হাদীছের তত্ত্ব ও ইতিহাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হাদীছের তত্ত্ব ও ইতিহাস
হাদীছের তত্ত্ব ও ইতিহাস.jpg
হাদীছের তত্ত্ব ও ইতিহাস বইয়ের প্রচ্ছদ
লেখকনূর মুহাম্মদ আজমী
ভাষাবাংলা
বিষয়হাদিসের ইতিহাস
ধরনহাদিস
মিডিয়া ধরনপ্রিন্ট, পিডিএফ

হাদীছের তত্ত্ব ও ইতিহাস হাদিসের ইতিহাস সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বই। তবে বইটিতে বাংলাদেশে ইসলামি শিক্ষার প্রভাব বিস্তার ও প্রসার। বাংলাদেশের আলিয়া ও কওমি মাদ্রাসার ইতিহাস এসব বিষয়ও সবিস্তারে বর্ণনা করা আছে। বইটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে, বাংলাদেশের আলিয়া মাদ্রাসাসরকারি কলেজসমূহের স্নাতক শ্রেণীতে পড়ানো হয়।[১] এছাড়াও বইটি এদেশের ইসলামি গবেষণার ক্ষেত্রে প্রামাণ্য দলিল হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বইটি লিখেছেন ফেনী আলিয়া মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ, মিশকাত শরীফের বাংলা অনুবাদক মাওলানা নূর মুহাম্মদ আজমী[২]

বই পরিচিতি[সম্পাদনা]

নূর মুহাম্মদ আজমী ১৯৬৫ সালে বইটি লিখেন। ২০০৮ সালের মার্চ মাসে এমদাদিয়া পুস্তকালয় বইটির ২য় মুদ্রণ বের করে। বইটি লিখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষাবিদগনের নিকট থেকে সাহায্য নেওয়া হয়েছে। বইটি লিখতে ৫৪টি বই থেকে তথ্যসূত্র নেওয়া হয়েছে।

বিষয়বস্তু[সম্পাদনা]

বইটি মূলত ২টি খণ্ড একত্রিত করে প্রকাশ করা হয়েছে। বইয়ের ১ম খণ্ডে ৪টি অধ্যায় ও ২য় খণ্ডে ২টি অধ্যায় রয়েছে। দুই খণ্ডের এই বইতে উপমহাদেশের আলেমদের হাদিস চর্চা, হাদিসের মৌলিক বিষয়বস্তু, উপমহাদেশের হাদিসের শিক্ষা ব্যবস্থা। আলিয়া ও কওমি আলেমদের হাদিস নিয়ে গবেষণা ও কার্যক্রম প্রভৃতি বিষয়ও আলোচনা হয়েছে।[৩]

১ম খণ্ড[সম্পাদনা]

১ম খণ্ডের ৪টি অধ্যায়ের মধ্যে ১ম অধ্যায়ে হাদিসের সংজ্ঞা, হাদিসের প্রকারভেদ, হাদিসের সংখ্যা, সাহাবাদের সংখ্যা, বিশিষ্ট কিছু হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ২য় অধ্যায়ে শরিয়তে সুন্নাহের অবস্থান, সুন্নাহ সম্পর্কে ইমামগণের ধারণা, একজন রাসুলের দায়িত্ব প্রভৃতি বিষয় আলোচনা হয়েছে। ৩য় অধ্যায়ে সাহাবাদের হাদিস সংকলন, সাহাবাদের হাদিসের প্রচারণা চালানো, সাহাবাদের হাদিসের অনুসরণ এই সমস্ত বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। ৪র্থ অধ্যায়ে জাল হাদিস ও জাল হাদিস চিনার উপায় বা জাল হাদিস থেকে পরিত্রাণ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।[৪]

২য় খণ্ড[সম্পাদনা]

বইটির ২য় খণ্ডে ২টি অধ্যায় রয়েছে। প্রথম অধ্যায়ে ৭টি স্তরে রয়েছে, আর ২য় অধ্যায় মূলত উপসংহার মূলক বক্তব্য। প্রথম অধ্যায়ে উপমহাদেশে হাদিস চর্চা, হাদিসের আগমন, ও এই অঞ্চলের আলেমদের ইসলাম ও হাদিস চর্চা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বইটিতে মূলত ইসলামের ইতিহাস ব্যপকভাবে আলোচনা করা হয়েছে।[৪]

শিক্ষাবিদদের মন্তব্য[সম্পাদনা]

বইটি পড়ে অনেক গুণী ব্যক্তি বিভিন্ন প্রশংসামূলক মন্তব্য করেছেন, সেগুলোর মধ্যে দুইটি মন্তব্য দেখুন:

বইটি পড়ে মুহাম্মাদ শহিদুল্লাহ বলেছেন,[৪]

বইটি পুরোপুরি পড়ে শামসুল হক ফরিদপুরী বলেছেন,

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "জাতীয় বিশ্ববিদ্যাল্যের ৩য় বর্ষের সিলেবাস" (PDF)জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ 
  2. Tajul, Islam। "আলিয়া মাদরাসার অজানা ইতিহাস (১ম পর্ব)"Komashisha। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১২-২৩ 
  3. "হাদীছের তত্ত্ব ও ইতিহাস - মাওলানা নূর মোহাম্মদ আজমী রহ."www.rokomari.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১২-২৩ 
  4. "প্রাথমিক কথা| হাদীসের তত্ত্ব ও ইতিহাস | পাঠাগার"www.pathagar.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১২-২৩