সাপ্তাহিক ২০০০

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সাপ্তাহিক ২০০০
সাপ্তাহিক ২০০০ লোগো.jpg
সাপ্তাহিক ২০০০ প্রচ্ছদ.jpg
ধরনসাপ্তাহিক সংবাদপত্র (বিলুপ্ত-২০১৪)
প্রধান সম্পাদকশাহাদাত চৌধুরী (প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক)
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৯৮; ২৩ বছর আগে (1998)
ভাষাবাংলা

সাপ্তাহিক ২০০০ বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ধারার সাপ্তাহিক পত্রিকা। এটি ট্রান্সকম গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত হত। এটি ম্যাগাজিন আকারে, অর্থাৎ ডাবলডিমাই ১/৪ আকারে মুদ্রিত হয়। পৃষ্ঠা সংখ্যা ৬৪। কথাসাহিত্যিক মইনুল আহসান সাবের এই পত্রিকাটির সম্পাদক হিসাবে নিয়োজিত ছিলেন।[১][২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সাপ্তাহিক ২০০০ ১৯৯৮ সালে চালু করা হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন শাহাদাত চৌধুরী। ম্যাগাজিনটির প্রকাশক ছিলেন ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম। ১২ মার্চ ২০০৫ সালে,পত্রিকাটির চট্টগ্রাম সংবাদদাতা সুমি খান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কাছ হুমকি পান। সুমির একটি নিবন্ধ এতে প্রকাশের পরে এই হুমকি পান, যাতে তিনি জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীকে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছিলেন।

২০০৭ সালে ম্যাগাজিনটি দাউদ হায়দারের লেখা একটি আত্মজীবনীমূলক নিবন্ধ প্রকাশ করেছিল; লেখক দাউদ হায়দার ১৯৭৩ সালে ইসলামের সমালোচনা করার জন্য বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত। দাউদ হায়দারের লেখা প্রকাশের পর আল জামিয়া আল ইসলামিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজা ম্যাগাজিনটি, ম্যাগাজিনের সম্পাদক গোলাম মর্তুজা এবং প্রকাশক মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে বাংলাদেশ সরকার দাউদ হায়দারের লেখা প্রকাশিত হওয়ার সংখ্যাটি বাজেয়াপ্ত করে, এছাড়া ম্যাগাজিনের সম্পাদক প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল করিম ম্যাগাজিনটির নিবন্ধ প্রকাশের সমালোচনা করে।

২৯ অক্টোবর ২০১৪ সালে ম্যাগাজিনের সম্পাদক মঈনুল আহসান সাবের ঘোষণা দেন যে ৩১ অক্টোবরের পরে এই পত্রিকাটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।[৩] লোকসানে কারণে প্রকাশক মাহফুজ আনাম এই পত্রিকাটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Shaptahik 2000, Anandadhara celebrate 12th anniversary"archive.thedailystar.net। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-২১ 
  2. "Shaptahik 2000 closed after 17 years"ঢাকা ট্রিবিউন। ২০১৪-১০-৩০। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-২১ 
  3. "জনপ্রিয় সাপ্তাহিক ২০০০ বন্ধ ঘোষণা"www.jugantor.com। ৩১ অক্টোবর ২০১৪। 

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]