সশস্ত্র সীমা বল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
Sashastra Seema Bal
সংক্ষেপণ SSB
নীতিবাক্য Service, Security and Brotherhood
সংস্থা পরিদর্শন
গঠিত 1963
কর্মকতারা 76,337 active personnel[১]
বার্ষিক বাজেট ৪,৯২৯.৯০ কোটি (US$৬৮৫.৯৮ মিলিয়ন) (2018-19)[২]
আইনি ব্যক্তিত্ব বেসরকারি: সরকারি সংস্থা


অধিকারভুক্ত অঞ্চলের কাঠামো
কেন্দ্রীয় সংস্থা IN
পরিচালকবর্গ Ministry of Home Affairs (India)
উপকরণের গঠন Sashastra Seema Bal Act, 2007
সাধারণ প্রকৃতি
অপারেশনাল কাঠামো
প্রধান কার্যালয় New Delhi
Minister দায়ী Amit Shah, Union Home Minister
সংস্থা কার্যকরী Kumar Rajesh Chandra, IPS[৩], Director General, SSB
উর্ধ্বস্থ সংস্থা Central Armed Police Forces
ওয়েবসাইট
www.ssb.nic.in


সশস্ত্র সীমা বল (সংক্ষেপে SSB) একটি ভারতীয় আধা-সামরিক বাহিনী, বর্তমানে ভারত-নেপাল ও ভারত-ভুটান সীমা প্রহরার কাজে নিয়োজিত। ভারত-চীন যুদ্ধের পর ১৯৬৩ সালের ১৫ই ফেব্রূয়ারী তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল এবং ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর তদানীন্তন অধিকর্তা ভোলানাথ মল্লিক এই সংস্থাটি স্থাপন করেন। তখনকার নাম ছিল স্পেশাল সার্ভিস ব্যুরো। (তবে বর্তমানে প্রতিষ্ঠাদিবস পালিত হয় ২৭শে মার্চ।)

প্রাক্তন ভূমিকা[সম্পাদনা]

আগে এসএসবি ছিল ভারতের সরকারি গেরিলা বাহিনী। উদ্দেশ্য ছিল ভবিষ্যতে বিদেশি আক্রমণে সেনাবাহিনী পরাজিত হয়ে পশ্চাদপসরণ করলে এসএসবি পিছিয়ে থেকে গ্রামবাসীদের সঙ্গে মিলিতভাবে আগ্রাসী বিদেশি বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। মার্কিন গ্রীন বেরেট ও বিভিন্ন ব্রিটিশ স্টে-বিহাইণ্ড গ্রুপের (যথা স্পেশাল এয়ার সার্ভিস, যারা প্রথমদিকে এসএসবিকে প্রশিক্ষণও দিয়েছে) আদর্শে তৈরি হয় এই বাহিনী। কথিত আছে স্পেশাল স্টে-বিহাইণ্ড গ্রুপের সংক্ষেপ হিসেবে প্রথমে এসএসবি শব্দটি চালু হয়। এর নিম্নতম একক ছিল গ্রুপ। গ্রাম থেকে নেওয়া স্বেচ্ছাসেবক ও এসএসবির সামরিক অংশের জওয়ানদের নিয়ে তৈরি গ্রুপের দায়িত্বে থাকতেন বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন স্বেচ্ছাসেবক গ্রুপ লিডার। সেসময় ভারতের সমগ্র সীমান্ত এলাকা জুড়ে এসএসবি বহু গুরুত্বপূর্ণ কার্যকলাপ চালিয়েছে। বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীর প্রশিক্ষণেও ভূমিকা ছিল এসএসবির।

প্রশাসনিক কাঠামো[সম্পাদনা]

প্রথমে এসএসবি গঠিত হয় ক্যাবিনেট সচিবালয়ের সুরক্ষা মহাধিকরণের অঙ্গ হিসেবে। পদাধিকারবলে সেসময় সুরক্ষা মহাধিকর্তার দায়িত্ব সামলাতেন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর অধিকর্তা। পরে ১৯৬৮ সালে ভারতের গুপ্তচর সংস্থা রিসার্চ অ্যাণ্ড অ্যানালিসিস উইং বা র প্রতিষ্ঠিত হলে র-সচিবকে সুরক্ষা মহাধিকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়। সুরক্ষা মহাধিকরণে ছিল তিনটি সংস্থা : এসএসবি, এআরসি (অ্যাভিয়েশন রিসার্চ সেন্টার)ও এসএফএফ (স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স)। ২০০১ সালের ১৫ই জানুয়ারি এসএসবিকে ক্যাবিনেট সচিবালয়ের সুরক্ষা মহাধিকরণ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে স্থানান্তরিত করা হয় এবং আগের ভূমিকা পরিবর্তন করে সীমা-প্রহরার দায়িত্ব দেওয়া হয়। আগে এসএসবি-তে ছিল দশটি ডিভিশন বা বিভাগ; তার জায়গায় এখন আছে পাঁচটি ফ্রন্টিয়ার বা সীমান্ত: লখনউ, পাটনা, শিলিগুড়ি, গুয়াহাটি এবং রানিখেত।

বর্তমান ভূমিকা[সম্পাদনা]

বর্তমানে এসএসবির দায়িত্ব নেপাল ও ভুটান সীমান্তে বেআইনী চলাচল,চোরাকারবারি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কাজকর্ম প্রতিহত করা এবং সীমান্তবাসীদের জন্য নানারকম জনকল্যাণমূলক কাজ করা, যাতে সীমান্তবাসীদের মনে ভারত সরকারের প্রতি আস্থা থাকে।

  1. "Force Profile- SSB Ministry Of Home Affairs, Govt. Of India"www.ssb.nic.in 
  2. "Info" (PDF)www.indiabudget.gov.in। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৯ 
  3. "Kumar Rajesh Chandra Appointed Director-General of SSB"business-standard। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০১৯