আলাপ:ইসলাম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ইংরেজি উইকিপিডিয়া ও এই লেখার মধ্যে বিস্তর ফারাক আছে। এটা এভাবেই থাকবে, নাকি ইংরেজিটা হুবহু অনুবাদ শুরু করে দিবো? --Amr ২১:৩৮, ৩০ অক্টোবর ২০০৬ (UTC)

শুরু করে দিন। Be bold. Just feel the need to explain yourself in the talk page. --অর্ণব (আলাপ | অবদান) ০২:০৯, ৩১ অক্টোবর ২০০৬ (UTC)
ইংরেজি উইকিপেডিয়া ও এই লেখার মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকলেও যে আমাদের ইংরেজিটা হুবুহু অনুবাদ করে আগের ভারশন পুরোপুরি মুছে ফেলতে হবে এমন নয়। আমাদের উচিত আগেরটার সাথে একীকরণ করে রিডান্ডেন্ট লাইন গুলো মুছে ফেলা।--বেলায়েত ১৫:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০০৬ (UTC)
ধন্যবাদ, মূল্যবান পরামর্শের জন্য। আগের লেখা রেখে দেয়ার চেষ্টা করা প্রয়োজন। আমি ধরার আগে যা লিখা ছিলো, তার অনেকটাই আমি সাজিয়ে পুনরায় লেখেছি। আর এর প্রবর্তক হিসাবে হযরত মুহাম্মদের (সাঃ) নাম বলা হলেও ইসলামিক অর্থে এটি নতুন কোনো ধর্ম নয় এবং এর আদি প্রবর্তক হচ্ছেন হযরত আদম (আ:)। এর মধ্যে ইসলামিক অর্থে এটি নতুন কোনো ধর্ম নয় এটি ধর্মবিশ্বাসে অন্যভাবে লিখেছি। ইসলাম প্রবর্তক হিসেবে আদমকে দাবী করে কিনা নিশ্চিত হওয়া গেলো না। ঐতিহাসিকভাবে দেখলে আমি বুঝি যে মহানবী ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তবে আমি বুঝলেই তো হবে না। সঠিকটা জানতে হবে, এবং NPOV যথাসাধ্য বজায় রাখতে হবে। প্রবর্তক এর ব্যাপারটি নিশ্চিত হওয়া গেলে আমি এটি ঢুকিয়ে দিবো।
ধর্মবিশ্বাসে আগে যা লিখা ছিলো, তার সবই ভিন্নবাক্যে রয়েছে। আর এর পরের তিনটি পরিচ্ছেদ হুবহু রয়ে গেছে। মনে হয় খুব একটা ক্ষতি করে ফেলি নি।
ধর্ম নিয়ে নিজে থেকে কিছু লিখার ধৃষ্টতা আমার নেই। ইংরেজি উইকিপিডিয়া থেকে অনুবাদ করছি, ওখানে অনেকটা অংশই বিশ্বকোষীয় ভঙ্গিতে লেখা রয়েছে। তবে কয়েকটি অনুচ্ছেদের শেষে এসে কিছু ইসলামি দাবীকে সরাসরি নাকচ করা হয়েছে "কিন্তু ঐতিহাসিকভাবে দেখা গেছে যে এই দাবী সত্য নয়" বলে, অথচ কোন তথ্যসূত্র নেই। এগুলো আমি এখানে নেই নি। ওখানের ইউজারদের আদর্শ সমুন্নত থাকলে ওই লেখাগুলোতে হয় তথ্যসূত্র ঢুকবে, নয়তো লেখাগুলো তুলে ফেলা হবে। আমি বলবো, ধর্ম নিয়ে লেখার ধরনটা ওখান থেকে দেখে শেখা দরকার, কিন্তু অনুবাদ করার সময় যথেষ্ট সাবধান হওয়া প্রয়োজন এবং সন্দেহ থাকলে না নেয়াই উচিত। এর আগে অন্যান্য ধর্ম নিয়ে অল্প যে ক'টি লাইন লিখেছিলাম, পরবর্তীতে তার অনেকগুলোই ইংরেজিটিতে পরিবর্তিত হয়ে গেছে। সবাই ভালো থাকুন। --Amr ০১:১৯, ১ নভেম্বর ২০০৬ (UTC)

বেলায়েত, মুছে দিলেন কেনো ? বিষয়শেণীতো পাঠকের সুবিধার জন্য করা। দুটো থেকেই যদি পাওয়া যায়, পাঠকদের জন্য নিবন্ধ খুঁজে পাওয়াটা সহজ হবে, এই চিন্তা থেকে ইংরেজিটাতে একটু ঘেঁটে দেখলাম ওরাও সব ধর্মকে ঐ ধর্ম এবং ধর্মীয় বিশ্বাস শ্রেণীর ভেতরে রেখেছে। আশা করি আবার ঠিক করে দেবেন। --203.188.250.18 ১৭:১৫, ৫ নভেম্বর ২০০৬ (UTC)

কোন নিবন্ধকে শুধু তার category তে রাখলেই হয় তার parent category তে রাখা লাগে না। যদি রাখা হয় তা আসলে একই কাজ দুবার করা হল। বাংলাউইকিপেডিয়াতে অন্য নিবন্ধ খেয়াল করলে এটা দেখতে পারবেন। ধন্যবাদ।--বেলায়েত ১৭:২৪, ৫ নভেম্বর ২০০৬ (UTC)
অন্যান্য নিবন্ধে এটা করা হয় জানি। আমি নিজেও আগে তাই করতাম। parent & child category, দুটিতেই রাখা হলে একই কাজ দুবার করা হলো বটে। কিন্তু এতে সমস্যাটা কি হলো? বরং সুবিধাইতো হলো। parent category তে না রাখার এই strict policy কি এখানে formally গ্রহণ করা হয়েছে? নিয়মের চেয়ে প্রয়োজনকে বড় করে দেখা উচিত। আমার আগের মন্তব্য পড়ুন - পাঠকের সুবিধা। আসলেই তাই। যে কারণে ইংরেজিটাতে France আছে European countries ও France Category এর ভিতরে, এরা কিন্তু parent & child। ওখানে Qur'an আছে Islamic texts, Qur'an, Spiritual books category এর ভিতরে, এবং এদের সম্পর্ক grand parent অথবা grand grand parent। আমরা Categorize করাটাকে mutually exclusive করে ফেলছি, সে কারণে দেখা যায় আমাদের নিবন্ধগুলোর বিষয়শ্রেণী তালিকা অনেক ছোট। আমি মানি, redundant না করার ব্যাপারটা logical, কিন্তু প্রয়োজনটা বেশি practical। আশা করি এবার উপলব্ধি করবেন। --Amr ১৮:০৪, ৫ নভেম্বর ২০০৬ (UTC)
ধরে নিচ্ছি যুক্তি মানছেন। --Amr ০৮:৫৯, ৭ নভেম্বর ২০০৬ (UTC)
জিনিসটা এভাবে একটা সাধারণ নিয়মের মধ্যে ফেলা যায়ঃ যদি কোন বিষয়শ্রেনী "x"-এ একই "x" নামের নিবন্ধ থাকে, তবে "x" নিবন্ধের বিষয়শ্রেণী হবে Category:x এবং Category:y (যেখানে y হল x বিষয়শ্রেণীর parent category)। ঠিক বললাম? --অর্ণব (আলাপ | অবদান) ০৯:১৭, ৭ নভেম্বর ২০০৬ (UTC)
অনেকটাই। ইংরেজি প্রায় সকল নিবন্ধের জন্য এটা সত্য। আমাদের FA বাংলাদেশ ক্ষেত্রেও এটাই করা হয়েছে। তথাপি, (ভাব নিয়ে বললে) রক্ষণশীল-শিকলের সাথে যুদ্ধ করেই মানুষের কল্যাণের জন্য নিয়মের বিবর্তন হতে থাকবে : )। --Amr ০৯:৫২, ৭ নভেম্বর ২০০৬ (UTC)

কিছু অংশ পুনঃলিখন[সম্পাদনা]

প্রবন্ধের "মুহাম্মদ" অংশে "মুসলমানরা তাকে একজন ধর্ম প্রবর্তক হিসেবে দেখেন না" এবং "তাকে (ইসলামকে) তার আদি ও অকৃত্রিমরূপে" বাক্যদুটির অর্থ ঠিক রেখে ভিন্নভাবে লেখা হয়েছে। এগুলো আমার কাছে কনফিউজিং মনে হয়েছে। "মুসলমানরা তাকে একজন ধর্ম প্রবর্তক হিসেবে দেখেন না" এর পরিবর্তে লেখা হয়েছে "মুসলমানরা তাকে একটি নতুন ধর্মের প্রবর্তক হিসেবে দেখেন না"। মুহাম্মদ (সা:) ইব্রাহীম (আ:) এর একেশ্বরবাদী ধর্মের পুনপ্রবর্তন করেছেন যদিও, কিন্তু সেটাকে "আদি ও অকৃত্রিম" দাবী করাটা ইতিহাস সমর্থন করে না। --hiwamy ১৬:০৮, ২৬ আগস্ট ২০০৭ (UTC)

ঠিক আছে, চমৎকার।--বেলায়েত ১৭:২৯, ২৬ আগস্ট ২০০৭ (UTC)

"ইসলাম ধর্ম" থেকে "ইসলাম" এ স্থানান্তর[সম্পাদনা]

প্রবন্ধটি "ইসলাম ধর্ম" থেকে "ইসলাম" এ স্থানান্তর করা হয়েছে। "ইসলাম" থেকে "ইসলাম ধর্ম" তে redirect করার চেয়ে "ইসলাম ধর্ম" থেকে "ইসলাম"-এ redirect হওয়া বেশী যুক্তিযুক্ত। ইংরেজি এবং অন্যান্য উইকিপিডিয়াতেও ইসলাম সম্পর্কে জানতে redirect হয়ে তারপর মূল প্রবন্ধে প্রবেশ করতে হয়না। "ইসলাম" কে যারা "ইসলাম ধর্ম" তে redirect করেছিলেন তারা সম্ভবত বাংলা ভাষায় অন্যান্য ধর্মের সাথে "ধর্ম" শব্দটির ব্যবহার দেখে এটা করেছেন। কিন্তু "ইসলাম" শব্দটার একটা advantage হচ্ছে "ধর্ম" শব্দটি ছাড়াই এর ভাব প্রকাশ করার ক্ষমতা। --hiwamy ১৬:৫২, ২৬ আগস্ট ২০০৭ (UTC)

দয়াকরে সংশুধন করুন[সম্পাদনা]

মোহাম্মদ (সাঃ) বিষয়ে লিখিত "মুহাম্মদ (সাঃ) ও সর্বোপরি সকল নবী (সাঃ) কখনো ভুল করেননি, এমন বিশ্বাস সুন্নি মতে না থাকলেও'' ক্থাটি ভূল হয়েছে । সুন্নীদের মতে আম্বিয়ারা সকলেই মাছুম তাঁদের কোন ভূল নেই । সুন্নী মতালম্বি সকল ইমামগণ এতে একমত ।প্রয়োজনে তাফসিরে রুহুল মা'আনি, কানযুল ইমান, তফসিরে জালালাইন শরিফ ইত্যাদি গ্রন্থ দেখতে পারেন । nunu (আলাপ) ০২:২২, ১২ এপ্রিল ২০১১ (ইউটিসি)

Good article?[সম্পাদনা]

Can this article be at least promoted to Good Article status?

সালাম[সম্পাদনা]

সালাম জাহিদ বিন শাহআলম (আলাপ) ০৯:৪৫, ২৫ অক্টোবর ২০১৫ (ইউটিসি)

সালাম আরবি শব্দ যার অর্থ শান্তি জাহিদ বিন শাহআলম (আলাপ) ০৯:৪৮, ২৫ অক্টোবর ২০১৫ (ইউটিসি)

বুঝলাম না।কি বলতে চান। `আ হ ম সাকিব (আলাপ) ১৪:১৩, ২৫ জুলাই ২০১৬ (ইউটিসি) আ হ ম সাকিব (আলাপ) ১৪:১৩, ২৫ জুলাই ২০১৬ (ইউটিসি)

নিবন্ধের সংশোধন[সম্পাদনা]

নিবন্ধে অনিরপেক্ষ লেখা, একই লেখা কয়েকবার লেখা, মৌলিক গবেষণা ইত্যাদি সংশোধন করেছি। কেউ পরীক্ষিত করে দিন - Ahmad ০৯:২১, ৬ ডিসেম্বর ২০১৮ (ইউটিসি)

আপনার সংশোধন রিস্টোর করে দিয়েছি। ~ যুদ্ধমন্ত্রী আলাপ ১২:০৬, ৬ ডিসেম্বর ২০১৮ (ইউটিসি)

অপসারণকৃত অংশ[সম্পাদনা]

নিচের অংশটি মৌলিক গবেষণা সন্দেহে নিবন্ধ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। যাচাইয়ের পর নিরপেক্ষভাবে লিখে নিবন্ধে ফিরিয়ে নেওয়া যেতে পারে :

মুসলিমরা বিশ্বাস করে যে, মুহাম্মদ (সাঃ) ও সর্বোপরি সকল নবী ঐশী বাণী প্রচারে কখনো ভুল করেন নি। তবে মানবিক এবং পার্থিব কিছু কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি মানুষ হিসেবে নিজের পক্ষ থেকে মত দিয়েছেন বলে (আহালুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত বা সুন্নীরা) বিশ্বাস করে থাকে। কিন্তু [[শিয়া|শিয়ারা]] মনে করে থাকে, সকল নবী ও তাদের ইমামগণ সর্বাবস্থায় নির্ভুল ছিলেন; যা ধর্মগ্রন্থ কুরআন এবং বিশুদ্ধ হাদিসের বিপরীত। কারণ [[মুহাম্মদ]] (সাঃ) এর সকল প্রকার মানবিক ও পার্থিব সিদ্ধান্তগুলো স্বয়ং আল্লাহ্ শুধরে দিতেন। উদাহরণ হিসেবে নিম্নলিখিত আয়াতটি আলোচনা করা হয়:<ref>[http://www.usc.edu/dept/MSA/fundamentals/pillars/prophets/sinlessnessofprophets.html The Sinlessness of the Prophets in Light of the Qur'an], by R. Azzam, ''USC-MSA Compendium of Muslim Texts'', March 27, 2000, retrieved March 27, 2006</ref>: {{cquote|"হে নবী, আল্লাহ আপনার জন্যে যা হালাল করেছেন, আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্য তা নিজের উপর হারাম করছেন কেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়াময়।" ৬৬:১ <ref name="ফাহদ" />}} এভাবে কুরআনের আরও কয়েক জায়গায় মুহাম্মদের (সাঃ) কাজ শুধরে দেয়া হয়েছে। এই আয়াতগুলো আল্লাহর বাণী নির্ভুল এবং অপরিবর্তিতভাবে প্রচার করার ব্যাপারে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়, কারণ নির্ভুলভাবে প্রচারের ইচ্ছা না থাকলে নিজের অসম্মান হয় এমন কিছুই তিনি প্রচার করতেন না। মুসলিমরা বিশ্বাস করেন, মানুষ হিসেবে সিদ্ধান্ত দিতে হলে মুহাম্মদ (সাঃ) কখনো কখনো ভুল করতেন। কিন্তু ঐশ্বিক বাণী প্রচারের ক্ষেত্রে তিনি কখনো ভুল করেননি। তাঁর জীবনকালে তিনি সম্পূর্ণ আলৌকিকভাবে মেরাজ লাভ করেন।
- Ahmad ১২:৪৯, ৬ ডিসেম্বর ২০১৮ (ইউটিসি)