সিংহভূম জেলা
অবয়ব
| সিংভূম জেলা | |||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির জেলা | |||||||||
| ১৮২০–১৯৪৭ | |||||||||
|
পতাকা | |||||||||
ভারতের ইম্পেরিয়াল গেজেটিয়ার এর ১৯০৯ সালের মানচিত্রে সিংভূম জেলা | |||||||||
| রাজধানী | চাইবাসা | ||||||||
| আয়তন | |||||||||
• ১৯০১ | ১০,০৭৮ বর্গকিলোমিটার (৩,৮৯১ বর্গমাইল) | ||||||||
| জনসংখ্যা | |||||||||
• ১৯০১ | ৬১৩৫৭৯ | ||||||||
| ইতিহাস | |||||||||
• সিংভূমের রাজা হয়ে ওঠেন ব্রিটিশদের সামন্ত | ১৮২০ | ||||||||
• স্বাধীনতা-উত্তর সিংভূম জেলা | ১৯৪৭ | ||||||||
| |||||||||
সিংভূম ছিল ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির ছোট নাগপুর বিভাগের একটি জেলা। এটি বর্তমান ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের অংশ। চাইবাসা ছিল জেলা সদর। ছোট নাগপুর মালভূমির দক্ষিণ সীমায় অবস্থিত সিংভূম জেলায় এর দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত কোলহান এস্টেটও অন্তর্ভুক্ত ছিল।[১] বর্তমানে জেলাটি ঝাড়খণ্ডে তিনটি জেলায় বিভক্ত। সেগুলো হলো: পূর্ব সিংভূম, পশ্চিম সিংভূম এবং সরাইকেল্লা খরসোয়া জেলা। এটি ভারতের অন্যতম তামা উৎপাদনকারী অঞ্চল।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Imperial Gazetteer of India, v. 23, p. 1."। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০২১।