সোজন বাদিয়ার ঘাট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

সোজন বাদিয়ার ঘাট পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। গ্রাম বাংলার অপুর্ব অনবদ্য রুপকল্প এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়। সোজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যের প্রধান চরিত্র সোজন ও দুলী। [১]

চরিত্র পরিচিতি[সম্পাদনা]

"দুলি" হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায় নমু গোত্রের এক লোক গদাই নমুর মেয়ে। দুলি মেয়েটির গায়ের রঙ কালো, তবে চেহারার গড়ন অনন্য।  তার রূপের কদর করতে গিয়ে কবি বলেছেন "সোনা রূপার গয়না তাহার পড়িয়ে দিলে গায়। বাড়তো না রূপ,অপমানই করা হতো তায়!" দুলি স্বভাবত বেশ চঞ্চল এবং ভবঘুরে স্বভাবের  ছিলো। বেথুল তুলে, ফুল কুড়িয়ে, ফলের ডাল ভেঙ্গে এবং সারাটি গ্রাম টহল দিয়ে তার দিন কেটে যেতো। মাঝে মাঝে সে তার পুতুলের বিয়ে দিতো, এবং গায়ের  অনেক কিশোর কিশোরীকে নিমন্ত্রণ করতো। আর তার এসব কাজের সবচাইতে বড় সহযোগী ছিলো "সোজন"! সে একজন মুসলিম পরিবারের ছেলে। তার বাবার নাম ছিলো ছমির শেখ। সেও যেন দুলিরই এক অন্য সংস্করণ। দুলির মতো সেও ছিলো ভবঘুরে স্বভাবের। সারাদিন ভর সেও বনে বাদাড়ে ঘুরে বেড়াতো। গাছে গাছে ফল পাকুর পারতো এবং পাখির বাসার সন্ধান করতো। বাসায় গিয়ে দেখতো কয়টা ছানা ফুটেছে। তার রূপের ছটা সম্পর্কে ওতটা না জানা গেলেও জানা যায় তার মাথায় বাবরি চুল ছিলো।



কাহিনীবিন্যাস[সম্পাদনা]

"সোজন বাধিয়ার ঘাট" কাব্যগ্রন্থে মোট ছয়টি পর্ব। কবি জসীমউদ্দিন এই ছয় পর্বকে ভিন্ন নামে আখ্যায়িত করেছেন। যথা:- নমুদের কালো মেয়ে, নীড়, পলায়ন, পূর্বরাগ, বেদের বহর, বেদের বসাতি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "একনজরে পল্লীকবি"। ২০ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩