বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড
প্রাতিষ্ঠানিক লোগো | |
| গঠিত | ৭ জুন, ১৯৮০ |
|---|---|
| সদরদপ্তর | চাপাপুর , কুমিল্লা, বাংলাদেশ |
যে অঞ্চলে কাজ করে | বাংলাদেশ |
দাপ্তরিক ভাষা | বাংলা ও ইংরেজি |
ব্যবস্থাপনা পরিচালক | মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম |
প্রধান অঙ্গ | বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় |
প্রধান প্রতিষ্ঠান | পেট্রোবাংলা |
| ওয়েবসাইট | অফিসিয়াল ওয়েবসাইট |
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড বাংলাদেশের সরকারি মালিকানাধীন গ্যাস বিতরণ সংস্থা। এটি পেট্রোবাংলার অধীনে এবং এর সদর দফতর কুমিল্লার চাপাপুরে।[১][২][৩]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডটি বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে বখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড হিসাবে ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৮৯ সালের ৩১ মে সরকার বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডকে হস্তান্তর করে। ২০০৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর সরকার বাখরাবাদ-ডেমরা ট্রান্সমিশন পাইপলাইনগুলি সংস্থা থেকে সরিয়ে এগুলিকে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের দায়িত্বে দেয়। ১৮ ই অক্টোবর ২০০৪-এ কোম্পানির বাখরাবাদ-চট্টগ্রাম ট্রান্সমিশন পাইপলাইনগুলিও গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের অধীনে দেয়া হয়েছিল। সংস্থার সম্পতিগুলো বিভিন্ন বিভাগে স্থানান্তর করায় কোম্পানিটি কেবলমাত্র বিপণন ও বিতরণ সংস্থার দায়িত্বে থাকে। চট্টগ্রাম জেলা ও পার্বত্য চট্টগ্রামে সংস্থার সম্পদগুলো কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডকে দেওয়া হয়। বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেডের সংস্কার এবং তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সম্পদ সংযোজনের মাধ্যমে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড গঠিত হয়।[৪][৫]
২০১৬ সালে বাখরাবাদ গ্যাস বিতরণ সংস্থার গ্যাসের দাম বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশ জ্বালানী নিয়ন্ত্রণ কমিশন প্রত্যাখ্যান করে। [৬] ঢাকা ট্রিবিউনের একটি খবরে বলা হয়েছে, কুমিল্লা জেলার সিএনজি পাম্পগুলি কোম্পানির দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মীদের সহায়তায় প্রতিমাসে অবৈধভাবে ১.২ বিলিয়ন টাকার গ্যাস বিক্রি করছে।[৭] ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে সংস্থাটি ২ কোটি ১৭ লাখ টাকা আয় করেছে।[৮]
কার্যক্রম
[সম্পাদনা]গ্যাস পাইপলাইন নেটওয়ার্ক নির্মাণ (মে, ২০২২ পর্যন্ত):[৯]
| ক্রমিক নং | নির্মিত পাইপলাইনের ধরণ | দৈর্ঘ্য (কিলোমিটার) |
|---|---|---|
| ০১ | ট্রান্সমিশন লাইন | ৮৬.৮৬ |
| ০২ | লেটারেল লাইন | ২১৬.৮৯ |
| ০৩ | বন্টন লাইন | ৩৫৮৮.০৯ |
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Bakhrabad-Gas-Distribution-Company-Limited-distribution-charge-and-end-user-gas-tariff-2017"। berc.org.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "BGDCL earns Tk 217.86 lakh in profit"। The New Nation (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০১৯।
- ↑ মো. মুশফিকুর রহমান (২০১২)। "পেট্রোবাংলা"। ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর (সম্পাদকগণ)। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১। ওসিএলসি 883871743। ওএল 30677644M।
- ↑ "Bakhrabad Gas Distribution Company Limited"। bgdcl.org.bd। ৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "Titas hands two operations to Bakhrabad Gas"। দ্য ডেইলি স্টার। দ্য ডেইলি স্টার। ৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "BERC rejects Bakhrabad plea for gas price hike"। theindependentbd.com। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "CNG station owners pocket Tk120 crore every month selling gas illegally"। ঢাকা ট্রিবিউন। ২১ অক্টোবর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "BGDCL earns Tk 217.86 lakh in profit"। Daily Sun (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "পাইপলাইন নির্মাণ, বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড"। bgdcl.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২২।