চরণ সিং

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
চরণ সিং
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামচরণ কমকর্ণ সিং
জন্ম(১৯৩৫-১১-২৭)২৭ নভেম্বর ১৯৩৫
সান জুয়াও, ত্রিনিদাদ
মৃত্যু১৯ নভেম্বর ২০১৫(2015-11-19) (বয়স ৭৯)
সান জুয়াও, ত্রিনিদাদ
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনস্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১০৯)
২৮ জানুয়ারি ১৯৬০ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট৯ মার্চ ১৯৬০ বনাম ইংল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১১
রানের সংখ্যা ১১ ১০২
ব্যাটিং গড় ৩.৬৬ ৮.৫০
১০০/৫০ -/- -/-
সর্বোচ্চ রান ১১ ২৯*
বল করেছে ৫০৬ -
উইকেট ৪৮
বোলিং গড় ৩৩.২০ ২৩.৯৩
ইনিংসে ৫ উইকেট -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ২/২৮ ৭/৩৮
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/- ৭/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

চরণ কমকর্ণ সিং (ইংরেজি: Charran Singh; জন্ম: ২৭ নভেম্বর, ১৯৩৫ - মৃত্যু: ১৯ নভেম্বর, ২০১৫) ত্রিনিদাদের সান জুয়াও এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৬০ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে বামহাতে কার্যকরী ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন চরণ সিং

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[উৎস সম্পাদনা]

১৯৫৯-৬০ মৌসুম থেকে ১৯৬১-৬২ মৌসুম পর্যন্ত চরণ সিংয়ের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। বামহাতি অর্থোডক্স স্পিনার চরণ সিং ১৯৫৯-৬০ মৌসুম থেকে ১৯৬১-৬২ মৌসুম পর্যন্ত ত্রিনিদাদ দলের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। জ্যামাইকার বিপক্ষে প্রথমে খেলাতেই ৫/৬৯ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন। ঐ মৌসুমের শেষদিকে নিজস্ব দ্বিতীয় খেলায় সফররত এমসিসির বিপক্ষে প্রথমে ইনিংসে ৫/৫৭ পান। ফলশ্রুতিতে সফররত ইংরেজ দলের বিপক্ষে টেস্টে অংশগ্রহণ করার জন্যের আমন্ত্রিত হন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[উৎস সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন। ২৮ জানুয়ারি, ১৯৬০ তারিখে পোর্ট অব স্পেনে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এরপর ৯ মার্চ, ১৯৬০ তারিখে জর্জটাউনে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে খেলার সুযোগ পান তিনি ও রেগ স্কারলেটের স্থলাভিষিক্ত হন। খেলায় তিনি তিন উইকেট লাভ করেছিলেন। কুইন্স পার্কে ওভালে অনুষ্ঠিত অভিষেক ঘটা ঐ টেস্টে চরণ সিং রান আউটের শিকারে পরিণত হন। ফলশ্রুতিতে দর্শকেরা দাঙ্গায় জড়িয়ে পড়ে।[১] তৃতীয় টেস্টে পুণরায় স্কারলেট যোগ দেন ও তাকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা হয়। চতুর্থ টেস্টে সনি রামাদিনের পরিবর্তে পুণরায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে অন্তর্ভুক্ত হন। এবার পান দুই উইকেট। ফলে, পঞ্চম টেস্টে সনি রামাদিনকে দলে ফিরিয়ে আনা হয়।

অবসর[উৎস সম্পাদনা]

১৯৬০-৬১ মৌসুমে বার্বাডোসের বিপক্ষে ৭/৩৮ লাভ করেন। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে খেলতে দেখা যায়নি। ১৯ নভেম্বর, ২০১৫ তারিখে ৭৯ বছর বয়সে ত্রিনিদাদের সান জুয়াও এলাকায় চরণ সিংয়ের দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র[উৎস সম্পাদনা]

  1. "M.C.C. team in West Indies 1959-60"Wisden Cricketers' Almanack। John Wisden & Co। ১৯৬১। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০১১ 

বহিঃসংযোগ[উৎস সম্পাদনা]