খ্রিষ্টারি

খ্রীষ্টবৈরী, খ্রীষ্টারি, প্রতিখ্রীষ্ট বা অ্যান্টিক্রাইস্ট (গ্রিক: αντίxριστός, লাতিন: Antichristus, আরবি: ضد المسيح) বলতে খ্রীষ্টান পরকালবিদ্যায় বা বিস্তৃত অর্থে পরকালবিদ্যায় এমন এক সত্তাকে বোঝায়, বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণী মোতাবেক যে যীশু খ্রীষ্টের বিরোধিতা করবে এবং দ্বিতীয় আগমনের আগে খ্রীষ্টের পরিবর্তে নিজেকে ত্রাণকর্তা হিসেবে মিথ্যাভাবে উপস্থাপন করবে।[১] খ্রীষ্টবৈরী শব্দটি (এর একটি বহুবচন রূপসহ)[২] নূতন নিয়মে ৪ বার পাওয়া যায় এবং তা শুধু যোহনের প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রে।[২] খ্রীষ্টবৈরীকে এমন একজন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে “যে পিতা ও পুত্রকে অস্বীকার করে।”[২]
অনুরূপ শব্দ pseudokhristos বা ‘ছদ্ম খ্রীষ্ট’ সুসমাচারগুলোতেও পাওয়া যায়।[৩] সাধু মথি (অধ্যায় ২৪) ও মার্ক লিখিত সুসমাচারে (অধ্যায় ১৩) যীশু তাঁর শিষ্যদের সতর্ক করেন যেন তারা মিথ্যা নবীদের দ্বারা বিভ্রান্ত না হয়, যারা নিজেদের খ্রীষ্ট বলে দাবি করবে এবং “মহান নিদর্শন ও অলৌকিক কর্মকাণ্ড” সম্পাদন করবে।[৪][৫][৬] খ্রীষ্টবৈরীর সঙ্গে প্রায়ই সম্পর্কিত আরও তিনটি চিত্র হলো দানিয়েলের ভাবীকাল সম্বন্ধীয় দর্শনের ‘ছোট শিং’, প্রেরিত পৌল লিখিত থিষলনীকীয়দের প্রতি দ্বিতীয় পত্রের ‘পাপপুরুষ’ এবং প্রেরিত শিষ্য যোহনের নিকট প্রকাশিত বাক্যের ‘সমুদ্রের পশু’।[৭][৮][৯]
নতুন নিয়মে, বিশেষত যোহানীয় পত্রসমূহে, এই শব্দটি কোনো একক ব্যক্তিকে বোঝায় না, বরং খ্রীষ্টের বিরোধিতা করা এক শ্রেণির মানুষকে বোঝায়, যাদের প্রায়ই প্রতারক বা মিথ্যা শিক্ষক বলা হয়। প্রারম্ভিক মণ্ডলীপিতারা, যেমন: এইরেনাইওস, তেরতুল্লিয়ান এবং রোমীয় হিপ্পোল্যুতোস এই ধারণাটিকে বিস্তৃত করেন এবং কখনও কখনও খ্রীষ্টবৈরীকে রোমান সাম্রাজ্য, দানের বংশ অথবা ২ থিষলনীকীয়তে বর্ণিত অন্তিমকালের ‘ধর্মভ্রষ্ট পুরুষের’ সঙ্গে যুক্ত করেন। সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে ব্যাখ্যাগুলো ভিন্ন-ভিন্ন রূপ ধারণ করে—রূপক, ঐতিহাসিক এবং ব্যক্তিগত প্রয়োগসহ।
খ্রিস্টধর্মের প্রতিবাদপন্থী সংস্কার আন্দোলনের সময় বহু প্রোটেস্ট্যান্ট নেতা পোপতন্ত্রকে খ্রীষ্টবৈরী হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং এটিকে ভবিষ্যতের কোনো ব্যক্তির পরিবর্তে বর্তমানের এক প্রকাশ হিসেবে দেখেন। এই ঐতিহাসিক ব্যাখ্যাটি মার্টিন লুথার, জঁ কালভ্যাঁ এবং জন নক্সের মতো ব্যক্তিত্বরা ভাগ করে নিয়েছিলেন, যারা পোপকে “পাপপুরুষ” এবং খ্রীষ্টবৈরিতার অন্যান্য বিব্লীয় প্রতীকের সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন। কাথোলিক, অর্থডক্স ও অন্যান্য খ্রীষ্টীয় ঐতিহ্য সাধারণত খ্রীষ্টবৈরীকে ভবিষ্যতের এক প্রতারক বা অশুভ শক্তির প্রকাশ হিসেবে দেখেন, কখনও কখনও যাকে শয়তান অধিষ্ঠিত করতে পারে—যার প্রতারণা ঈশ্বরের প্রতি মানব আনুগত্যকে চ্যালেঞ্জ করে। অখ্রীষ্টীয় ঐতিহ্যসমূহেও অনুরূপ চরিত্র রয়েছে—যেমন ইহুদি অন্তিমবিদ্যায় আর্মিলুস বা ইসলামি অন্তিমবিদ্যায় দজ্জাল—যারা ঐশ্বরিক ইচ্ছার বিরোধী চূড়ান্ত অশুভ শক্তিকে প্রতিনিধিত্ব করে।
ব্যুৎপত্তি
[সম্পাদনা]খ্রীষ্টবৈরী শব্দটি প্রাচীন গ্রীক দুটো শব্দের সংযোগ থেকে অনূদিত: ἀντί + Χριστός (আন্তি + খ্রিস্তোস)। গ্রীক ভাষায় Χριστός অর্থ “অভিষিক্ত ব্যক্তি” এবং খ্রীষ্ট শব্দটি এখান থেকেই এসেছে।[১০] “Ἀντί” শব্দটির অর্থ কেবল “বৈরী” বা “বিপরীত” নয়, বরং “স্থলে” বা “পরিবর্তে”ও বোঝাতে পারে।[১১][১২]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]নতুন নিয়ম
[সম্পাদনা]
নতুন নিয়মে কোনো একক ব্যক্তিগত খ্রীষ্টবৈরীর অস্তিত্ব আছে কি না—তা বিতর্কিত। গ্রীক শব্দ antikhristos-এর উৎপত্তি ১ যোহনে পাওয়া যায়।[১৩] অনুরূপ শব্দ pseudokhristos (“ছদ্মখ্রীষ্ট”) প্রথমবারও নতুন নিয়মে পাওয়া যায়, কিন্তু যোসিফুস তার বিভিন্ন মিথ্যা মসীহের বিবরণে কখনও এই শব্দ ব্যবহার করেননি।[১৪] খ্রীষ্টপূর্ব ৫০০ থেকে খ্রীষ্টাব্দ ৫০ পর্যন্ত সময়কালের ইহুদি লেখালিখিতে antikhristos ধারণাটি পাওয়া যায় না।[১৫] তবে বার্নার্ড ম্যাকগিন অনুমান করেন যে এই ধারণাটি সম্ভবত ইহুদিদের হতাশা থেকে উদ্ভূত হয়েছিল, যারা প্রায়ই খেয়ালখুশিভাবে শাসনকারী সেলিউসিড বা রোমক শাসনের অধীন ছিল এবং যাদের কাছে স্বর্গীয় দরবারে ঈশ্বরের এক বিরোধী দেবদূত হিসেবে শয়তানর অস্পষ্ট ধারণাটি যথেষ্ট মানবিক ও ব্যক্তিগত রূপ পায়নি—যাতে অশুভ ও হুমকির সন্তোষজনক অবতার তৈরি করা যায়।[১৬][অনির্ভরযোগ্য উৎস?]
যোহানীয় পত্রসমূহে “antichrist” বা “antichrists” শব্দটির পাঁচটি ব্যবহার স্পষ্টভাবে কোনো একক অন্তিমকালের ব্যক্তিগত খ্রীষ্টবৈরীকে উপস্থাপন করে না। সাধারণত “প্রতারক” বা “প্রতিখ্রীষ্ট” শব্দগুলোর পূর্বে নির্দিষ্ট নির্দিষ্ট পদাশ্রিত নির্দেশক ব্যবহৃত হওয়ায় এগুলোকে কোনো ব্যক্তির পরিবর্তে এক শ্রেণির মানুষকে বোঝাতে দেখা যায়।[১৭]
শিশুগণ, শেষকাল উপস্থিত, আর তোমরা যেমন শুনিয়াছ যে, খ্রীষ্টারি আসিতেছে, তেমনি এখনই অনেক খ্রীষ্টারি হইয়াছে; ইহাতে আমরা জানি যে, শেষকাল উপস্থিত।
— ১ যোহন ২:১৮
যীশুই খ্রীষ্ট, ইহা যে অস্বীকার করে, সে বই আর মিথ্যাবাদী কে? সেই ব্যক্তি খ্রীষ্টারি, যে পিতাকে ও পুত্রকে অস্বীকার করে।
— ১ যোহন ২:২২
ইহাতে তোমরা ঈশ্বরের আত্মাকে জানিতে পার; যে কোন আত্মা যীশু খ্রীষ্টকে মাংসে আগত বলিয়া স্বীকার করে, সে ঈশ্বর হইতে। আর যে কোন আত্মা যীশুকে স্বীকার না করে, সে ঈশ্বর হইতে নয়; আর তাহাই খ্রীষ্টারির আত্মা, যাহার বিষয়ে তোমরা শুনিয়াছ যে, তাহা আসিতেছে এবং সমপ্রতি তাহা জগতে আছে।
— ১ যোহন ৪:২–৩
কারণ অনেক ভ্রামক জগতে বাহির হইয়াছে; যীশু খ্রীষ্ট মাংসে আগমন করিয়াছেন, ইহা তাহারা স্বীকার করে না; ইহা ত সেই ভ্রামক ও খ্রীষ্টারি।
— ২ যোহন ১:৭
ফলস্বরূপ, কোনো একক খ্রীষ্টারি ব্যক্তির প্রতি মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হয় ২ থিষলনীকীয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ে।[১৮][১৯] তবে এই অনুচ্ছেদে “খ্রীষ্টারি” শব্দটি কোথাও ব্যবহৃত হয়নি:
আবার, হে ভ্রাতৃগণ, আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের আগমন ও তাঁহার নিকটে আমাদের সংগৃহীত হইবার বিষয়ে তোমাদিগকে এই বিনতি করিতেছি; তোমরা কোন আত্মা দ্বারা, বা কোন বাক্য দ্বারা, অথবা, আমরা লিখিয়াছি মনে করিয়া কোন পত্র দ্বারা, মনের স্থিরতা হইতে বিচলিত বা উদ্বিগ্ন হইও না, ভাবিও না যে প্রভুর দিন উপস্থিত হইল; কেহ কোন মতে যেন তোমাদিগকে না ভুলায়; কেননা প্রথমে সেই ধর্ম-ভ্রষ্টতা উপস্থিত হইবে, এবং সেই পাপ-পুরুষ, সেই বিনাশ-সন্তান, প্রকাশ পাইবে, যে প্রতিরোধী হইবে ও ‘ঈশ্বর’ নামে আখ্যাত বা পূজ্য সকলের হইতে আপনাকে বড় করিবে, এমন কি, ঈশ্বরের মন্দিরে বসিয়া আপনাকে ঈশ্বর বলিয়া দেখাইবে।
— ২ থিষলনীকীয় ২:১–৪
কারণ অধর্মের নিগূঢ়তত্ত্ব এখনই কার্য সাধন করিতেছে; কেবল এখন একজন, যে পর্যন্ত সে দূরীভূত না হয়, বাধা দিয়া রাখিতেছে। আর তখন সেই অধর্মী প্রকাশ পাইবে, যাহাকে প্রভু যীশু আপন মুখের নিঃশ্বাস দ্বারা সংহার করিবেন, ও আপন আগমনের প্রকাশ দ্বারা লোপ করিবেন। সেই ব্যক্তির আগমন শয়তানের কার্যসাধন অনুসারে মিথ্যার সমস্ত পরাক্রম ও নানা চিহ্ন ও অদ্ভুত লক্ষণ সহকারে হইবে, এবং যাহারা বিনাশ পাইতেছে, তাহাদের সম্বন্ধে অধার্মিকতার সমস্ত প্রতারণা সহকারে হইবে; কারণ তাহারা পরিত্রাণ পাইবার নিমিত্ত সত্যের প্রেম গ্রহণ করে নাই।
— ২ থিষলনীকীয় ২:৭–১০
এই অনুচ্ছেদের দ্বিতীয় অংশটি কাতেখন (Katechon)—“যে এখন রোধ করে”—সম্পর্কিত প্রধান ধর্মগ্রন্থীয় উৎসও বটে, যিনি খ্রীষ্টবৈরীর আগমন বিলম্বিত করেন। এই ব্যক্তির পরিচয়, যদি তিনি সত্যিই কোনো ব্যক্তি হন, রহস্যময় এবং বিতর্কের বিষয়।[২০]
যদিও “খ্রীষ্টবৈরী” (antikhristos) শব্দটি কেবল যোহনের পত্রসমূহে ব্যবহৃত হয়েছে, তবুও অনুরূপ শব্দ “মিথ্যা মসীহ” (pseudokhristos) যীশু সুসমাচারসমূহে ব্যবহার করেছেন:[১৪]
কেননা ভাক্ত খ্রীষ্টেরা ও ভাক্ত ভাববাদীরা উঠিবে, এবং এমন মহৎ মহৎ চিহ্ন ও অদ্ভুত অদ্ভুত লক্ষণ দেখাইবে যে, যদি হইতে পারে, তবে মনোনীতদিগকেও ভুলাইবে।
খ্রীষ্টীয় দৃষ্টিভঙ্গি
[সম্পাদনা]অখ্রীষ্টীয় দৃষ্টিভঙ্গি
[সম্পাদনা]জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে
[সম্পাদনা]আরও দেখুন
[সম্পাদনা]পাদটীকা
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Lietaert Peerbolte, Bert Jan (২০১৮)। "Antichrist"। Hunter, David G.; van Geest, Paul J. J.; Lietaert Peerbolte, Bert Jan (সম্পাদকগণ)। Brill Encyclopedia of Early Christianity Online। Leiden, Netherlands and Boston, Massachusetts: Brill Publishers। ডিওআই:10.1163/2589-7993_EECO_SIM_00000194। আইএসএসএন 2589-7993। এস২সিআইডি 239226039।
- 1 2 3 ১ যোহন 1 John; 1 John। ২ যোহন 2 John।
- ↑ Strong, James (১৮৯০)। "G5580 – pseudochristos"। Strong's Concordance। Blue Letter Bible। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০২১।
ψευδόχριστος pseudóchristos, psyoo-dokh'-ris-tos; [...] a spurious Messiah:—false Christ. ψευδόχριστος, ψευδοχριστου, ὁ (ψευδής and χριστός), a false Christ (or Messiah) (one who falsely lays claim to the name and office of the Messiah): Matthew 24:24; Mark 13:22.
- ↑ Aune, David E. (১৯৮৩)। "The Prophecies of Jesus: Unmasking False Prophets"। Prophecy in Early Christianity and the Ancient Mediterranean World। Grand Rapids, Michigan: Wm. B. Eerdmans। পৃ. ২২২–২২৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮০২৮-০৬৩৫-২। ওসিএলসি 9555379।
- ↑ Chae, Young S. (২০০৬)। "Matthew 7:15: False Prophets in Sheep's Clothing"। Jesus as the Eschatological Davidic Shepherd: Studies in the Old Testament, Second Temple Judaism, and in the Gospel of Matthew। Wissenschaftliche Untersuchungen zum Neuen Testament 2. Reihe। খণ্ড ২১৬। Tübingen: Mohr Siebeck। পৃ. ২৩৪–২৩৬। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-১৬-১৪৮৮৭৬-৪। আইএসএসএন 0340-9570।
- ↑ France, Richard T. (২০০৭)। "Scene 2: False Prophets"। The Gospel of Matthew। Grand Rapids, Michigan and Cambridge, U.K.: Wm. B. Eerdmans। পৃ. ২৮৯–২৯১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮০২৮-২৫০১-৮। এলসিসিএন 2007013488।
- ↑ Lietaert Peerbolte, Bert Jan (২০১৩)। "How Antichrist Defeated Death: The Development of Christian Apocalyptic Eschatology in the Early Church"। Krans, Jan; Lietaert Peerbolte, L. J.; Smit, Peter-Ben; Zwiep, Arie W. (সম্পাদকগণ)। Paul, John, and Apocalyptic Eschatology: Studies in Honour of Martinus C. de Boer। Novum Testamentum: Supplements। খণ্ড ১৪৯। Leiden: Brill Publishers। পৃ. ২৩৮–২৫৫। ডিওআই:10.1163/9789004250369_016। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-০৪-২৫০২৬-০। আইএসএসএন 0167-9732। এস২সিআইডি 191738355।
- ↑ Rowland, Christopher (২০১০) [2007]। "Part I: Historical Eschatology – The Eschatology of the New Testament Church"। Walls, Jerry L. (সম্পাদক)। The Oxford Handbook of Eschatology। Oxford and New York: Oxford University Press। পৃ. ৫৬–৭৩। ডিওআই:10.1093/oxfordhb/9780195170498.001.0001। আইএসবিএন ৯৭৮-০১৯৫১৭০৪৯৮। এলসিসিএন 2006032576। এস২সিআইডি 171574084।
- ↑ Chrysostom, John। "Homily 4 on Second Thessalonians"। John A. Broadus কর্তৃক অনূদিত। From Nicene and Post-Nicene Fathers, First Series, Vol. 13. Edited by Philip Schaff. (Buffalo, New York: Christian Literature Publishing Company, 1889.) Revised and edited for New Advent by Kevin Knight.
- ↑ See Strong's Bible Dictionary: χριστος আর্কাইভইজে আর্কাইভকৃত জুলাই ১১, ২০১২ তারিখে
- ↑ See Strong's Bible Dictionary: αντί আর্কাইভইজে আর্কাইভকৃত জুলাই ১৬, ২০১২ তারিখে
- ↑ See the Lexicon to Pindar. Catholic Encyclopedia অনুযায়ী সম্পর্কিত শব্দগুলোর মধ্যে রয়েছে: antibasileus – এমন এক রাজা যিনি একটি interregnum পূরণ করেন; antistrategos – একজন propraetor; anthoupatos – একজন proconsul; antitheos – হোমার-এর রচনায় ক্ষমতা ও সৌন্দর্যে দেবতার সদৃশ ব্যক্তি (অন্যান্য রচনায় এটি শত্রু দেবতার অর্থেও ব্যবহৃত হয়েছে)।
- ↑ Horbury, William (২০০৩)। Messianism Among Jews and Christians: Biblical and Historical Studies (British English ভাষায়)। London, England: A&C Black। পৃ. ৩৩৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০৫৬৭০৮৮০৮৬।
Against this background it can be seen that the technical Greek term antichristos, although it is known only from Christian … Antichristos first occurs in the Johannine epistles, and it is not used by other Greek Jewish or early Christian writings ...
- 1 2 Mauser, Ulrich (১৯৯২)। The Gospel of Peace: A Scriptural Message for Today's World। পৃ. ৭০।
From Josephus's writings we collect, first of all, without much critical comment, some statements showing the close affinity of the … nowhere in his extensive accounts of the Jewish–Roman war uses the word "pseudo-Christ" (pseudochristos).
- ↑ "Sacred texts: Judaism"। ২৩ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Cabinet 2001।
- ↑ Yarbrough, Robert (২০০৮)। 1–3 John। Ada, Michigan: Baker Academic। পৃ. ৩৪৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০৮০১০২৬৮৭৪।
The articles in front of "deceiver" (ὁ πλάνος, ho planos) and "antichrist" (ὁ ἀντίχριστος, ho antikhristos) should be seen as marking out a certain category of persons (Wallace 1996: 227–230). This is a common Johannine usage (1 John 2:23)
- ↑ Weima, Jeffrey Alan David; Porter, Stanley E. (১৯৯৮)। Annotated Bibliography of 1 & 2 Thessalonians। Leiden, Netherlands: Brill Publishers। পৃ. ২৬৩।
(2) Does the New Testament support the notion of an individual Antichrist in whom all the anti-Christian strife of all ages will be concentrated? 2 Thess 2 answers the second question in the affirmative: an individual Antichrist will bring evil to its ...
- ↑ Hoekma, Anthony A. (১৯৭৯)। The Bible and the Future। Grand Rapids, Michigan: William B. Eerdmans Publishing Company। পৃ. ১৫৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০৮০২৮০৮৫১৬।
Whereas Berkouwer states, "There is no reason to posit with certainty on the basis of the New Testament that the antichrist ... 2. particularly his statements about the "restrainer," compel us to believe that there will be a future, individual antichrist.
- ↑ "NAB - 2 Thessalonians 2"। USCCB। ২৮ ডিসেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০২০।