আতাইকুলা থানা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আতাইকুলা
থানা
আতাইকুলা বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
আতাইকুলা
আতাইকুলা
বাংলাদেশে আতাইকুলা থানার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°০২′ উত্তর ৮৯°২৫′ পূর্ব / ২৪.০৩° উত্তর ৮৯.৪১° পূর্ব / 24.03; 89.41স্থানাঙ্ক: ২৪°০২′ উত্তর ৮৯°২৫′ পূর্ব / ২৪.০৩° উত্তর ৮৯.৪১° পূর্ব / 24.03; 89.41
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগরাজশাহী বিভাগ
জেলাপাবনা জেলা
আসনপাবনা ০১,০৪,০৫ আসন
জনসংখ্যা (২০১১ আদমশুমারী অনুযায়ী)
 • মোট২,২০,০০০
সাক্ষরতার হার
 • মোট৬০%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইটhttp://ataikulapolice.pabnasadar.pabna.gov.bd/

আতাইকুলা থানা পাবনা জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান[সম্পাদনা]

আতাকুলা থানাটি পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা বাজারের পশ্চিমে অবস্থিত।আতাইকুলা থানার পুর্বে সাঁথিয়া উপজেলা,উত্তরে আটঘরিয়া উপজেলা,পশ্চিমে পাবনা সদর উপজেলা,দক্ষিনে সুজানগর উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

আতাইকুলা থানা ৫ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। তার মধ্যে পাবনা সদর উপজেলার ২ টি,সাঁথিয়া উপজেলার ২ টি এবং আটঘরিয়া উপজেলা র ১ টি ইউনিয়ন নিয়ে এই থানা গঠিত। ইউনিয়ন গুলো হলঃ

  1. আতাইকুলা ইউনিয়ন
  2. আর-আতাইকুলা ইউনিয়ন
  3. ভুলবাড়িয়া ইউনিয়ন
  4. সদুল্ল্যাপুর ইউনিয়ন
  5. লক্ষীপুর ইউনিয়ন

ব্যাক্তিত্ব[সম্পাদনা]

ডাঃ স্যামসান এইচ চৌধুরী

অফিস সম্পর্কিত[সম্পাদনা]

অত্র আতাইকুলা থানাটি পাবনা সদর উপজেলার ঠিক পুর্বে পাবনা ঢাকা মহাসড়কের পাশেই আতাইকুলা বাজারের পাশেই ০.৪৭ একর জমির উপর অবস্থিত। একতলা বিশিষ্ট বিল্ডিং। অফিসটি অফিসার-ইনচার্জ এর কক্ষ, ও.সি(তদমত্ম) এর অফিস কক্ষ, উপ-পুলিশ পরিদর্শকগণের কক্ষ এবং সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শকদের কক্ষ সহ একটি হাজত খানা, একটি মালখানা নিয়ে গঠিত। অফিস কক্ষের বাইরে থানা কম্পাউন্ডে অফিসার-ইনচার্জ এর সরকারী বাসা, সেকেন্ড অফিসারের বাসা সহ এস.আই ও এ.এস.আই দের বাসা সহ কনষ্টেবলদের জন্য একটি ব্যারাক আছে।[১]

== প্রকল্প ==[২]

  1. গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল করা।
  2. রাত্রীকালিন রনপাহারা জোরদার করা।
  3. বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেফতার করা।
  4. বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে চিহ্নিত মাধক ব্যাবসায়ীদের গ্রেফতার পূর্বক আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা।
  5. এলাকায় বহিরাগত সন্ত্রাসীদের আগমন রোধকল্পে প্রতিনিয়ত গাড়ী চেকিংয়ের ব্যাবস্থা গ্রহন করা।
  6. থানায় আগত ব্যাক্তিদের প্রয়োজনীয় আইনগত সুবিধা প্রদানে বিশেষ ব্যাবস্থা গ্রহন করা।
  7. স্কুল, কলেজ গামী ছাত্রীরা স্কুল/কলেজে যাতায়াতের সময় কোন বখাটে কর্তৃক যাতে ইভটিজিং এর শিকার না হয় সে জন্য শিক্ষা প্রতিষ্টানে যাতায়াত গামী রাস্তায় ও শিক্ষা প্রতিষ্টানের আশে-পাশে পুলিশি টহল ব্যাবস্থা অব্যাহত রহিয়াছে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে রাস্তার পাশে টানানো সাইন বোর্ডে উল্লেখিত পুলিশ কর্মর্তাদের টেলিফোন নাম্বারে ফোন করে বখাটেদের সম্পর্কে তথ্য দিলে তাহার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।
  8. থানা এলাকায় প্রতিটি হাট/বাজারে কমিটি গঠন করে আইনশৃংখলা সংক্রান্ত সভার মাধ্যমে পাহাড়ার ব্যাবস্থা গ্রহন করা হইয়াছে।
  9. বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান সমূহে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ ও ইভটিজিং সংক্রান্ত সচেতনতামূলক সভা/সেমিনারের মাধ্যমে ছাত্রীদেরকে পুলিশি সহায়তা নেয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান করা অব্যাহত আছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]