তাজুল ইসলাম চৌধুরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
তাজুল ইসলাম চৌধুরী
জাতীয় সংসদ সংসদ সদস্য
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
জানুয়ারি ২০১৪
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম১৯৪৫
কুড়িগ্রাম, বাংলাদেশ
মৃত্যু১৩ আগস্ট, ২০১৮
নাগরিকত্ববাংলাদেশ
জাতীয়তাবাংলাদেশ
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ জাতীয় পার্টি

মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী (জন্ম: ১৯৪৫ - মৃত্যু: ১৩ আগস্ট, ২০১৮) বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ এবং কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। [১]

জন্ম ও শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরীর পৈতৃক বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার সবুজপাড়া এলাকায়।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত থাকা মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী সাত বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধী ভূমিকা ও গণহত্যার অভিযোগ[সম্পাদনা]

মুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান মণ্ডলের উত্তরের রণাঙ্গন বইয়ের ১৯৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, নির্যাতন ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ১৯৭১ সালের ৯ জুন তাঁর নেতৃত্বে কাঠালবাড়ী এলাকায় ৩৫ জন মানুষকে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। [২] ১৯৭১ সালে সদর উপজেলার মোগলবাসা থেকে মুক্তিযোদ্ধা ডোমাস চন্দ্র ও আবদুল করিমকে ধরে এনে হত্যার অভিযোগে [৩] স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই সাংসদ তাজুলের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালে জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। ২০০৮ সালে যে মামাল করেন তা ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসামুলক, যা পরবর্তীতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই তার মামলাটি তুলে নেন। তাজুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুধে ২২ বার তদন্ত কমিটি সারজমিনে তদন্ত করেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ পান্ নাই । রাজনৈতিক কারনে তার বিরুদ্ধে কেউ কোন কিছু না পেরে একাধিকবার তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন হয়রানী মুলক অভিযোগ মামাল করেন । তার ইন্তেকালের পরে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সশরীরে উপস্থিত থেকে তাজুল ইসলামকে শেষ শ্রদ্ধা জানান , রাষ্ট্রীয় সন্মাননা জানান, রাষ্ট্রপতি , স্পিকার সকলের শ্রদ্ধা জানান । বঙ্গন্ধু শেখ মুজিব কে যিনি বঙ্গবন্ধু উপাধি দেন তোঁফায়েল আহমেদ তাজুল ইসলাম চৌধুরীকে একজন খাটি দেশ প্রেমিক হিসাবে আখ্যায়িত করেন । তাজুল ইসলাম চৌধুরী কুড়িগ্রাম জেলা তথা বাংলাদেশের একজন গর্বিত সন্তান ছিলেন ।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

তিনি ২০১৮ সালের ১৩ আগস্ট ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। [৪][৫][৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী, কুড়িগ্রাম-২। "Constituency 26_10th_Bn"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-২২ 
  2. "সাংসদ তাজুলকে যুদ্ধাপরাধী আখ্যা দিয়ে কুড়িগ্রামে অবাঞ্ছিত ঘোষণা"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৮-১৯ 
  3. "মুক্তিযোদ্ধা জনতার ব্যানারে কুড়িগ্রামে চীপ হুইপ তাজুল এমপিকে অবাঞ্চিত ঘোষণা"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৮-১৯ 
  4. "জাতীয় পার্টির চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী আর নেই | banglatribune.com"Bangla Tribune। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৮-১৪ 
  5. "বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ তাজুল ইসলাম আর নেই"Jugantor। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৮-১৪ 
  6. "বুধবার কুড়িগ্রামে তাজুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজা-দাফন"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৮-১৪ 

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]