বিষয়বস্তুতে চলুন

পেথাপুর রাজ্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পেথাপুর রাজ্য
પેથાપુર
ব্রিটিশ ভারতের দেশীয় রাজ্য
খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দী–১৯৪০

ডানদিকে অবস্থিত চিত্রাংশে নীল রঙে দর্শিত পেথাপুর রাজ্য
আয়তন 
 ১৯০১
২৯ বর্গকিলোমিটার (১১ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা 
 ১৯০১
৫,৬১৬
ইতিহাস 
 প্রতিষ্ঠিত
খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দী
 বরোদা রাজ্যে সংযুক্তি
১৯৪০
উত্তরসূরী
বরোদা রাজ্য

পেথাপুর রাজ্য ছিলো ব্রিটিশ শাসিত ভারতে অবস্থিত একটি অ-তোপ সেলামী ক্ষুদ্র দেশীয় রাজ্য, যা বর্তমানে ভারতের অন্তর্গত৷ ব্রিটিশ ভারতে এটি বরোদা এবং গুজরাত রাজ্য এজেন্সির মহীকাণ্ঠা এজেন্সিতে অবস্থিত রাজ্যগুলির মধ্যে একটি ছিলো।[] রাজ্যটির রাজনিবাস ছিলো পেথাপুর গ্রাম, এটি বর্তমানে গুজরাত রাজ্যের গান্ধীনগর জেলায় অবস্থিত৷[] গ্রামটি ইট শিল্পের জন্য খ্যাত ছিলো৷[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দীতে রাজা পেথাসিং শেরথা শহরে নিজের আধিপত্য বিস্তার করেন৷ পারমার পেথাসিঙের মৃত্যুর পর পাটনের গুজরাত সালতানাতের সদস্যরা এটিকে যুদ্ধক্ষেত্র হিসাবে ব্যবহার করতেন৷ সুলতান প্রথম আহমদ শাহ পাটন শহর ছেড়ে একটি নতুন রাজধানী স্থাপনের লক্ষ্যে আমেদাবাদ শহরের প্রতিষ্ঠা করেন৷ ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে বোম্বে রাজ্য ভেঙে গুজরাতমহারাষ্ট্র রাজ্যের জন্ম হলে আমেদাবাদ হয়ে ওঠে গুজরাতের রাজধানী৷ নতুন শহরটি সাজানো হয় পেথাপুর রাজ্যের জমির ওপরই৷ [তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

রাজ্যটি বাঘেল রাজবংশীয় রাজপুতদের দ্বারা শাসিত হতো৷ [তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ইদার রাজ্যের রাও কিরাতসিংজীর পুত্র বিরাজমল ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দের ১২ই এপ্রিল এই রাজ্যের রাওয়াল হিসাবে নিযুক্ত হন৷ তার পরে তার পুত্র রাওয়াল দীপসিংজী শিউসিংজীও ঐ একই কাজে নিযুক্ত হন৷[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

১৯৪০ খ্রিস্টাব্দের ১লা ফেব্রুয়ারি বরোদা রাজ্যতে সংযুক্ত হওয়ার জন্য সংযুক্তকরণের বিষয় হিসাবে প্রথম স্বঘোষিত দেশীয় রাজ্য হয়ে ওঠে৷ বৃহত্তর এজেন্সি গঠনের লক্ষ্যে ও চতুর্দিকে বরোদাবেষ্টিত হওয়ার কারণে পরবর্তী বহু দেশীয় রাজ্যের মতো এটিও বরোদা এজেন্সিতে স্থানান্তরিত হয়৷[] রাজ্যটির শেষ শাসক শ্রীফতে সিং বরোদা রাজ্যে সংযুক্তি থেকে ভারতের স্বাধীনতালাভ অবধি নামমাত্র এই রাজ্যটি শাসন করতেন৷ ১ মে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দে বরোদা একীভূতকরণের দলিল স্বাক্ষরিত করে ভারতীয় অধিরাজ্যে যোগদান করলে এই রাজ্যটিও ভারতের অংশীভূত হয়৷[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

শাসকবর্গ

[সম্পাদনা]

পেথাপুর দেশীয় রাজ্যের শাসকগণ বাপু ঠাকুর উপাধিতে ভূষিত হতেন৷

  • আ. ১৬৫০ – .... : পুঞ্জ সিং
  • আ. ১৭০০ – .... : রঞ্ছোড় সিং
  • ১৭০০ – ১৮০০ : অজ্ঞাত সংখ্যক উত্তরাধিকারী
  • ১৮০০ পরবর্তী – .... : আড়ে সিং
  • .... – ১৮৬১ : ভবন সিং
  • ১৮৬১ – ১৮৭৯ : হিমত সিং
  • ১৮৭৯ – ১৮৯৬ : গম্ভীর সিং
  • ১৮৯৬ – ১৯৪৮ : শ্রীফতে সিং

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Imperial Gazetteer of India, v. 20, p. 127.
  2. "Pethapur S.O Post Office – Gandhinagar, Gujarat"। ১৩ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০২০
  3. Block Making at Pethapur Village
  4. McLeod, John; Sovereignty, power, control: politics in the States of Western India, 1916–1947; Leiden u.a. 1999; আইএসবিএন ৯০-০৪-১১৩৪৩-৬; p. 160