আজটেক সাম্রাজ্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


এজটেক সাম্রাজ্য
Triple Alliance

Ēxcān Tlahtōlōyān
১৪২৮–১৫২১
অ্যাজটেক সাম্রাজ্য/আজটেক সাম্রাজ্য/ আজটেকের জাতীয় পতাকা
The example of an Aztec vexilloid
অ্যাজটেক সাম্রাজ্য/আজটেক সাম্রাজ্য/ আজটেকের Triple Alliance glyphic
Triple Alliance glyphic
এজটেক সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ বিস্তার
এজটেক সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ বিস্তার
অবস্থাসাম্রাজ্য
রাজধানীমেক্সিকো-নোচতিৎলান (ডি ফ্যাক্টো)
প্রচলিত ভাষানাহুতল (lingua franca) Also Otomí, Matlatzinca, Mazahua, Mazatec, Huaxtec, Tepehua, Popoloca, Popoluca, Tlapanec, Mixtec, Cuicatec, Trique, Zapotec, Zoque, Chochotec, Chinantec, Totonac, Cuitlatec, Pame, Mam, Tapachultec, Tarascan, among others
ধর্ম
Aztec polytheism
সরকারHegemonic military confederation of allied city-states
Huehuetlatoani of Tenochtitlan 
• ১৪২৭–১৪৪০
Itzcoatl (Alliance founder)
• ১৫২৯–১৫২১
Cuauhtémoc (last)
Huetlatoani of Texcoco 
• ১৪৩১–১৪৪০
Nezahualcoyotl (Alliance founder)
• ১৫১৬–১৫২০
Cacamatzin (last)
Huetlatoani of Tlacopan 
• ১৪০০–১৪৩০
Totoquihuatzin (Alliance founder)
• ১৫১৯–১৫২৪
Tetlepanquetzaltzin (last)
ঐতিহাসিক যুগPre-Columbian era
Age of Discovery
১৩ই মার্চ, ১৪২৮
১৩ আগস্ট, ১৫২১
আয়তন
১৫২০[২]২,২০,০০০ বর্গকিলোমিটার (৮৫,০০০ বর্গমাইল)
মুদ্রা
পূর্বসূরী
উত্তরসূরী
Tenochtitlan
Tlatelolco (altepetl)
Tlacopan
Azcapotzalco
Colhuacan (altepetl)
Texcoco (altepetl)
Chalco (altépetl)
Xochimilco (altépetl)
Xoconochco
নিউ স্পেন
বর্তমানে যার অংশমেক্সিকো
Full list of monarchs at bottom of page.[৩]

এজটেক সাম্রাজ্য, অথবা ত্রৈধ জোট (ধ্রুপদী নাওয়াতল: Ēxcān Tlahtōlōyān, [ˈjéːʃkaːn̥ t͡ɬaʔtoːˈlóːjaːn̥]), (ইংরেজি: Aztec) (১৪২৫-১৫২১) ছিল একটি জোট যা তিনটি নাহুয়া আল্টেপিটল শহর-রাজ্য: মেক্সিকো-তেনোচতিৎলান, টেক্সকোকো, ও তেলাকোপান। ১৪২৮ সালে এই তিনটি শহর-রাষ্ট্র মেক্সিকো এর উপত্যকা পর্যন্ত স্প্যানিশ কনকিসটিডর যৌথ বাহিনী দখল করে এবং তাদের নেটিভ মিত্রদের অধীনে এর্নান কোর্তেস ১৫২১ সালে তাদের পরাজিত করে।

আজটেক সাম্রাজ্য ছিল সমসাময়িককালের মধ্য আমেরিকার সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও ক্ষমতাধারী শক্তি। আদিবাসি আমেরিকানদের এই সাম্রাজ্য পশ্চিমে মেক্সিকো উপত্যকা থেকে পূর্বে মেক্সিকো উপসাগর এবং দক্ষিণে বর্তমান গুয়াতেমালা পর্যন্ত প্রসারিত ছিল। মধ্য আমেরিকার মায়া সভ্যতা থেকে প্রায় পাঁচ শত মাইল পশ্চিমে অ্যাজটেকবাসীরা এক নতুন সভ্যতার উন্মেষ ঘটায়। আজকের মেক্সিকো সিটি যেখানে সেখানেই অবস্থিত প্রাচীন অ্যাজটেক সাম্রাজ্যেরর গোড়াপত্তন হয়। এরা মেক্সিকোর আরো উত্তরের জনগোষ্ঠী ছিল। ত্রয়োদশ শতাব্দিতে এরা মেক্সিকোর জলাশয়ের একটি দ্বীপে আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে বসত শুরু করে। তাদের প্রথম রাজার নাম টিটোন। তাদের রাজধানী ছিল তেনোচিটিলান। ১৫২১ সালে স্পেনের নাবিক হার্মান্দো কোর্টেস মেক্সিকো স্পেনীয়রা দখল করে নিলে এই সাম্রাজ্যের অবসান ঘটে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কোডেক বোটুরিনির প্রথম পাতা, মেক্সিকো এর অভিপ্রয়াণ দেখানো হচ্ছে

এজটেক সাম্রাজ্যের আগে[সম্পাদনা]

১৮ শতাব্দীর গোড়ার দিকে নাহুয়া জনগন উত্তর দিক থেকে মধ্য মেক্সিকোতে স্থানান্তরিত হয়।

এজটেক যুদ্ধ[সম্পাদনা]

আজটেক সভ্যতা[সম্পাদনা]

আজটেক জাতি ছিল সুসংহত, কৃষিপ্রধান ও ধর্মনিয়ন্ত্রিত। ১৩ শতকের প্রথম দিকে এরা উত্তর দিক থেকে এসে মেক্সিকো উপত্যকায় বসতি স্থাপন করে। মেক্সিকো উপত্যকা ও তার আশেপাশের অঞ্চলে এসে তারা প্রথমে বেশ কয়েকটি স্বাধীন নগররাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা করে। এইসব ছোট ছোট নগররাষ্ট্রগুলি ছিল মূলত রাজতান্ত্রিক। এই অঞ্চলে আজটেক জাতির লোকেরা আসার আগে থেকেই যে সব শহর ও বসতি ছিল, ধীরে ধীরে তারাও আজটেক সংস্কৃতির সাথে একাত্ম হয়ে যায়।

রাজধানী[সম্পাদনা]

ধীরে ধীরে আজটেকদের সংখ্যা বাড়তে থাকে; ছোট্ট গ্রাম থেকে টেনোচতিৎলান একটি বড় শহরে পরিণত হয়। আজটেকরা শক্তিশালী সেনাবাহিনীও গঠন করে। রাজধানী টেনোচতিৎলানই ছিল এ অঞ্চলের সকল ব্যবসা বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। ঔ সময় প্রায় ২০ লক্ষ অধিবাসি নিয়ে টেনোচতিৎলান শহর ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহরগুলোর মধ্যে একটি।

ধর্ম[সম্পাদনা]

আজটেকরা প্রকৃতি পূজা করত। তারা ভূমি, বৃষ্টি ও সূর্যকে দেবতা মনে করত এবং দেবতাকে সন্তুষ্ট করতে মানুষ বলি দেয়া অপরিহার্য মনে করত। তারা বিশ্বাস করত সূর্যকে প্রতিদিন সন্তুষ্ট করতে না পারলে পরের দিন আর সূর্য উঠবে না। সাধারণত বলি হিসেবে কয়েদিদের ব্যবহার করা হত এবং আজটেক যাজকরাই একাজ সম্পন্ন করত।

কৃষি ও অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃষিকাজ ছিল আজটেক অর্থনীতির প্রধান চালিকা। মেক্সিকো উপত্যকার এ অববাহিকা ছিল পাঁচটি হ্রদের সংযোগস্থলে। তাই অতি উর্বর ও চাষ উপযোগী হলেও যথেষ্ট পরিমাণ জমি এখানে ছিল না। আজটেকরা পাহাড়ের ঢাল কেটে সেখানে চাষাবাদ শুরু করে। জমির সর্বো্চ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে তারা পানিসেচসার দেয়া শুরু করে। তাদের সবচেয়ে বড় কৌশল ছিল ভাসমান কৃত্রিম দ্বীপ। তারা খাগড়া বুঁনে বিশাল আস্তরন তৈরি করে ও তার উপর মাটি স্তূপ করে এ কৃত্রিম দ্বীপ বানাতো। পরে এগুলো তারা হ্রদের পানিতে ছেড়ে দিত। এ কৃত্রিম দ্বীপে তারা শস্য, শাক-সবজি ইত্যাদি চাষ করতে সমর্থ হয়।

আজটেকদের কোন চাকাযুক্ত বাহন কিংবা বহনকারী জন্তু ছিল না, তারা কাঁধে করে বা ডিঙি নৌকায় করে মালপত্র আনানেয়া করত। বিপজ্জনক জায়গাগুলোতে বণিকবহরের সাথে সৈন্যবাহিনী থাকত। সাম্রাজ্যের বাইরে কোন কোন বণিক গুপ্তচর হিসেবেও কাজ করত।

শিল্প-সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

মেক্সিকো সিটিতে আজটেক দিনপঞ্জি বা আজটেক ক্যালেন্ডার

আজটেকদের শিল্প-সংস্কৃতিতে ধর্মীয় ধ্যান-ধারণার প্রভাব ছিল লক্ষণীয়। গাছের বাকল ও দেয়ালে তারা চমৎকার রঙের চিত্রকর্মের মাধ্যমে ধর্মীয় আচার অণুষ্ঠান, দেবতাদের প্রকাশ করত।

আজটেক সভ্যতার অন্যতম নিদর্শন হচ্ছে আজটেক দিনপঞ্জি বা আজটেক ক্যালেন্ডার। এ দিনপঞ্জি ছিল একটি সুবিশাল পাথরের উপর খোদাই করা যার ভর ২২ মেট্রিক টন এবং ব্যাস ৩.৭ মিটার (১২ ফুট)। এ দিনপঞ্জি দিয়ে তারা পুরা মহাবিশ্বের প্রতীক হিসেবে চিন্তা করত, যার কেন্দ্রে ছিল সূর্য। সূর্যের চারপাশে বিভিন্ন দিন ও বিভিন্ন স্বর্গ চক্রাকারে সাজানো।

আজটেকরা পিকটোগ্রাফ বা চিত্র দ্বারা ভাব প্রকাশ ও বাণিজ্য সম্পন্ন করত। তারা চিত্রের মাধ্যমেই গণনা করত; যা ছিল সংখ্যা ‘২০’ কে ভিত্তি করে। একটি পতাকার ছবি দ্বারা কোন কিছুর পরিমাণ ২০টি বোঝানো হত, একটি দেবদারু গাছের ছবি দ্বারা তার ২০ গুন অর্থাৎ ৪০০ বোঝানো হত, একটি থলের ছবি দ্বারা তারও ২০ গুন অর্থাৎ ৮০০০ বোঝানো হত।

হাতিয়ার ও সরঞ্জাম[সম্পাদনা]

আজটেকরা হিসেবে তারা সাদামাটা হাতে তৈরি হাতিয়ার দিয়ে দৈনন্দিন কাজকর্ম করত। মহিলারা তুলা থেকে সূতা এবং সূতা দিয়ে তারা কাপড় বুনতে জানত। তারা কাপড়ে রঙ করে ও সেলাই করে বিভিন্ন নকশা অঙ্কন করত। তারা আগুনে পুড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের মাটির পাত্রও তৈরি করতে পারত। পাত্রগুলো সাদা বা লাল রঙের হতো এবং এগুলোতে সাদা-কালো নকশা আঁকা হত।

ধাতুবিদ্যা[সম্পাদনা]

সমসাময়িক অন্যান্য জাতির লোকেরা লোহাব্রোঞ্জের ব্যবহার জানলেও আজটেকরা এগুলো ব্যবহার জানত না। কোনকিছু কাটার কাজে তারা বিভিন্ন ধরনের ধারালো শিলা ব্যবহার করত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ঈগলের নখরবন্দি সাপ, যা এখনও মেক্সিকোর জাতীয় প্রতীক

আজটেক সম্যাজ্য সূচনা হবার অনেক আগে থেকেই মেক্সিকো উপত্যকা ছিল পূর্নাঙ্গ সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র। উর্বর অববাহিকার এই উপত্যকা ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৪০০ মি উচ্চতায় এবং পাঁচটি হ্রদের সংযোগস্থলে। ১০০ থেকে ৬০০ সাল পর্যন্ত এ অঞ্চলে টিওটিহুকানরা (Teotihuacán) শাসন করে। টিওটিহুকানদের পতনের পর টলটেক (Toltec) জাতি উত্তরাঞ্চল থেকে এসে মধ্য মেক্সিতোতে বসবাস শুরু করে। এ জাতি দশম ও একাদশ শতাব্দিতে ব্যাপক উন্নতি অর্জন করতে সমর্থ হয়। ত্রয়োদশ শতাব্দিতে নাহুতলভাষি (Nahuatl) মিত্রবাহিনী তাদের আক্রমণ করে এবং মেক্সিকো উপত্যকা দখল করে নেয়। এ মিত্রবাহিনীর নেতৃত্বে ছিল মেক্সিকা জনগোষ্ঠী। নাহুতলভাষি এ জনগোষ্ঠীই পরবর্তীকালে আজটেক নামে পরিচিতি পায়।[৪]

কথিত আছে, আজটেকরা যখন মেক্সিকো উপত্যকায় আগমন করে তখন এক স্থানে এক ক্যাকটাসের উপর ঈগলের নখরবন্দি অবস্থায় একটি সাপ দেখতে পায়। ঔ স্থানেই তারা সভ্যতার সূচনা করে যা পরবর্তীতে তেনোচতিৎলান (Tenochtitlán) শহরে পরিণত হয়। সাপ ও ঈগল এখনও আধুনিক মেক্সিকোর জাতীয় প্রতীক এবং জাতীয় পতাকা ও মুদ্রায় প্রতীকগুলো খুজেঁ পাওয়া যায়।

স্প্যানিশ অধিক্রমণ[সম্পাদনা]

১৫১৯ সালে ভ্রমণকারি হার্নান কোর্টেস প্রায় ৫০০ জনের এক স্প্যানিশ বাহিনী নিয়ে স্বর্নের সন্ধানে এ অঞ্চলে এসে পৌছায়। কোর্টেস আজটেকদের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্লাক্সালান জাতির সাথে আঁতাত করে টেনোচতিৎলান প্রবেশ করার পরিকল্পনা করে। ট্লাক্সালান জাতির প্রায় ৪০০০ লোক স্প্যানিশ বাহিনীর সাথে যোগ দেয়। আজটেক বাহিনীর তুলনায় এ সংখ্যা ছিল নগণ্য। ৮ই নভেম্বর ১৫১৯ সালে আজটেক সম্রাট দ্বিতীয় মন্টেজুমা স্প্যানিশদের অভিপ্রায় জানার জন্য তাদেরকে আক্রমণ না করে অণুপ্রবেশ করার সুযোগ দেয়।

স্প্যানিশ বিপুল পরিমাণ স্বর্নের খোঁজ পেয়ে এ অঞ্চল থেকে স্পেনে পাঠানো শুরু করে। শান্তিপূর্ণ অবস্থা স্বত্বেও হার্নান কোর্টেস বিশ্বাস করত আজটেকরা এ অঞ্চল থেকে একসময় বিতাড়িত করবে। তাই সাবধানতা হিসেবে তারা আজটেক সম্রাট দ্বিতীয় মন্টেজুমাকে গ্রেফতার করে এবং স্প্যানিশ রাজার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। প্রায় ছয় মাস পর, এক ধর্মীয় সমাবেশে ২০০ জন গুরুত্বপূর্ণ আজটেক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। ফলশ্রুতিতে আজটেক সৈন্যবাহিনী স্প্যানিশদের টেনোচতিৎলান শহর থেকে বের করে দেয়ার জন্য লড়াই শুরু করে। তারা শহরের সেতুগুলো ধ্বংস করে ও স্প্যানিশদের বিতাড়িত করে হ্রদের দিকে নিয়ে যায়। অতিরিক্ত স্বর্ণের ভারে স্প্যানিশ বাহিনীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ লোক পানিতে ডুবে মারা যায়।

হার্নান কোর্টেস পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়। হার্নান কোর্টেস এবার তার বিপুল পরিমাণে আদিবাসি আমেরিকানদের আজটেকদের বিরূদ্ধে একত্রিত করে। ধাতব অস্ত্র ও গোলাবারুদে সমৃদ্ধ স্প্যানিশ বাহিনীর সাথে এবার আর পেরে উঠে না আজটেকরা। স্প্যানিশরা পুরো সাম্রাজ্য দখল করে নেয় এবং টেনোচতিৎলান শহরের পতন ঘটে। টেনোচতিৎলান শহরের পতনের ফলে সর্বশেষ আদিবাসি আমেরিকান সভ্যতা হিসেবে আজটেক সভ্যতারও পতন ঘটে|

টেনোচতিৎলান শহরের ধ্বংসাবশেষের উপরে স্প্যানিশরা মেক্সিকো সিটি তৈরি করে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভবন মন্টেজুমার প্রাসাদের উপরই তৈরি হয়েছে।

পাদটীকা[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "El tributo a la Triple Alianza"Arqueología Mexicana। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। 
  2. Rein Taagepera (সেপ্টেম্বর ১৯৯৭)। "Expansion and Contraction Patterns of Large Polities: Context for Russia"International Studies Quarterly41 (3): 497। doi:10.1111/0020-8833.00053জেস্টোর 2600793। সংগ্রহের তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  3. Smith 2009
  4. Campbell 1997
  • নিবন্ধের অধিকাংশ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা-তে Aztec Empire নিবন্ধ থেকে তথ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। ব্রিটানিকার "সফ্‌টওয়্যার সংস্করণ ২০০৭" থেকে এই তথ্যগুলো নেয়া হয়েছে। এছাড়া মাঝে অন্য কোথাও অন্য কোন সূত্র ব্যবহার করলে সেগুলো সাথে সাথে উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে।

বহিসংযোগ[সম্পাদনা]