এডওয়ার্ড সাইদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এডওয়ার্ড সাইদ
Edward Said and Daniel Barenboim in Sevilla, 2002 (Said).jpg
স্পেনের সেভিল শহরে সাইদ, ২০০২
জন্মএডওয়ার্ড ওয়াদী সাইদ
১ নভেম্বর ১৯৩৫
জেরুজালেম, ফিলিস্তিন
মৃত্যু২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৩ (৬৭ বছর)
নিউ ইয়র্ক সিটি, নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
যুগ২০শ শতকের দর্শন
অঞ্চলপাশ্চাত্য দর্শন
ধর্মঅজ্ঞেয়বাদী
ধারাউত্তর উপনিবেশবাদ, উত্তর আধুনিকতাবাদ
অবদানপাশ্চাত্যতত্ত্ব, প্রাচ্যতত্ত্ব এবং অন্যান্য

এডওয়ার্ড সাইদ (আরবি: إدوارد وديع سعيد‎‎, Idwārd Wadīʿ Saʿīd; ২ নভেম্বর ১৯৩৫ – ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৩) ছিলেন একজন ফিলিস্তিনি মার্কিন তাত্ত্বিক ও বুদ্ধিজীবী। তিনি উত্তর উপনিবেশবাদ ধারণার সৃষ্টিতে অবদান রাখেন।[৩] সাইদ মেন্ডেটরি ফিলিস্তিনে জন্মগ্রহণ করেন। পিতার দিক থেকে তিনি একজন মার্কিন নাগরিক ছিলেন। তিনি জেরুজালেমকায়রোতে তাঁর শৈশব অতিবাহিত করেন। সেখানে তিনি অভিজাত ব্রিটিশ বিদ্যালয়ে শিক্ষালাভ করেন। এরপর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। সেখানে তিনি প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি লাভ করেন এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৩ সালে তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন। ১৯৯১ সালে তিনি সেখানে ইংরেজি ও তুলনামূলক সাহিত্যের অধ্যাপক হন।

সাংস্কৃতিক সমালোচক হিসাবে, সাইদ প্রাচ্যবাদ (১৯৭৮) বইয়ের জন্য পরিচিত, এটি সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার সমালোচনা যা প্রাচ্যবাদের ভিত্তি — পশ্চিমা বিশ্ব কীভাবে প্রাচ্যকে দেখে তা ব্যাখ্যা করেন।[৪][৫][৬][৭]

জীবন ও কর্ম[সম্পাদনা]

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

A photo of Edward Said and his sister as children, dressed in Arab-style clothing.
ঐতিহ্যবাহী আরবীয় পোশাকে এডওয়ার্ড সাইদ ও তাঁর বোন রোজমারি সাইদের ছোটবেলার একটি ছবি (১৯৪০), জেরুসালেম

এডওয়ার্ড ওয়াদী সাইদ ১৯৩৫ সালের ১ নভেম্বর ম্যান্ডেটরি ফিলিস্তিনের জেরুসালেম শহরে এক সম্ভ্রান্ত আরব খ্রিষ্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।[৮] তাঁর বাবা ওয়াদী সাইদ ছিলেন জেরুসালেমের একজন ব্যবসায়ী।[৯] ওয়াদী সাইদ প্রথম বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকান এক্সপেডিশনারি সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন এবং তাঁর যুদ্ধকালীন সামরিক সেবার ফলে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করেন। এডওয়ার্ডের মা হিলদা সাইদ ছিলেন লেবাননীয় বংশোদ্ভূত যিনি বেড়ে উঠেছিলেন উসমানীয় শাসনাধীন ফিলিস্তিনের নাসরৎ শহরে।[১০][১১] ১৯১৯ সালে ওয়াদী সাইদ তাঁর এক চাচাতো ভাইয়ের সাথে যৌথভাবে কায়রোতে একটি স্টেশনারি ব্যবসা চালু করেন। সাইদ পরিবার প্রোটেস্ট্যান্ট মতাবলম্বী ছিলেন।[১২][১৩] এডওয়ার্ড ও তাঁর বোন রোজমারি সাইদ জাহলান (১৯৩৭–২০০৬) উভয়ই অ্যাকাডেমিক কর্মজীবন অনুসরণ করেছিলেন। এডওয়ার্ড পরবর্তী জীবনে অজ্ঞেয়বাদী হয়ে পড়েছিলেন।[১৪][১৫][১৬][১৭][১৮]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

সাহিত্যকর্ম[সম্পাদনা]

ওরিয়েন্টালিজম[সম্পাদনা]

ওরিয়েন্টালিজমের সমালোচনা[সম্পাদনা]

ওরিয়েন্টালিজমের প্রভাব[সম্পাদনা]

রাজনীতি[সম্পাদনা]

ফিলিস্তিনি জাতীয় পরিষদ[সম্পাদনা]

ফিলিস্তিন[সম্পাদনা]

মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা[সম্পাদনা]

নজরদারিতে[সম্পাদনা]

সংগীত[সম্পাদনা]

সম্মাননা ও পুরষ্কার[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. William D. Hart (২০০০)। "Preliminary remarks"। Edward Said and the Religious Effects of Culture। Cambridge University Press। পৃষ্ঠা 15আইএসবিএন 9780521778107 
  2. Ned Curthoys, Debjani Ganguly, সম্পাদক (২০০৭)। Edward Said: The Legacy of a Public Intellectual। Academic Monographs। পৃষ্ঠা 27। আইএসবিএন 9780522853575 
  3. Young, Robert (২০০৪)। White Mythologies: Writing History and the West (ইংরেজি ভাষায়)। Psychology Press। আইএসবিএন 978-0-415-31180-9 
  4. Gbazoul, Ferial J. (২০০৭)। Edward Said and Critical Decolonization (ইংরেজি ভাষায়)। American Univ in Cairo Press। পৃষ্ঠা ২৯০। আইএসবিএন 978-977-416-087-5 
  5. Zamir, Shamoon (2005), "Saïd, Edward W.", in Jones, Lindsay (ed.), Encyclopedia of Religion, Second Edition, 12, Macmillan Reference USA, Thomas Gale, pp. 8031–32
  6. Gentz, Joachim; Chmielewska, Ella; Sommerseth, Hannah; Burton, Jack (২০০৯)। Keywords Re-oriented (ইংরেজি ভাষায়)। Universitätsverlag Göttingen। আইএসবিএন 978-3-940344-88-5 
  7. Gray, Richard T.; Gross, Ruth V.; Koelb, Clayton; Goebel, Rolf J. (২০০৫)। A Franz Kafka Encyclopedia (ইংরেজি ভাষায়)। Greenwood Publishing Group। আইএসবিএন 978-0-313-30375-3 
  8. Sherry, Mark (২০০৫)। Shook, John R., সম্পাদক। Dictionary of Modern American Philosophers। Bristol: Thoemmes Continuum। পৃষ্ঠা 2106। আইএসবিএন 9781843710370 
  9. Hughes, Robert (১৯৯৩-০৬-২১)। "Envoy to Two Cultures"Time। ২০০৯-১০-০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-২১ 
  10. "Narrativising Illness: Edward Said's Out of Place and the Postcolonial Confessional/Indisposed Self"। Arab World English Journal। পৃষ্ঠা 10। 
  11. Ihab Shalback, 'Edward Said and the Palestinian Experience,' in Joseph Pugliese (ed.) Transmediterranean: Diasporas, Histories, Geopolitical Spaces, Peter Lang, 2010, pp. 71–83
  12. Edward Said: 'Out of Place' 14 November 2018, Aljazeera.com. Accessed 7 February 2019
  13. Edward Wadie Said a political activist literary critic 27 September 2003, The Independent. Accessed 7 February 2019
  14. Adel Iskander, Hakem Rustom (২০১০)। Edward Saïd: A Legacy of Emancipation and Representation। University of California Press। আইএসবিএন 978-0-520-24546-4[Edward Wadie] Saïd was of Christian background, a confirmed agnostic, perhaps even an atheist, yet he had a rage for justice and a moral sensibility lacking in most [religious] believers. Saïd retained his own ethical compass without God, and persevered in an exile, once forced, from Cairo, and now chosen, affected by neither malice nor fear. 
  15. John Cornwell (২০১০)। Newman's Unquiet Grave: The Reluctant Saint। Continuum International Publishing Group। পৃষ্ঠা 128আইএসবিএন 9781441150844A hundred and fifty years on, Edward Saïd, an agnostic of Palestinian origins, who strove to correct false Western impressions of 'Orientalism', would declare Newman's university discourses both true and 'incomparably eloquent'. . . . 
  16. Joe Sacco (২০০১)। Palestine। Fantagraphics। 
  17. Amritjit Singh, Interviews With Edward W. Saïd (Oxford: UP of Mississippi, 2004) pp. 19, 219.
  18. Edward Saïd, Defamation, Revisionist Style ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে, CounterPunch, 1999. Accessed 7 February 2010.

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]