সুবর্ণা মুস্তাফা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(সুবর্ণা মোস্তফা থেকে ঘুরে এসেছে)
সুবর্ণা মুস্তাফা
জন্ম (১৯৫৯-১২-০২) ২ ডিসেম্বর ১৯৫৯ (বয়স ৫৪)
ঢাকা, পূর্ব পাকিস্তান (এখন বাংলাদেশ)
জাতীয়তা বাংলাদেশী
শিক্ষা এমএ (ইংরেজি)
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
পেশা অভিনেত্রী
কার্যকাল ১৯৭৮–বর্তমান
দম্পতি হুমায়ুন ফরীদি (-২০০৮; তালাকপ্রাপ্ত)
বদরুল আলম সৌদ (২০০৮-বর্তমান)
পিতা-মাতা গোলাম মুস্তফা

সুবর্ণা মুস্তাফা বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য অভিনেত্রী। তিনি প্রখ্যাত অভিনেতা গোলাম মুস্তাফার মেয়ে[১] এবং ক্যামেলিয়া মোস্তফার বোন। বাংলাদেশের নাট্যজগতে সুবর্ণা এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন। আশির দশকে তিনি ছিলেন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী। বিশেষ করে আফজাল হোসেন এবং হুমায়ুন ফরীদির সাথে তার জুটি ব্যাপক দশক সমাদর লাভ করে। সুবর্ণা মঞ্চ এবং চলচ্চিত্রেও প্রচুর অভিনয় করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে ডিগ্রী লাভ করেন।

চলচ্চিত্রে আগমন[সম্পাদনা]

১৯৮০ সালে সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী পরিচালিত ‘ঘুড্ডি’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র জগতে আসেন। তবে তিনি নিয়মিত গড়পড়তা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেননি। কিছু জীবন ঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন। তবে মূলধারার কিছু সিনেমাতেও তাঁর উপস্থিতি লক্ষ্যণীয়। ‘নয়নের আলো’ সিনেমাতে তার অভিনয় সব শ্রেণীর দর্শককে নাড়া দিয়েছিল। দর্শকদের মাঝে ছিল তার ঈর্ষনীয় জনপ্রিয়তা। অনেকের মতে চেহারায় বাঙালি রমনীর শাশ্বত সৌন্দর্যের মৌন রূপ স্পষ্ট এবং স্মিত যৌন আবেদন ও রহস্যময় ঘরানার সৌন্দর্য তার সামগ্রিক সৌন্দর্যকে প্রায় ক্ল্যাসিক রূপ দিয়েছে। আবার অনেকে মতে টিভি পর্দায় তিনি যতটা ভরাট, আকর্ষণীয়, চলচ্চিত্রের পর্দায় তিনি অতটা নন। ১৯৮৩ সালে ‘নতুন বউ’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি শ্রেষ্ঠ সহ-অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পান।[১]

উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

  • নয়নের আলো
  • ঘুড্ডি (১৯৮০)
  • নতুন বউ (১৯৮৩)
  • লাল সবুজের পালা
  • সুরুজ মিয়া
  • ফুলের মালা
  • স্ত্রী
  • অপহরণ
  • বাংলার কমান্ডার
  • পালাবি কোথায়
  • ফাঁসি

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ রহমান, মোমিন; হোসেন, নবীন (১৯৯৮)। "বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তারকা নায়িকাঃ পপি থেকে পপি"। অন্যদিন ,ঈদ সংখ্যা (মাজহারুল ইসলাম) (২৫): ৩৫২। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]