বিষয়বস্তুতে চলুন

আলাপ:যাত্রাপালা

পাতাটির বিষয়বস্তু অন্যান্য ভাষায় নেই।
আলোচনা যোগ করুন
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সাম্প্রতিক মন্তব্য: 103.25.249.197 কর্তৃক ১ বছর পূর্বে "হারিয়ে যাওয়া যাত্রাপালা" অনুচ্ছেদে

হারিয়ে যাওয়া যাত্রাপালা

[সম্পাদনা]

যাত্রাপালা গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের কাছে বিনোদনের জনপ্রিয় লোকনাট্য ধারা। যাত্রাপালা প্রধানত চার ঘন্টাব্যাপী বিপুল আয়োজনের বিনোদন। উচ্চ শব্দ ও চড়া আলোর ব্যবহার এবং দৈত্যাকার মঞ্চে নাটকীয় উপস্থাপনা  যাত্রাপালার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। অতিনাটকীয় ভাবভঙ্গি ও আবৃত্তির মাধ্যমে প্রায়ই যাত্রার উপস্থাপনা করা হয়ে থাকে।  যাত্রাপালায় উঠে আসতো সমাজের নানান বৈষম্য তথা মানবজীবনের কথা। সহজ সরল মানুষজনের সুখ-দুঃখ হাসি কান্না সহ যাপিত জীবনের কল্পকাহিনী ঠাঁই পেত যাত্রাপালায়।

৬০ দশকে গ্রামীণ জনপদের চিত্ত বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম যাত্রাপালার ঐতিহ্য কালের বিবর্তনে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। অস্তিত্ব সংকটে জনপ্রিয় বিনোদনের মাধ্যম যাত্রাপালা। যদিও ফেরাবার কোন পদক্ষেপ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

মালিকপক্ষ ও আয়োজক কমিটির উচ্চাকাঙ্খার কারণে এই শিল্পকে কলুষিত করা হয়েছে। ফলে বন্ধ হয়ে যায় গ্রামবাংলার বিনোদনের এই জনপ্রিয় মাধ্যমটি। সেই সাথে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত হাজার হাজার শিল্পী বেকার হয়ে মানবেতরভাবে জীবনযাপন করছে।

সিনেমার পর দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ছিল যাত্রাপালা। এই যাত্রাপালার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে বিখ্যাত সবশিল্পী। তারা পরবর্তীতে সুনামের সাথে কাজ করে গেছেন বছরের পর বছর। একাত্তরের স্বাধীনতা আন্দোলনেও ছিল যাত্রাপালার বিশেষ অবদান। দেশ স্বাধীনের পর একটি দুষ্টচক্র যারা এই যাত্রা শিল্পকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যায় যে, পারিবারিক বিনোদনের মাধ্যমটি নোংরামীতে ভরে যায়। ফলে সরকারিভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় এর উপর। বন্ধ হয়ে যায় যাত্রাপালার সকল ধরণের কার্যক্রম।

জানা যায়, যাত্রার সেই পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ যাত্রা ফেডারেশন নিয়েছে নানান উদ্যোগ। পাশাপাশি এই শিল্পকে পুর্নজীবিত করতে সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনার দাবি স্থানীয়দের। 103.25.249.197 (আলাপ) ০৫:৪৬, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ (ইউটিসি)উত্তর দিন