জয়পুর রাজ্য, উড়িষ্যা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জয়পুর রাজ্য
ଜୟପୁର
ব্রিটিশ ভারত ১৭৬৫-১৯৪৭ কলিঙ্গ রাজ্য ১৪৫৩-১৭১১ দেশীয় রাজ্য
১৪৫৩–১৯৪৭
জয়পুর রাজ্য, উড়িষ্যার প্রতীক
প্রতীক
Jeypore estate in the Madras Presidency.jpg
মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সিতে অবস্থিত জয়পুর রাজ্য
রাজধানীজয়পুর
ইতিহাস 
• প্রতিষ্ঠিত
১৪৫৩
১৯৪৭
উত্তরসূরী
ভারত
বর্তমানে যার অংশওড়িশা, ভারত

জয়পুর রাজ্য ছিল খ্রিস্টীয় পঞ্চদশ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে ভারতীয় স্বাধীনতা অবধি কলিঙ্গ অঞ্চলের স্থায়ী একটি রাজ্য। এটি ব্রিটিশ শাসিত ভারতে অবস্থিত একটি দেশীয় রাজ্য, যা বর্তমানে ভারতের অন্তর্গত৷ রাজ্যের শাসকবর্গ নিজেদের সূর্যবংশীয় বলে দাবি করতেন ফলে রাজ্যটি "জয়পুর সূর্যবংশী" নামেও পরিচিত ছিল। [১] কিছু বছরের জন্য এটি সামন্ত রাজ্য এবং ক্ষুদ্র রাজ্যের তালিকার অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ১৭৭৬ থেকে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এটি ব্রিটিশ ভারতের একটি জমিদারির অংশ ছিল।

জয়পুর রাজবাড়ী

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কলিঙ্গের জয়পুর রাজ্যের রাজকীয় হাতি

জনশ্রুতি অনুসারে জম্মু অঞ্চল থেকে আসা এক রাজপুত রাজকুমার বিনায়ক দেব ছিলেন পৌরাণিক সূর্যবংশীয় দের উত্তরসূরী৷ তিনি ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ পশ্চিমঘাট পর্বতমালা বরাবর অবস্থিত জয়পুর অঞ্চল দখল করেন।[২] ওই সময়ে এটি ছিল পর্বতসংকুল এবং জঙ্গলে আচ্ছাদিত, ঊষর এবং মূলত উপজাতি মানুষদের বসবাস স্থল। স্থানীয় দেবদেবী যথা মধিঘরিয়ানিকে আর্যীকরণ করে জনজাতিদের ধন্য চিন্তাধারা বদল করে এবং রাজ্যের বাইরে থেকে বহু হিন্দুদের একত্রিত করে তিনি এই অঞ্চলের শাসক নির্বাচিত হন। এই রাজবংশের শাসনের ইতিহাস খুঁজলে দেখা যাবে যে তারা মূলত দেবী দুর্গার উপাসক ছিলেন। তবে ধীরে ধীরে জনসাধারণের ধর্মীয় বিশ্বাসের মিশেলে একটি নতুন ভাবধারা সৃষ্টি হয়েছিল। [১]

১৫২৭ খ্রিস্টানদের মহারাজা বিশ্বনাথ দেব গজপতি বা বিশ্বনাথ দেব নামে পরিচিত রাজকুমার নন্দপুরের রাজসিংহাসনে বসেন। তার শাসনকালে রাজ্যটি উত্তর দিকে বঙ্গ পর্যন্ত এবং দক্ষিণে এলুরু পর্যন্ত বিস্তারিত হয়েছিল। মোটামুটিভাবে পূর্বতন কলিঙ্গ রাজ্য বলতে এই অঞ্চলকেই বোঝানো হতো।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন][স্পষ্টকরণ প্রয়োজন] তিনি গজপতি উপাধিধারী হয়ে ওঠেন, মূলত এই উপাধিটি ছিল ১৫৪১ খ্রিস্টাব্দের পূর্ববর্তী পরাক্রমশালী গজপতি রাজবংশের রাজার উপাধি।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এইসময় প্রশাসনিক সুবিধার্থে রাজ্যের সদর শহর নন্দপুর থেকে রায়গড়ায় স্থানান্তরিত করা হয়। [১]

১৫৬৫ খ্রিস্টাব্দে পার্শ্ববর্তী একাধিক ছোট ছোট রাজ্যের রাজাদের জোর করেই নিজের রাজ্যে সামন্তরাজায় পরিণত করা রাজবংশ গোলকুণ্ডার শাহদের পরাক্রমে তাদের সামন্ত রাজ্যে পরিণত হয়। [৩]

সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে রাজ্যের অষ্টম মহারাজা বীরবিক্রম দেব জয়পুর শহরের পত্তন ঘটান এবং তার রাজধানী এই শহরে স্থানান্তরিত করেন।[স্পষ্টকরণ প্রয়োজন] স্থানান্তর প্রয়োজনীয় ছিল তার কারণ জ্যোতিষ মতে পূর্বসূরী ছয় জন রাজারই একটি মাত্র পুত্রসন্তান ছিল, এবং নন্দপুর ছিল অভিশপ্ত। তবে ঐতিহাসিক স্নিপেলের এর মতে বহিরাগত মুসলিম শাসকরা উপকূলীয় অন্ধ্র বরাবর অভিসার উপর প্রভাব বিস্তার করা শুরু করেছিল, ফলে জয়পুর রাজ্যের রাজাকে বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়।[১] তিনি ১৬৬৯ খ্রিস্টাব্দে মারা গেলে তার পুত্র কৃষ্ণ দেব রাজসিংহাসনে বসেন।[৪]

১৭১৩ থেকে ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজা দ্বিতীয় বিশ্বম্ভর দেবের শাসনকালে রাজ্যের রাজধানী ছিল নারায়ণপাটনা শহরে। তিনি নিজেই ছিলেন চৈতন্য মহাপ্রভুর একজন বড় ভক্ত এবং উড়িষ্যায় বৈষ্ণবধর্ম প্রচার এর অন্যতম পথিকৃৎ। এই ভক্তিমূলক প্রচার উড়িষ্যায় ইদানিংকালেও যথেষ্ট পরিমাণে লক্ষ্য করা যায়, এটিই রাজ পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় খোন্দ জনজাতির একাত্মীকরণের অন্যতম পন্থা ছিল। তাদের বন্ধন এর সূত্র এত সূক্ষ্ম ছিল যে বিনা বাধায় রাজার পূর্বসূরীরা কোন রাজ্যে শাসন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। যুদ্ধক্ষেত্রেও রাজা একাধিকবার জনজাতি সৈন্যের সাহায্য পান। তবে পরবর্তীকালে খোন্দ জনজাতির লোকেরা এই জয়পুর রাজ্যে ছোট ছোট জমিদার রাজার ক্ষেত্রে স্থানীয় লোকদেরই অধিক পছন্দ করতেন। [৫][ক] স্নেপেল রাজ্যের অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় রাজাদের গড় বিষম কটক সম্পর্কে উল্লেখ করেন, এটি ছিল ওই সময়ে স্থানীয় রাজাদের সবচেয়ে শক্তিশালী অঞ্চল যেখানে জয়পুরের রাজারপরিপন্থী হিসেবে স্থানীয় রাজারাই রাজত্ব করতেন।[১]

ব্রিটিশ ভারত[সম্পাদনা]

প্রথম সারিতে বাম থেকে ডান দিকে ভিসকাউণ্ট জর্জ জে গোশেন, মহারাজ রামচন্দ্র দেও এবং ভিসকাউন্টেস গোশেন
মহারাজা স্যার শ্রী তৃতীয় বিক্রম দেও

ক্ষুদ্রতর রাজ্যগুলির তালিকায় জয়পুর ছিল সর্ববৃহৎ রাজ্য। এটি ওড়িশার দক্ষিণ দিকে প্রায় ১০,০০০ মা (২৬,০০০ কিমি) অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল এবং ১৮০৩ খ্রিস্টাব্দে এটির বার্ষিক ভূমি রাজস্বের পরিমাণ ছিল ১৬,০০০ ভারতীয় মুদ্রা। আঞ্চলিক রাজনীতির বিচারে এটি শুধুমাত্র পারলাখেমন্দি‌র প্রতিদ্বন্দী ছিল।[২] এইসময় রাজ্যটিকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সর্বনিম্ন মূল্যায়ন করা হয়েছিল। রাজা দ্বিতীয় বিক্রমদেব আশেপাশের একাধিক ছোট ছোট রাজা এবং তাদের সৈন্যদলকে একত্রিত করে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের শক্তির বিরুদ্ধে একটি জোটবদ্ধ বাহিনী নির্মাণ করেন। ১৭৭৫ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ জয়পুর রাজ্য দখলে অগ্রণী হলে জয়পুরের দুর্গ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। তার পুত্র দ্বিতীয় রামচন্দ্র দেবতার পিতার পরিকল্পনার বদল করে রাজ্য অক্ষুণ্ণ রাখতে ব্রিটিশদেরকে সহযোগিতা করার চিন্তাভাবনা করেন। এই সময় রাজ্যটির জন্য একটি উপরিপাওনা হয়ে দাঁড়ায় তাদের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজয়নগরম রাজ্যের ব্রিটিশদের নিকট আত্মসমর্পণ। তবে ব্রিটিশ আক্রমণের কথা মাথায় রেখে রাজা রামচন্দ্র দেব রাজ্যের একটি নতুন রাজধানীর ব্যবস্থা করেন, বর্তমান উড়িষ্যার জয়পুর শহরে পুরাতন ধ্বংসকৃত দুর্গের নিকটে অবস্থিত। [১]

রাজা তৃতীয় বিক্রমদেব, (যিনি মহারাজা স্যার শ্রী শ্রী বিক্রমদেব নামে পরিচিত ছিলেন)-এর চৌদ্দ বছর বয়সেই তার পিতার বিয়োগ ঘটলেও ২৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইনত রাজ কার্য করতে পারতেন না। পিতার তৎপরতায় তিনি তার বিদ্যাশিক্ষা অব্যাহত রাখতে পেরেছিলেন এবং ডক্টরেট উপাধি পেয়েছিলেন। তিনি ভারতে "নাইট কমান্ডার অফ দ্য ইন্ডিয়ান এম্পায়ার" হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন এবং "হিস হাইনেস" উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন, যা তিনি এবং তাঁর উত্তরসূরীরা ব্যবহার করার অনুমতি পান[কখন?] ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশরা তাকে এবং তার পূর্বসূরিদের ব্যবহারিক জন্য সরকারিভাবে মহারাজা উপাধি প্রদান করেন। [স্পষ্টকরণ প্রয়োজন] ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি সরগুজা রাজ্যের রাজকন্যাকে বিবাহ করেন। তিনি মতিমহল নির্মাণ করেন এবং লোকহিতৈষী রাজার ন্যায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জনসাধারণের সুবিধার্থে ব্যবহারের জন্য অর্থ প্রদান করেন। কোলাব এবং ইন্দ্রাবতী নদীর ওপর তিনি প্রথম সেতু নির্মাণ করান। ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে তার মৃত্যু হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

চতুর্থ রামচন্দ্র দেব, (যিনি হিস হাইনেস মহারাজা রামচন্দ্র দেব নামেও পরিচিত ছিলেন) ১৯২০ খ্রিস্টাব্দের রাজসিংহাসনে বসেন। তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ে তার সৈন্যের লেফটেন্যান্ট পদে নিযুক্ত ছিলেন এবং এই ব্রিটিশদের সহায়তায় তিনি তার নৌসেনাবাহিনীর বারোটি জাহাজ এবং ছোটো ছোটো সেনাদল নিযীক্ত করেছিলেন৷ ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে এলাহাবাদে কোনো কারণ ছাড়া মারা গেলে তার পিত্রনুজ বিক্রমদেব সিংহাসনে বসেন৷ মৃত্যুর পূর্বে তিনি বিশাখাপত্তনমে হাওয়ামহল নির্মাণ করিয়েছিলেন৷[৭]

অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত সাহিত্যসম্রাট মহারাজা চতুর্থ বিক্রম দেবের মূর্তি

চতুর্থ বিক্রমদেব, (যিনি সাহিত্যসম্রাট হিস হাইনেস মহারাজা বিক্রমদেব নামেও পরিচিত) ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে জয়পুর রাজ্যের রাজসিংহাসনে বসেন৷ তিনি বিদ্বান, কবি, নাট্যকার এবং প্রথম প্রদর্শক ছিলেন। তিনি তেলুগু, ওড়িয়া, হিন্দি, সংস্কৃত, এবং ইংরেজিতে একাধিক লেখালেখির কাজ করেছেন। তার এই অবদানের জন্য তিনি সাহিত্য সম্রাট নামে পরিচিত। অন্ধ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ডিলিট উপাধি প্রাপ্ত হন। তিনি অন্ধ্র এবং উৎকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের পদেও উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি বিহারের একটি জমিদার পরিবারের কন্যাকে বিবাহ করেন এবং নিজের জামাতা কুমার বিদ্যাধর সিংহ দেওকে রাজ্য পরিচালনার দায়িত্ব দেন। তার কন্যা দুই পুত্র সন্তান জন্ম দিলে প্রথামতো কনিষ্ঠ পুত্র তার মায়ের নিকট থেকে যান। ঘটনাচক্রে এই রামকৃষ্ণ দেব রাজকুমার হিসেবে নির্বাচিত হন। রামকৃষ্ণ দেব ছিলেন এই রাজ্যের শেষ রাজা, পরে রাজ্যটি ভারতীয় অধিরাজ্যে যোগদান করে। [৮]

স্বাধীনতা-উত্তর নামমাত্র রাজা[সম্পাদনা]

মহারাজা শ্রী রামকৃষ্ণ দেব

১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে মাতামহের মৃত্যুর পর জয়পুর রাজ্যের নাম মাত্র রাজা হিসেবে রামকৃষ্ণ দেব নির্বাচিত হন। তিনি মালব অঞ্চলের সীতামউ রাজ্যের রাজকুমারী রমাকুমারী দেবীকে বিবাহ করেন। তাজের কন্যার নাম রাজকুমারী মায়া বিজয়লক্ষ্মী, এবং পুত্রদ্বয়ের নাম যুবরাজ শক্তিবিক্রম দেব এবং রাজকুমার বিভূতিভূষণ দেব। ১৯৯৭ এবং ২০০৬ খ্রিস্টাব্দের রাজকুমারের মৃত্যুর পর রাজ সিংহাসন ত্রুটিপূর্ণ হয়ে পড়ে।[৯]

ভারতের সংবিধানের ২৬নং ধারা অনুসারে রামকৃষ্ণ দিন ছিলেন ওই রাজ্যের বৈধ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত রাজা। এর পরবর্তীকালেভারত সরকার নিউ মূল্যবোধ করে সমস্ত দেশীয় রাজ্যের থেকে রাজতন্ত্র হরণ করেন এবং তাদের উপাধি অকার্যকর করে দেয়।[১০]

২০১৩ খ্রিস্টাব্দে বিজয়াদশমী এবং রথ যাত্রার সময় এই রাজ্যের শেষ শাসকের একজন সাধারণ বংশধর বিশ্বেশ্বর দেবকে পূজা সংক্রান্ত বিষয়ে নিযুক্ত করা হয়েছিল। [১১]

শাসকবর্গ[সম্পাদনা]

জয়পুর রাজ্যের রাজবংশ বৃত্তান্তে ২৫ জন রাজার উল্লেখ পাওয়া যায়। [১২]

১৪৪৩–১৬৭৫ (নন্দপুর থেকে রায়গড়া)[সম্পাদনা]

শাসক
নাম সিংহাসনে আরোহণ সিংহাসন হস্তান্তর
রাজের বিনায়ক দেব ১৪৪৩ ১৪৭৬
রাজা বিজয়চন্দ্রাক্ষ দেব ১৪৭৬ ১৫১০
রাজা ভৈরব দেব ১৫১০ ১৫২৭
কলিঙ্গাধিপতি মহারাজা বিশ্বনাথ দেব গজপতি ১৫২৭ ১৫৭১
রাজা প্রথম বলরাম দেব ১৫৭১ ১৫৯৭
রাজা যশোবন্ত দশমট্ট দেব ১৫৯৭ ১৬৩৭
রাজা কৃষ্ণরাজ দেব ১৬৩৭ ১৬৩৭

১৬৭৫–১৯৪৭ (জয়পুর)[সম্পাদনা]

মহারাজা
নাম সিংহাসনে আরোহণ মাসল হস্তান্তর
বীরবিক্রম দেব ১৬৩৭ ১৬৬৯
কৃষ্ণ দেব ১৬৬৯ ১৬৭২
১০ বিশ্বম্ভর দে ১৬৭২ ১৬৭৬
১১ মলকীমর্দন কৃষ্ণ দেব ১৬৭৬ ১৬৮১
১২ হরি দেব ১৬৮১ ১৬৮৪
১৩ দ্বিতীয় বলরাম দেব ১৯৮৪ ১৬৮৬
১৪ রঘুনাথ কৃষ্ণ‌ দেব ১৬৮৬ ১৭০৮
১৫ প্রথম রামচন্দ্র দেব ১৭০৮ ১৭১১
১৬ তৃতীয় বলরাম দেব ১৭১১ ১৭১৩
১৭ দ্বিতীয় বিশ্বম্ভর দেব ১৭১৩ ১৭৫২
১৮ লালকৃষ্ণ দেব ১৭৫২ ১৭৫৮
১৯ মহারাজা প্রথম বিক্রম দেব ১৭৫৮ ১৭৮১
২০ দ্বিতীয় রামচন্দ্র দেব ১৭৮১ ১৮২৫
২১ মহারাজা দ্বিতীয় বিক্রম দেব ১৮২৫ ১৮৬০
২২ তৃতীয় রামচন্দ্র দেব ১৮৬০ ১৮৮৯
২৩ তৃতীয় বিক্রম দেব ১৮৮৯ ১৯২০
২৪ চতুর্থ রামচন্দ্র দেব ১৯২০ ১৯৩১
২৫ চতুর্থ বিক্রম দেব গড়ু ১৯৩১ ১৯৫১
২৬ রামকৃষ্ণ দেব (নামমাত্র) ১৯৫১ ১৯৭১

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Schnepel 1995
  2. Schnepel 2020, পৃ. 191।
  3. Mohanty 2013
  4. Dutt 2015, পৃ. 43।
  5. Schnepel 2020, পৃ. 198-200।
  6. Schnepel 2020, পৃ. 198-199।
  7. "The story behind Visakhapatnam's historic building"। মে ৮, ২০১৮। 
  8. Mahalik, Nirakar। "Vikram Dev Verma" (PDF)Magazines.odisha.gov.in। Odisha Magazine। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  9. "Who owns Hawa Mahal? Battle lines drawn within Royal family to stake claim"। জুলাই ২৮, ২০১৮। 
  10. Ramusack, Barbara N. (২০০৪)। The Indian princes and their states। Cambridge University Press। পৃষ্ঠা 278। আইএসবিএন 978-0-521-26727-4। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১১ 
  11. "Jeypore hails its new 'lord'"The Times of India। ১৫ জানুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-২১ 
  12. Dutt 2015, পৃ. 45।


উদ্ধৃতি ত্রুটি: "lower-alpha" নামক গ্রুপের জন্য <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="lower-alpha"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি, বা বন্ধকরণ </ref> দেয়া হয়নি