জাবের ইবনে আবদুল্লাহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জাবির ইবনে আবদুল্লাহ
جابر بن عبدالله
পদবি: আল-আনসারী الأنصاري
জন্মস্থানমদিনা, হেজাজ
জাতিআরব
পরিচিতির কারণমুহাম্মাদ (সা) এর সাহাবী
মৃত্যু৭৮ হিজরী (৬৯৭)
কবরমাদা'ইন, ইরাক
পিতা-মাতাবাবা: আবদুল্লাহ ইবন আমর মা: নাসিবা বিনতে উকবা
ধর্মইসলাম

জাবির ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে হারামের আল-আনসারী ( আরবি: جابر بن عبدالله بن عمرو بن حرام الأنصاري‎‎ , মৃত্যু ৬৯৭ খ্রীস্টাব্দ/৭৮ হিজরী) মুহাম্মদ (সা) এর একজন বিশিষ্ট সাহাবি ছিলেন।

জীবন[সম্পাদনা]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

জাবির ইবনে আবদুল্লাহ আল-আনসারী হিজরী ১৫ বছর পূর্বে ইয়াসরিব (বর্তমানে মদীনা) এ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইয়াসরিবের এক দরিদ্র পরিবারের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি খাজরাজ গোত্রের লোক ছিলেন। তাঁর মা ছিলেন নাসিবা বিনতে উকবা ইবনে উদদি।

মুহাম্মদ (সা) এর যুগ[সম্পাদনা]

জাবির ইবনে আবদুল্লাহ আনসারী ৭ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন বলে জানা যায়। এছাড়াও হজ সম্পর্কিত সর্বাধিক বর্ণিত হাদিসের বর্ণনাকারী হিসাবে তিনি স্বীকৃত।

বদরের যুদ্ধে তাঁর অংশগ্রহণকে নিয়ে কিছু ইতিহাসবিদের মধ্যে বিতর্ক আছে; তবে তিনি মুহাম্মদ (সা) এর নেতৃত্বে ১৯টি যুদ্ধে (বদর সহ) যুদ্ধ করেছেন বলে জানা যায় এবং তিনি একজন বিশ্বস্ত সাহাবী ছিলেন। তিনি মক্কা বিজয়ের সময় উপস্থিত ছিলেন।

উহুদের যুদ্ধ[সম্পাদনা]

উহুদের যুদ্ধে জাবির ইবনে আবদুল্লাহকে তাঁর পিতা আবদুল্লাহ জিহাদে অংশ নিতে দেননি। জাবিরের সাত বোন ছিল (কিছু ঐতিহাসিক বলেছেন নয়জন) আর আবদুল্লাহ চেয়েছিলেন যে সে যেন তার পরিবারের যত্ন নেয়। তাই যুদ্ধের বদলে জাবির তৃষ্ণার্ত সৈন্যদের সেবা করেছিলেন। জাবিরের পিতা আবদুল্লাহ ইবনে আমরু বিন হারাম আল আনসারী উহুদ যুদ্ধে শহিদ হন। [১] তাঁর শ্যালক আমর বিন জামুহও তার সাথে শহিদ হন, যারা উভয়রই বয়স প্রায় ১০০ বছর ছিলো।

আলী ইবনে আবু তালিব যুগ[সম্পাদনা]

তিনি আলীর অধীনে তিনটি প্রধান গৃহযুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন: উটের যুদ্ধ, সিফফিনের যুদ্ধ এবং নাহরাওয়ান যুদ্ধ ।

প্রাপ্তি[সম্পাদনা]

চিত্র:Jabir ibn Abdullah's tomb.jpg
জাবির ইবনে আবদুল্লাহ আল-আনসারীর কবর

তিনি প্রায় ১,৫৪৭টি হাদিস বর্ণনা করেছেন (কিছু ইতিহাসবিদের মতে)। মুহাম্মদ (সা) এর মৃত্যুর পরে তিনি মসজিদ নববী, মদিনা, মিশর এবং দামেস্কে বয়ান দিতেন। আমর ইবনে দিনার, মুজাহিদ, আতিয়া ইবনে সা'দ এবং আতা ইবনে আবী রাবাহ প্রমুখ তাবিয়ীন আলেমগণ তাঁর বক্তৃতায় অংশ নিতো। লোকেরা মুহাম্মদ (সা) এবং তাঁর হাদীস সম্পর্কে জানার জন্য দামেস্ক ও মিশরে তাঁর চারপাশে জড়ো হত।

বর্ণিত হাদিসের তালিকা[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]