এমে সেজ্যার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
এমে ফেরনঁ দাভিদ সেজ্যার
Aimé Fernand David Césaire
এমে সেজ্যার ময় লামিনাইরে.jpg
কাদাস্ত্র (Cadastre, ১৯৬১) এবং মোয়া, লামিন্যার (Moi, laminaire, ১৯৮২)
জন্ম ক্লোদ পিয়ের
(১৯১৩-০৬-২৬)২৬ জুন ১৯১৩
বাস-পোয়াঁত, মার্তিনিক
মৃত্যু ১৭ এপ্রিল ২০০৮(২০০৮-০৪-১৭) (৯৪ বছর)
ফর-দ্য-ফ্রঁস, মার্তিনিক
বাসস্থান মার্তিনিক
জাতীয়তা মার্তিনিকীয়
যে জন্য পরিচিত কবি, রাজনীতিবিদ
রাজনৈতিক দল Parti Progressiste Martiniquais
দাম্পত্য সঙ্গী সুজানা রৌসী
ওয়েবসাইট http://www.cesaire.org/

এমে ফেরনঁ দাভিদ সেজ্যার (ফরাসি ভাষায়: Aimé Fernand David Césaire) (২৬ জুন, ১৯১৩ - ১৭ এপ্রিল, ২০০৮) ছিলেন মার্তিনিকের একজন ফরাসিভাষী কবি, লেখক, এবং রাজনীতিবিদ। তিনি "ফরাসিভাষী সাহিত্যে নেগ্রিচুড আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা"দের একজন ছিলেন।[১] তিনি শুধু মার্তিনিক বা পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জই নয়, সমগ্র আধুনিক ফরাসি সাহিত্যের এক দুর্লভ কবি এবং কৃষ্ণাঙ্গ স্বাধিকার রক্ষার অন্যতম সহযোগী যোদ্ধা ছিলেন। ভাবধারার দিক থেকে অধিবাস্তবতাবাদী (surrealist) হলেও, অনন্য চিত্রকল্প এবং গভীর দ্যোতনায় সেজ্যার একটা নিজস্ব কাব্যআঙ্গিক গড়ে তোলেন, যার বাংলা রূপান্তর প্রায় দুরূহ। দেশে ফেরার খাতা (ফরাসি ভাষায়: Cahier d'un retour au pays natal), (১৯৩৮) তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ, যেখানে ধরা পড়েছে সমগ্র নিগ্রো জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা আর যন্ত্রণা।[২]

ছাত্র, শিক্ষক এবং কবি[সম্পাদনা]

এমে সেজ্যারের দেশে ফেরার খাতা লেখা শুরু হয় প্যারিস থেকে মার্তিনিকের ফেরার পূর্ব মুহূর্তে। গ্রন্থটি ১৯৪৭ সালে ব্রেনতানো প্রকাশনা সংস্থা, নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত হয়। প্রথম ফরাসি সংস্করণ প্রকাশ করে বোর্ডাস, প্যারিস থেকে ১৯৪৭-এ। গ্রন্থটি ফরাসিভাষী কালো মানুষের মধ্যে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়। দেশে ফেরার খাতাকে বিবেচনা করা হয় সেজ্যারের দীর্ঘ কাব্যজীবনের ভূমিকা হিসেবে।[৩]

অন্যান্য লেখা[সম্পাদনা]

  • "Poésie et connaissance"। Tropiques (12)। জানুয়ারি ১৯৪৫: 158–70। .
  • Discours sur le colonialisme। Paris: Présence Africaine। ১৯৫৫। ওসিএলসি 8230845 .
  • Lettre à Maurice Thorez। Paris: Présence Africaine। ১৯৫৭ [২৪ অক্টোবর ১৯৫৬]। .[৪]
  • Toussaint Louverture: La Révolution française et le problème colonial। Paris: Club français du livre। ১৯৬০। ওসিএলসি 263448333 .

বঙ্গানুবাদিত গ্রন্থ[সম্পাদনা]

  • দেশে ফেরার খাতা, এমে সেজায়ার; অনুবাদ- দেবলীনা ঘোষ ও মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়; সাহিত্য প্রকাশ, ঢাকা; সেপ্টেম্বর, ১৯৯৯।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Ben A. Heller "Césaire, Aimé", in Daniel Balderston et al. (eds.) Encyclopedia of Latin American and Caribbean Literature, 1900-2003, London: Routledge, p.128-30, 128.
  2. অসিত সরকার, তৃতীয় বিশ্বের শ্রেষ্ঠ কবিতা; নাথ ব্রাদার্স; কলকাতা; ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬; পৃষ্ঠা-১৫৪।
  3. এমে সেজ্যার; দেশে ফেরার খাতা, অনুবাদ- দেবলীনা ঘোষ ও মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়; সাহিত্য প্রকাশ, ঢাকা; সেপ্টেম্বর, ১৯৯৯, পৃষ্ঠা-১৪-১৫।
  4. "Lettre à Maurice Thorez"। Collectif: Les Mots Sont Importants। ২০০৮-০৪-১৮। সংগৃহীত ২০১১-০৩-১০ 

রেফারেন্স[সম্পাদনা]

  • Césaire, Aimé (1957). Letter to Maurice Thorez. Paris: Présence africaine. p. 7.
  • Césaire, Aimé. Notebook of a Return to the Native Land. Trans./eds. Clayton Eshleman and Annete Smith, with an introduction by André Breton. Middleton, CT: Wesleyan University Press, 2001.
  • Christian Filostrat, "La Négritude et la 'Conscience raciale et révolutionaire sociale' d'Aimé Césaire". Présence Francophone, No 21, Automne 1980. pp 119–130.
  • Joubert, Jean-Louis. "Césaire, Aimé." In Dictionnaire encyclopédique de la littérature française. Paris: Robert Laffont, 1999.
  • Malela, Buata, "Le rebelle ou la quête de la liberté chez Aimé Césaire", Revue Frontenac Review, 16-17, Queen’s University, Kingston (Ontario), 2003, p. 125-148.
  • Malela, Buata, "Les enjeux de la figuration de Lumumba. Débat postcolonial et discours en contrepoint chez Césaire et Sartre", Mouvements, n° 51, 2007/3, p. 130-141.
  • Malela, Buata B., Les écrivains afro-antillais à Paris (1920–1960). Stratégies et postures identitaires. Paris, Karthala, coll. Lettres du Sud, 2008.
  • Malela, Buata B., Aimé Césaire. Le fil et la trame: critique et figuration de la colonialité du pouvoir. Paris, Anibwe, 2009.
  • Ojo-Ade, Femi, Aimé Césaire's African Theater: Of poets, prophets and politicians, Africa World Press, Inc., 2010.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]