বিষয়বস্তুতে চলুন

প্রিপিয়াত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
প্রিপিয়াত
Прип'ять
আঞ্চলিক তাৎপর্যপূর্ণ শহর
প্রিপিয়াত
উপরে-বাম থেকে ঘড়ির কাঁটার দিকে:
প্রিপিয়াতের প্রতীক
প্রতীক
প্রিপিয়াত কিয়েভ ওব্লাস্ট-এ অবস্থিত
প্রিপিয়াত
প্রিপিয়াত
প্রিপিয়াত ইউক্রেন-এ অবস্থিত
প্রিপিয়াত
প্রিপিয়াত
স্থানাঙ্ক: ৫১°২৪′১৭″ উত্তর ৩০°০৩′২৫″ পূর্ব / ৫১.৪০৪৭২° উত্তর ৩০.০৫৬৯৪° পূর্ব / 51.40472; 30.05694
দেশ ইউক্রেন
ওব্লাস্টকিয়েভ ওব্লাস্ট
রায়োন
প্রতিষ্ঠা৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭০
শহর অধিকার১৯৭৯
সরকার
 • প্রশাসনপরিত্যক্ত অঞ্চল পরিচালনা সম্পর্কিত ইউক্রেনের রাষ্ট্রসংস্থা
আয়তন
 • মোট৮ বর্গকিমি (৩ বর্গমাইল)
উচ্চতা[১]১১১ মিটার (৩৬৪ ফুট)
জনসংখ্যা (২০২৩[২])
 • মোট০
 (১৯৮৬ সালে আনু. 49,000)
সময় অঞ্চলইইটি (ইউটিসি+০২:০০)
 • গ্রীষ্মকালীন (দিসস)ইইএসটি (ইউটিসি+০৩:০০)
পোস্টাল কোডনেই (পূর্বে ০১১৯৬)
এলাকা কোড+৩৮০ ৪৪৯৯[৩]

প্রিপিয়াত (/ˈpriːpjət, ˈprɪp-/ PREE-pyət, PRIP-yət; ইউক্রেনীয়: При́п'ять, প্রতিবর্ণীকৃত: Prypiat, IPA: [ˈprɪpjɐtʲ]; রুশ: При́пять, প্রতিবর্ণীকৃত: Pripyat') ইউক্রেন–বেলারুশ সীমান্তবর্তী উত্তর ইউক্রেনের একটি ভূত শহর। চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পরিবেশনের জন্য নিকটস্থ প্রিপিয়াত নদীর নাম অনুসারে শহরটি ১৯৭০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের নবম পারমাণবিক শহর (ওরফে একটি "অ্যাটমগ্রাড", এক ধরনের বন্ধ শহর) হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।[৪] ১৯৭৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে একে শহর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। ২৭ এপ্রিল ১৯৮৬ সালে, চেরনোবিলের বিপর্যয়ের পরের দিন বিকেলে[৫] পরিত্যক্ত ঘোষণার পূর্ব পর্যন্ত এখানে জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৪৯,৩৬০।[৬]

প্রিপিয়াত প্রশাসনিক জেলা ইভানকিভ রায়নের মধ্যে অবস্থিত। বর্তমান পরিত্যক্ত পৌরসভাটি বৃহত্তর কিয়েব ওব্লাস্ট প্রদেশের মধ্যে ওব্লাস্টের তাৎপর্যপূর্ণ শহরের মর্যাদা পেয়েছে এবং সরাসরি কিয়েভ থেকে পরিচালিত হয়। ইউক্রেনের জরুরি অবস্থা মন্ত্রণালয় প্রিপিয়াত তত্ত্বাবধান করেন, যা পুরো চেরনোবিল বর্জন অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

পটভূমি

[সম্পাদনা]
গ্রীষ্মের সময় প্রিপিয়াতের পরিদৃশ্য। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্থ চেরনোবিল বিদ্যুৎ কেন্দ্র দৃশ্যমান।

বিপর্যয়ের পূর্বে প্রিপিয়াতের প্রবেশাধিকার অন্যান্য সামরিক গুরুত্বের শহরগুলির মতো সীমাবদ্ধ ছিল না। যেহেতু সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি অন্যান্য ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির চেয়ে নিরাপদ বলে মনে করা হয়েছিল। শান্তিপূর্ণ প্রকল্পের জন্য পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার, পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রগুলি সোভিয়েত প্রকৌশলবিদ্যার কৃতিত্ব হিসাবে উপস্থাপিত হয়েছিল। "শান্তিপূর্ণ পরমাণু" স্লোগান (রুশ: мирный атом, প্রতিবর্ণীকৃত: mirnyy atom) সেই সময়গুলিতে জনপ্রিয় ছিল। মূল পরিকল্পনাটি ছিল কিয়েভ থেকে ২৫ কিমি (১৬ মা) দূরে প্ল্যান্ট নির্মাণ করা। তবে অন্যান্য সংস্থার মধ্যে ইউক্রেনিয় একাডেমি অব সায়েন্সেস, পরিকল্পনাটি শহরের খুব কাছাকাছি হবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। ফলস্বরূপ, কিয়েভ থেকে প্রায় ১০০ কিমি (৬২ মা) দূরে বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং প্রিপিয়াত তাদের বর্তমান অবস্থানে নির্মিত হয়েছিল।[৭] বিপর্যয়ের পরে, প্রিপিয়াত শহরটি দুই দিনের মধ্যে জনশূন্য জরা হয়েছিল।[৮]

চেরনোবিল-পরবর্তী বিপর্যয়

[সম্পাদনা]
ফেরিস হুইল, প্রিপিয়াত চিত্তবিনোদন পার্ক
চেরনোবিল ঘটনার এক দশক পরে ১৯৯৬ সালে আজুর সুইমিং পুল লিকুইডেটরদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়েছিল।

১৯৮৬ সালে, স্লাভাটিচ শহরটি প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে প্রিপিয়াত নামকরণ করা হয়েছিল। চেরনোবিল দুর্ঘটনার পরে, এটি ছিল স্বাধীন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রমণ্ডলে (সিআইএস) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মী ও বিজ্ঞানীদের থাকার জন্য দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর।

একটি উল্লেখযোগ্য ল্যান্ডমার্ক প্রায়শই শহরের আলোকচিত্রগুলিতে প্রদর্শিত হয়, যেখানে আন্তরীক্ষ-ছবির ওয়েবসাইটগুলি থেকে প্রিপিয়াত চিত্তবিনোদন পার্কের দীর্ঘ-পরিত্যক্ত ফেরিস হুইল দৃশ্যমান, যেটি বিপর্যয়ের পাঁচ দিন পরে মে দিবস উদযাপনে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।[৯][১০] আজুর সুইমিং পুল এবং আভানহার্ড স্টেডিয়াম দুটি জনপ্রিয় পর্যটন স্থান।

২০২০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, প্রিপিয়াতের প্রাক্তন বাসিন্দারা শহরটির প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সেখানে সমবেত হন। ১৯৮৬ সালে শহরটি পরিত্যক্ত হওয়ার পর এটিই ছিল প্রথমবার যখন বাসিন্দারা একসঙ্গে সেখানে ফিরে যান।[১১] ২০২০-এর চেরনোবিল বর্জন অঞ্চল দাবানল শহরের উপকণ্ঠে পৌঁছেছিল, তবে তা বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছায়নি।[১২]

২০২২ সালে ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন চলাকালে, চেরনোবিলের যুদ্ধ পর্বে কয়েক ঘণ্টার তীব্র সংঘর্ষের পর শহরটি রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।[১৩] ৩১ মার্চ রুশ সেনারা বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ কিয়েভ ওব্লাস্টের অন্যান্য অঞ্চল থেকেও সরে যায়।[১৪][১৫] ৩ এপ্রিল ইউক্রেনীয় সেনারা আবার প্রিপিয়াত শহরের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়।[১৬][১৭]

জলবায়ু

[সম্পাদনা]

কেপ্পেন জলবায়ু শ্রেণিবিন্যাস ব্যবস্থায় প্রিপিয়াতের আবহাওয়া ডিএফবি (উষ্ণ-গ্রীষ্মের আর্দ্র মহাদেশীয় জলবায়ু) হিসাবে মনোনীত করা হয়েছে।[১৮]

অবকাঠামো এবং পরিসংখ্যান

[সম্পাদনা]

নিম্নলিখিত পরিসংখ্যান ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি অনুযায়ী।[২০]

  • জনসংখ্যা: বিপর্যয়ের পূর্বে ৪৯,০০০। গড় বয়স প্রায় ২৬ বছর। মোট বাসস্থান ছিল ৬,৫৮,৭০০ মি২ (৭০,৯০,০০০ ফু২): ১৬০ অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে ১৩,৪১৪ অ্যাপার্টমেন্ট, ৭,৬২১ জনে অবিবাহিত পুরুষ/মহিলার জন্য ১৮টি আবাসন হল, এবং বিবাহিত বা ডি-ফ্যাক্টো দম্পতিদের জন্য আটটি আবাসন হল।
  • শিক্ষা: ৪৯৮০ শিশুর জন্য ১৫টি কিন্ডারগার্টেন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৬,৭৮৬ শিক্ষার্থীর জন্য ৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
  • স্বাস্থ্যসেবা: ৪১০ শয্যা বিশিষ্ট একটি হাসপাতাল এবং তিনটি ক্লিনিক।
  • সংস্কৃতি: তিনটি সুবিধা: সংস্কৃতি প্রাসাদ এনার্জেটিক সংস্কৃতি প্রাসাদ; একটি প্রেক্ষাগৃহ; আটটি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের একটি শিল্প বিদ্যালয়।
  • বাণিজ্য: ২৫টি স্টোর এবং মল; ২৭টি ক্যাফে, ক্যাফেটেরিয়া এবং রেস্তোঁরা যা সম্মিলিতভাবে একসাথে ৫,৫৩৫ জন গ্রাহককে পরিবেশন করতে সক্ষম। ৪,৪৩০ টন পণ্য ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ১৫টি গুদাম।
  • শিল্প: মোট বার্ষিক ৪৭৭,০০০,০০০ রুবেল টার্নওভার সহ চারটি কারখানা। চারটি চুল্লিযুক্ত (এবং আরও দুটি পরিকল্পিত) একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
  • পরিবহন: ইয়ানভ রেল স্টেশন, ১৬৭টি নগর বাস, এবং ৪০০টি গাড়ির ধারণসক্ষম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গাড়ি পার্ক।
  • টেলিযোগাযোগ: প্রিপিয়াত ফোন কোম্পানি কর্তৃক পরিচালিত ২,৯২৬টি স্থানীয় ফোন, এবং চেরনোবিল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রশাসন, জুপিটার প্ল্যান্ট এবং স্থাপত্য ও নগর উন্নয়ন মণ্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন ১,৯৫০টি ফোন।
  • বিনোদন: একটি পার্ক, ৩৫টি খেলারমাঠ, ১৮,১৩৬ গাছ, ৩৩,০০০ গোলাপ গাছ, ২৪৯,২৪৭ গুল্ম।
  • ক্রীড়া: ১০টি ব্যায়ামাগার, ১০টি শ্যুটিং গ্যালারি, তিনটি আভ্যন্তরীণ সুইমিং পুল (আজুর সুইমিং পুল), দুটি স্টেডিয়াম (আভানহার্ড স্টেডিয়াম)।

পরিবহন

[সম্পাদনা]

শহরটি চেনিহিহিভ-ওভ্রুচ রেলপথে ইয়ানিভ স্টেশন দ্বারা পরিচালিত হতো। এটি এই পথের একটি গুরুত্বপূর্ণ যাত্রীবাহী কেন্দ্র এবং দক্ষিণে শহরতলির প্রিপিয়াত ও ইয়ানিভ গ্রামের মধ্যে অবস্থিত। ১৯৮৮ সালে পারমাণবিক কেন্দ্রের সামনে নির্মিত সেমিখোডির বৈদ্যুতিক ট্রেন টার্মিনাস বর্তমানে প্রিপিয়াতের নিকটে অবস্থিত একমাত্র অপারেটিং স্টেশন স্লাভিউচকে সংযুক্ত করেছে।[২১]

সুরক্ষা

[সম্পাদনা]
চেরনোবিল বিপর্যয় স্থানের নিকট খোলা জায়গায় কোনও ব্যক্তির জন্য বাহ্যিক আপেক্ষিক গামা ডোজ
দুর্ঘটনার পরপরই বাতাসের তেজস্ক্রিয় দূষণে বিভিন্ন আইসোটোপের প্রভাব

প্রাকৃতিক উদ্বেগ হল প্রিপিয়াত এবং তার চারপাশ ঘুরে দেখা নিরাপদ কিনা। জোন অব এলিয়েনেশন পরিদর্শন করা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বেশকয়েকটি ইউক্রেনিয় সংস্থা এই অঞ্চলে গাইডেড ট্যুর সরবরাহ করে থাকে। শহরের মধ্যে বেশিরভাগ জায়গায়, বিকিরণের মাত্রা প্রতি ঘন্টায় 1 μSv (এক মাইক্রোসিভার্ট) এর সমপরিমাণ ডোজ অতিক্রম করে না।[২২]

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি

[সম্পাদনা]

জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে

[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র

[সম্পাদনা]

(উপস্থাপনা অনুসারে)

  • হোয়াইট হর্স (২০০৮) প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটি প্রিপিয়াত ধারণ করা হয়েছিল।
  • ল্যান্ড অব ওবলিওন (২০১১) চলচ্চিত্রের বেশিরভাগ শুটিং প্রিপিয়াত হয়েছিল।
  • ট্রান্সফর্মারস: ডার্ক অব দ্য মুন (২০১১) চলচ্চিত্রে প্রিপিয়াতে একটি সংক্ষিপ্ত মিশন দেখানো হয় যেখানে অটোবটরা প্রথমে শকওয়েভ দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়ে এলিয়েন প্রযুক্তির একটি অংশের সন্ধানে মহাবিশ্বে চেরনোবিল বিপর্যয়ের অনুঘটক হিসাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল।
  • চেরনোবিল ডায়রিস (২০১২) ভৌতিক চলচ্চিত্রটি ১৯৮৬ সালে চেরনোবিল বিপর্যয়ে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত এবং প্রিপিয়াত ধারণ করা হয়েছিল।
  • অ্য গুড ডে টু ডাই হার্ড (২০১৩) চলচ্চিত্রের কাহিনি আংশিকভাবে প্রিপিয়াতের পটভূমিতে নির্মিত হয়েছে।
  • সিবিএস নিউজ সিক্সটি মিনিটস পর্ব: "চেরনোবিল: দ্য ক্যাটাস্ট্রফি দ্যাট নেভার এন্ডেড" (২০১৪)।[২৩]
  • পোস্টকার্ডস ফ্রম চেরনোবিল (নভেম্বর ২০১৪), পরিচালনা, ড্যানি কুক।
  • লস্ট সিটি অব চেরনোবিল (মে ২০১৫), আলোচিত্রশিল্পী এবং চিত্রগ্রাহক ফিলিপ গ্রসম্যানের কাজ এবং প্রিপিয়াতে ও জোন অব এক্সক্লুশনে তার পাঁচ বছরের প্রকল্প সম্পর্কে একটি ডকুমেন্টারি চলচ্চিত্র।[২৪]
  • দ্য গার্ল উইথ অল দ্য গিফটস (২০১৬) চলচ্চিত্রে নির্জন লন্ডনের আন্তরীক্ষ দৃশ্যের শুটিং ড্রোনের সহায়তায় প্রিপিয়াতের করা হয়েছে।[২৫]
  • হিস্ট্রি চ্যানেলের প্রামাণ্যচিত্র লাইফ আফটার পিপলসের একটি পর্বে প্রিপিয়াত দেখানো হয়েছিল।

সঙ্গীত

[সম্পাদনা]

চিত্রশালা

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ "Elevation of Pripyat, Ukraine Elevation Map, Topography, Contour" (ইংরেজি ভাষায়)। FloodMap.net। ১৬ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০২০।
  2. ↑ ম্যাক্রেল, ড্যানিয়েল (৭ মে ২০১৯)। "What does Chernobyl look like now, is it safe and does anyone live there?" (ইংরেজি ভাষায়)। metro.co.uk। ২২ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০২০।
  3. ↑ "সিটি ফোন কোডসমূহ" (ইংরেজি ভাষায়)। BRAMA, Inc.। ১৫ আগস্ট ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০২০।
  4. ↑ "Pripyat: Short Introduction"। new.pripyat.com। ১১ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০২০।
  5. ↑ "Pripyat – City of Ghosts"। chernobylwel.com। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০২০।
  6. ↑ "Chernobyl and Eastern Europe: My Journey to Chernobyl 6"। Chernobylee.com। ১৫ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০১৩।
  7. ↑ "History of the Pripyat city creation"। chornobyl.in.ua। ২২ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১৪।
  8. ↑ Anastasia। "dirjournal.com"। Info Blog। ১৭ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১৪।
  9. ↑ হেল্মগার্ড, কিম (১৭ এপ্রিল ২০১৬)। "Pillaged and peeling, radiation-ravaged Pripyat welcomes 'extreme' tourists"। USA Today। ২৯ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০২০।
  10. ↑ গাইস, হান্না; স্টেইনবার্গ, ইউজিন (২৬ এপ্রিল ২০১৬)। "Chernobyl in Spring"। প্যাসিফিক স্ট্যান্ডার্ড। ১৮ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০২০।
  11. ↑ LEE, PHOTOS BY ASSOCIATED PRESS, EDITED BY AMANDA (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "AP Gallery: Chernobyl town Pripyat celebrates 50th anniversary"। Columbia Missourian (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২০।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক)
  12. ↑ Roth, Andrew (১৩ এপ্রিল ২০২০)। "Ukraine: wildfires draw dangerously close to Chernobyl site"। The Guardian (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০২৪।
  13. ↑ "Fighting breaks out near Chernobyl, says Ukrainian president"। The Independent (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
  14. ↑ "Russia Hands Control of Chernobyl Back to Ukraine, Officials Say"। Wall Street Journal। ৩১ মার্চ ২০২২। ৩ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০২২।
  15. ↑ Ukrainian flag was raised at the Chornobyl nuclear power plant ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২ এপ্রিল ২০২২ তারিখে, Ukrainska Pravda (2 April 2022)
  16. ↑ Kyiv region: Ukrainian military take control of Pripyat and section of border ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৫ জুন ২০২২ তারিখে, Ukrainska Pravda (3 April 2022)
  17. ↑ "Ukrainian forces regain control of Pripyat, the ghost town near the Chernobyl nuclear plant"। ৩ এপ্রিল ২০২২। ৩ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২২।
  18. ↑ "Chernobyl Nuclear Power Plant, Ivankiv Raion, Kiev Oblast, Ukraine"। Mindat.org। ৬ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০২০।
  19. ↑ "Prypiat climate"। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২০।
  20. ↑ Припять в цифрах ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১২-১০-১৩ তারিখে ("Pripyat in Numbers"), a page from Pripyat website
  21. ↑ "Radioactive Railroad"। ২১ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১৫।
  22. ↑ "Radiation levels"। The Chernobyl Gallery। ২৪ অক্টোবর ২০১৩। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০২০।
  23. ↑ "Witness a Drone's Eye View of Chernobyl's Urban Decay"। The Creators Project। ২৪ নভেম্বর ২০১৪। ২৬ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১৪।
  24. ↑ DJI (১৪ আগস্ট ২০১৫), DJI Stories – The Lost City of Chernobyl, ২৫ আগস্ট ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০১৬
  25. ↑ ওয়াইজম্যান, অ্যান্ড্রেস (৪ আগস্ট ২০১৬)। "The story behind 'The Girl With All The Gifts'"। Screen International। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
  26. ↑ "Pink Floyd to Release 20th Anniversary Box Set of "The Division Bell"" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি) (ইংরেজি ভাষায়)। পিংক ফ্লয়েড। ২০ মে ২০১৪। ৪ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০২০।
  27. ↑ জন্স, ম্যাট (১৯ মে ২০১৪)। "Pink Floyd release new Marooned video...and TDB20 countdown!"। brain-damage.co.uk। ২২ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০২০।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]