পেট্রোবাংলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পেট্রোবাংলা
বাংলাদেশে খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন, পরিশোধন ও বাজারজাত প্রতিষ্ঠান
স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা
শিল্পখনিজ তেল ও গ্যাস খাত
পূর্বসূরীবাংলাদেশ খনিজ জেল এবং গ্যাস কর্পোরেশন
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৭২
সদরদপ্তরপেট্রোসেন্টার, ৩ কাওরানবাজার বা/এ, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ
বাণিজ্য অঞ্চল
বাংলাদেশ
পণ্যসমূহপেট্রোলিয়াম
খনিজ
ওয়েবসাইটhttps://petrobangla.org.bd/

পেট্রোবাংলা সরকারি মালিকানাধীন বাংলাদেশের জাতীয় তেল কোম্পানি।[১] এটি বাংলাদেশে খনিজ তেলপ্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন, পরিশোধন, ও বাজারজাতকরণের কাজ করে। এছাড়াও কোম্পানিটি বাংলাদেশে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান এবং উন্নয়নে আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিসমূহের সাথে উৎপাদন অংশীদারি চুক্তি করে থাকে।[২] ২৬ মার্চ ১৯৭২ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সংস্থার অধীনস্থ ১১ টি কোম্পানি রয়েছে।

বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে সাজানো হয় পেট্রোবাংলা ভবন

ইতিহাস[সম্পাদনা]

২৬ মার্চ ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৭-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়নের লক্ষ্যে “বাংলাদেশ খনিজ, তেল ও গ্যাস করপোরেশন” (বিএমওজিসি) গঠন করা হয়। একই বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১২০-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের খনিজ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করার উদ্দেশ্যে “বাংলাদেশ খনিজ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন করপোরেশন” (বিএমইডিসি) নামে আরেকটি সংস্থা গঠন করা হয়।

পরে “বাংলাদেশ খনিজ, তৈল ও গ্যাস করপোরেশন”কে “বাংলাদেশ তৈল ও গ্যাস করপোরেশন” (বিওজিসি) নামে পুনর্গঠন করা হয় এবং ১৯৭৪ সালের ২২ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১৫-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ তৈল ও গ্যাস করপোরেশনকে ‘পেট্রোবাংলা’ নামে সংক্ষিপ্ত নামকরণ করা হয়। একই বছর ১৭ নং অধ্যাদেশের মাধ্যমে অয়েল এন্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১-কে বাতিল করে অয়েল এন্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (ওজিডিসি) বিলুপ্ত করা হয় এবং এর সম্পদ ও দায় পেট্রোবাংলার উপর ন্যস্ত করা হয়।

১৯৭৬ সালের ১৩ নভেম্বর জারিকৃত অধ্যাদেশ নং ৮৮-এর মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম দ্রব্যাদি আমদানি, পরিশোধন ও বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করার দায়িত্ব পেট্রোবাংলার কাছ থেকে পৃথক করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনকে দেয়া হয়।

১৯৮৫ সালের ১১ এপ্রিল জারিকৃত ২১ নং অধ্যাদেশের মাধ্যমে “বাংলাদেশ তৈল ও গ্যাস করপোরেশন” ও “বাংলাদেশ খনিজ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন করপোরেশন”কে একীভূত করে “বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন” (বিওজিএমসি) গঠন করা হয়।[৩] পরবর্তীতে উক্ত অধ্যাদেশ আংশিক সংশোধন করে ১৯৮৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারিতে জারিকৃত ১১ নং আইনের মাধ্যমে এই করপোরেশনকে “পেট্রোবাংলা” নামে সংক্ষিপ্ত নামকরণ করা হয় এবং তৈল, গ্যাস ও খনিজ অনুসন্ধান ও উন্নয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত কোম্পানিসমূহের শেয়ার ধারণের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়।

অধীন কোম্পানি[সম্পাদনা]

এই সংস্থার অধীনে ১৩ টি কোম্পানি রয়েছে। সেগুলি হল:

১। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন কোম্পানী লিমিটেড

২। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানী লিমিটেড

৩। সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানী লিমিটেড

৪। গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড

৫। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড

৬। বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড

৭। জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিষ্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড

৮। রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড

৯। পশ্চিমাঞ্চলীয় গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড

১০। বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড

১১। মধ্যপাড়া হার্ডরক মাইনিং কোম্পানী লিমিটিড

১২। সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড

১৩। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Petrobangla"banglapedia.org 
  2. Amarsys। "Bangladesh: Gazprom in talks with Petrobangla to drill gas wells"energy-pedia.com 
  3. ":: PETROBANGLA"petrobangla.org.bd। ৯ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]