মির্জা হুসেন হায়দার
মির্জা হুসেন হায়দার | |
|---|---|
| জন্ম | ১ মার্চ ১৯৫৪ |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশী |
| পেশা | আইনজীবী,বিচারক |
মির্জা হুসেন হায়দার (জন্ম: ১ মার্চ ১৯৫৪) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি।[১]
জীবনের প্রথমার্ধ
[সম্পাদনা]হায়দার ১৯৫৪ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের পূর্ববঙ্গের জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলা জন্মগ্রহণ করেন।[২] [৩] তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।[২]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]হায়দার ১৯৭৯ সালে জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন।[২]
তিনি ১৯৮১ সালে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হয়।[২]
হায়দার ১৯৯৯ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন।[২]
৩ জুলাই ২০০১ সালে হায়দার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক হিসেনে নিযুক্ত হয়।[৪] তিন বছর পর ২০০৩ সালে বিভাগীয় স্থায়ী বিচারক হিসেবে তার নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়।[৪]
হায়দার ও বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ২০০৯ সালে কর ফাঁকির মামলায় সাবেক চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহকে আদালতে আত্মসমর্পণের আদেশ জারি করেন।[৫]
২২ মার্চ ২০১২ সালে হায়দার এবং বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকার সরকারকে ফেসবুকে ইসলাম বিরোধী সামগ্রী ব্লক করার নির্দেশ দেন।[৬]
২০১৬ সালে হায়দার হাইকোর্ট বিভাগের দ্বিতীয় সিনিয়র বিচারপতি ছিলেন।[৭] হায়দার ৮:ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে পদোন্নতি পায়।[৪]
২০১৯ সালের আগস্টে বকশীগঞ্জে হায়দারের বাসভবনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ রাজনীতিবিদ দ্বারা হামলা ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।[৩]
হায়দার ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবসর গ্রহণ করেন।[৪] বিদায়ী ভাষণে তিনি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।[৮] [৯]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Staff Correspondent। "3 new judges at SC Appellate Division"। দৈনিক প্রথম আলো (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - 1 2 3 4 5 "Judiciary constitutionally independent, but we know reality: Justice Mirza Hussain Haider"। The Business Standard (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২১।
- 1 2 "SC judge's village home vandalised, local AL leader held | Daily Sun |"। daily sun (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - 1 2 3 4 "Justice questions judiciary's independence in farewell speech"। New Age (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ "HC asks Hasnat to surrender before trial court"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২ জুন ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ "Law and Our Rights"। www.thedailystar.net। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ Staff Correspondent; বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। "Chief Justice swears in three judges to the Appellate Division"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ Staff Correspondent (১ মার্চ ২০২১)। "'We all know how independent the judiciary really is'"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Outgoing Supreme Court judge says all know how much judiciary is independent"। The Financial Express (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২১।