আলাপ:বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

শিরোনাম[সম্পাদনা]

বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা হবে না? ‍‍— তানভিরআলাপ • ০৮:১২, ১১ আগস্ট ২০১০ (ইউটিসি)

ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না, কেন আপনার প্রস্তাবিত নামটাকে গ্রহণযোগ্য বলা যাবে না। তাই এবিষয়ে আরো কয়েকজনের মন্তব্যের জন্য অপেক্ষমান। কেন আমরা 'বাংলাদেশের' ব্যবহার করি? —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ০৯:০৮, ১২ আগস্ট ২০১০ (ইউটিসি)
আমি তানভিরের সাথে এক মত নিবন্ধটি বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা হবে। কারণ আর্সেনিক সমস্যা শুধু বাংলাদেশের নয়। আর নিবন্ধে বাংলাদেশে আর্সেনিকের প্রভাবের কথাই বর্ণনা করা হবে।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৩:৫০, ১২ আগস্ট ২০১০ (ইউটিসি)
সুন্দর! এবার টোনটা বুঝতে পারছি। ধন্যবাদ বেলায়েত ভাই। আমি আসলে উইকিপিডিয়া:উইকিপ্রকল্প বাংলাদেশ থেকে নিবন্ধটি শুরু করেছিলাম। কাজ এগিয়ে নিবো ইনশাল্লাহ। নিবন্ধটিকে বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা শিরোনামে সরিয়ে নিচ্ছি। —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৬:৫৯, ১২ আগস্ট ২০১০ (ইউটিসি)

Belayet is right, that this problem is a genaral problem and Bangladesh is one of the countries endemic for this problem.. In fact there is already a general entry in english wikipedia; en:Arsenic contamination of groundwater which has a big section on Banglaseh. I propose this entry be expanded to the more general topic till the data here becomes becomes big enough to be a separate entry. --সপ্তর্ষি(আলাপ | অবদান) ২০:২২, ১৩ আগস্ট ২০১০ (ইউটিসি)

Dear Saptarshi, I need some time to add my collections. Then I'll say you to do whatever better for Wikipedia. Thanks. —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ০৮:২৬, ১৪ আগস্ট ২০১০ (ইউটিসি)
I'm afraid, I need some time again to translate from the English article en:Arsenic contamination of groundwater to make this article a global. Thanks. —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ০২:৪০, ২০ আগস্ট ২০১০ (ইউটিসি)


এই নিবন্ধটি (বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা) কি বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ-এ পূণর্নির্দেশ করবো, নাকি বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ-কে এই নিবন্ধে (বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা) রিডিরেক্ট করবো? বুঝতে পারছি না। দুটো শিরোনামই আমার কাছে সঠিক মনে হচ্ছে। কেউ কি সহায়তা করতে পারেন পরামর্শ দিয়ে? —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৬:৩৭, ১৬ জুন ২০১১ (ইউটিসি)

মাত্রা[সম্পাদনা]

নিবন্ধে বলা হয়েছে, "বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মান অনুযায়ী ১ লিটার পানিতে ১০ মাইক্রোগ্রাম আর্সেনিক থাকলে সেই পানি দূষিত।", অর্থাৎ, ১ লিটার পানিতে ৫০ মাইক্রোগ্রাম আর্সেনিক থাকলে তাও দূষিত বলা হবে। আবার পরের লাইনে বলা হয়েছে, "বাংলাদেশের মান অনুযায়ী ১ লিটার পানিতে ৫০ মাইক্রোগ্রাম আর্সেনিক থাকলে সেই পানিকে নিরাপদ পানি বলা হয় না।"; এখন ওপরের ডব্লিউএইচও'র বিবৃতি থেকেই তো ব্যাপারটা নিশ্চিত হয়ে গেছে, নতুন করে বলা কেনো? তবে কী "বাংলাদেশের মান অনুযায়ী ১ লিটার পানিতে ৫০ মাইক্রোগ্রামের অধিক আর্সেনিক থাকলে সেই পানিকে নিরাপদ পানি বলা হয় না।" বলার কথা ছিলো? — তানভিরআলাপ • ১৩:১৪, ১৪ আগস্ট ২০১০ (ইউটিসি)

মনে হয়, কিছুটা প্যারাডক্সিকাল সিচুয়েশন তৈরি হয়ে গেছে। যাহোক, কথাটার মানে হলো: WHO'র মতে ১ লিটারে ১০ মাইক্রোগ্রাম থাকলেই তা দূষিত, ৫০ মাইক্রোগ্রাম তো অবশ্যই দূষিত। কিন্ত‌ু, মনে হয়, বাংলাদেশের মানুষের সহ্যক্ষমতা বা প্রতিরোধ ক্ষমতা একটু বেশি। তাই বাংলাদেশের মান অনুযায়ী ১ লিটার পানিতে ৫০ মাইক্রোগ্রামের কম থাকলে, মানে ৪৯ মাইক্রোগ্রাম থাকলেও সেটাকে আর্সেনিক বিষযুক্ত বলা হয় না। ৫০ মাইক্রোগ্রাম থাকলেই কেবল সেই পানিকে আর্সেনিক বিষযুক্ত বলা হয়। —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৭:২৯, ১৪ আগস্ট ২০১০ (ইউটিসি)
আপনি সমস্যার বিবরণ অংশের প্রথম প্যারার বিবরণ পড়লে হয়তো ব্যাপারটা পরিষ্কার হতে পারে। —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৭:৩৪, ১৪ আগস্ট ২০১০ (ইউটিসি)