নরবলি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আযটেক সভ্যতায় নরবলির কাল্পনিক চিত্র

নরবলি হলো দেবতাকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা ঐশ্বরিক অনুগ্রহ প্রাপ্তির আশায় কিংবা ক্রুদ্ধ দেবতাকে শান্ত করার লক্ষ্যে মানুষ হত্যা। এটি একটি প্রাচীন ধর্মীয় সংস্কার যা বিভিন্ন সভ্যতায় অঙ্গীভূত ছিল কিন্তু আধুনিক সভ্যতায় অবসিত হয়েছে।[১] পৃথিবীর প্রধান ধর্মসমূহে নরহত্যা তথা নরবলির বিধান নেই, বরং নরহত্যা নিষিদ্ধ। নরহত্যার সঙ্গে নরবলি'র পার্থক্য হলো নরবলি সামাজিকভাবে অনুমোদিত মানুষ হত্যা যার উদ্দেশ্য দেবতাদের সন্তুষ্টি অর্জ্জন। পাঁচ হাজার বছর আগে আদি ইয়োরোপের কৃষিভিত্তিক সমাজে নরবলির ব্যাপক প্রচলন ছিল।[২]অপরাধের কারণে বিচারাদেশ অনুযায়ী হত্যা বা দেবতার সন্তুষ্টি অর্জ্জনের জন্য আত্মহত্যা নরবলি হিসাবে গণ্য নয়।

নরবলি চল ছিল এমন কয়েকটি সভ্যতা হলো নিম্নরূপ[৩]: খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫০০-১১০০ সাল ব্যা্পী ক্যানানাইটিস, খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০-১০০ সাল ব্যাপী এত্রুস্ক্যানস্‌, খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০-১ সাল ব্যাপী কেল্টস্‌ এবং ৫০০ থেকে ১৫০০ খ্রিস্টাব্দ অবধি বিস্তৃত আযটেক সভ্যতা। কখনো কখনো গণ নরবলিও সংঘটিত হতো, যেমন ফেরাউনদের রাজত্ব কালে। নরবলিতে নির্গত রক্তকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হতো; নরবলির রক্ত দিয়ে উপাসনা স্থান পরিষ্কার করণের রীতিও প্রচলিত ছিল।।[৪] মায়া সভ্যতায় শিরশ্ছেদের সঙ্গে সঙ্গে উৎসর্গীকৃত ব্যক্তির হৃৎপিণ্ড বের করে ফেলার রীতি ছিল।[৫]

নরবলির বিভিন্ন পদ্ধতি[৬][সম্পাদনা]

বিবর্তন ও প্রেক্ষাপট[সম্পাদনা]

আঞ্চলিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রাচীন অদূর পূর্ব[সম্পাদনা]

ইউরোপ[সম্পাদনা]

চীন[সম্পাদনা]

তিব্বত[সম্পাদনা]

ভারত[সম্পাদনা]

প্যাসিফিক[সম্পাদনা]

প্রাক কলম্বীয় আমেরিকা[সম্পাদনা]

পশ্চিম আফ্রিকা[সম্পাদনা]

প্রধান ধর্মের মধ্যে এর বিরোধিতা[সম্পাদনা]

ইহুদী ধর্ম[সম্পাদনা]

খ্রিস্ট ধর্ম[সম্পাদনা]

ইসলাম[সম্পাদনা]

পূর্বাঞ্চলীয় ধর্ম[সম্পাদনা]

নরবলির অভিযোগ[সম্পাদনা]

সমসাময়িক নরবলি[সম্পাদনা]

এশিয়া[সম্পাদনা]

সাব সাহারান আফ্রিকা[সম্পাদনা]

ইউরোপ[সম্পাদনা]

চিলি[সম্পাদনা]

আনুষ্ঠানিক হত্যা[সম্পাদনা]

কথাসাহিত্যে নরবলি[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

পাদটিকা[সম্পাদনা]

বই[সম্পাদনা]

সাময়িকী নিবন্ধ[সম্পাদনা]

  • Michael Winkelman, Aztec Human Sacrifice: Cross-Cultural Assessments of the Ecological Hypothesis, Ethnology, Vol. 37, No. 3. (Summer, 1998), pp. 285–298.
  • R.H. Sales, Human Sacrifice in Biblical Thought, Journal of Bible and Religion, Vol. 25, No. 2. (Apr., 1957), pp. 112–117.
  • Brian K. Smith; Wendy Doniger, Sacrifice and Substitution: Ritual Mystification and Mythical Demystification, Numen, Vol. 36, Fasc. 2. (Dec., 1989), pp. 189–224.
  • Brian K. Smith, Capital Punishment and Human Sacrifice, Journal of the American Academy of Religion 2000 68(1):3–26.
  • Robin Law, Human Sacrifice in Pre-Colonial West Africa, African Affairs, Vol. 84, No. 334. (Jan., 1985), pp. 53–87.
  • Th. P. van Baaren, Theoretical Speculations on Sacrifice, Numen, Vol. 11, Fasc. 1. (Jan., 1964), pp. 1–12.
  • Heinsohn, Gunnar: “The Rise of Blood Sacrifice and Priest Kingship in Mesopotamia: A Cosmic Decree?” (also published in Religion, Vol. 22, 1992)
  • J. Rives, Human Sacrifice among Pagans and Christians, The Journal of Roman Studies, Vol. 85. (1995), pp. 65–85.
  • Clifford Williams, Asante: Human Sacrifice or Capital Punishment? An Assessment of the Period 1807–1874, The International Journal of African Historical Studies, Vol. 21, No. 3. (1988), pp. 433–441.
  • Sheehan, Jonathan, The Altars of the Idols: Religion, Sacrifice, and the Early Modern Polity, Journal of the History of Ideas 67.4 (2006) 649–674 ("Project MUSE - Journal of the History of Ideas - The Altars of the Idols: Religion, Sacrifice, and the Early Modern Polity"। Muse.jhu.edu। সংগৃহীত ২০১০-০৫-২৫ )
  • Harco Willems, Crime, Cult and Capital Punishment (Mo'alla Inscription 8), The Journal of Egyptian Archaeology, Vol. 76, (1990), 27–54.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]