আলাপ:মানুষ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

মানুষের উৎপত্তি আন্দামানে ও তথ্য সূত্রে নির্ভরযোগ্যতা[সম্পাদনা]

মানুষের উৎপত্তি আন্দামানে!, সজীব সরকার, দৈনিক কালের কণ্ঠ, এখানে থেকে তথ্য দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের লেখার জন্য কোনো সংবাদ পত্রেরই তথ্য সূত্রে নির্ভরযোগ্যতা প্রায় থাকে না বা নেই। মানুষের উৎপত্তি সম্পর্কে অনেক গবেষণা হয়েছে। তাই আমাদের উচিত মানুষের উৎপত্তি সংক্রান্ত তথ্য কোনো বিজ্ঞান জার্নাল বা নির্ভরযোগ্য বিজ্ঞান তথ্য থেকে নেওয়া উচিত।অর্থাৎ মানুষের উৎপত্তি আন্দামানে!, সজীব সরকার, দৈনিক কালের কণ্ঠ মটেই নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র নয়,হতে পারে লেখক ঠিক তথ্যই দিয়েছেন যা কোনো গবেষণা গ্রন্থে প্রকাশিত হয়েছে। আমাদের সেই মূল গবেষণা গ্রন্থ কেই নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র রুপে গ্রহন করা উচিত।

আর একটা কথা আপনিই লিখছেন আবার আপনিই তথ্যসুত্র চাইলেন ও তার ট্যাগ লাগাচ্ছেন, কেন? --জয়ন্ত (আলাপ | অবদান) ১৮:২৯, ২৭ মে ২০১১ (ইউটিসি)

ইংরেজি নিবন্ধে খুবই স্পস্ট করেই লেখা আছে,

Anatomically modern humans originated in Africa about 200,000 years ago, reaching full behavioral modernity around 50,000 years ago.

@ Mayeenul Islam একবার বিচার করুন http://humanorigins.si.edu/ এই ওয়েব সাইটটি নির্ভরযোগ্য নাকি দৈনিক কালের কণ্ঠ?--জয়ন্ত (আলাপ | অবদান) ১৮:৫৬, ২৭ মে ২০১১ (ইউটিসি)

পত্রিকার তথ্যটা যে নির্ভরযোগ্য হচ্ছে না, সেটা আসলে ধরতে পারছিলাম। তাই নিজেই cn ট্যাগ সেঁটেছি। যাতে উপযুক্ত তথ্যসূত্র পাওয়ামাত্র অন্য কোনো অবদানকারী যোগ করতে পারেন। সমস্যা হচ্ছে আমার নেট কানেকশনের ধীর গতির কারণে বড় আকারের সার্চ করার সুযোগ হচ্ছিল না বলে এমনটা করেছি মাত্র। তবে আমার সমস্যার কারণে উইকিপিডিয়ার নীতিকে অবহেলা করাটা আমার ঠিক হয়নি। তাই আপনার আপত্তিকে সম্মান জানিয়ে তথ্যটিকে আমি আলাপ পাতায় স্থানান্তর করলাম। যতক্ষণ পর্যন্ত সায়িন্টিফিক জার্নালের তথ্যসূত্র দেয়া যাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তা আলাপ পাতায় থাকবে। আর আরেকটা ব্যাপার: পত্রিকার রিপোর্টে সূত্র হিসেবে লেখা ছিল "বিভিন্ন ওয়েবসাইট"; তাই আসলে প্রকৃত স্থানে সার্চ করার সুযোগ ছিল না, open google করা ছাড়া। যাহোক ভবিষ্যতে সতর্ক থাকবো ইনশাল্লাহ। আপনাকে ধন্যবাদ। —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৯:১৪, ২৭ মে ২০১১ (ইউটিসি)

মানুষের উৎপত্তি কোত্থেকে?[সম্পাদনা]

মানুষের উৎপত্তি কোথা থেকে হয়েছে এ নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ প্রচলিত রয়েছে। সবচেয়ে প্রচারিত মতবাদ মতে মানুষের উদ্ভব হয়েছে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে। তবে সবচেয়ে আধুনিক মতবাদ অনুযায়ী মানুষের উদ্ভব হয়েছে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ও এর আশেপাশের এলাকায়। মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, পাপুয়া নিউ গিনি, অস্ট্রেলিয়া, তাসমানিয়াসহ দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপগুলোতে মানুষের বিকাশ ঘটেছে। আন্দামানিস, জারাওয়া, সেন্টিনেপলিস, ও ওঙ্গে- আন্দামান অঞ্চলের চারটি নৃগোষ্ঠীকে পর্যবেক্ষণ করে গবেষকরা জানিয়েছেন, আন্দামানে উৎপত্তির পর দক্ষিণ এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার মধ্য দিয়ে মানবজাতি ক্রমে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। গবেষকরা জানান, জারাওয়া ও সেন্টিনেপলিস এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বিশুদ্ধ রক্ত বহন করে চলেছে, অর্থাৎ এদের মধ্যে এখনও আধুনিক মানুষের রক্তের মিশ্রণ ঘটেনি। এই মতবাদ নৃতাত্ত্বিক হেকেলের 'উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে মানুষের ব্যুৎপত্তি' সংক্রান্ত মতবাদকে সমর্থন করে।[১][তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
_______________

  1. "মানুষের উৎপত্তি আন্দামানে!", সজীব সরকার, দৈনিক কালের কণ্ঠ, পৃষ্ঠা ১; ২৫ মে ২০১১। ঢাকা থেকে প্রকাশিত বাংলা দৈনিক। পরিদর্শনের তারিখ: ২৭ মে ২০১১।


 —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৯:০০, ২৭ মে ২০১১ (ইউটিসি)


তবে সবচেয়ে আধুনিক মতবাদ অনুযায়ী মানুষের উদ্ভব হয়েছে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ও এর আশেপাশের এলাকায়। এই তথ্যটি কোথা থেকে পাওয়া গেল? মানুষের উৎপত্তি আন্দামানে!", সজীব সরকার, দৈনিক কালের কণ্ঠ। তাইতো? আমি বলছি এই তথ্যসুত্র গ্রহন যোগ্য নয়।--জয়ন্ত (আলাপ | অবদান) ১৯:০৭, ২৭ মে ২০১১ (ইউটিসি)

National Museum of Natural History http://humanorigins.si.edu/research/whats-hot এই পাতা দেখুন। অনেক কিছু পাবেন। এইটিকে নির্ভরযোগ্য তথ্যসুত্র হিসাবে গ্রহন করা যায়। আমি বল্ব আপনি একটু নির্ভরযোগ্য তথ্যসুত্র পাতাটা পড়ে নিন। --জয়ন্ত (আলাপ | অবদান) ১৯:১৫, ২৭ মে ২০১১ (ইউটিসি)

তথ্যটা নতুন। এখনই কোনো আর্কাইভে থাকার কথা না। পত্রিকার নিবন্ধে এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের উল্লেখ আছে। তথ্যটা উল্লেখযোগ্যতা অর্জন করেনি- এব্যাপারে আমি একমত। কিন্তু তথ্যটা একটা "তথ্য"। তাই ভবিষ্যত গবেষকের জন্য উল্লেখ করে রাখার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছিলাম। এই আরকি। আলাপ পাতায় উপযুক্ত তথ্যসূত্র থেকে প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত তথ্যটা নিবন্ধে যাবে না, যাওয়া ঠিকও না। আপনাকে ধন্যবাদ। —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৯:১৮, ২৭ মে ২০১১ (ইউটিসি)