মণীন্দ্র রায়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মণীন্দ্র রায়
জন্ম(১৯১৯-১০-০৪)৪ অক্টোবর ১৯১৯
পেশাকবি
পুরস্কারসাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার
রবীন্দ্র পুরস্কার

মণীন্দ্র রায় (জন্ম- ৪ অক্টোবর, ১৯১৯) সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার প্রাপ্ত একজন বাঙালি কবি ছিলেন।

জীবন ও রাজনৈতিক মতাদর্শ[সম্পাদনা]

মণীন্দ্র রায় ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ৪ঠা অক্টোবর ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত পাবনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতা শহরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে তিনি ইংরেজিতে অনার্স নিয়ে বি এ পাশ করেন। পাবনাতে থাকাকালীন ছাত্রাবস্থাতেই তিনি জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র ও চিত্রশিল্পী রথীন মৈত্র র প্রেরণায় সাম্যবাদী ভাবধারার প্রতি আকৃষ্ট হন।কিন্তু তিনি বিশ্বাসী ছিলেন প্রগতিশীল মতাদর্শের রাজনীতিতে।

রচনা ও স্বীকৃতি[সম্পাদনা]

মণীন্দ্র রায় প্রায় চল্লিশ বছর ধরে কবিতা লিখেছেন। ১৯৩৬ সালে সুধীন্দ্রনাথ দত্ত সম্পাদিত 'পরিচয়' পত্রিকায় তাঁর প্রথম কবিতা ছাপা হয়। ১৯৩৯ সালে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ত্রিশঙ্কু প্রকাশিত হয়। ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে একচক্ষু, ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে ছায়া সহচর, ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে সেতুবন্ধন কাব্যগ্রন্থগুলি প্রকাশিত হয়। তেভাগা আন্দোলন এর প্রেক্ষাপটে তিনি ইয়াসিন মিঞা নামে দীর্ঘ কবিতা লিখেছিলেন। তিনি সীমান্তনিষ্পন্ন নামক দুটি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তিনি অমৃতসত্যযুগ নামে দুটি সাময়িক পত্রিকারও সম্পাদনা করেন। তাঁর লেখা অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হল কৃষ্ণচূড়া, অন্যপথ, অতিদূর আলোর রেখা, সুখের মেলাই, অমিল থেকে মিলে, ভিয়েতনাম, লেনিন, নদী ঢেউ ঝিলমিল প্রভৃতি। তিনি জামায় রক্তের দাগ, নাটকের নাম ভীষ্ম, মাথায় জড়ানো জলপাই, পল্লব আমাকে বাঁচতে দাও, আমাকে জাগতে দাও প্রভৃতি অনেকগুলি নাটকও রচনা করেন। ১৯৬৯ সালে তাঁর দীর্ঘ কবিতা মোহিনী আড়াল সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করে। ১৯৯৩ সালে তিনি রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]