ইনসাইড আউট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ইনসাইড আউট
ইনসাইড আউট চলচ্চিত্রের পোস্টার.jpg
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পোস্টার
পরিচালকপিট ডক্টার
প্রযোজকজোনাস রিভেরা
চিত্রনাট্যকার
কাহিনীকার
  • পিট ডক্টার
  • রনি দেল কারমেন
শ্রেষ্ঠাংশে
  • এমি পোহেলার
  • ফাইলিস স্মিথ
  • রিচার্ড কাইন্ড
  • লুইস ব্ল্যাক
  • বিল হেডার
  • মিন্ডি কলিং
  • কেইটলিন দিয়াস
  • ডায়ান লেন
  • কাইল ম্যাকলেখালান
সুরকারমাইকেল গিয়াচ্চিনো[১]
চিত্রগ্রাহক
  • প্যাট্রিক লিন
  • কিম হোয়াইট
সম্পাদককেভিন নলটিং
প্রযোজনা
কোম্পানি
পরিবেশকওয়াল্ট ডিজনি স্টুডিওস
মোশন পিকচার্স
মুক্তি
দৈর্ঘ্য৯৪ মিনিট[২]
দেশযুক্তরাষ্ট্র
ভাষাইংরেজি
নির্মাণব্যয়$১৭৫ মিলিয়ন[৩]
আয়$৮৫৭.৬ মিলিয়ন

ইনসাইড আউট ২০১৫ সালের মার্কিন ত্রিমাত্রিক কম্পিউটার-অ্যানিমেটকৃত হাস্যরসাত্মক নাটকীয় চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করে পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিও এবং ওয়াল্ট ডিজনি পিকচার্স দ্বারা মুক্তি পায়।

কাহিনীসংক্ষেপ[সম্পাদনা]

রাইলি অ্যান্ডারসনের জন্ম মিনেসোটায়। তার মস্তিষ্কের মধ্যে প্রধান দপ্তর (কাল্পনিক) থেকে তার পাঁচটি মৌলিক আবেগকে আনন্দ (জয়), দুঃখ (স্যাডনেস), ভয় (ফিয়ার), বিরক্তি (ডিসগাস্ট) এবং ক্রোধ (এ্যাঙ্গার) আলাদা ব্যাক্তিসত্ত্বা রুপে দেখা যায় যারা রাইলির প্রতিটি কর্মকান্ড কনসোলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে। সে বড় হওয়ার সাথে সাথে তার অভিজ্ঞতাগুলো স্মৃতিতে পরিনত হয় যেগুলো রঙ্গিন গোলকের মধ্যে জমা করে রাখা হয় এবং প্রতিরাতে দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতিতে চলে যায়। তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি প্রধান স্মৃতি (সবগুলো আনন্দের) একটি হাবের মধ্যে জমা রাখা হয় এবং সেগুলো তার ব্যক্তিত্ব তৈরী করে যা পাঁচটি আলাদা ভাসমান দ্বীপরুপে দেখা যায়। জয় (আনন্দ) একজন দলপতির ভূমিকা পালন করে এবং যেহেতু সে এবং অন্যান্য আবেগেরা স্যাডনেস (দুঃখ) এর লক্ষ্য অনুধাবন করতে পারে না তাই তারা কনসোল নিয়ন্ত্রন করা থেকে তাকে সবসময় দূরে রাখার চেষ্টা করে।

রাইলির যখন এগারো বছর বয়স তখন সে তার বাবা মার সাথে তার বাবার নতুন ব্যবসার কারণে সান ফ্রান্সিস্কো শহরে চলে আসে। নতুন বাড়ী পুরনো ও নোংরা হওয়ায় এবং তাদের ঘরের আসবাবপত্র বহনকারী গাড়ি পথ ভূল করে অন্যদিকে চলে যাওয়ায় নতুন শহরে রাইলির প্রথমবারেই বাজে অভিজ্ঞতা হয়। স্যাডনেস রাইলির আনন্দের স্মৃতিগুলোকে স্পর্শ করার ফলে তারা দুঃখের স্মৃতিতে পরিনত হয়। জয় তাকে দুরে সরিয়ে রেখে ঐ স্মৃতিগুলোকে রক্ষা করার চেষ্টা করে। স্কুলে রাইলির প্রথম দিনে ক্লাশের সকলের সামনে স্যাডনেস ভুলবশত দুঃখের স্মৃতি তৈরী করে রাইলিকে দিয়ে কান্না করায়। জয় ঐ দুঃখের স্মূতিকে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করে কিন্তু স্যাডনেসের সাথে ধস্তাধস্তির সময় দূর্ঘটনাবশত অন্যান্য প্রধান স্মূতিকে হাব থেকে বের করে ফেলে যার ফলে রাইলির ব্যক্তিত্বের দ্বীপ অকার্যকর হয়ে যায়। দুর্ঘটনার ফলে জয় ও স্যাডনেস প্রধান দপ্তরের বাইরে চলে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদি স্মৃতি যেখানে জমা হয় সেখানে গিয়ে পড়ে।

জয়ের অনুপস্থিতিতে এ্যাঙ্গার, ফিয়ার ও ডিসগাস্ট রাইলিকে আনন্দিত ও সুখি রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু রাইলির বাবা-মা,বন্ধু ও তার শখের সাথে দুরত্ব তৈরীর মাধ্যমে তাদের এই চেষ্টা বিধ্বংসী রুপ লাভ করে। ফলে রাইলির ব্যক্তিত্ব দ্বীপ একের পর এক ক্রমাগতভাবে ধ্বংস হতে থাকে। অবশেষে এঙ্গার কনসোলের মধ্যে একটি ধারণা প্রবেশ করায় যা রাইলিকে মিনেসোটায় পালিয়ে যেতে প্ররোচিত করে।

দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতি এলাকায় পথ খোজার সময় জয় ও স্যাডনেসের সাথে দেখা হয় বিংবং-এর সাথে যে রাইলির শৈশবের কাল্পনিক বন্ধু। জয় ও স্যাডনেসকে প্রধান দপ্তরে পৌঁছাতে বিংবং তাদেরকে ভাবনার ট্রেনে ছড়ার পরামর্শ দেয়। তারা তিনজনই অনেক চেষ্টার পর ভাবনার ট্রেনে উঠে। কিন্তু রাইলি ঘুমিয়ে পড়ার ফলে ট্রনটি থেমে যায়। তারা ট্রেনটি পুনরায় চালু করার জন্য রাইলিকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলে। কিন্তু ঘুম থেকে জেগে মিনেসোটার বাসের টিকেট কেনার জন্য রাইলি তার মায়ের ব্যাগ থেকে ক্রেডিট কার্ড চুরি করে। ফলে তার সততার দ্বীপও ভেঙ্গে পড়ে। আর এজন্য ট্রেনটিও লাইনচ্যুত হয়। এতে জয় খুবই চিন্তত হয়ে পড়ে এবং স্যাডনেসকে একা ফেলে "রিকল টিউব"এর মাধ্যমে একাই প্রধান দপ্তরে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু টিউবের নিচের পৃষ্টদেশ ভেঙ্গে পড়ে এবং জয় ও বিংবং স্মৃতির আস্তাকুঁড়ে গিয়ে পড়ে যেখানে ভুলে যাওয়া স্মৃতিকে রাখা হয় এবং পরে চিরকালের জন্য মূছে ফেলা হয়।

আস্তাকুঁড়ের তলদেশে জয় আশা হারিয়ে ফেলে ও কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে, কিন্তু কিছুক্ষন পর সে রাইলির আইস্ হকি খেলা নিয়ে একটি দুঃখের স্মৃতি খুঁজে পায় যেটি পরে সুখের স্মৃতিতে পরিণত হয় যখন তার বাবা-মা ও তার বন্ধুরা তাকে সান্ত্বনা দেয়। অবশেষে জয় স্যাডনেসের লক্ষ্য বুঝতে পারে। যেটি হল অন্যলোকদের মধ্যে সহমর্মিতা জাগিয়ে তোলা এবং তাদেরকে রাইলির পাশে আনা যখন সে দুঃখী থাকে ও যখন তার সবচেয়ে বেশী সাহায্য দরকার। বিংবং-এর রংধনু রকেট ব্যবহার করে জয় ও বিংবং আস্তাকুড় থেকে বের হবার চেষ্টা করে। কিন্তু কয়েকবার চেষ্টা করার পরও ব্যর্থ হলে বিংবং রকেট থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে জয়কে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয় আর সে চিরকালের জন্য হারিয়ে যায়।

জয় স্যাডনেসের সাথে পুনরায় মিলিত হয় এবং তারা প্রধান দপ্তরে গিয়ে পৌঁছায়। সেখানে পৌঁছে তারা আবিষ্কার করে এঙ্গার কনসোলের মধ্যে যে ধারণা প্রবেশ করিয়েছিল তার ফলে কনসোল অকেজো হয়ে গেছে ফলে রাইলি উদাসীন ও আবেগহীন হয়ে পড়েছে এবং সে মিনেসোটার উদ্দেশ্যে বাসে উঠে গেছে। সকলকে অবাক করে দিয়ে জয় কনসোলের নিয়ন্ত্রণ স্যাডনেসের হাতে দেয় আর স্যাডনেসও কনসোল থেকে ঐ ধারনা বের করে পুনরায় এটিকে সচল করতে সমর্থ হয়। স্যডনেস কনসোলের মধ্যে প্রধান স্মৃতি প্রবেশ করায় যেগুলো সে স্পর্শ করার ফলে দুঃখের স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে। রাইলির মধ্যে পুনরায় আবেগ ফিরে আসে এবং তার বাবা-মার সাথে কাটানো সময়ের কথা মনে পড়ে। সে তার কৃতকর্মের জন্য দুঃখ অনুভব করে। ফলে সে বাস থেকে নেমে যায় এবং বাড়ী চলে আসে।

রাইলি তার বাবা-মার সামনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে আর বলে তার মিনেসোটা ও সেখানে কাটানো পুরনো সময়ের কথা মনে পড়ছিল। তার বাবা-মা তাকে সান্ত্বনা দেয় আর স্বীকার করে তার মতো তাদেরও মিনেসোটার কথা মনে পড়ে। তার মা-বাবা তাকে জড়িয়ে ধরে এবং পুনরায় ঘরে ফিরে সে সুখী অনুভব করে। সেই মুহুর্তে জয় ও স্যাডনেস কনসোলে একসাথে কাজ করে এবং আনন্দ ও দুঃখ মিশ্রিত একটি নতুন প্রধান স্মৃতি তৈরী করে। সান ফ্রান্সিসকোতে রাইলির নতুন জীবনকে গ্রহন করার মাধ্যমে একটি নতুন ব্যক্তিত্ব দ্বীপ তৈরী হয়।

এক বছর পর, রাইলির বয়স যখন বারো ততদিনে সে তার নতুন বাড়ী ও পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে এবং অনেক নতুন বন্ধু বানিয়েছে। সে অনেক নতুন পছন্দের পাশাপাশি পুরনো শখে ফিরে যায়। এদিকে প্রধান দপ্তরে তার সকল আবেগেরা একটি নতুন ও আরও বড় কনসোলে সম্মিলিতভাবে কাজ করে যেখানে সকলের জন্য জায়গা রয়েছে।

কন্ঠাভিনয়[সম্পাদনা]

  • এমি পোহেলার — জয়[৪]
  • ফাইলিস স্মিথ — স্যাডনেস[৪]
  • রিচার্ড কাইন্ড — বিংবং
  • লুইস ব্ল্যাক — এ্যাঙ্গার[৪]
  • বিল হেডার — ফিয়ার[৪]
  • মিন্ডি কলিং — ডিসগাস্ট[৪]
  • কেইটলিন দিয়াস — রাইলি অ্যান্ডারসন[৪]
  • ডায়ান লেন — রাইলির মা
  • কাইল ম্যাকলুলেখালান — রাইলির বাবা
  • পউলা পাউন্ডস্টোন — ফরগেটার পউলা[৫]
  • পউলা পেল্ — স্বপ্নের পরিচালক, মায়ের এ্যাঙ্গার, শিক্ষকের ডিসগাস্ট, শিক্ষকের স্যাডনেস[৫]
  • ডেব গোয়েলজ্ — চেতনার পাহারাদার ফ্রাঙ্ক[৫]
  • ফ্রাঙ্ক অজ — চেতনার পাহারাদার ডেব[৫]
  • জশ কোলি — জিংগেল
  • প্লিয়া — জেক্[৫]
  • জন রেদজেনবার্গ — ফ্রিটজ[৫]
  • নিক পিটার ও ডেজম্যান — ট্রিপল ডেন্ট গামের গায়ক
  • লরি এ্যালান — মায়ের স্যাডনেস
  • পিটার সেগাল — জিংগেলের জয় (আনন্দ)[৫]
  • রাশীদা জোনস্ — চমত্‍কার মেয়েটির আবেগ

এছাড়াও চলচ্চিত্রটির কয়েকজন নির্মাতাও এতে কন্ঠাভিনয় করেন। যেমনঃ পরিচালক পিট ডক্টার রাইলির বাবার এ্যাঙ্গার চরিত্রে[৫] এবং সহযোগী রচয়িতা রনি দেল কারমেন এক মাইন্ড ওয়ার্কারের চরিত্রে কন্ঠাভিনয় করেন।[৫]

নির্মাণ[সম্পাদনা]

অভিনয়[সম্পাদনা]

২০১৩ সালের আগস্টে চলচ্চিত্রের সকল আবেগের চরিত্রে কন্ঠাভিনয়ের জন্য এমি পোহেলার, লুইস ব্ল্যাক, মিন্ডি কলিং, বিল হেডার এবং ফাইলিস স্মিথের নাম ঘোষনা করা হয়। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে এর ট্রেইলার মুক্তি পাওয়ার পর জানা যায় যে ডায়ান লেন ও কাইল ম্যাকলেখালান রাইলির বাবা মা চরিত্রে কন্ঠ দিয়েছেন।

এর আগে মনস্টার ইউনিভার্সিটিতে কন্ঠাভিনয় করা বিল হেডার ফিয়ার চরিত্রে কন্ঠ দেন। পিক্সারের নির্মিত চলচ্চিত্রের একজন বড় ভক্ত হওয়ায় এটি ছিল তার জন্য আনেক আনন্দের। হেডার এক সপ্তাহ ধরে পিক্সারের স্টুডিও সফর করেন পাশাপাশি স্টুডিওর স্টোরী রুমেও অনেক সহযোগীতা করেন। সেখানে তার সফর শেষে তাকে ফিয়ার চরিত্রে অভিনয়ের আমন্ত্রন জানানো হয় এবং এমি পোহেলারের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়, নির্মাতা দল যাকে জয় চরিত্রে অভিনয় করার জন্য নিখুঁত হিসেবে দেখেছিল। তারা তাকে বলে, "তুমি কি এমির সাথে কথা বলতে পারবে? আমরা তাকে কল করতে চাইছিনা কারণ আমরা চাইনা সে আমাদের অদ্ভূত ভাবুক।" হেডার এমি পোহেলারকে ফোন করে এবং তাকে গল্প বিস্তারিতভাবে জানায়।

ডিসগাস্ট চরিত্রে কন্ঠ দেন মিন্ডি কলিং। যখন তাকে চলচ্চিত্রের কাহিনী শোনানো হয় তখন তার চোখ দিয়ে পানি পড়ে। তিনি বলেন "এটা সত্যিই অনেক ভালো যে তোমরা এমন একটি গল্প তৈরী করছো যেটা শিশুদের বলে যে বেড়ে ওঠা অনেক কঠিন এবং এটা নিয়ে দুঃখ পাওয়া দোষের কিছু নয়।"

স্মিথকে বাছাই করেন রিভেরা যখন তিনি ব্যাড টিচার-এর দুপুরের খাবারের একটি দৃশ্যে তাকে দেখেন। রিভেরা পরিচালক পিট ডক্টারকে ডাকেন এবং জানান "আমার মনে হয় আমরা আমাদের স্যাডনেসকে পেয়ে গেছি।"

রিচার্ড কাইন্ডকে বিংবং চরিত্রের জন্য নির্বাচন করা হয় যিনি এর আগে এ বাগস্ লাইফ, টয় স্টোরি ৩কারস্ এর সকল পর্বে কন্ঠাভিনয় করেছিলেন। যেহেতু পিট ডক্টার মুক্তির আগে পর্যন্ত বিংবং চরিত্রকে গোপন রাখতে চেয়েছিলেন তাই তিনি চলচ্চিত্রের মুক্তিপূর্ববর্তী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি।

গল্প[সম্পাদনা]

ডক্টার একদল কর্মী নিয়োগ দিয়েছিলেন যারা চলচ্চিত্রের কাহিনী উন্নয়নে কাজ করেছিলেন। এই চলচ্চিত্রের কেন্দ্রিয় চরিত্র একজন মেয়ে হওয়ার কারন হলো একটি গবেষনা যা দেখায় যে ১১ থেকে ১৭ বছর বয়সী মেয়েরা আবেগগত দিক দিয়ে অন্যদের তুলনায় বেশী সংবেদনশীল হয়ে থাকে। রাইলির হকি খেলা ছিল দেল কারমেনের পরিকল্পনা, সে লক্ষ্য করেছিল মিনেসোটায় খেলাধুলা বেশ জনপ্রিয়।

মুক্তি[সম্পাদনা]

ইনসাইড আউটের বিষয়ে প্রথম ঘোষনা আসে ডি২৩ এক্সপোতে ২০১১ সালের আগস্টে। ডিসেম্বর ২০১২ সালে ব্লিডিং কুল জানায় যে চলচ্চিত্রটির নাম হবে ইনসাইড আউট। এরপর ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে কামিং সুন ডট নেট একই কথা জানায়। ঐ বছরের এপ্রিল মাসে সিনেমা কন-এর সময় ডিজনি আনুষ্ঠানিকভাবে টুইটারে ঘোষনা দেয় যে এই চলচ্চিত্রের নাম হবে ইনসাইড আউট।

শিশুদের জন্য এর পরীক্ষামূলক মুক্তির সময় এটি নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করা হয়েছিল যে শিশুদের জন্য চলচ্চিত্রটি বেশ জটিল প্রকৃতির হতে পারে। কিন্তু সব ভয় দুর হয়ে যায় যখন দর্শকরা এর প্রতি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানায়।

চলচ্চিত্রটি ১৮ই মে ২০১৫ সালে ৬৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে এটি প্রদর্শন করা হয় ২০১৫ সালের ৮ই জুন হলিউডের এল ক্যাপ্টেন থিয়েটারে। ২০১৫ সালের ১৯ জুন থেকে এটি টু ডি, থ্রী ডি এবং আইএমএক্স থ্রী ডি প্রেক্ষাগৃহগুলোতে বৃহত্‍ পরিসরে মুক্তি পায়। এটি ছিল ডিজনির টুমরোল্যান্ডের পর দ্বিতীয় এবং প্রথম অ্যানিমেটকৃত চলচ্চিত্র যেটি ডলবি ভিশনে মুক্তি পায়। আরেকটি বিষয় লক্ষ্যনীয় যে এটি ছিল সেই দুইটি চলচ্চিত্রের একটি (আরেকটি দ্য গুড ডাইনোসর) যেগুলো পিক্সার প্রথমবারের মত একই বছর মুক্তি দেয়।

লাভা নামে অন্য একটি সংক্ষিপ্ত অ্যানিমেটকৃত চলচ্চিত্র প্রেক্ষাগৃহে ইনসাইড আউটের সঙ্গী ছিল। এই চলচ্চিত্রের পরিচালক ছিলেন জেমস ফোর্ড মারফি এবং প্রযোজক অ্যান্ড্রিয়া ওয়ারেন। এর গল্প অনুপ্রানিত হয়েছিল প্রশান্ত সাগরীয় দ্বীপআগ্নেয়গিরির সৌন্দর্য্য থেকে যেগুলো কয়েক লক্ষ বছর ধরে তৈরী হয়েছে।

১৮ জুন ২০১৫ সালে স্কাইপ তাদের আইএম সেবার ক্ষেত্রে তিন মাসের জন্য ইনসাইউট চলচ্চিত্রের পাঁচটি আবেগের অবয়ব যোগ করে। এরপর এটি সকলের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Michael Giacchino to Score Pixar's 'Inside Out'"Film Music Reporter। মে ২৫, ২০১৪। মে ২৯, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুন ২, ২০১৪ 
  2. "The 2015 Official Selection"Cannes Film Festival। এপ্রিল ১৫, ২০১৫। এপ্রিল ১৮, ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ১৬, ২০১৫ 
  3. Lang, Brent (জুন ১৭, ২০১৫)। "Box Office: 'Inside Out' Won't Stop 'Jurassic World' Rampage"Variety। Penske Media Corporation। জুন ১৮, ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুন ১৮, ২০১৫ 
  4. "D23 Expo: New Art From the Upcoming Disney, Pixar and Disneytoon Movies"। ComingSoon.net। আগস্ট ৯, ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ১৩, ২০১৩ 
  5. "Pixar's 'Inside Out' Cast Includes Some Awesome Voice Cameos (Spoilers)"। Stitch Kingdom। মে ২০, ২০১৫। ২২ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মে ২২, ২০১৫