ঘড়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ঘড়ার সাধারণ আকৃতি

ঘড়া ভারতপাকিস্তানে তৈরি একপ্রকার কলসজাতীয় মৃৎপাত্র। এটি পানীয় জল সংরক্ষণ এবং শীতল রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়।[১][২]

ঘড়া শব্দটি পাহাড়ি, বাংলা[৩] এবং ওড়িয়া তিনটি ভাষাতেই প্রায় একই অর্থে বিদ্যমান রয়েছে যা উদ্ভূত হয়েছে সংস্কৃত শব্দ ঘটা হতে।[৪] এটিকে হিন্দিতে লেখা হয় घड़ा[৫], নেপালি ভাষায় घड़ा[৬], উর্দুতে گھڑا[৭], এবং পাঞ্জাবিতে ਘਡ਼ਾ।[৮]

ঘড়া শব্দটি প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ঘড়িয়ালের শুঁড়ের উপর ফাঁপা বাল্বযুক্ত প্রোটিউবারেন্সের জন্যও ব্যবহৃত হয় কারণ এটি দেখতে ঘড়ার মতো আকৃতির। এই প্রোটিউবারেন্স তাদেরকে ৭৫ মিটার (২৪৬ ফুট) দূর থেকে শোনা যায় এমন একপ্রকার হিস্হিস্ শব্দ নির্গত করতে সাহায্য করে।[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Sikdar, M. & Chaudhuri, P. (২০১৫)। "Pottery making tradition among the Prajapati community of Gujarat, India"Eurasian Journal of Anthropology6 (1): 1–14। 
  2. Shafeeq, M. (২০১৪)। "Crafts of Cholistan (Bahawalpur Punjab Pakistan)"। International Journal of Scientific and Research Publications4 (8): 193–199। 
  3. Parpola, A. (২০১১)। "Crocodile in the Indus Civilization and later South Asian traditions" (PDF)। Osada, H.; Endo, H.। Linguistics, Archaeology and the Human Past। Kyoto, Japan: Indus Project Research Institute for Humanity and Nature। পৃষ্ঠা 1–57। আইএসবিএন 978-4-902325-67-6 
  4. Parpola, A. (২০১১)। "Crocodile in the Indus Civilization and later South Asian traditions" (PDF)। Osada, H.; Endo, H.। Linguistics, Archaeology and the Human Past। Kyoto, Japan: Indus Project Research Institute for Humanity and Nature। পৃষ্ঠা 1–57। আইএসবিএন 978-4-902325-67-6 
  5. Caturvedi, M. (১৯৭০)। "घ/ड़ा"A practical Hindi-English dictionary। Delhi: National Publishing House। পৃষ্ঠা 186। 
  6. Turner, R. L. (১৯৩১)। "घड़ा ghaṛā"A comparative and etymological dictionary of the Nepali language। London: K. Paul, Trench, Trubner। পৃষ্ঠা 153। 
  7. Platts, J. T. (১৮৮৪)। "گهاٿ घाट"A dictionary of Urdu, classical Hindi, and English। London: W. H. Allen & Co.। পৃষ্ঠা 929। 
  8. Singh, M. (১৮৯৫)। "ਘਡ਼ਾ"The Panjabi dictionary। Lahore: Munshi Gulab Singh & Sons। পৃষ্ঠা 382। 
  9. Biswas, S.; Acharjyo, L. N.; Mohapatra, S. (১৯৭৭)। "A note on the protuberance or knob on the snout of male gharial, Gavialis gangeticus (Gmelin)"Journal of the Bombay Natural History Society74 (3): 536–537।  অজানা প্যারামিটার |name-list-style= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)