তথ্য অধিদফতর
| গঠিত | ১৯৭৩ |
|---|---|
| সদরদপ্তর | বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা |
| অবস্থান | |
দাপ্তরিক ভাষা | বাংলা |
মূল ব্যক্তিত্ব | মোঃ নিজামূল কবীর, প্রধান তথ্য অফিসার |
| সম্পৃক্ত সংগঠন | তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় |
| ওয়েবসাইট | pressinform |
তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) হলো তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ সরকারে একটি অধিদফতর যা সরকারি বিভিন্ন সংবাদ এবং ছবি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সরবরাহের কাজ করে। এছাড়াও সংস্থাটি তথ্য সম্পদ উন্নয়ন, সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু, তথ্য সংরক্ষণ, তথ্যের নিরাপদ সঞ্চালন, তথ্য অধিকার সংরক্ষণ, অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিতকরণসহ তথ্য সংশ্লিষ্ট বিবিধ আইন-বিধি-বিধান-প্রবিধান প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে থাকে।[১]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৯৭৩ সালে তথ্য অধিদফতর প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সরকারি বিভিন্ন সংবাদ দেশি ও বিদেশী গণমাধ্যমে সরবরাহ ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদসমূহ সরকারে অবহিত করার উদ্দেশ্য সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি সরকারের প্রধান প্রচার প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। ২০১৭ সালে বেগম কামরুন নাহারকে তথ্য অধিদফতর প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।[২] তিনি এ সংস্থার প্রথম নারী প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান।[৩] বর্তমানে মোঃ নিজামূল কবীর প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কাঠামো
[সম্পাদনা]তথ্য অধিদফতর প্রধান চারটি শাখা ও বেশ কিছু উপশাখা নিয়ে গঠিত। প্রধান শাখাসমূহ হল, প্রেস শাখা, প্রটোকল শাখা, মনিটরিং শাখা এবং প্রশাসন ও অর্থ শাখা।[৪] ঢাকায় প্রধান কার্যালয় ছাড়াও এর অধীনে চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রাজশাহীতে ৭টি আঞ্চলিক শাখা অফিস রয়েছে। পুরো সংস্থাটি সচিব পদমর্যাদার একজন প্রধান তথ্য কর্মকর্তার অধীনে ও আঞ্চলিক শাখাসমূহ উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তার অধীনে পরিচালিত হয়।
কার্যক্রম
[সম্পাদনা]তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রচারমূলক বিষয়াদি তত্ত্বাবধান করে। বিদেশি রাষ্ট্র প্রধান, সরকার প্রধান, ভিআইপিদের বাংলাদেশ সফরের বিষয়াদিসহ সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশনের মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকান্ড প্রচারের ব্যবস্থা করে। এছাড়া সরকারি এ সংস্থাটি বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি সাংবাদিকদের সাথে লিয়াজোঁ রক্ষা করার পাশাপাশি স্থানীয় ও বিদেশী সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড[৫] প্রদান করে। এছাড়া সংবাদ মাধ্যমের জন্য টেলিফোন গাইড ও দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের জীবন বৃত্তান্ত ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করে। [৬]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "পিআইডি সম্পর্কে"। তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "প্রধান তথ্য কর্মকর্তা পদে প্রথমবারের মতো নারী"। দৈনিক প্রথম আলো। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হলেন কামরুন নাহার"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "কার্যক্রম"। তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদানে ৯ সদস্যের কমিটি"। দৈনিক সমকাল। ২৯ মে ২০১৮। ১ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০১৯।
- ↑ "তথ্য অধিদফতরের কর্মবণ্টন"। তথ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইট। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০১৯।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) দাপ্তরিক ওয়েবসাইট
উইকিমিডিয়া কমন্সে তথ্য অধিদফতর সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |