুচ্ছেদ নেওয়া যায়। বাকি অনুচ্ছেদগুলো কিছু তথ্য ভুল ও অস্পষ্ট। (তবে কিছু কিছু বাক্য অন্যান্য অনুচ্ছেদ থেকে আনা যেতে পারে) তাই সবদিক বিবেচনা করে আমার পরামর্শ অনুযায়ী দুটি সংস্করণ একীভূত করার অনুরোধ জানাচ্ছি। মেহেদী আবেদীন ২২:৪৯, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)উত্তর দিন[উত্তর দিন]

    উল্লেখ্য যে "ব্যবহার" অনুচ্ছেদের লেখাগুলো খুবই সাধারণ এবং যে কেউ কমবেশি এর তথ্যগুলো জানে। তাছাড়া অনুচ্ছেদটিতে তথ্যসূত্র দেওয়া নেই৷ তাই আমি মনে করি এই অনুচ্ছেদ না থাকলেও চলে। তবে বাকিরা বা আপনি হয়তো একমত নাও হতে পারেন। মেহেদী আবেদীন ২২:৫২, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)উত্তর দিন[উত্তর দিন]

    @Mehediabedin, ধন্যবাদ। আমি পূর্বের সংস্করণ থেকে কিছু অনুচ্ছেদ এনে যোগ করেছি (আর সংস্কার অংশকে ইতিহাস অংশে নিয়েছি)। সেগুলো কোন লাইন ভুল থাকলে তা ঠিক করা যেতে পারে। আর আমার মনে ব্যবহার অংশ রাখা উচিত এমনকি তা যদি সবার জানা তথ্যও হয়। বাংলা সনের ব্যবহার এখন আর পূর্বের পর্যায়ে যে নেই তা কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য। আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ২৩:০০, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)উত্তর দিন[উত্তর দিন]
    @আফতাবুজ্জামান যেহেতু ইতিহাস অনুচ্ছেদ প্রায় আগের মতই আছে তাই আমার আর কোন আপত্তি নেই৷ তবে আমি বঙ্গাব্দের উৎপত্তি সম্পর্কে কিছু বিশেষজ্ঞদের উক্তি আগের সংস্করণ থেকে আনার চেষ্টা করছি। মেহেদী আবেদীন ২৩:০৪, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)উত্তর দিন[উত্তর দিন]