বার্নিস রুবেনস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
বার্নিস রুবেনস
স্থানীয় নাম Bernice Rubens
জন্ম (১৯২৩-০৭-২৬)জুলাই ২৬, ১৯২৩
কার্ডিফ, ওয়েলস
মৃত্যু অক্টোবর ১৩, ২০০৪(২০০৪-১০-১৩) (৮১ বছর)
পেশা লেখিকা
ভাষা ইংরেজি
জাতীয়তা ব্রিটিশ
জাতি ওয়েল্‌স
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়
ধরন উপন্যাস
উল্লেখযোগ্য রচনাসমূহ দ্য ইলেক্টেড মেম্বার
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার ম্যান বুকার পুরস্কার
দাম্পত্যসঙ্গী রুডি নাসায়ের

বার্নিস রুবেনস (২৬ জুলাই, ১৯২৩ - ১৩ অক্টোবর, ২০০৪) ছিলেন একজন ওয়েল্‌স বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক। তিনি তাঁর দ্য ইলেক্টেড মেম্বার উপন্যাসের জন্য ১৯৭০ সালে ম্যান বুকার পুরস্কার অর্জন করেন।[১]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

রুবেনস ১৯২৩ সালের ২৬ জুলাই কার্ডিফে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা এলি রুবেনস ছিলেন একজন লিথুনীয় ইহুদি। তিনি ১৬ বছর বয়সে ১৯০০ সালে ইউরোপ ছেড়ে নতুন জীবনের সন্ধানে নিউ ইয়র্ক সিটির উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান। কিন্তু টিকেট প্রতারকের খপ্পরে পড়ে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন নি এবং তিনি কার্ডিফে পৌঁছান।[১] তিনি ওয়েলসে থাকার সিদ্ধান্ত নেন এবং সেখানে তার ডরথি কোহেনের সাথে সাক্ষাৎ হয় ও তাকে বিয়ে করে। ডরথির পরিবার পোল্যান্ড থেকে কার্ডিফে আসেন। রুবেনসেরা চার ভাই-বোন। তার দুই ভাই হ্যারল্ড ও সিরিল ধ্রুপদী বেহালা বাদক। হ্যারল্ডকে তার অসুস্থতার জন্য বেহালা বাজানো ছেড়ে দিতে হয়, তবে সিরিল পরবর্তীতে লন্ডন সিম্ফনি অর্কেস্ট্রার বেহালা বাদক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। রুবেনস তার ভাইদের মত সঙ্গীতে পারদর্শী না হলেও তিনি পরে সেলো বাজানো শিখেন। রুবেনস প্রথমে কার্ডিফ হাই স্কুল ফর গার্লস-এ পড়াশুনা করেন ও পরে ১৯৪৭ সালে কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্য বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।[২]

পারিবারিক জীবন[সম্পাদনা]

রুবেনস রুডি নাসায়েরের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। রুডি একজন মদ ব্যবসায়ী ও ঔপন্যাসিক। তাদের দুই কন্যা, রেবেকা ও শ্যারন।[১]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৫০ সাল থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত রুবেনস বার্মিংহামের একটি গ্রামার স্কুলে শিক্ষকতা করেন। পরে তিনি কয়েকটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেন। এছাড়া তিনি ওয়ান অফ দ্য ফ্যামিলি (১৯৬৪), কল আস বাই নেম (১৯৬৮), আউট অফ দ্য মাউথস (১৯৭০) চলচ্চিত্রের এবং থার্ড পার্টি (১৯৭২) টেলিভিশন নাটকের চিত্রনাট্য লিখেন।[২]

সাহিত্যজীবন[সম্পাদনা]

রুবেনসের প্রথম উপন্যাস সেট অন এজ ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়। বইটিতে তিনি তার নানীর সাথে তার সম্পর্কের কথা বিবৃত করেছেন।[২] ১৯৭০ সালে তিনি তাঁর দ্য ইলেক্টেড মেম্বার উপন্যাসের জন্য প্রথম নারী হিসেবে ম্যান বুকার পুরস্কার অর্জন করেন।[৩]

সাহিত্যকর্ম[সম্পাদনা]

  • সেট অন এজ (১৯৬০)
  • মাদাম সউসাজ্‌কা (১৯৬২)
  • মেইট ইন থ্রি (১৯৬৬)
  • চোজেন পিপল (১৯৬৯)
  • দ্য ইলেক্টেড মেম্বার (১৯৬৯)
  • সানডে বেস্ট (১৯৭১)
  • গো টেল দ্য লেমিং (১৯৭৩)
  • আই সেন্ট অ্যা লেটার টু মাই লাভ (১৯৭৫)
  • দ্য পন্সন্‌বি পোস্ট (১৯৭৭)
  • অ্যা ফাইভ-ইয়ার সেনটেন্স (১৯৭৮)
  • স্প্রিং সোনাটা (১৯৭৯)
  • বার্ডস অফ পেসেজ (১৯৮১)
  • বাদার্স (১৯৮৩)
  • মিঃ ওয়েকফিল্ড্‌স ক্রুসেড (১৯৮৫)
  • আওয়ার ফাদার (১৯৮৭)
  • কিংডম কাম (১৯৯০)
  • অ্যা সলিটারি গ্রিফ (১৯৯১)
  • মাদার রাশিয়া (১৯৯২)
  • আটোবায়োপ্সি (১৯৯৩)
  • হাইজ্যাক (১৯৯৩)
  • ইস্টারডে ইন দ্য ব্যাক লেন (১৯৯৫)
  • দ্য ওয়েটিং গেম (১৯৯৭)
  • আই, ড্রেফাস (১৯৯৯)
  • মিলওয়াকি (২০০১)
  • নাইন লাইভস (২০০২)
  • দ্য সার্জেন্টস্‌ টেল (২০০৩)
  • হোয়েন আই গ্রো আপ (২০০৫)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Watts, Janet (14 October 2004). "Bernice Rubens: Booker-winning novelist whose work focused on the more disturbing aspects of human behaviour". Guardian
  2. Anderson, Hephzibah. "Bernice Rubens". Jwa.org.
  3. James Kidd (2014-01-24). "A Brief History of The Man Booker Prize". South China Morning Post

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]