তিচ্ছা বীরতুঙ্গ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
তিচ্ছা ইন্দ্রক বীরতুঙ্গ
ডাকনামষাঁড়
জন্মআগস্ট ২৯, ১৯৩০
মাতারা, শ্রীলঙ্কা (তখন সিলন)
মৃত্যুনভেম্বর ২০০৩
কলম্বো
আনুগত্যশ্রীলঙ্কা শ্রীলঙ্কা
সার্ভিস/শাখা শ্রীলঙ্কা সেনাবাহিনী
কার্যকাল১৯৫১-১৯৮৫
পদমর্যাদাজেনারেল
ইউনিটশ্রীলঙ্কা সেনাবাহিনী হাল্কা পদাতিক রেজিমেন্ট
জেমুনু ওয়াচ (পদাতিক)
নেতৃত্বসমূহযুগ্ম সামরিক অভিযান মহাপরিদপ্তরের প্রধান অধিনায়ক,
সেনাবাহিনী প্রধান (শ্রীলঙ্কা),
সেনা স্টাফ প্রধান
যুদ্ধ/সংগ্রাম১৯৭১ সালের সাম্যবাদবিরোধী যুদ্ধ,
শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধ
পুরস্কারবিশিষ্ট সেবা বিভূষণ
অন্য কাজকানাডায় নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার হাই কমিশনার

জেনারেল (অবঃ) তিচ্ছা ইন্দ্রক বীরতুঙ্গ ১৯৮১ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা সেনাবাহিনীর প্রধান অধিনায়ক ছিলেন, এছাড়া আশির দশকে নবগঠিত 'জয়েন্ট অপারেশন্স হেডকোয়ার্টার্স' নামের যুগ্ম সামরিক সদর দপ্তরের প্রথম প্রধান ছিলেন তিনি।

সৈনিক জীবন[সম্পাদনা]

বীরতুঙ্গ নতুন গঠিত হওয়া সিলন সেনাবাহিনীতে ১৯৪৯ সালের ১১ অক্টোবর ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেন, ওটিই ছিলো শ্রীলঙ্কা সেনাবাহিনীর প্রথম অফিসার নিয়োগ প্রক্রিয়া। তাকে যুক্তরাজ্যের স্যান্ডহার্স্টে পাঠানো হয়েছিলো। তিনি ওখান থেকে ফিরে এসে ১৯৫০ সালে শ্রীলঙ্কা সেনাবাহিনী হাল্কা পদাতিক রেজিমেন্টে কমিশন পান। তাকে পরে জেমুনু ওয়াচ রেজিমেন্টে বদলী করা হয় এবং তিনি এই রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটেলিয়নের প্রথম কমান্ডিং কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৬৫ সালে তিনি পানাগোদা সেনানিবাসে ১ ব্রিগেডের ব্রিগেড-মেজর ছিলেন।

১৯৭১ সালে সাম্যবাদীদের হিংস্র আন্দোলন শুরু হলে সেনাবাহিনীকে তাদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামায় সরকার, বীরতুঙ্গ তখন লেফটেন্যান্ট কর্নেল ছিলেন এবং তিনিও উক্ত সামরিক অভিযানে অংশ নেন। ১৯৭২ সালে তাকে উত্তরাঞ্চলে ভারত থেকে আসা অবৈধ তামিল লোকদের তাড়ানোর কাজে নিয়োজিত করার প্রধান দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৭৬ সালে তিনি কর্নেল পদে সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে সামরিক অভিযান পরিদপ্তরে উপ পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান। ১ ডিসেম্বর ১৯৭৭ তারিখে তাকে ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতি দিয়ে সেনা প্রশিক্ষণ পরিদপ্তর (সেনা সদর) এ পরিচালক করা হয়। ১৯৭৯ সালের ১৩ জুলাই তিনি মেজর জেনারেল পদবীতে পদোন্নতি পেয়ে জাফনা সেনা এলাকার অধিনায়ক নিযুক্ত হন, এরপর সেনাসদরে সেনা স্টাফ প্রধান পদে থাকাকালীন ১৯৮১ সালের ১৪ অক্টোবর তাকে লেঃ জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে সেনাপ্রধান করা হয়, তিনি এ দায়িত্বে ২ জুলাই ১৯৮৩ পর্যন্ত ছিলেন, এরপর ঐদিনই তাকে পূর্ণ জেনারেল করে যুগ্ম সামরিক সদর দপ্তরে প্রধান কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়, এই দায়িত্বে তিনি ১৯৮৫ সালের ২ নভেম্বর তার অবসর গ্রহণের আগ পর্যন্ত ছিলেন।[১][২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "INVESTIGATION REPORT" (PDF)AustralianBroadcasting Authority। ২০০১-০৬-১৭। ২০০৮-০৮-০৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০১-০৯ 
  2. Ex -Army chief’s funeral today

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]