বিষয়বস্তুতে চলুন

ভদ্রক জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ভদ্রক জেলা
ଭଦ୍ରକ ଜିଲ୍ଲା
ওড়িশার জেলা
ওড়িশায় ভদ্রকের অবস্থান
ওড়িশায় ভদ্রকের অবস্থান
দেশভারত
রাজ্যওড়িশা
প্রশাসনিক বিভাগকেন্দ্রীয় ওড়িশা বিভাগ
সদরদপ্তরভদ্রক
তহশিল
আয়তন
 • মোট২,৫০৫ বর্গকিমি (৯৬৭ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট১৫,০৬,৩৩৭
 • জনঘনত্ব৬০০/বর্গকিমি (১,৬০০/বর্গমাইল)
জনতাত্ত্বিক
 • সাক্ষরতা৮২.৭৮ শতাংশ
 • লিঙ্গানুপাত৯৮১
গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত১৪২৮ মিমি
ওয়েবসাইটদাপ্তরিক ওয়েবসাইট
কাঞ্জিয়াপালের কাছে ছোট নদী)

ভদ্রক জেলা (ওড়িয়া: ଭଦ୍ରକ ଜିଲ୍ଲା, প্রতিবর্ণী. ভদ্রক জিল্লা) পূর্ব ভারতে অবস্থিত ওড়িশা রাজ্যের ৩০ টি জেলার একটি জেলা৷ ১৮ই চৈত্র ১৩৯৯ বঙ্গাব্দে (১লা এপ্রিল ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে) পূর্বতন বালেশ্বর জেলাটি থেকে নতুন জেলাটি গঠিত হয়৷ জেলাটি ওড়িশার কেন্দ্রীয় ওড়িশা বিভাগের অন্তর্গত৷ জেলাটির জেলাসদর ভদ্রক শহরে অবস্থিত এবং ভদ্রক মহকুমা নিয়ে গঠিত৷

নামকরণ[সম্পাদনা]

বিশেষজ্ঞদের মতে ভদ্রক জেলাসদরের নিকটে প্রবাহিত সালন্দি নদীর তীরে অবস্থিত বিখ্যাত হিন্দুতীর্থ ভদ্রকালী মন্দিরের নামানুসারে জায়গাটির নামকরণ করা হয় ভদ্রক৷[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ঐতিহাসিক আন্দোলন[সম্পাদনা]

ভূপ্রকৃৃতি[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

অবস্থান[সম্পাদনা]

জেলাটির উত্তরে ওড়িশা রাজ্যের বালেশ্বর জেলা৷ জেলাটির দক্ষিণ পূর্বে(অগ্নি) ওড়িশা রাজ্যের কেন্দ্রাপড়া জেলা৷ জেলাটির দক্ষিণে ওড়িশা রাজ্যের কেন্দ্রাপড়া জেলা৷ জেলাটির দক্ষিণ পশ্চিমে(নৈঋত) ওড়িশা রাজ্যের যাজপুর জেলা৷ জেলাটির পশ্চিমে ওড়িশা রাজ্যের জাজপুর জেলা৷ জেলাটির উত্তর পশ্চিমে(বায়ু) ওড়িশা রাজ্যের কেন্দুঝর জেলা৷[২] জেলাটির পূর্ব ও উত্তর পূর্বে(ঈশান) বঙ্গোপসাগর অবস্থিত৷

জেলাটির আয়তন ২৫০৫ বর্গ কিমি৷ রাজ্যের জেলায়তনভিত্তিক ক্রমাঙ্ক ৩০ টি জেলার মধ্যে তম৷ জেলার আয়তনের অনুপাত ওড়িশা রাজ্যের ১.৬১%৷

ভাষা[সম্পাদনা]

ভদ্রক জেলায় প্রচলিত ভাষাসমূহের পাইচিত্র তালিকা নিম্নরূপ -

২০১১ অনুযায়ী ভদ্রক জেলার ভাষাসমূহ[৩]

  ওড়িয়া (৯০.৫৬%)
  উর্দু (৬.৬১%)
  বাংলা (১.৪৬%)
  অন্যান্য (১.৩৭%)

ধর্ম[সম্পাদনা]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

মোট জনসংখ্যা ১৩৩৩৭৪৯(২০০১ জনগণনা) ও ১৫০৬৩৩৭(২০১১ জনগণনা)৷ রাজ্যে জনসংখ্যাভিত্তিক ক্রমাঙ্ক ৩০ টি জেলার মধ্যে ১২তম৷ ওড়িশা রাজ্যের ৩.৫৯% লোক ভদ্রক জেলাতে বাস করেন৷ জেলার জনঘনত্ব ২০০১ সালে ৫৩২ ছিলো এবং ২০১১ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৬০১ হয়েছে জেলার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২০০১-২০১১ সালের মধ্যে জনসংখ্যা বৃৃদ্ধির হার ১২.৯৪% , যা ১৯৯১-২০১১ সালের ২০৬১% বৃদ্ধির হারের থেকে কম৷ জেলাটিতে লিঙ্গানুপাত ২০১১ অনুযায়ী ৯৮১(সমগ্র) এবং শিশু(০-৬ বৎ) লিঙ্গানুপাত ৯৪২৷[৪]

নদনদী[সম্পাদনা]

পরিবহন ও যোগাযোগ[সম্পাদনা]

পর্যটন ও দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

জেলাটির স্বাক্ষরতা হার ৭৩.৮৬%(২০০১) তথা ৮২.৭৮%(২০১১)৷ পুরুষ স্বাক্ষরতার হার ৮৪.৬৫%(২০০১) তথা ৮৯.৬৪%(২০১১)৷ নারী স্বাক্ষরতার হার ৬২.৮৫%(২০০১) তথা ৭৫.৮৩% (২০১১)৷ জেলাটিতে শিশুর অনুপাত সমগ্র জনসংখ্যার ১২.২৫%৷[৪]

প্রশাসনিক বিভাগ[সম্পাদনা]

সীমান্ত[সম্পাদনা]

বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]