শাওমি
চীনের বেইজিংয়ে অবস্থিত শাওমির প্রধান সদরদপ্তর | |
স্থানীয় নাম | 小米集团 |
|---|---|
| ধরন | পাবলিক কোম্পানি |
| আইএসআইএন | KYG9830T1067 |
| শিল্প |
|
| প্রতিষ্ঠাকাল | ৬ এপ্রিল ২০১০ |
| প্রতিষ্ঠাতা | লে জুন |
| সদরদপ্তর | বেইজিং , |
বাণিজ্য অঞ্চল | বিশ্বব্যাপী |
প্রধান ব্যক্তি |
|
| পণ্যসমূহ |
|
| মার্কাসমূহ | |
| আয় | (২০১)[১] |
| মোট সম্পদ | |
| মোট ইকুইটি | |
কর্মীসংখ্যা | ৩৩,৪২৭ (৩১ ডিসেম্বর ২০২১)[১] |
| অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান |
|
| ওয়েবসাইট | www |
| শাওমি | |||||||||
| চীনা | 小米 | ||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| আক্ষরিক অর্থ | Millet | ||||||||
| |||||||||

শাওমি করপোরেশন (ইংরেজি: Xiaomi Corporation) (চীনা: 小米) লেই জুন কর্তৃক ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি চীনা ইলেকট্রনিকস কোম্পানি, যার সদরদপ্তর চীনের বেইজিংয়ে অবস্থিত। শাওমি স্মার্টফোন, মোবাইল অ্যাপলিকেশন, ল্যাপটপ, ব্যাগ, ট্রিমার, ইয়ারফোন, মি টেলিভিশন, জুতো, স্বাস্থ্য ব্যান্ড এবং অন্য অনেক পণ্যে বিনিয়োগ করে।[২][৩] ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় ৪৬৮তম অবস্থানে আসা সবচেয়ে কনিষ্ঠ কোম্পানি শাওমি। [৪] শাওমিকে অ্যাপল অফ চীন (Apple of China) বলা হয়[৫] কারণ, এর স্মার্টফোনগুলো অনেক স্বল্প মূল্যে অ্যাপল এর মত ফিল দিতে পারে।
শাওমি এর প্রথম স্মার্টফোন বাজারে ছাড়ে আগস্ট ২০১১ সালে এবং ২০১৪ এর মধ্যে অতিদ্রুত বাজার দখলের মাধ্যমে এটি চীনের সবচেয়ে বড় স্মার্টফোন কোম্পানিতে পরিণত হয়। ২০১৮ এর দ্বিতীয় অংশে শাওমি এর সবচেয়ে বড় দুটো বাজার চীন এবং ভারতে এর অবস্থানের জন্য হয়ে উঠে পৃথিবীর চতুর্থ সবচেয়ে বড় স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক।[৬] পরবর্তীতে শাওমি আরও অনেক ভোক্তা ইলেকট্রনিকস পণ্য উন্নয়ন করে, যার মধ্যে রয়েছে স্মার্ট হোম যন্ত্র সহ বিভিন্ন ইন্টারনেট অব থিংস পণ্য।
চীন, ভারত, মালেশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া ফিলিপাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা সহ বিভিন্ন দেশে সব মিলিয়ে শাওমির প্রায় ১৬,০০০-এরও বেশি কর্মী রয়েছে। শাওমি পৃথিবীর চতুর্থ সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি উদ্যোগ, যার মোট মূল্য রয়েছে $৪৬ বিলিয়নেরও বেশি।
শাওমি ২০১৮ সালের ১৭ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা শুরু করে। ইতোমধ্যেই ব্র্যান্ডটি দেশের বাজারে বিভিন্ন মডেলের স্মার্টফোন এনেছে। ২০২৪ সালে শাওমি বাংলাদেশের "মোস্ট লাভড স্মার্টফোন ব্র্যান্ড" বা বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড পায়।[৭]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]শাওমি ২০১০ সালের ৬ এপ্রিল আটজন সহযোগীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিলো। প্রথম ধাপের অর্থায়নে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা তেমাসেক হোল্ডিংস, সিঙ্গাপুরের সরকারি মালিকানাধীন একটি বিনিয়োগ কোম্পানী, চীনা ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড আইডিজি(IDG) ক্যাপিটাল, কাইমিং ভেঞ্চার পার্টনারস [৮] এবং মোবাইল প্রসেসর ডেভেলপার কোয়ালকমকে অন্তর্ভুক্ত করে। ২০১০ সালের ১৬ আগস্ট তারিখে, শাওমি আনুষ্ঠানিকভাবে এর প্রথম অ্যান্ড্রয়েড-ভিত্তিক ফার্মওয়্যার এমআই ইউআই চালু করে।[৯] ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারজাত শুরু করে শাওমি।[১০]
পরবর্তীতে শাওমি দ্রুতগতিতে বিভিন্ন খাতে নিজেদের বিস্তার ঘটাতে শুরু করে।
২০২১ সালে শাওমি ঘোষণা করেছিলো যে আগামী দশ বছরে তারা ইলেকট্রিক গাড়ির ক্ষেত্রে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। এই ঘোষণা কোম্পানিকে বৈদ্যুতিক যানবাহনের বাজারে একটি সম্ভাবনাময় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে [১১] [১২]।
২০২২ সালে তারা ইলেকট্রনিক চিপ ডিজাইন এবং উৎপাদনের জন্য Zhuhai Xinshi Semiconductor প্রতিষ্ঠা করে। এই পদক্ষেপ শাওমিকে সেমিকন্ডাক্টর খাতে একটি কৌশলগত অবস্থানে নিয়ে আসে [১৩]।
২০২৩ সালে তাদের নতুন অপারেটিং সিস্টেম HyperOS চালু হয়। এটি MIUI, Vela OS এবং বিভিন্ন IoT ও গাড়ি-সংক্রান্ত সিস্টেমকে একত্রিত করে। এরপর ২০২৫ সালের জুলাই মাসে HyperOS 2.2 গ্লোবালভাবে উন্মুক্ত করা হয় [১৪]।
২০২৪ সালের শুরুর দিকে শাওমির প্রথম স্ব-চালিত ইলেকট্রিক গাড়ি SU7 বাজারে আসে। স্বল্প সময়ের মধ্যেই এই গাড়িটি বিপুল সাড়া ফেলে এবং ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৫৮ হাজার ইউনিট সরবরাহ করা হয় [১৫] [১৬]।
২০২৫ সালের মে মাসে তাদের দ্বিতীয় বৈদ্যুতিক গাড়ি YU7 উন্মোচন করা হয়। এই গাড়িটি সরাসরি টেসলার মডেল ওয়াই এর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বাজারে আসে। উন্নত রেঞ্জ, গতি এবং দ্রুত চার্জিং প্রযুক্তির কারণে এটি বেশ আলোচিত হয় [১৭] [১৮]।
একই বছরের আগস্টে স্মার্টফোন বিক্রয় এবং ইভি ব্যবসার প্রবৃদ্ধির কারণে শাওমির দ্বিতীয় প্রান্তিকের রাজস্ব ৩০.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। ইভি ব্যবসাও ক্ষতি কমিয়ে ধীরে ধীরে লাভের কাছাকাছি পৌঁছাতে শুরু করে [১৯] [২০]।
পাশাপাশি শাওমি তাদের নিজস্ব XRING O1 চিপ তৈরির ঘোষণা দেয়। এই উদ্যোগ কোম্পানির উচ্চ মাত্রার ভার্টিকাল ইন্টিগ্রেশন কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে [২১] [২২]।
ব্যবসার পলিসি
[সম্পাদনা]শাওমি স্মার্টফোন বিক্রির ক্ষেত্রে, শাওমি অন্যান্য স্মার্টফোন নির্মাতা যেমন- স্যামসাং এবং অ্যাপল থেকে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকে। লেই জুন, শাওমির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) উল্লেখ করেন যে, কোম্পানিটি ফোনের দাম প্রায় তৈরি খরচের সমানই রাখে,[২৩] যদিও এ ক্ষেত্রে ফোনের গুণগত মান এবং কর্মক্ষমতা অন্যান্য প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের তুলনায় কোনও অংশে কম নয়। কোম্পানিটি এছাড়াও ফোন সংক্রান্ত অন্যান্য পেরিফেরাল ডিভাইস, স্মার্ট হোম পণ্য, অ্যাপস, অনলাইন ভিডিও এবং থিম ইত্যাদি বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করে থাকে।
প্রস্তুতকেন্দ্র
[সম্পাদনা]এর মূল প্রস্তুতকেন্দ্রগুলো চীনে অবস্থিত হলেও , এখন ভারতে মোবাইলের কারখানা করেছে। নয়ডায় , চিত্তুর জেলা-র শ্রী সিটিতে ও কাঞ্চীপুরম জেলা-র শ্রীপেরুম্বুদুরে স্মার্টফোন ও পাওয়ার ব্যাংক প্রস্তুতকেন্দ্র রয়েছে। [২৪] এছাড়াও, এই কারখানাগুলো শুধু তৈরি নয়, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভারতে তৈরি স্মার্টফোনগুলো স্থানীয় বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত পৌঁছে যায়। কিছু বিশেষ সংস্করণ শুধু ভারতীয় গ্রাহকদের জন্যই উত্পাদিত হয়। এছাড়াও, এই উদ্যোগের ফলে স্থানীয় কর্মসংস্থান এবং দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
পণ্যসমূহ
[সম্পাদনা]শাওমির বিভিন্ন ধরনের পণ্য তৈরি করে, তবে এর মধ্যে মোবাইল ফোন, টিভি এবং রাউটার উল্লেখযোগ্য।[২৫] শাওমির মোবাইল ফোন এবং টিভি উন্নত প্রযুক্তি ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের সমন্বয়ে তৈরি। রাউটারগুলো দ্রুত ও স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন কাজকে সহজ করে।
ল্যাপটপ
[সম্পাদনা]মি নোটবুক এয়ার
[সম্পাদনা]শাওমি তাদের প্রথম আল্ট্রাবুক মি নোটবুক এয়ার এর মাধ্যমে চীনের কম্পিউটারের বাজারে প্রবেশ করে।
শাওমি মোবাইল ফোন সিরিজসমূহ
[সম্পাদনা]শাওমি কর্পোরেশন এর অধীনে বিভিন্ন ধরনের স্মার্টফোন সিরিজ রয়েছে, যেগুলো বিভিন্ন ব্যবহারকারীর চাহিদা ও বাজার সেগমেন্ট অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। নিচে শাওমির সকল প্রধান সিরিজ এবং তাদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলো:
১. Mi / শাওমি সিরিজ
[সম্পাদনা]Mi সিরিজ (বর্তমানে শুধুমাত্র শাওমি নামে ব্র্যান্ডেড) হচ্ছে শাওমির মূল ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন সিরিজ। এই সিরিজে সাধারণত কোম্পানির সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, শক্তিশালী প্রসেসর, উন্নত ক্যামেরা, এবং প্রিমিয়াম ডিজাইন থাকে। Mi সিরিজের ফোনগুলি ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন কাজকে আরও সহজ করে তোলে, যেমন দ্রুত মাল্টিটাস্কিং এবং স্মার্ট ক্যামেরার মাধ্যমে মুহূর্তগুলো ধরার সুবিধা। এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি এবং সফটওয়্যার অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে একটি নির্ভরযোগ্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।
২. রেডমি সিরিজ
[সম্পাদনা]রেডমি হচ্ছে শাওমি-র বাজেট ও মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোন সিরিজ। এটি মূলত সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি, যারা কম দামে ভালো পারফরম্যান্স চান।
৩. রেডমি নোট সিরিজ
[সম্পাদনা]রেডমি নোট সিরিজটি রেডমি-র তুলনায় একটু শক্তিশালী হার্ডওয়্যার এবং বড় ডিসপ্লে নিয়ে তৈরি। এটি মিড-রেঞ্জ বাজারে সবচেয়ে জনপ্রিয় সিরিজগুলোর একটি।
৪. রেডমি K সিরিজ
[সম্পাদনা]রেডমি K সিরিজ একটি পারফরম্যান্স-ভিত্তিক সাব-ফ্ল্যাগশিপ সিরিজ, যেখানে শক্তিশালী চিপসেট এবং উন্নত ডিসপ্লে ব্যবহৃত হয়, তবে দাম অপেক্ষাকৃত কম থাকে।
৫. পোকো সিরিজ
[সম্পাদনা]পোকো একসময় রেডমি-র একটি সাব-ব্র্যান্ড হলেও পরে এটি স্বতন্ত্র ব্র্যান্ড হিসেবে কাজ শুরু করে। গেমিং, উচ্চ পারফরম্যান্স ও তরুণদের টার্গেট করে এই সিরিজ তৈরি করা হয়।
| মডেল নাম (বাংলা) | লঞ্চ তারিখ | রিলিজ তারিখ |
|---|---|---|
| পোকো এফ১ [২৬] | আগস্ট ২০১৮ | আগস্ট ২০১৮ |
| পোকো এফ১ আর্মার্ড এডিশন | নভেম্বর ২০১৮ | নভেম্বর ২০১৮ |
| পোকো এক্স২ [২৭] | ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ফেব্রুয়ারি ২০২০ |
| পোকো এফ২ প্রো | মে ২০২০ | মে ২০২০ |
| পোকো এক্স৩ এনএফসি | সেপ্টেম্বর ২০২০ | সেপ্টেম্বর ২০২০ |
| পোকো এম২ প্রো | জুলাই ২০২০ | জুলাই ২০২০ |
| পোকো এম৩ | নভেম্বর ২০২০ | নভেম্বর ২০২০ |
| পোকো এক্স৩ প্রো | মার্চ ২০২১ | মার্চ ২০২১ |
| পোকো এম৩ প্রো ৫জি | মে ২০২১ | মে ২০২১ |
| পোকো এফ৩ | মার্চ ২০২১ | মার্চ ২০২১ |
| পোকো এক্স৩ জিটি | জুলাই ২০২১ | জুলাই ২০২১ |
| পোকো এম৪ প্রো ৫জি | ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ফেব্রুয়ারি ২০২২ |
| পোকো এফ৪ | জুন ২০২২ | জুন ২০২২ |
| পোকো এক্স৪ প্রো ৫জি | জানুয়ারি ২০২২ | জানুয়ারি ২০২২ |
| পোকো এম৫ | মার্চ ২০২৩ | মার্চ ২০২৩ |
| পোকো সি৫৫ | ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ফেব্রুয়ারি ২০২৩ |
| পোকো এফ৫ | জুন ২০২৩ | জুন ২০২৩ |
| পোকো এফ৫ প্রো | মার্চ ২০২৩ | মার্চ ২০২৩ |
| পোকো এক্স৫ ৫জি | মার্চ ২০২৩ | মার্চ ২০২৩ |
| পোকো এফ৫ প্রো | জুলাই ২০২৩ | জুলাই ২০২৩ |
| পোকো এম৬ | সেপ্টেম্বর ২০২৩ | সেপ্টেম্বর ২০২৩ |
| পোকো এম৬ প্রো 5জি | আগস্ট ২০২৩ | আগস্ট ২০২৩ |
| পোকো এক্স৬ ৫জি | জানুয়ারি ২০২৪ | জানুয়ারি ২০২৪ |
| পোকো এক্স ৬প্রো ৫জি | জানুয়ারি ২০২৪ | জানুয়ারি ২০২৪ |
| পোকো এম৬ প্রো ৪জি | জানুয়ারি ২০২৪ | জানুয়ারি ২০২৪ |
| পোকো এম৭ প্রো ৫জি | ডিসেম্বর ২০২৪ | ডিসেম্বর ২০২৪ |
| পোকো এক্স৭ | জানুয়ারি ২০২৫ | জানুয়ারি ২০২৫ |
| পোকো এক্স ৭ প্রো | জানুয়ারি ২০২৫ | জানুয়ারি ২০২৫ |
| পোকো এম৭ ৫জি | মার্চ ২০২৫ | মার্চ ২০২৫ |
| পোকো সি৮৫ | সেপ্টেম্বর ২০২৫ | সেপ্টেম্বর ২০২৫ |
৬. Mi MIX সিরিজ
[সম্পাদনা]Mi MIX সিরিজটি শাওমি এর পরীক্ষামূলক (experimental) ও ফিউচারিস্টিক ডিজাইন সম্বলিত ফোনের সিরিজ। বেজেল-লেস ডিজাইন, ফোল্ডেবল ডিসপ্লে, এবং নতুন প্রযুক্তির প্রদর্শনী হয় এই সিরিজে।
৭. Mi Note সিরিজ
[সম্পাদনা]Mi Note ছিল শাওমির একটি মিড-টু-হাই-এন্ড সিরিজ, যেটি বড় ডিসপ্লে এবং উন্নত ক্যামেরা ফিচারের জন্য পরিচিত।
৮. Mi A সিরিজ
[সম্পাদনা]Mi A সিরিজ ছিল Android One প্রজেক্টের আওতায় তৈরি ফোনসমূহ, যেখানে স্টক অ্যান্ড্রয়েড অভিজ্ঞতা পাওয়া যেত।
৯. Civi সিরিজ
[সম্পাদনা]Civi সিরিজ হলো শাওমি এর সৌন্দর্য ও সেলফি-কেন্দ্রিক স্মার্টফোন সিরিজ, যেটি তরুণ ব্যবহারকারীদের লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।
১০. শাওমি T সিরিজ
[সম্পাদনা]T সিরিজ হচ্ছে শাওমি এর ফ্ল্যাগশিপ সিরিজের তুলনামূলকভাবে সস্তা সংস্করণ, যেখানে কিছু ফ্ল্যাগশিপ ফিচার কাস্ট করে সাশ্রয়ী মূল্যে ফোন সরবরাহ করা হয়।
১১. শাওমি Lite সিরিজ
[সম্পাদনা]Lite সিরিজ হলো মূল ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোর লাইট ও সাশ্রয়ী সংস্করণ। এটি মূলত তরুণ এবং হালকা ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত।
এমআই প্যাড
[সম্পাদনা]শাওমির প্রথম ট্যাবলেট পিসি হচ্ছে শাওমি এমআই প্যাড, এটি ২০১৪ সালে বাজারে আসে।[২৮] এরপর আসে এমআই প্যাড ২, এই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন এমআই প্যাড ৩
মিআইইউআই (অপারেটিং সিস্টেম)
[সম্পাদনা]মিইউআই (অপারেটিং সিস্টেম) হচ্ছে গুগল অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের উপরে ভিত্তি করে শাওমি কর্তৃক উন্নীত অপারেটিং সিস্টেম। এটি শাওমির শুরুর দিকের একটি পণ্য। বর্তমানে এর ১১ সংস্করণ মিইউআই ১২ তে উন্মোচিত হয়েছে।[২৯]
এমআই ওয়াই-ফাই (নেটওয়ার্ক রাউটার)
[সম্পাদনা]শাওমির এমআই ওয়াই-ফাই (Mi-WiFi) সিরিজের রাউটার প্রথম বাজারে আসে ২০১৪ সালের ২৪ এপ্রিল[৩০]।
মি টিভি (স্মার্ট টিভি লাইন)
[সম্পাদনা]এমআই সিরিজের স্মার্ট টিভি ২০১৩ সাল হতে বাজারজাত করা শুরু করে শাওমি[৩১]। এটি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলে।
শাওমির আরও অন্যান্য পণ্য হচ্ছেঃ
[সম্পাদনা]- এমআইবক্স (সেট-টপ বক্স)
- এমআই ক্লাউড (ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস)
- এমআইটক(ম্যাসেজিং সার্ভিস)
- এমআই পাওয়ার ব্যাংক (এক্সটার্নাল ব্যাটারি)
- এমআই ব্যান্ড (ফিটনেস মনিটর এন্ড স্লিপ ট্র্যাকার)
- স্মার্ট হোম পণ্য
- ব্লাড প্রেসার মনিটর
- এয়ার পিউরিফাইয়ার
- ই অ্যাকশন ক্যামেরা
- এম আই স্মার্ট স্কেল
- এম আই ওয়াটার পিউরিফাইয়ার
- স্মার্ট হোম কিট
- নাইনবুট মিনি
- স্মার্ট রাইস কুকার
শাওমি স্মার্টফোন মডেলসমূহের তালিকা
[সম্পাদনা]| শাওমি মডেল (বাংলা নাম) | ইংরেজি নাম | মুক্তির সাল |
|---|---|---|
| শাওমি মি ১ | Xiaomi Mi 1 | ২০১১ |
| শাওমি মি ২ | Xiaomi Mi 2 | ২০১২ |
| শাওমি মি ২এস | Xiaomi Mi 2S | ২০১৩ |
| শাওমি মি ৩ | Xiaomi Mi 3 | ২০১৩ |
| শাওমি মি ৪ | Xiaomi Mi 4 | ২০১৪ |
| শাওমি মি ৪আই | Xiaomi Mi 4i | ২০১৫ |
| শাওমি মি ৫ | Xiaomi Mi 5 | ২০১৬ |
| শাওমি মি ৫এস | Xiaomi Mi 5s | ২০১৬ |
| শাওমি মি ৬ | Xiaomi Mi 6 | ২০১৭ |
| শাওমি মি মিক্স | Xiaomi Mi MIX | ২০১৬ |
| শাওমি মি মিক্স ২ | Xiaomi Mi MIX 2 | ২০১৭ |
| শাওমি মি মিক্স ২এস | Xiaomi Mi MIX 2S | ২০১৮ |
| শাওমি মি মিক্স ৩ | Xiaomi Mi MIX 3 | ২০১৮ |
| শাওমি মি ৮ | Xiaomi Mi 8 | ২০১৮ |
| শাওমি মি ৯ | Xiaomi Mi 9 | ২০১৯ |
| শাওমি মি ১০ | Xiaomi Mi 10 | ২০২০ |
| শাওমি মি ১০ প্রো | Xiaomi Mi 10 Pro | ২০২০ |
| শাওমি মি ১১ | Xiaomi Mi 11 | ২০২১ |
| শাওমি মি ১১ আল্ট্রা | Xiaomi Mi 11 Ultra | ২০২১ |
| শাওমি ১২ | Xiaomi 12 | ২০২১ |
| শাওমি ১২ প্রো | Xiaomi 12 Pro | ২০২১ |
| শাওমি ১২এস আল্ট্রা | Xiaomi 12S Ultra | ২০২২ |
| শাওমি ১৩ | Xiaomi 13 | ২০২২ |
| শাওমি ১৩ প্রো | Xiaomi 13 Pro | ২০২২ |
| শাওমি ১৩ আল্ট্রা | Xiaomi 13 Ultra | ২০২৩ |
| শাওমি ১৪ | Xiaomi 14 | ২০২৩ |
| শাওমি ১৪ প্রো | Xiaomi 14 Pro | ২০২৩ |
| শাওমি ১৪ আল্ট্রা (সম্ভাব্য) | Xiaomi 14 Ultra (rumored) | ২০২৪ |
স্বীকৃতি
[সম্পাদনা]এমআইটি টেকনোলজি রিভিউ অনুসারে শাওমি ২০১৫ সালের ৫০টি অন্যতম স্মার্ট কোম্পানির তালিকায় ২য় স্থানে রয়েছে। এছাড়াও ২০১৪ সালের সবচেয়ে ইনোভেটিভ কোম্পানির তালিকায় শাওমি ৩য় স্থানে রয়েছে, “বিশ্বের বৃহত্তম মোবাইল বাজারে স্মার্টফোন ব্যবসার মডেল উপস্থাপনের জন্য,” যদিও কোনো কোনো মন্তব্যকারীদের দ্বারা শাওমি এর উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক মডেল বিদ্যমান স্মার্টফোন শিল্পে একটি সংহতিনাশক শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।[৩২]
গিনেস বুক রেকর্ড কৃতীত্ব
[সম্পাদনা]শাওমি ২০১৫ এর ৬ এপ্রিল এমআই ফ্যান ফেস্টিভ্যাল এর মাধ্যমে এর ৫ম জন্মদিন উদ্যাপন করে। যেখানে অফার এবং ডিসকাউন্ট সুবিধাসহ একটি অনলাইন শপিং ডে পালন করা হয়। এক্ষেত্রে শাওমি তার কাস্টমাদের জন্য সরাসরি পরিচালিত ওয়েবসাইট এমআই ডট কম এর মাধ্যমে ২১,১২,০১০টি হ্যান্ডসেট বিক্রি করে, যা "২৪ ঘণ্টার মধ্যে একক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে বেশি মোবাইল ফোন বিক্রির" বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টির মাধ্যমে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে স্থান করে নেয়[৩৩]।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 "Annual Results" (পিডিএফ)। ২৩ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০২২।
- ↑ "Xiaomi Official Global Website"। mi.com। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ 小米47寸电视真机照曝光 (চীনা ভাষায়)। MyDrivers.com। ১৭ জুন ২০১৩। ২৫ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৯।
- ↑ "৪৬৮তম হওয়া শাওমি ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় প্রবেশ করলো"। techvorm.com। ২২ জুলাই ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৯।
- ↑ "The 'Apple of China' expanded into 80 new markets in four years. Here's how Xiaomi grew so rapidly"। CNBC (ইংরেজি ভাষায়)।
- ↑ "স্যামসাং এবং মাইক্রোম্যাক্সকে ফেলে শাওমিই এখন ভারতের স্মার্টফোন বাজারের রাজা"। www.businesstoday.in।
- ↑ "Xiaomi recognised as Bangladesh's 'Number 1 Mobile Handset Brand'"। দ্যা ডেইলি স্টার। ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৫।
- ↑ Bischoff, Paul। "Xiaomi unveils sensor panels for its smart home ecosystem"। Tech in Asia। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০১৬।
- ↑ Kan, Michael। "Xiaomi looks beyond smartphones to smart home products"। PC World। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০১৬।
- ↑ "গ্রামীণফোনের সাথে শাওমির যাত্রা"। টেক সংবাদ। ১৪ আগস্ট ২০১৬। ১৯ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- ↑ "Chinese smartphone maker Xiaomi to invest $10 billion in new EV unit over 10 years"। Reuters (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ মার্চ ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ Wang, Yue। "Chinese Smartphone Giant Commits $10 Billion For Electric Car Expansion"। Forbes (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "Xiaomi Invests in New Semiconductor Firm"। Pandaily। ২৮ জুন ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ "Xiaomi HyperOS 2.2 third batch devices getting updates soon - XiaomiTime"। xiaomitime.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ জুন ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "Xiaomi HyperOS 2.2 Is Rolling Out: Here's What We Know"। Gizchina (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ মে ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ Shanto, Abid Ahsan (২৪ এপ্রিল ২০২৫)। "Stable Xiaomi HyperOS 2.2 update tipped to arrive soon"। Notebookcheck (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ Carter, Tom। "Xiaomi's 'stunning' new YU7 is the latest threat to Tesla in China"। Business Insider (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ Pan, Che; Goh, Brenda; Goh, Brenda (১৯ আগস্ট ২০২৫)। "Xiaomi's second-quarter revenue up 30.5%, boosted by smartphone shipment"। Reuters (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "Client Challenge"। www.ft.com। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ Pan, Che; Goh, Brenda; Goh, Brenda (১৯ আগস্ট ২০২৫)। "Xiaomi's second-quarter revenue up 30.5%, boosted by smartphone shipment"। Reuters (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "Xiaomi Global Home"। Xiaomi। ৪ আগস্ট ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "Xiaomi Xring O1: specs and benchmarks"। NanoReview.net (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ Song, Huei। "XIAOMI ANNOUNCES NEW SMART HOME GADGETS – WEBCAM, POWER PLUG, LIGHTBULB AND REMOTE CENTER"। lowyat.net। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০১৬।
- ↑ "প্রস্তুতকেন্দ্র"।
- ↑ "Xiaomi Confronts Counterfeits as Fake Products Eat Into Sales - Bloomberg Business"। Bloomberg.com। ১০ এপ্রিল ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬।
- ↑ "Xiaomi Pocophone F1 - Full phone specifications"। www.gsmarena.com। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ "Xiaomi Poco X2 - Full phone specifications"। www.gsmarena.com। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ Xiaomi New Product Launch Event: Mi TV 2 and Mi Pad - News - MIUI Official Community, ১৮ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ১৪ মে ২০১৪
- ↑ https://www.mi.com/global/miui
- ↑ "List of Xiaomi products"। Wikipedia (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "List of Xiaomi products"। Wikipedia (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ জুলাই ২০২৫।
- ↑ Nicole Arce (২৬ জুন ২০১৫)। "Tesla, Xiaomi, Illumina Top MIT's List Of 50 Smartest Companies 2015"। TechTimes। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ Brown, Molly (৯ এপ্রিল ২০১৫)। "Xiaomi sets Guinness World Record for selling over 2 million phones online in a day"। GeekWire (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০২৫।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- দাপ্তরিক ওয়েবসাইট

উইকিমিডিয়া কমন্সে শাওমি সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।
- ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি
- চীনের কোম্পানি
- চীনা মার্কা
- চীনের মোবাইল ফোন কোম্পানি
- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার কোম্পানি
- মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক
- নেটওয়ার্কিং হার্ডওয়্যার কোম্পানি
- ২০১০-এ প্রতিষ্ঠিত চীনা কোম্পানি
- শাওমি
- হংকং স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- চীনের ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি
- গৃহ স্বতশ্চলীকরণ কোম্পানি
- চীনে সদর দফতর বহুজাতিক কোম্পানি