আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ
আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ | |
|---|---|
| বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য | |
দায়িত্বাধীন | |
| অধিকৃত কার্যালয় ২০১৪ - ২০২৪ | |
| পূর্বসূরী | তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস |
| কাজের মেয়াদ জুন ১৯৯৬ – ২০০১ | |
| পূর্বসূরী | জহির উদ্দিন স্বপন |
| উত্তরসূরী | জহির উদ্দিন স্বপন |
| কাজের মেয়াদ ১৯৯১ – ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ | |
| পূর্বসূরী | সুনীল কুমার গুপ্ত |
| উত্তরসূরী | জহির উদ্দিন স্বপন |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ১০ ডিসেম্বর ১৯৪৪ আগৈলঝাড়া বরিশাল, ব্রিটিশ ভারত |
| জাতীয়তা | |
| রাজনৈতিক দল | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ |
| দাম্পত্য সঙ্গী | সাহান আরা আবদুল্লাহ |
| সন্তান | সুকান্ত আবদুল্লাহ বাবু (মৃত্যু ১৫ আগস্ট ১৯৭৫) সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দিন আবদুল্লাহ সেরনিয়াবাত আসিক আবদুল্লাহ আঞ্জুমানারা কান্তা আব্দুল্লাহ্ |
| পিতা | আবদুর রব সেরনিয়াবাত |
আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ (জন্ম: ১০ ডিসেম্বর ১৯৪৪) হলেন একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ। তিনি বরিশাল-১ থেকে নির্বাচিত পাঁচবারের প্রাক্তন সংসদ সদস্য। সংবিধান অনুযায়ী দশম জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে ৩ জানুয়ারী ২০১৯ তারিখে একাদশ সংসদের সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি শপথবাক্য পাঠ করেন।[১] তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী কমিটির সদস্য।
জন্ম ও পরিচয়
[সম্পাদনা]আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ১৯৪৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও পানিসম্পদ মন্ত্রী আবদুর রব সেরনিয়াবাত, যাকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে হত্যা করেছিল। সেদিন তার মা, সহোদর এবং জ্যেষ্ঠ সন্তানকেও হত্যা করেছিলো ঘাতকরা। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই এবং শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে। তার ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র।
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]হাসানাত আবদুল্লাহ ১৯৭৩ সালে বরিশাল উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি অধুনালুপ্ত বরিশাল পৌরসভারও চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বরিশাল-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২৬ জুন ২০০০ সালে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হন। হাসনাত আবদুল্লাহ ১৯৯৬ থেকে ২০০০ পর্যন্ত জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ ছিলেন।
৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ২০১৪ সাধারণ নির্বাচনে হাসানাত তৃতীয় বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[২] ১৮ জানুয়ারি ২০১৮ সালে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটির আহবায়ক মনোনীত হন,[৩] যা বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীর পদমর্যাদার। তিনি ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করলে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারান।[৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "শপথ নিলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা"। www.prothomalo.com। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "Constituency 119_10th_Bn"। www.parliament.gov.bd। ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটি পুনর্গঠন"। কালের কণ্ঠ। ২২ জানুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৮।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা"। দৈনিক জনকণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৪।