কৃষ্ণদেবরায়া দন্তচিকিৎসা মহাবিদ্যালয় ও চিকিৎসালয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কৃষ্ণাদেবরায়া দন্তচিকিৎসা মহাবিদ্যালয় এবং চিকিৎসালয়
Krishnadevaraya College of Dental Sciences and Hospital
ಕೃಷ್ಣದೇವರಾಯ ದಂತ ವಿಜ್ಞಾನ ಮಹಾವಿದ್ಯಾಲಯ ಮತ್ತು ಆಸ್ಪತ್ರೆ
চিত্র:Krishnadevaraya College.jpg
মহাবিদ্যালয়ের প্রবেশপথে থাকা পিতলের নামফলক
নীতিবাক্যমানবতা, ত্যাগ, অর্পণ, সেবা
বাংলায় নীতিবাক্য
Humanity, Sacrifice, Dedication, Service
অধিভুক্তিরাজীব গান্ধী স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়,কর্ণাটকভারতীয় দন্ত পরিষদ , নতুন দিল্লী
অধ্যক্ষডাঃ পোন্নানা এ. বি.ডি.এস. ; এম.ডি.এস. (প্রস্থোডন্টিকস)
স্নাতক৬০ জন প্রতি বছর
স্নাতকোত্তর৩৮ জন প্রতি বছর
অবস্থান, ,
শিক্ষাঙ্গনকৃষ্ণাদেবরায়ানগর ,

আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর পদ, হোনাসামারানাহাল্লী, (ভায়া ইয়েলাহাংকা) ব্যাঙ্গালোর

(১৩৩ একর জুড়ে)
সংক্ষিপ্ত নামকেসিডিএস
ওয়েবসাইট[১]

কৃষ্ণাদেবরায়া দন্তচিকিৎসা মহাবিদ্যালয় এবং চিকিৎসালয় (ইংরাজী: Krishnadevaraya College of Dental Sciences and Hospital; কান্নাড়া: ಕೃಷ್ಣದೇವರಾಯ ದಂತ ವಿಜ್ಞಾನ ಮಹಾವಿದ್ಯಾಲಯ ಮತ್ತು ಆಸ್ಪತ್ರೆ) [২][স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] ব্যাঙ্গালোরে অবস্থিত দন্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি ব্যক্তিগত মহাবিদ্যালয়।‌ এই মহাবিদ্যালয়খনি রাজীব গান্ধী স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়[১] এবং ভারতীয় দন্ত পরিষদ ,নতুন দিল্লী দ্বারা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।

অবস্থান[সম্পাদনা]

চিত্র:KCDS greenery.jpg
KCDS greenery view from the library window

কৃষ্ণদেবরায়া দন্তচিকিৎসা মহাবিদ্যালয়টি ১৩৩ একর জমিতে বিস্তৃত।‌ মহাবিদ্যালয়টি ৭নং জাতীয় মহাসড়ক থেকে ১ কিঃমিঃ দূরত্বে এবং ইয়েলাহাংকার ভারতীয় বায়ু সেনাছাউনী, উত্তর ব্যাঙ্গালোরের কাছে অবস্থিত।‌ মহাবিদ্যালয় থেকে ব্যাঙ্গালোর মহানগরীর প্রধানস্থান তথা রেল স্টেশনের (ম্যাজেস্টিক) দূরত্ব ২১ কিঃমিঃ এবং কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দূরত্ব মাত্র ১৪কিঃমিঃ।‌ যদিও মহানগরীর প্রধানস্থান থেকে মহাবিদ্যালয়টি অল্প ভিতরে, মহাবিদ্যালয়টি মহানগরীর বাস পরিষেবা দ্বারা সংযুক্ত।‌ মহানগরীর বাস পরিষেবার নং হল ২৮২, ২৯৮, ২৮৩ক।

উদ্দেশ্য[সম্পাদনা]

  1. প্রতি ছাত্র-ছাত্রীকে দন্তচিকিৎসাবিদ্যার নিপুণ অনুভবী ব্যক্তি হিসেবে গড়েে তোলা।‌
  2. প্রতি ছাত্র-ছাত্রীর চিন্তায় চিকিৎসাবিজ্ঞানের নীতি তথা আদর্শ অন্তনিবিষ্ট করা।‌
  3. প্রতি ছাত্র-ছাত্রীকে সমাজ তথা মানব সেবার প্রতি অনুপ্রাণিত করা।‌

পাঠ্যক্রম[সম্পাদনা]

স্নাতক পাঠ্যক্রম:[সম্পাদনা]

  • ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি (বি.ডি.এস.)

স্নাতকোত্তর পাঠ্যক্রম[সম্পাদনা]

  • মাস্টার অব ডেন্টল সার্জারি (এম.ডি.এস.)
  • অরেল মেডিসিন ও রেডিওলজি
  • পেড্রিয়াট্রিক ও প্রিভেনটিভ ডেন্টিষ্ট্রি
  • অরেল ও মেক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি
  • পেরিওডন্টোলজি
  • অর্থোডন্টিক্স ও ডেন্টোফেসিয়াল অর্থোপেডিক্স
  • কনজারভেটিভ ডেন্টিষ্ট্রি ও এণ্ডোডন্টিকস
  • প্রস্থোডন্টিকস এবং ক্রাউন অ্যান্ড ব্রীজ
  • অরেল এবং মেক্সিলোফেসিয়াল প্যাথোলজি
  • পাব্লিক হেল্থ ডেন্টিষ্ট্রি

সার্টিফিকেট পাঠ্যক্রম[সম্পাদনা]

  • ইমপ্লান্টোলজি

মহাবিদ্যালয়ের প্রতীকচিহ্ন[সম্পাদনা]

মহাবিদ্যালয়ের প্রতীকটি পূর্বীয় এবং পশ্চিমী স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের সংমিশ্রিত রূপ।‌

  • মধ্যভাগে অবস্থিত সাপ জড়িয়ে থাকা দন্ডটি গ্রীক ও রোমান স্বাস্থ্যদেবতা হার্মিস ও মার্কিওরীকে প্রতিনিধিত্ব করছে।‌
  • প্রজ্বলিত শিখা অমরত্ব তথা সমস্ত বেদনার থেকে মুক্তি বোঝাচ্ছে।

‌*হাতির যুগ্ম দন্ত দন্তচিকিৎসা বিজ্ঞানের পেশাকে বোঝাচ্ছে।‌

  • খোদিত চারটি শব্দ মানবতা, ত্যাগ, সেবা এবং অর্পণে প্রতিটি চিকিৎসকের করা প্রতিজ্ঞার কথা বর্ণনা করছে।‌

আন্তঃগাঁঠনি[সম্পাদনা]

মহাবিদ্যালয়টি একটি দন্তচিকিৎসালয়ে সমৃদ্ধ তিনতলা অট্টালিকা।‌ মহাবিদ্যালয়ে চারটি দৃশ্য-শ্রবণ মাধ্যমযুক্ত শিক্ষাগৃহ আছে, যেখানে ৬০জন স্নাতক ছাত্র অনায়াসে শিক্ষাগ্রহণ করতে পারে।‌ একটি আধুনিকভাবে সজ্জিত প্রেক্ষাগৃহ মহাবিদ্যালয়ের প্রধানগৃহের সঙ্গে অবস্থিত।‌ প্রত্যেক বিভাগের নিজস্ব স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের জন্য ক্লিনিকাল সেকশন আছে যেখানে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে ছাত্ররা প্রশিক্ষণ নেয়।‌‌ স্নাতকোত্তর ছাত্রদের জন্য প্রত্যেক বিভাগে সেমিনার গৃহ আছে।‌ দুটি ছোট-বড় প্রাক-ক্লিনিকাল ল্যাব বেসমেন্টে আছে এবং এখানে নতুন ভর্ত্তি হওয়া ছাত্রকে প্রস্থোডন্টিকস ও কনজারভেটিভ ডেন্টিষ্ট্রির প্রাক-ক্লিনিকাল জ্ঞান দেওয়া হয়।‌

সা-সুবিধা[সম্পাদনা]

চিকিৎসালয়[সম্পাদনা]

অত্যাধুনিক সাজ-সরঞ্জামযুক্ত দন্ত চিকিৎসালয়টি মহাবিদ্যালয়ের লাগোয়া রয়েছে।‌ অঞ্চলটির একমাত্র চিকিৎসালয় হওয়ার সূত্রে রোগীর আগমন প্রশিক্ষণের জন্য যথেষ্ট।‌ মহাবিদ্যালয়টি ইয়েলাহাংকার ১০০ টি বিছানাযুক্ত সরকারী চিকিৎসালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত।‌ এখানে স্নাতক ছাত্র-ছাত্রীদেরকে মেডিসিন এবং শল্যচিকিৎসার ব্যবহারিক জ্ঞান দেয়া হয় এবং অরেল এবং মেক্সিলোফেসিয়ালের সার্জারি স্নাতকোত্তর ছাত্র-ছাত্রীর জন্য অস্ত্রোপচার গৃহ আছে।‌ মহাবিদ্যালয়টির কিডওয়াই কর্কট রোগ প্রতিষ্ঠান, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য এবং স্নায়ু বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান, (NIMHANS) এবং মল্লিগে চিকিৎসালয়ের সাথে চুক্তিবদ্ধ।‌ তদুপরি মহাবিদ্যালয়ের নিজসব একটা মাইনর অস্ত্রোপচারগৃহ এবং একটা মেজর অস্ত্রোপচারগৃহ আছে।‌

সাধারণ সুবিধা[সম্পাদনা]

মহাবিদ্যালয়ের চৌহদ্দিতে সার এম. ভিশভেশ্বরায়া ইনষ্টিটিউট অব টেকনোলজি (Sir M. Visvesvaraya Institute of Technology) [৩] নামক একটি আভিযান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান আছে।‌ তদুপরি একটা ব্যাঙ্ক (কোটাক মহিন্দ্রা ব্যাঙ্ক), একটা এটিএম, একটি কেন্টিন, একটি ক্যাফেটেরিয়া, একটি বইয়ের দোকান, দুটি স্টেশনারি দোকান আছে।‌

যাতায়াত[সম্পাদনা]

মহাবিদ্যালয়টি প্রধান রাস্তা থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত তথাপি অটোর সুবিধা আছে।‌ মহানগরীর বাস সেবা (BMTC) নং ২৮৩ক এলাকার মধ্য দিয়ে যায়।‌ কলেজ বাসের সুবিধা আছে।‌ হাউস সার্জন (House surgeon or Internee) দেরকে এই বাস পরিষেবা বিনামূল্যে দেয়া হয়।‌

আবাসিক প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

এলাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আলাদাভাবে ছাত্রাবাস/ছাত্রীবাসর সুবিধা আছে। সঙ্গে অধ্যক্ষার আবাসগৃহ, একটা অতিথিগৃহ এবং শিক্ষকদের জন্য আবাসিক অঞ্চল আছে।‌

খেলাধূলা[সম্পাদনা]

মহাবিদ্যালয়ের পারপাশে একটি ফুটবল ময়দান, একটি ক্রিকেট মঢদান, একটি বাক্সেট বল কোর্ট, একটিলন টেনিস কোর্ট, তিনটি বাইরর কোর্ট যেখানে ভলি বল,থ্রো বল, টেনিকইট খেলা হয়।‌ সঙ্গে একটি ইন্ডোর ষ্টেডিয়াম এবং একটি টেবল টেনিস হল আছে।‌

ব্যায়ামগার[সম্পাদনা]

এলাকায় একজন শারীরিক প্রশিক্ষক সহ একটি ব্যয়ামগার আছে।‌

প্রসাধন গৃহ[সম্পাদনা]

ছাত্র এবং ছাত্রীদের জন্য আলাদা প্রসাধনগৃহ আছে।‌

গ্রন্থাগার[সম্পাদনা]

শিক্ষক-শিক্ষয়ত্রী[সম্পাদনা]

ছাত্র-ছাত্রী[সম্পাদনা]

মহাবিদ্যালয়টিতে প্রবেশ করলে একটি ক্ষুদ্র ভারতবর্ষ দেখা যায়।‌ জম্মু-কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, গুজরাট থেকে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রী আছে।‌ ইরান,ইরাক,শ্রীলংকা,বাংলাদেশ,সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব এমিরেটস থেকে পড়তে আসা বিদেশী ছাত্রের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।‌

অধ্যক্ষসমূহের তালিকা[সম্পাদনা]

উৎসব[সম্পাদনা]

মহাবিদ্যালয়ে ২০১১ সাল থেকে কৃশডেন্ট (KrishDent) নামে বার্ষিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত করি আসছে।‌ এই অনুষ্ঠানটিতে বার্ষিক খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।‌ কৃশডেন্ট কাপ (KrishDent Cup) নামে একটি আন্তমহাবিদ্যালয় প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।‌ এই প্রতিযোগিতাটি ৺ডাঃ ভরত পার্থসারথির সম্মানার্থে আয়োজিত হয়।‌ ৺ডাঃ ভরত মহাবিদ্যালয়ের একজন প্রবক্তা ছিলেন এবং ২০১২ সালে খুব কমবয়সে পথ দূর্ঘটনায় তার পরলোক প্রাপ্তি ঘটে।‌ ছাত্রগণ প্রতি ছয়মাসের অন্তরালে টি২০ আধারে কৃষ্ণাদেবরায়া ক্রিকেট লীগ (KCL) অনুষ্ঠিত করে যেখানে কেবল মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রগণ যোগদান করে।‌

চিত্রসম্ভার[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]