অনন্ত প্রেম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
অনন্ত প্রেম
অনন্ত প্রেম.jpg
অনন্ত প্রেম চলচ্চিত্রের পোস্টার
পরিচালকরাজ্জাক
প্রযোজকরাজ্জাক
চিত্রনাট্যকাররাজ্জাক
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকারআজাদ রহমান
চিত্রগ্রাহকরেজা লতিফ
পরিবেশকরাজলক্ষী প্রডাকশনস
মুক্তি১৮ মার্চ, ১৯৭৭
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা ভাষা

অনন্ত প্রেম ১৯৭৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশী বাংলা ভাষার প্রণয়ধর্মী চলচ্চিত্র[১] ছায়াছবিটি প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছেন চিত্রনায়ক রাজ্জাক। এটি নায়ক রাজ্জাক পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র।[২] এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ববিতা, রাজ্জাক, এটিএম শামসুজ্জামান, ব্ল্যাক আনোয়ার, খলিল উল্লাহ খান। এই চলচ্চিত্রের জন্য চিত্রায়িত হয়েছিল বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের প্রথম চুম্বন দৃশ্য, কিন্তু তা পরবর্তীতে বাদ পড়ে।[৩] চলচ্চিত্রটি ৩য় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে একটি বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে।[৪]

কাহিনী সংক্ষেপ[সম্পাদনা]

রাজ্জাক, এটিএম শামসুজ্জামান, ব্ল্যাক আনোয়ার, খলিল চার বন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে ববিতা। খলিল পছন্দ করে ববিতাকে কিন্তু সে প্রেমের প্রস্তাব সাড়া দেয় না। বন্ধুদের এ কথা জানালে তারা একটা উপায় খুঁজে বের করে। পরিকল্পনা অণুযায়ী তারা ববিতাকে একটি নির্জন স্থানে আক্রমণ করে ও তাকে বাঁচাতে আসে খলিল। সাজানো মারপিটে বন্ধুদের হারিয়ে ববিতাকে উদ্ধার করে এবং বাড়ি পৌঁছে দেবার নাম করে নির্জন স্থানে তাকে ধর্ষণ করতে উদ্যত হলে ববিতা চিৎকার করে। চিৎকার শুনে বন্ধুরা চলে আসে এবং সত্যিকারে মারপিটে রাজ্জাকের হাতে খলিল খুন হয়। খলিলের লাশ গাড়িতে করে নিয়ে ববিতাকে বাড়ি পৌঁছে দেয় কিন্তু ফেরার পথে তারা তিনজন পুলিশের কাছে ধরা পরে। পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যায় রাজ্জাক। অন্যদিকে ববিতাও সৎ মায়ের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। দুজনের ট্রেনে আবার দেখা হয় এবং পালিয়ে যান এক পাহাড়ি এলাকায়। সেখানে একে অপরের প্রেমে পরে যান। অপরদিকে জেল থেকে পালানোর পথে এটিএম শামসুজ্জামান ও ব্ল্যাক আনোয়ার পুলিশের গুলিতে মারা গেলে আসল ঘটনার কোন সাক্ষী থাকে না।

শ্রেষ্ঠাংশে[সম্পাদনা]

সঙ্গীত[সম্পাদনা]

অনন্ত প্রেম ছায়াছবিটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন আজাদ রহমান। গীত রচনা করেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিনখুরশিদ আলম

গানের তালিকা[সম্পাদনা]

নং.শিরোনামকণ্ঠদৈর্ঘ্য
১."ও চোখে চোখ পড়েছে যখনি"সাবিনা ইয়াসমিনখুরশিদ আলম৪:২০

পুরস্কার[সম্পাদনা]

৩য় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারঃ

  • বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক (সাদাকালো) - রেজা লতিফ

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ভালোবাসার ১০টি চলচ্চিত্র"দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা, বাংলাদেশ। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৬ 
  2. চিন্ময় মুৎসুদ্দী (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "বাংলা চলচ্চিত্রে প্রেম"রাইজিংবিডি। ঢাকা, বাংলাদেশ। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. শান্তা মারিয়া (১ আগস্ট ২০১৪)। "হারিয়ে যাওয়া চুম্বন"বিডিনিউজ। ঢাকা, বাংলাদেশ। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৬ 
  4. রাশেদ শাওন (অক্টোবর ২৪, ২০১২)। "চার দশকে আমাদের সেরা চলচ্চিত্রগুলো"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ২৮ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]