চিলমারী রেইড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

চিলমারী রেইড ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একটি অন্যতম বৃহৎ যুদ্ধ যাতে ১১ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক মেজর আবু তাহের এর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা কুড়িগ্রামের চিলমারী দ্বীপে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একাধিক ঘাঁটিতে সফল আক্রমণ পরিচালনা করেন। অনেকগুলো দেশি নৌযানে করে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার প্রশস্ত খরস্রোতা ব্রহ্মপুত্র পাড়ি দিয়ে এই উভচর অপারেশনটি চালানো হয়। এজন্য কলেবরে অনেক ছোট হওয়া সত্ত্বেও এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নরমান্ডি ল্যান্ডিংয়ের কথা মনে করিয়ে দেয় বলে মনে করেন অনেকে।

চিলমারী রেইড
মূল যুদ্ধ: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ
তারিখ১১ অক্টোবর ১৯৭১
অবস্থান
বিবাদমান পক্ষ

বাংলাদেশ বাংলাদেশ


মুক্তিবাহিনী

পাকিস্তান পাকিস্তান


পাকিস্তান সেনাবাহিনী
সেনাধিপতি ও নেতৃত্ব প্রদানকারী

বাংলাদেশ মেজর আবু তাহের


পাকিস্তান অজানা
জড়িত ইউনিট
১১ নং সেক্টর ৩২ বালুচ রেজিমেন্ট

[১]

পূর্ব অবস্থা ও প্রস্তুতি[সম্পাদনা]

চিলমারী হচ্ছে কুড়িগ্রামে অবস্থিত ব্রহ্মপুত্র নদের পশ্চিম তীরের একটি প্রখ্যাত নদীবন্দর। এই বন্দরের সাথে নৌপথ ছাড়াও সড়ক ও রেলপথেও অন্যান্য এলাকার ভালো যোগাযোগব্যবস্থা ছিল। এর কয়েক মাইল দক্ষিণে তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের পূর্বপাশে অবস্থান ভারত সীমান্তবর্তী রৌমারীর

রৌমারীতে ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের শক্ত ঘাঁটি। ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের জন্য রৌমারীকে মুক্ত রাখার গুরুত্ব ছিল অপরিসীম, এবং মুক্তিবাহিনী যুদ্ধের শুরু থেকেই রৌমারীকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়। এখানে ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের অবাধ বিচরণভূমি ও বিস্তীর্ণ মুক্তাঞ্চল। যখন অস্থায়ী মুজিবনগর সরকারকে রৌমারীতে স্থাপনের পরিকল্পনা চলছিল তখন মেজর জিয়ার জেড ফোর্স অঞ্চলটিকে সুরক্ষিত রাখে। তাই পাকিস্তানি বাহিনী বিপরীত পাশের চিলমারীতে বিপুল সৈন্য সমাবেশ করে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। তাদের সাথে ছিল বিশাল রাজাকার বাহিনী, যারা রাজভিটা মাদ্রাসা ও জোড়গাছ জুনিয়র স্কুলে ক্যাম্প স্থাপন করেছিল।

চিলমারীতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ৩২ বালুচ রেজিমেন্টের দুই কোম্পানি সৈন্য, দুই কোম্পানি মিলিশিয়া, দুই প্লাটুন পুলিশ ও রাজাকার বাহিনী দুর্ভেদ্য ঘাঁটি গড়ে তোলে। চিলমারী হাই স্কুল, রেলস্টেশন ও ওয়াপদাতে ছিল পাকিস্তানিদের মূল অবস্থান। এসব জায়গায় তারা বাংকার নির্মাণ করে অবস্থান নেয়। এছাড়াও চর সামাদের পেছনে চিলমারী ঘাটে পাকিস্তানি সেনাদের কয়েকটি গানবোটও ছিল।

কৌশলগত নানা কারণে চিলমারী উভয় পক্ষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। রৌমারী তখন ১১ নং সেক্টরের মানকারচর সাবসেক্টরের অধীন। মেজর আবু তাহের সেক্টর কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার এম হামিদুল্লাহ খান সাবসেক্টর কমান্ডার। রৌমারী থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যোদ্ধাদের দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করা, জামালপুর-টাঙ্গাইল হয়ে ঢাকা অগ্রসর হওয়া, চিলমারীর জনসাধারণের ওপর রাজাকারদের অসহনীয় নির্যাতন - সবকিছু মিলিয়ে চিলমারী আক্রমণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাছাড়া সে সময় মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্রশস্ত্রের ঘাটতি ছিল। তাই চিলমারীতে আক্রমণ করে পাকসেনাদের যথাসম্ভব ক্ষয়ক্ষতি করে অস্ত্র সংগ্রহও ছিল অন্যতম লক্ষ্য।[২]

প্রায় এক মাস ধরে পাকবাহিনীর অবস্থান, রাজাকারদের কার্যক্রম, শত্রুর গোপন তথ্য সংগ্রহ, শত্রুর গতিবিধি, ভারী অস্ত্রের অবস্থান রেকি সহ সার্বিক তথ্য সংগ্রহের কাজ করে ১১ নং সেক্টরের গোয়েন্দা অফিসার শফিক উল্লাহর নেতৃত্বাধীন একটি দল। শফিক উল্লাহ শত্রুর বিস্তারিত বিবরণ হুবহু মাটির নকশা করে সেক্টর কমান্ডারকে দেন। চিলমারী এলাকার মুক্তিযোদ্ধা অধিনায়ক, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবুল কাশেম চাঁদ এ কাজে তাঁকে সাহায্য করেন।

মুক্তিযোদ্ধারা চারটি দলে বিভক্ত হন। ইপিআরের নায়েক সুবেদার আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বাধীন দলটি রেলস্টেশন, ওয়াপদা ও জোড়গাছ রাজাকার ক্যাম্প দখলের জন্য। আবুল কাশেম চাঁদের নেতৃত্বে দলটি পুলিশ স্টেশন, বলবাড়ি রেলস্টেশন ও রাজভারটা রাজাকার ক্যাম্প দখলের জন্য। ওয়ারেন্ট অফিসার শফিক উল্লাহর নেতৃত্বাধীন দলটির দায়িত্ব ছিল কাট-অফ পার্টির। অর্থাৎ তারা চিলমারী ও উলিপুরের মাঝামাঝি গোপনে অবস্থান নেবে যাতে শত্রুরা যোগাযোগ করতে না পারে। আর মেজর তাহের এর অধীনে কিছু যোদ্ধা থাকেন রিজার্ভ পার্টি হিসেবে।

আক্রমণ শুরু করতে প্রচুর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয় মুক্তিযোদ্ধাদের। এই যুদ্ধে রৌমারীতে স্থাপিত ক্যাম্পে প্রশিক্ষিত যোদ্ধাদের কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যারা কিনা মাত্র ১৫ দিনের প্রশিক্ষণে বিনা অস্ত্রে যুদ্ধ করবেন। এছাড়াও এত বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার জন্য নৌকার ব্যবস্থা করা এবং প্রায় পাঁচ কিলোমিটার প্রশস্ত ব্রহ্মপুত্র নদ পাড়ি দিয়ে শত্রুর দৃষ্টি এড়িয়ে চিলমারী প্রবেশ করা ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

আক্রমণ সুদৃঢ় করার জন্য চারটি কামানকে চর ঠেলে চালিয়াপাড়ায় স্থাপন করাও ছিল খুবই দুঃসাহসী ও কষ্টসাধ্য একটি কাজ। অত্যন্ত দক্ষ রণকৌশলে কামান চারটিকেই যথাস্থানে স্থাপন করা হয়। মূল আক্রমণ শুরুর আগে ৯ অক্টোবর ওয়ারেন্ট অফিসার শফিক উল্লাহর নেতৃত্বাধীন কাটঅফ পার্টি অভূতপূর্ব সাফল্য দেখায়। তারা শুধু সড়ক ও রেলব্রিজ গুলো ভেঙে দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, বরং জায়গায় জায়গায় রেললাইন তুলে ও রাস্তা কেটে শত্রুর চলাচলকে কয়েকদিনের জন্য বন্ধ করে দেয়।[৩]

রেইড[সম্পাদনা]

১১ অক্টোবর মেজর তাহেরের নেতৃত্বে ৬০টি দেশি নৌকা নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা রওনা হন চিলমারী রেইডের লক্ষ্যে। তাঁদের অর্ধেকের সাথে ছিল ৩০৩ রাইফেল, কয়েকজনের কাছে স্টেনগান, আর বাকিদের কাছে শুধুমাত্র গ্রেনেড। নায়েক সুবেদার মান্নানকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ওয়াপদা কলোনি আক্রমণের। তাঁর সাথে দুটি ৩.৫ ইঞ্চি রকেট লঞ্চার ছিল। চাঁদকে জোড়াগাছা, রাজভারটা, থানাহাট পুলিশ স্টেশন ও পেছনের সেতু পর্যন্ত এলাকার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

মূল বাহিনীর ছােট ছােট দলগুলাের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন খালেদুল, দুদু, সুলায়মান, নূর আহমেদ, আলাে এবং নজরুল। আক্রমণ পরিচালনার জন্য চালিয়া পাড়ায় মেজর আবু তাহের তাঁর হেড কোয়ার্টার স্থাপন করেন। চিলমারীর দুই মাইল দক্ষিণে গাজীর চরকে আক্রমণকারী বাহিনীর ঘাঁটি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। রাত একটায় তাহেরের নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী আক্রমণ স্থলের নিকটবর্তী ঘাঁটিতে পৌঁছে যায়।

ভোর চারটায় খুব কাছ থেকে রকেট লঞ্চার দিয়ে ওয়াপদা ভবনে আক্রমণের মাধ্যমে লড়াই শুরু হয়। দূরপাল্লার কামানগুলাে শক্রসেনাদের সম্ভাব্য অবস্থানের ওপর গোলাবর্ষন করতে থাকে। পাকসেনাদের গানবোটগুলোতেও আক্রমণ করা হয়। কামানের গােলা, গ্রেনেড, মেশিনগান আর রাইফেলের আওয়াজে রাতের নিস্তদ্ধতা ভেঙ্গে যায়। সকাল ছয়টার মধ্যে জোড়াগাছা, রাজভারটা, পুলিশ স্টেশন ও পেছনের সেতুর অবস্থানগুলাে মুক্তিবাহিনীর দখলে চলে আসে। কিন্তু ওয়াপদা ভবনের আশপাশের কংক্রিট নির্মিত বাংকারে তখনো পাকসেনাদের শক্ত অবস্থান নজরে পড়ে। তারা সেখান থেকে প্রতিরোধ করে যাচ্ছিল। মুক্তিযােদ্ধাদের রকেট লঞ্চার দুটি পাকিস্তানি বাংকারগুলো নির্মূল করতে না পারলেও ওয়াপদা ভবনে অবস্থানরত প্রচুর পাকসেনা হত্যা করতে সক্ষম হয়। তবে মাত্র দুটি রকেট লঞ্চারের ওপর নির্ভর করায় মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানিদের এই অবস্থানটি সম্পূর্ণ দখল করতে সক্ষম হননি।

সকাল আটটায় তাহেরের কাছে খবর আসে চাঁদ আরাে সাহায্য চাচ্ছেন। চাঁদ আক্রমণে প্রাথমিকভাবে সফল হয়ে বেশকিছু অস্ত্রশস্ত্র দখল করলেও একপর্যায়ে পাকিস্তানিদের আক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। তাই তিনি সাহায্য প্রার্থনা করেন। চাঁদ লক্ষ্য করেন যে বলবাড়ি রেল স্টেশন থেকে শক্রসেনারা নতুন আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মেজর তাহের এ অবস্থায় তাঁর ছোট গানবোটের কমান্ডপোস্ট ছেড়ে কয়েকজন এলএমজি ম্যান নিয়ে চাঁদের সাহায্যার্থে পুলিশ স্টেশনের দিকে এগিয়ে যান। স্টেশনের এক মাইলের মধ্যে আসার পর মেজর তাহের রাস্তায় ফেলে যাওয়া একটি গরুর গাড়িতে এক আহত নারীকে দেখেন। তিনি তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু তাঁরা যখন হাসপাতালে পৌছান তখন তীব্র গুলি ধেয়ে আসতে থাকে। তাহের ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় এক ডাক্তারকে পান, যাঁর হাতে তিনি সেই নারীটির ভার ছেড়ে চলে আসেন।[৪]

চাঁদের সাহায্যে আসা মেজর তাহের পুলিশ স্টেশনে পৌঁছানোর আগেই পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমনের তীব্রতায় চাঁদ এলাকাটি ত্যাগ করতে বাধ্য হন। মেজর তাহের তাঁর এলএমজি নিয়ে পুলিশ স্টেশন এলাকায় পাকসেনাদের ওপর আক্রমণ শুরু করেন। ফলে চাঁদের সুবিধা হয়। তিনি তাহেরের এলএমজির ফায়ার সাপোর্টে আবার আক্রমণ পরিচালনা করেন। শেষপর্যন্ত পাকসেনারা এখান থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়। মেজর তাহের পাকসেনাদের বলবাড়ি পর্যন্ত ধাওয়া করে নিয়ে যান। বলবাড়িতে পাকসেনারা পুনরায় সংগঠিত হয়ে আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সেই সুযোগে মেজর তাহের পুলিশ স্টেশনে ফিরে এসে প্রচুর অস্ত্র ও গোলাবারুদ দখল করে গাজীর চরে নিয়ে যান। এছাড়াও কিছু পাকিস্তানি সৈন্য এসময় বন্দী হয় যাদেরকে গাজীর চরে স্কোয়াড্রন লিডার হামিদুল্লাহ জিজ্ঞাসাবাদ করছিলেন।[৫]

অন্ধকার নামার সাথে সাথে তাহের কিছু সংখ্যক মুক্তিযােদ্ধা রেখে প্রধান দলটি নিয়ে গাজীর চরে ফিরে আসেন। কিছু সংখ্যক মুক্তিযােদ্ধা রেখে আসার উদ্দেশ্য ছিল যাতে পাকিস্তানিরা তাহেরের পিছু নিতে না পারে। যদিও তাহের ও তাঁর সঙ্গীরা ভবনের বাংকারগুলাে এবং বলবাড়ি রেলওয়ে স্টেশনের অবস্থান সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে পারেননি, তবুও পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দারুণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। খুব কাছ থেকে সম্পূর্ণভাবে ঘেরাও হয়েও শত্রুসৈন্যরা আত্মসমর্পণ করেনি। তারাও বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে।

মুক্তিযােদ্ধারা জানতেন তাঁরা চলে আসার পর ঐ এলাকার জনসাধারণের উপর পাকিস্তানিরা অত্যাচার চালাবে। কিন্তু পেছনে ব্রহ্মপুত্র নদীর বাধা নিয়ে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে দখল করা অবস্থান আঁকড়ে থাকা সম্ভব ছিল না। এই আক্রমণের উদ্দেশ্যেই ছিল পাকিস্তানি সৈন্যদেরকে আকস্মিক আক্রমণ করে যতবেশি সম্ভব ক্ষতি করা, তাদের মনােবল ভেঙ্গে দেওয়া এবং অস্ত্র ও গােলাবারুদ দখল করা। এ কাজে মুক্তিবাহিনী সম্পূর্ণ সফল হয়। মুক্তিযােদ্ধারা চলে আসার পর পাকিস্তানিরা ঐ এলাকায় নিরীহ ও নিরস্ত্র গ্রামবাসীর উপর নির্মম অত্যাচার চালায়।

ওয়ারেন্ট অফিসার সফিউল্লার নেতৃত্বে যােগাযােগ কাট-অফ পার্টিও তাদের কাজে সফল হয়। তারা পাকিস্তানিদের অগ্রযাত্রা আটকাতে জায়গায় জায়গায় রেলওয়ে লাইন এবং রাস্তা কেটে সমান করে দেয়। বেশ কিছুদিনের জন্য এই যােগাযােগ ব্যবস্থা পাকিস্তানিরা ব্যবহার করতে পারেনি। ১৩ই অক্টোবর বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবন্দী এবং প্রচুর অস্ত্র ও গােলাবারুদ নিয়ে মেজর তাহেরের নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী রৌমারী ফিরে আসে।[৪]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=139368404579665&id=107625574420615&__tn__=%2As%2As-R
  2. এগারোটি সেক্টরের বিজয় কাহিনী - মেজর রফিকুল ইসলাম পিএসসি, প্রকাশক- স্বরবৃত্ত প্রকাশনী, প্রথম প্রকাশ- অক্টোবর ২০১১, পৃষ্ঠা ১৩৩
  3. http://www.thepapyrus.org › 2020/05/14 দ্যা চিলমারী রেইড - প্যাপাইরাস | The Papyrus
  4. চিলমারী রেইড - সংগ্রামের নোটবুক https://s/songramernotebook.com/archives/51520/amp[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  5. এগারোটি সেক্টরের বিজয় কাহিনী - মেজর রফিকুল ইসলাম পিএসসি; প্রকাশক-স্বরবৃত্ত প্রকাশন, প্রথম প্রকাশ-অক্টোবর ২০১১, পৃষ্ঠা ১৩৪