আলাপ:কুরআনের সংখ্যাগত বিশ্লেষণ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

নিরপেক্ষতা ও উল্লেখযোগ্যতা[সম্পাদনা]

এধরনের ধর্মীয় নিবন্ধ নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির আওতায় যুক্তিযুক্ত কি না খতিয়ে দেখা উচিত। --অর্ণব (আলাপ | অবদান) ১৫:০০, ২৯ এপ্রিল ২০০৭ (UTC)

নামটি সম্ভবত নিরপেক্ষ হয়নি। নাম পরিবর্তন করবো। উপাত্তগুলো religious symbology মধ্যে পরে যা ধর্মীয় অনুভূতি থেকে আসেনি। বরং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যবিষয়। লেখার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ হবার চেষ্টা করছি -- লিংকন ১৫:১৩, ২৯ এপ্রিল ২০০৭ (UTC)

এ নিবন্ধটিকেও আলাদা নিবন্ধ হিসেবে রাখার কোন কারণ আমি দেখছি না। এ নিবন্ধটিকেও মুছে দিয়ে কুরআন নিবন্ধের অনুচ্ছেদ হিসেবে লেখা উচিত।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৭:১৪, ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৮ (UTC)

"কুরআনের সাংখ্যিক তাৎপর্য" বিষয়ে পৃথক নিবন্ধ হতে পারে। কেননা বিষয়টি খুবই ইন্টারেস্টিং ; নিরপেক্ষভাবে বা অবজেকটিভলি নিবন্ধটি লেখা সম্ভব। তাৎপর্য শব্দটিও শিরোনাম থেকে বাদ দিয়ে বিশ্লেষণ শব্দটি যোগ করে দেব। দেখা যাচ্ছে আপাতত: কেবল ১৯ সংখ্যাটির ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। অনেক সংখ্যাগত বিশ্লেষণ আছে। যোগ করতে হবে। আগের বিশ্লেষণ ছাড়াও নতুন কিছু বিশ্লেষণ সম্প্রতি পাওয়া গেছে, সময় পেলে অচিরেই যোগ করে দেব।-Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ০৩:২৪, ৬ মার্চ ২০১০ (UTC)

সূচনাংশ[সম্পাদনা]

লিখতে হবে। কেবল ১৯ নয় বহু সংখ্যা নিয়েই এ ধরণের আবিষ্কার আছে। সুতরাং সূচনাংশটি জেনেরালাইযড করতে হবে।- Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ০৩:২৪, ৬ মার্চ ২০১০ (UTC)

সমালোচনা[সম্পাদনা]

এই অংশটি বিতর্কের জন্ম দেবে বলে মূল নিবন্ধ থেকে অপসারণ করে সাময়িকভাবে এখানে সংরক্ষণ করা হলো। কুরআনে কিছু সংখ্যাগত আশ্চর্য বিষয় আছে যা অনস্বীকার্য। কুরআনের অলৌকিকত্ব প্রমাণের উদ্দেশ্য ছাড়াই তা বয়ান করা যেতে পারে, যাকে বলা হয় objectively ; এখানে সমালোচনার বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে। অপসারিত অংশ এই পাতা থেকে অচিরেই অপসারণ করা হবে। Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ০৩:২৪, ৬ মার্চ ২০১০ (UTC)

কুরআনে কিছু সংখ্যাগত আশ্চর্য বিষয় আছে যা অনস্বীকার্য বলে যে অভিমত প্রদান করা হয়েছে তা সর্বজনগ্রাহ্য মতবাদ নয়। সমালোচনাকারীরা এটাকে একধরনের কৌশলী অভিমত বলে মনে করেন। সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি অন্তর্ভুক্ত করার পরে "বিতর্কের জন্ম দেবে বলে মূল নিবন্ধ থেকে অপসারণ করে" ফেলার যুক্তিই আমার মতে অবজেক্টিভিটি হারাচ্ছে, এর পেছনে বিশ্বাস প্রচারের ব্যাপারটা না হয় বাদই দিলাম। আর, অলৌকিকত্ব প্রমাণের উদ্দেশ্য ছাড়াই তা বয়ান করার ব্যাপারটা থাকলে ফিবোনাক্কি রাশিমালার কথাও বলা যেতে পারে। প্রকৃতির অনেক কিছুতেই (সূর্যমুখি ফুলের পাপড়ি বিন্যাস, শামুকের খোলস, পাইন গাছের মোচা ইত্যাদি) ফিবোনাক্কি রাশিমালার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। ৯/১১ ঘটনার সাথেও ১১ সংখ্যাটির "অলৌকিকত্ব প্রমাণের উদ্দেশ্য ছাড়াই তা বয়ান করা যেতে পারে" বলে কেউ মত দিতে পারেন, সমগ্র বাইবেল যে ৭ সংখ্যাটি দিয়ে বিভাজ্য তা ইভান পেনিনের বিশ্লেষণ হাজির করে দেখানো যেতে পারে। Ernest Vincent Wright (১৮৭৩?-১৯৩৯) নামের একজন মার্কিন লেখক ‘Gadsby: Champion of Youth’ (Wetzel Publishing Co., ১৯৩৯) নামে একটি উপন্যাস লিখেছেন। উপন্যাসটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, পঞ্চাশ হাজার একশত দশটি শব্দ দিয়ে গোটা উপন্যাস লেখা হলেও লেখক কোথাও একটি বারের জন্য ইংরেজি ‘E’ স্বরবর্ণটি ব্যবহার করেননি। অর্থাৎ ইংরেজিতে ‘E’ অর ব্যবহার করে যত শব্দ (he, she, they, them, theirs, her, herself, myself, himself, yourself, love, hate, etc.) আছে সেগুলো বাদ দিয়ে বাকি ২৫টি অর দিয়ে তৈরি শব্দ ব্যবহার করেছেন, বাক্য তৈরি করেছেন; অথচ এর ফলে ব্যাকরণগত ভুল, বাক্যের অসামঞ্জস্যতা, ভাব প্রকাশের দুর্বলতা বা ঘাটতি কোথাও পরিলক্ষিত হয়নি। এমনকি মাইকেল মধুসূদন ফত্তের সনেটেও চৌদ্দ লাইনের শব্দ এবং বাক্যের মধ্যেও কেউ অলৌকিকত্ব প্রমাণের উদ্দেশ্য ছাড়াই তা বয়ান করা যেতে পারেন। এগুলোর তাৎপর্য বাদ দিয়ে কেবল একটি গ্রন্থের "সংখ্যাগত আশ্চর্য বিষয়" নিয়ে ভুক্তি নিরপেক্ষতাকে ক্ষুন্ন করে বলে আমি মনে করি। --- Humanist_bd (আলাপ) ০৩:২৪, ৬ মার্চ ২০১০ (UTC)

অপসারিত অংশ[সম্পাদনা]

বাংলাদেশে বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী কাউন্সিল থেকে জানুয়ারী ২০১০ সালে প্রকাশিত যুক্তি পত্রিকায় এই ১৯ তত্ত্বের বিস্তৃত সমালোচনা ছাপা হয়েছে [১]। সৈকত চৌধুরী এবং অনন্ত বিজয় দাশ লিখিত এই প্রবন্ধে রাশাদ খলিফার ১৯ তত্ত্বের বিভিন্ন দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, এবং মিথ্যাচার নিয়ে সুদীর্ঘ আলোচনা করা হয়। এ ছাড়া ইন্টারনেটে অন্যান্য সমালোচনাকারীরা রাশাদ খলিফার এই সাংখ্যিক তাৎপর্য-এর পুরো ব্যাপারটিকে বিভ্রান্তিকর এবং ছলনা হিসেবে উল্লেখ করেন [২], [৩], [৪], [৫], [৬], [৭], [৮] । তাদের মতে, অসংখ্য অপশন থেকে খলিফা উনিশ দ্বারা বিভাজ্য প্রমান করা যায় এমন অপশনগুলো গ্রহণ করেছেন- বাকিগুলো ফেলে দিয়েছেন। যেমন, “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” বাক্যে যে ১৯টি বর্ণ আছে, এই মৌলিক দাবী সংশয়মুক্ত নয়। আরবি বাক্যটিকে ইংরেজিতে প্রতিবর্ণীকরণ করার সময় আমরা যদি স্বরবর্ণ বাদ দেই, তাহলে বাক্যটি এরকম দাঁড়ায়: “BSM ALLH ALRHMN ALRHIM”, উল্লেখ্য আরবীতে স্বরবর্ণগুলো লেখা হয় না, পড়ার সময় ধরে নেয়া হয়। এই প্রতিবর্ণীকৃত বাক্যে বর্ণের সংখ্যা ১৯। কিন্তু, আরবিতে “তাশদিদ” বলে একটি প্রতীক আছে, কোন বর্ণের উপর সে প্রতীক থাকলে তা দুই বার উচ্চারণ করতে হয়। “ALLAH” শব্দের দ্বিতীয় “L” এর উপর একটি তাশদিদ আছে। সেক্ষেত্রে এই লাম দুইবার উচ্চারণ করে এভাবে লেখা যেত (বা এভাবে লেখা উচিত): “ALLLAH”; আর বর্ণ সংখ্যা হয়ে যেত ২০টি। [৯] এ ধরণের আরো উদাহরণ হাজির করা যায।

যেমন, AL-RaHIM শব্দের দিকে দৃষ্টি দিলে দেখা যাবে - ডঃ খালিফা বলেছেন, এই শব্দ মোট ১১৪ (৬ X ১৯) বার এসেছে। কিন্তু আবদুল-বাকির নির্ঘণ্ট অনুসারে কুরআনে এই শব্দটি হুবহু এই রূপে মাত্র ৩৪ বার উল্লেখিত হয়েছে। অর্থাৎ এই ৩৪ স্থানেই শব্দের আগে “AL” নামক ডেফিনিট আর্টিক্‌লটি আছে। কিন্তু বাকি ৮১ স্থানে শব্দের আগে কোন ডেফিনিট আর্টিক্‌ল নেই। এখন আর্টিক্‌ল সহ এবং ছাড়া সবগুলোই যদি আমরা গণনা করি, তাহলে মোট সংখ্যাটি দাঁড়ায় ১১৫। এক বার এর বহুবচনও উল্লেখিত হয়েছে। তাহলে মোট ১১৬ হয়ে যাচ্ছে। ১১৫ এবং ১১৬, কোনটিই ১৯ দ্বারা বিভাজ্য নয়।

সমালোচনাকারীরা আরো বলেন, রাশাদ খলিফার কোরানে[১] তিনি উনি ১৯ তত্ত্বকে সার্থকতা দিতে গিয়ে ৯:১২৮ এবং ৯:১২৯ - এই আয়াতগুলো বাদ দিয়েছেন বলে অভিযোগ আছে। অথচ যে কোন সাইটের কোরানের অনুবাদে উক্ত আয়াতগুলো পাওয়া যায়। এছাড়া রাশেদ নিজের ইংরেজি অনুবাদকৃত কোরানের ‘সুরা ফুরকান’, ‘সুরা ইয়াসিন’, ‘সুরা শুরা’ এবং ‘সুরা তাক্ভির’-এর আয়াতে নিজের নাম পর্যন্ত ঢুকিয়ে দিয়ে তাঁর বক্তব্যের ‘ধর্মীয় গ্রহণযোগ্যতা’ আদায়ের চেষ্টা করেছেন। যেমন -

We have sent you (Rashad) as a deliverer of good news, as well as a warner. [25:56] ইত্যাদি[২] ইত্যাদি।

এমনকি নিজেকে ‘রসুল’ বলে দাবি করে কোরানের সুরা আল-ই-ইমরান-এর ৮১ নম্বর আয়াত উপস্থাপন করেন, যেখানে তিনি দাবী করেন আল্লাহ ভবিষ্যতে একজন রসুল পাঠানোর ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন [১০] [৩]। খলিফার নিজেকে আল্লাহর ম্যাসেঞ্জার হিসাবে দাবির বিষয়টি আরো বহু জায়গায় সমালোচিত হয়েছে [১১], [১২]

"ইহার উপর আছে উনিশ" - সুরা আল-মুদাচ্ছির (৭৪) এর এই আয়াতের আগের এবং পরের আয়াতগুলো বিবেচনায় আনলে দেখা যায় উক্ত আয়াতটিতে শুধুমাত্র দোজখের শাস্তি প্রদানকারী উনিশজন ফেরেশতার সংখ্যার কথাই বলা হয়েছে, এর বেশি কিছু নয় [১৩] [৪]

কোরানের আয়াত সংখ্যা ৬৩৪৬, যা ১৯ দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য বলে যেভাবে রাশাদ খলিফা উল্লেখ করেছেন যেটাও সঠিক নয় বলে অনেক সমালোচনাকারী মনে করেন। যেমন, হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদ বাংলাতে যে কোরান অনুবাদ করেছেন, তাতে হিসেব করে দেখা হয়েছে সেখানে আয়াত সংখ্যা ৬২৩৭; যা ১৯ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য নয়। বিচারপতি হাবিবুর রহমানের অনূদিত কোরানের সরল বঙ্গানুবাদেও একই সংখ্যক আয়াত রয়েছে। [১৪]

এ ছাড়া, অনেক কিছুকে ইচ্ছে করলেই 'অলৌকিক সংখ্যা' হিসেবে জাহির করা যায়[১৫]। যেমন, ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর আমেরিকায় ঘটে যাওয়া ৯/১১ এর ঘটনার কথাই ধরা যাক।

  • সন্ত্রাসী হামলার তারিখ ৯/১১ : ৯+১+১=১১
  • ১১ই সেপ্টেম্বর বছরের ২৫৪তম দিন : ২+৫+৪=১১
  • ১১ই সেপ্টেম্বর পর বছর শেষ হতে ১১১ দিন বাকি থাকে।
  • প্রথম আক্রমণকারী বিমান : ‘ফাইট-১১।’
  • ইংরেজি ‘Afghanistan’ শব্দটিতে ১১ অর রয়েছে। ... ইত্যাদি।

কাজেই নির্বাচনী ঝোঁক (selection bias) থেকে যে কেউ ১১ সংখ্যাটাকে অলৌকিক মনে করতে পারেন। কিন্তু সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করলেই দেখা যাবে যে, অনেক কিছুই আবার ১১ এর সাথে সম্পর্কহীন[১৬]

  • হামলার বছর ২০০১=> ২+০+০+১= ৩ (১১ নয়)
  • বিমান হামলা হয়েছে সকাল ৯ টার দিকে (১১ টার দিকে নয়!!)
  • ৪ টি (১১টি নয়) বিমান হামলা করেছে।
  • বিমানে লোকের সংখ্যা ২৬৬=> ২+৬+৬=১৪ (১১ নয়)
  • একটি প্লেন এর নাম্বার ৭৬৭ => ৭+৬+৭=২০ (১১ নয়)
  • আরেকটি প্লেন এর নাম্বার ৭৫৭ => ৭+৫+৭= ১৯ (১১ নয়)
  • ৭৫৭ নং প্লেন এর ফুয়েল ক্যাপাসিটি ২০,০০০ গ্যালন (১১ হাজার গ্যালন নয়)
  • ৭৫৭ নং প্লেন এর ডানার দৈর্ঘ ১২৪ ফুট =>১+২+৪ = ৭ (১১ নয়)
  • ৭৫৭ নং প্লেন এর ডানার দৈর্ঘ ১৫৬ ফুট =>১+৫+৬ = ১২ (১১ নয়)
  • একটি টাওয়ারের উচ্চতা ১৩৬২ ফুট=> ১+৩+৬+২ = ১২ (১১ নয়)

একই ধরণের নির্বাচনী ঝোঁকে অন্য ধর্মগ্রন্থকেও অলৌকিক বানানো যেতে পারে। যেমন -

বাইবেলের (ওল্ড টেস্টামেন্ট) প্রথম আয়াত : ‘In the beginning God created the heavens and the earth.’ (সৃষ্টির শুরুতেই ঈশ্বর আসমান এবং জমিন সৃষ্টি করলেন)। (জেনেসিস, ১:১)। উক্ত আয়াতে হিব্রু ভাষায় ৭টি শব্দ আছে এবং ২৮টি অর আছে (৭×৪)। তিনটি বিশেষ্য (noun) রয়েছে যথা ঈশ্বর (God), আসমান (heavens), জমিন (earth)। হিব্রু ভাষায় যেহেতু কোনো সংখ্যা নেই, বর্ণগুলোর যোগফলই হচ্ছে সংখ্যা মান (numeric value)। তাই এই আয়াতের তিনটি বিশেষ্যের সংখ্যামান হচ্ছে ৭৭৭ (৭×১১১)। আয়াতটির ক্রিয়াপদ ‘created’-এর সংখ্যা মান হচ্ছে ২০৩ (৭×২৯)। আয়াতটির Object হচ্ছে প্রথম তিনটি শব্দ ‘In the beginning’; ১৪টি বর্ণ দিয়ে গঠিত (৭×২) এবং বাকি চারটি শব্দও (Subject) ১৪টি বর্ণে গঠিত। হিব্রু ভাষায় আয়াতটির চতুর্থ ও পঞ্চম শব্দদুটিও ৭টি বর্ণে গঠিত। ক্রিয়াপদ ‘created’-এর প্রথম, মধ্যম এবং শেষ বর্ণের সংখ্যা মান ১৩৩ (৭×১৯)। আয়াতের সব কটি শব্দের প্রথম এবং শেষ বর্ণের সংখ্যা মান ১৩৯৩ (৭×১৯৯)। বাইবেলের মধ্যে লেখক হিসেবে ২১ জন ব্যক্তির নাম রয়েছে (৭×৩)। হিব্রু ভাষায় তাঁদের নামের সংখ্যা মান ৭ দ্বারা বিভাজ্য। এই ২১ জনের মধ্যে ৭ জনের নাম রয়েছে নিউ টেস্টামেন্টে, যথা : Moses, David, Isaiah, Jeremiah, Daniel, Hosea and Joel। এই ৭টি নামের সংখ্যা মান হল ১৫৫৪ (২২২×৭)। ডেভিড নামটি পাওয়া যায় ১১৩৪ বার (১৬২×৭)। বাইবেলে ‘seven-fold’ শব্দগুচ্ছটি (phrase) ৭ বার রয়েছে, ‘৭০’ এসেছে ৫৬ বার (৭×৮), ঈশ্বর সৃষ্টির জন্য ৭ দিন সময় নিয়েছেন, ইজরায়েলিরা ৭ দিনে ৭ বার মার্চ করেছে জেরিকোর দিকে। শেষ গ্রন্থ ‘প্রকাশিত কালাম’ (Revelation)-এ রয়েছে ৭ জন পবিত্র আত্মা ৭টি তূর্য (trumpet) নিয়ে ঈশ্বরের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, তাছাড়া রয়েছে ৭টি স্বর্ণের বাতির স্ট্যান্ড, ৭টি চার্চ, ৭টি তারা, ৭জন রাজা, ৭টি পাহাড়।[12] আবার Psalm 118 অধ্যায় সম্পর্কে দাবি করা হয়েছে, এটি বাইবেলের মাঝের অধ্যায়। Psalm 117 অধ্যায়টি সর্বকণিষ্ট এবং Psalm 119 অধ্যায়টি সবচেয়ে দীর্ঘ অধ্যায়। Psalm 118 অধ্যায়ের আগে ৫৯৪টি অধ্যায় রয়েছে এবং Psalm 118 অধ্যায় পরে আরো ৫৯৪টি অধ্যায় রয়েছে... ইতাদি [১৭]। কিন্তু এগুলো সম্ববতঃ গবেষণার নির্বাচনী ত্রুটি, এবং সংশয়ের মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ হয় না।

 তথ্যসূত্র:—
  1. যুক্তি, সংখ্যা ৩, জানুয়ারী ২০১০
  2. কুরআনের সাংখ্যিক মাহাত্ম্যঃ- “ভিন্নমত”, রায়হান আবীর
  3. Mumin Salih, The Myth of Scientific Miracles in The Quran: A Logical Analysis
  4. Ali Sina, Numerical Miracles of the Quran
  5. Amar Khan (Compiler), Miracles of the Quran Exposed
  6. The Mysterious 19 in the Quran : A Critical Evaluation
  7. Are there Mathematical Miracles in the Qur'an or the Bible?
  8. Hekmat, The Miracle of 19
  9. রায়হান আবীর, পূর্বোক্ত
  10. সৈকত চৌধুরী ও অনন্ত বিজয় দাশ, ‘মিরাকল ১৯’-এর উনিশ-বিশ!, যুক্তি, সংখ্যা ৩, জানুয়ারী ২০১০
  11. রাশাদ খালীফা, ম্যাথমেটিকল মিরাকল অব কোরআন এবং কোরআন টেম্পারিং, নাস্তিকের ধর্মকথা
  12. ডিম্বের সন্ধান এবং রাশেদ খালীফা ও তার ম্যাথমিটিকল মিরাকল : নাস্তিকের ধর্ম কথা, মুক্তমনা ই-বুক : ‘বিজ্ঞান ও ধর্ম – সংঘাত নাকি সমন্বয়?’
  13. । সৈকত চৌধুরী ও অনন্ত বিজয় দাশ, ‘মিরাকল ১৯’-এর উনিশ-বিশ!, যুক্তি, সংখ্যা ৩, জানুয়ারী ২০১০
  14. সৈকত চৌধুরী ও অনন্ত বিজয় দাশ, পৃঃ ২০৫-২০৭
  15. অলৌকিক সংখ্যাতত্ত্ব : নাস্তিকের ধর্ম কথা , মুক্তমনা ই-বুক : ‘বিজ্ঞান ও ধর্ম – সংঘাত নাকি সমন্বয়?’
  16. অলৌকিক সংখ্যাতত্ত্ব : নাস্তিকের ধর্ম কথা, পূর্বোক্ত
  17. G. Nehls, The Mysterious 19 in the Quran: A Critical Evaluation


এখানে বেশকিছু ব্লগের লিংক থেকে সূত্র দেওয়া হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য সূত্র নয়। সত্যিকারে সূত্র না পাওয়া গেলে তাতে ফ্যাক্ট ট্যাগ লাগানো হোক। আর এরকম ধর্মীয় নিবন্ধের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা আনয়নে সমালোচনা অংশ রাখা যেতেই পারে। শুধুমাত্র নিরপেক্ষতা আনয়নের স্বার্থেই নয়; যেহেতু বিষয়টি নিয়ে আলোচিত, তাই তার উল্লেখ থাকাটাই স্বাভাবিক ও যুক্তিযুক্ত। — তানভির আলাপ অবদান ০৩:৫৪, ৬ মার্চ ২০১০ (UTC)
সমালোচনা অংশে একাধিক ব্যাক্তি দ্বারা উপযুক্ত যুক্তির মাধ্যমে খন্ডিত বিষয়গুলোই গুরুত্বপূর্ণ। কারও ব্যাক্তিগত দৃষ্টি ভঙ্গিতে দেখা এবং নিজস্ব মত এখানে রাখা যাবে না। ফলে কি বিষয়ে সমালোচনা হয়েছে এবং এর পক্ষে যুক্তিগুলো একাধিক নিরপেক্ষ এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র সমেত ঐ অংশে রাখা উচিত। অসংলগ্ন অংশগুলো অবশ্যই অপসারিত হবে। যদি পর্যাপ্ত তথ্য এবং তথ্যসূত্র না পাওয়া যায় তাহলে অবশ্যই পুরো অনুচ্ছেদই সরিয়ে ফেলা হবে। সকলকে ঐ অনুচ্ছেদের উন্নয়নে সহায়তা করার অনুরোধ জানাচ্ছি। --বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ০৪:৪৭, ৬ মার্চ ২০১০ (UTC)


১) ব্লগ কোনো রেফারেন্স নয়। কাজেই সেখানে প্রকাশিত কোনো আলোচনাকে রেফারেন্স টানা যাবে না।

২) "যুক্তি" নামের পত্রিকাটিও অনুল্লেখ্য, কাজেই সেখানে প্রকাশিত লেখাকে রেফারেন্স টানা যাবে না।

৩) নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়াও আরেকটি ব্যাপার হলো no original research, অর্থাৎ উইকিতে বসে আলোচনা বা যুক্তিতর্ক খাটিয়ে কিছু প্রমাণ করা যাবে না। উইকি কেবল অনান্য নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রকাশিত তথ্য উপস্থাপন করা যাবে।

৪) তার মানে এই নয় যে বিতর্কিত হলেই সেটা এখানে উল্লেখ/আলোচনা করা যাবে না। উইকি একটি নিরপেক্ষ মাধ্যম -- দল মত ধর্ম নির্বিশেষে সব তথ্যেরই এখানে স্থান আছে, *যদি* তা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে যাচাই করার যোগ্য হয়। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৫:০৬, ৬ মার্চ ২০১০ (UTC)

"যুক্তি" নামের পত্রিকাটিও অনুল্লেখ্য, কাজেই সেখানে প্রকাশিত লেখাকে রেফারেন্স টানা যাবে না।

রাগিব ভাই এই মতটি কেন সত্য বলে গ্রহণ করতেই হবে সেটা জানার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। আজিজ সুপার মার্কেটে আজ পর্যন্ত যতবার গিয়েছি প্রত্যেকবার তিনটা দোকানের বাইরের সেলফে যুক্তি পত্রিকা দেখেছি। আমার দেখায় অবশ্য কিছুই যায় আসেনা। তবে যুক্তির রিভিউ প্রকাশিত হয়েছে দেশের দুইটি নামজানা পত্রিকায় (ব্লগ নয়)। একটি সমকাল অপরটি সংবাদ। এছাড়া মাসিক বিজ্ঞান পত্রিকা টেলিস্কোপেই এসেছে এর রিভিউ। যদিও অনেকেইইইই যুক্তির নাম জানেন না, কিন্তু তাতে করে এর কথাকে ফেলে দেবার উপায় নেই। [৫], [৬], [৭]

আশাকরি, রাগিব ভাই যুক্তির ব্যাপারে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন। রায়হান আবীর (আলাপ) ১৮:০৯, ৬ মার্চ ২০১০ (UTC) ==

দুঃখিত রায়হান আবীর, পত্রিকাটির ব্যাপারে আমার অভিমত পাল্টাচ্ছে না।
আজিজ মার্কেটে কিছু বিক্রি হলেই সেটি নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র হিসাবে ধরতে হবে, এই কথাটি ঠিক নয়। যুক্তির রিভি দেশের দুটি পত্রিকাতে প্রকাশ পাবার সাথে কী সম্পর্ক আছে এর নির্ভরযোগ্যতার? উদাহরণ দেই -- বাংলাদেশের অনেক নামজাদা পত্রিকাতেই এটা ফলাও করে ছাপা হয়েছে, জ্বালানীবিহীন গাড়ি আবিষ্কার করেছে বাংলাদেশের অমুক মেকানিক ইত্যাদি ইত্যাদ। যেমন, ইত্তেফাক। তাতে কি সেই মেকানিক বিখ্যাত হয়ে পড়েন? কিংবা প্রতি সপ্তাহে সাহিত্য পাতায় দুই একটি বইয়ের রিভিউ আসে, কেবল সেই সুবাদেই কি বইগুলো প্রখ্যাত হয়, কিংবা তাতে লেখা রচনা নির্ভরযোগ্য হয়?
রায়হান আবীরকে en:Wikipedia:RS পাতাটি পড়ে দেখতে অনুরোধ করছি। উইকিপিডিয়াতে ব্লগ বা অনুল্লেখ্য প্রকাশনাকে রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা চলে না। উইকি হাজার হলেও বিশ্বকোষ -- এটার সাথে ব্লগের বিশাল পার্থক্য আছে। নিজের ব্যক্তিগত অভিমতের উর্ধ্বে উঠে ব্যাপারটা ভেবে দেখুন।
পরিশেষে আবারও বলি, এই বিষয়ের পক্ষে বিপক্ষে যারা অভিমত পোষণ করছেন, সবাইকেই উইকিপিডিয়ার যাচাইযোগ্যতা ও নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্রের শর্তাবলী মেনে চলতে হবে। এই বিষয়টির উপরে যুক্তি পত্রিকার নিবন্ধের লেখকদ্বয় কি বিশেষজ্ঞ বা একাডেমিক গবেষক? যদি তা না হয় এবং তাদের লেখাটি একাডেমিকভাবে স্বীকৃত গবেষণা কর্ম না হয়, তাহলে অবশ্যই অন্যরা প্রশ্ন করতে পারেন, মাসিক মদীনা কিংবা মাসিক আল-কাউসার কেনো সূত্র হিসাবে নেয়া হবে না (হতে পারে, কোনো পত্রিকাস্ট্যান্ডে সেটাও বিক্রি হয়, বা কোনো পত্রিকাতে সেটারও রিভিউ ছাপা হয়)। কাজেই ব্যবহার করবেন নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র যা আসবে স্কলারলি পাবলিকেশন বা বইপত্র থেকে। কোনো অপ-এড লেখা বা অভিমতকে বা অনুল্লেখ্য প্রকাশনাকে সূত্র হিসাবে ব্যবহার করবেন না। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৮:২৫, ৬ মার্চ ২০১০ (UTC)
ধন্যবাদ রাগিব ভাই আপনার মতামতের জন্য। ব্লগের আপনি লক্ষ করুন, ব্লগের ব্যপারে আমি আপনার সাথে দ্বিমত পোষণ করিনাই। করেছি যুক্তির ব্যপারে। আপনি বলেছেন বিশেষজ্ঞের কথা। যুক্তির নিবন্ধটি একটি গবেষণামূলক লেখা, এখানে অজস্র তথ্যসূত্র দেওয়া হয়েছে। সুতরাং সবকিছু বাদ দিলেও, এটি যে "অনুল্লেখ্য" সেটি আপনাকে প্রমান করতে হবে। কারণ আপনি যুক্তির ব্যপারে নিজের মতামত চাপিয়ে দিচ্ছেন। যেমন ধরা যাক, ইত্তেফাক পত্রিকায় একটি বাজে রিপোর্ট ছাপা হলো, তারমানে কী এই ইত্তেফাকের কোনও রিপোর্টিই এখন আর রেফারেন্স হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবেনা? অতিসরলীকরণ হয়ে গেলোনা ব্যাপারটি?
আর ৯/১১ এর নিউমারোলোজি আশাকরি নিবন্ধে ফেতর নেওয়া হবে। কারণ, এটি Temple University math professor jhon alen Paulos এর লেখা Irreligion বইয়ের ৫১ পাতায় The Argument From Coincidence (and 9/11 oddities) চ্যাপ্টারে বর্নিত আছে। উনি একজন গনিতজ্ঞ এবং বইটি একটি গবেষণা বই। আশাকরি উইকির নিয়ম অনুসারে এটি অনুল্লেখ্য নয়। রায়হান আবীর (আলাপ) ১৮:৪০, ৬ মার্চ ২০১০ (UTC)
যুক্তি পত্রিকার লেখাটি peer-reviewed কি? আমার জানা মতে তা নয়। সে ক্ষেত্রে সেটাকে গবেষণামূলক লেখা বলে দাবী করাটি একটু অতিরঞ্জন হয়ে পড়ে। এটি যে "অনুল্লেখ্য" সেটি আপনাকে প্রমান করতে হবে। -- :) না, বরং উল্টোটা, যুক্তি পত্রিকাটি (যার মাত্র ৩য় সংখ্যা চলছে আমার জানা মতে) উল্লেখযোগ্য কেনো এবং নির্ভরযোগ্য সূত্র কেনো হবে, তা প্রমাণের দায়টা আপনারই। ইত্তেফাক যে বহু পুরানো এবং জনপ্রিয় বাংলা পত্রিকা, বিভিন্ন সূত্র থেকে তা প্রমাণ করে দেখানো যায় সহজেই।
রাগিব, আপনার কথাগুলো আপাততঃ মেনে নিচ্ছি। তারপরেও একটা ব্যাপার ভেবে দেখতে বলি। বাংলাদেশের মত দেশগুলোতে ধর্ম এবং এর পেছনের অলৌকিকত্বকে রাষ্ট্রিয়ভাবে মদদ দেয়া হয়। আপনি পত্রিকায় ইসলামের পাতা, কিংবা টেলিভিশনে ধর্মের কিংবা পিস টিভির হাজারো চ্যানেল দেখতে পাবেন। বিপরীত মতকে সেভাবে প্রকাশ্যে আসতে দেয়া হয়না। এছাড়া প্রকাশকরাও বিপরীতমতের বই প্রকাশ করতে ভয় পান। এমনকি উইকিতেও দেখুন - "কোরানের সাংখ্যিক তাৎপর্য" শিরোনামের একটি প্রায়-ধর্মীয় প্রোপাগান্ডামূলক পোস্ট বছরের পর বছর থেকে গিয়েছে, এমনকি অর্ণব সহ অনেকে আপত্তি জানানোর পরেও। কেবল সমালোচনার অংশ যোগ করার পরেই Faizul Latif Chowdhury "বিতর্কের জন্ম দেবে বলে" অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। এটা নিরপেক্ষতা ক্ষুন্ন করেছে বলেই আমার ধারনা। যা হোক, বহু প্রতিবন্ধকতা এড়িয়েও যুক্তির মতো একটি পত্রিকা মার্কেটে একটি আসন তৈরি করতে শুরু করেছে। বহু চিন্তাবিদই যুক্তির প্রকাশনাকে গুরুত্ব দিয়েই বিবেচনা করতে শুরু করেছেন। সম্প্রতি দৈনিক সংবাদ, দৈনিক সমকাল এবং টেলিস্কোপ পত্রিকায় রিভিউগুলো (যেটা রায়হান উল্লেখ করেছে) এর প্রমাণ। পত্রিকাটি নতুন নাকি পুরাতন সেটার বাইরেও সৈকত চৌধুরী এবং অনন্ত বিজয় দাস তাদের প্রবন্ধে যে পয়েন্টগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন, যে বই এবং সাইটের রেফারেন্স হাজির করেছেন সেটার মেরিট অনু্যায়ী সেটাকে বিশ্লেষণের অনুরোধ জানাই। যা হোক, আপনার কথা মেনে নিয়ে যুক্তির বাইরেও অন্যান্য বইয়ের রেফারেন্স সংযুক্ত করা হল। ব্লগের রেফারেন্সগুলো সরিয়ে দেয়া হল। - Humanist bd
পরের মন্তব্যটি প্রসঙ্গে বলি -- synthesis আরেকটি ব্যাপার যা গ্রহনযোগ্য নয়। অর্থাৎ উইকিতে বসে বিভিন্ন সূত্রের বিভিন্ন বিষয় জোড়া দিয়ে নিজের বক্তব্যের সপক্ষে যুক্তি দেয়া চলে না। কারণ বিশ্বকোষের কাজ কেবলই রিপোর্ট করা -- যুক্তি তর্ক উপস্থাপন বা খণ্ডন নয়। যে কাজ মুক্তমনা বা অন্য ব্লগে বসে অনায়াসে করা চলে, সেই একই কাজ বিশ্বকোষের পাতায় করা চলে না। এই পাতাটিতে কী থাকতে পারে একটু উদাহরণ দেই -- যদি কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে বলা হয়ে থাকে বা আলোচনা করা হয়ে থাকে সংখ্যামূলক বিষয়গুলোর বিশ্লেষণ, সেটা। আবার, যদি কোনো (নির্ভরযোগ্য সূত্রের) লেখায় বলা হয়ে থাকে যে, কুরআনের সংখ্যামূলক লেখার মতো কাকতালীয় ব্যাপার আরো অনেক জায়গায় যেমন ৯/১১ এর ঘটনা দিয়েও বের করা যায়, ইত্যাদি। পক্ষান্তরে যদি আপনার উল্লেখ করা বইটিতে কেবলই ৯/১১ অডিটি নিয়ে লেখা থাকে এবং কুরআনের সংখ্যাগত বিশ্লেষণকে খণ্ডন না করা হয়, তবে সেটাকে আপনি এখানে "সমালোচনা" অংশের যুক্তি হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন না। আবারও আবারও বলি, উইকিপিডিয়ার কাজ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন বা খণ্ডন নয়, বরং এর কাজ হলো অন্যত্র (নির্ভরযোগ্য সূত্রে) উল্লেখ করা বিষয়ের স-রেফারেন্স উপস্থাপনমাত্র। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৮:৫৩, ৬ মার্চ ২০১০ (UTC)


রাগিব, আপনার এবং রায়হানের আলোচনা এবং সাজেশনের পরিপ্রেক্ষিতে John Allen Paulos এর পিয়ার রিভিউড দুটি বই, Underwood Dudley এবং স্কেপ্টিক্স ডিকশনারির রেফারেন্স যুক্ত হল। আশা করি এবার অংশটুকুর গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে। যদি সবার মনঃপুত হয়, তবে ট্যাগ সরানোর অনুরোধ জানাচ্ছি। - Humanist bd
বাংলা উইকিতে কোনো বিষয়েই কোনো কিছু দমন করা হয় না, যদি যথাযথ নীতিমালা মেনে চলা হয়। কাজেই এই ক্ষেত্রে কোনো রকমের "কর্তৃপক্ষীয় মদদ" আছে এরকম ধারণা পোষণ না করতেই অনুরোধ করবো। এই ভুক্তির বিষয়টি বাংলাদেশের স্থানীয় বিষয় নয়, আর একেবারে নতুন কোনো বিষয়ও নয় যে, এর সমালোচনামূলক অংশের একমাত্র রেফারেন্স যুক্তি পত্রিকাটি থেকে টানতে হবে। উপরেই উদাহরণ দিয়েছি, যুক্তি পত্রিকার লেখাকে যদি রেফারেন্স টানতে হয়, তবে অবশ্যই কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে, আল-মদিনা পত্রিকার লেখা কেনো রেফারেন্স হিসাবে টানা যাবে না। এসব ক্ষেত্রে উইকির নিরপেক্ষতার নীতিটি খুব ভালোভাবেই পরিষ্কার, -- উইকির কাজ যুক্তি তর্ক প্রদান-খণ্ডন না। বরং অন্যত্র কেউ কিছু করে থাকলে তা উল্লেখ করা মাত্র, যাতে করে পাঠক নিজের বিচার বুদ্ধি দিয়ে বুঝে নিতে পারেন। ফয়জুল লতিফ চৌধুরী এখানে ভুক্তিটির যে অংশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তা আবারও পড়ে দেখলাম, সেই অংশ রেফারেন্স বলতে সামহয়ার ও মুক্তমনা ব্লগ সাইটে প্রকাশিত পোস্ট বা ই-বুক, এবং সদ্য প্রকাশিত যুক্তি নামের পত্রিকাটিরই রেফারেন্স দেয়া হয়েছে মাত্র। এই অনুচ্ছেদে বেশ কয়েকবার এটাই বোঝাবার চেষ্টা করেছি, উইকিপিডিয়ায় এহেন সাইটের রেফারেন্স গ্রহনযোগ্য নয়। হয়তো আপনি বা রায়হান ব্লগে লেখায় অভ্যস্ত বলে এটা মানতে পারছেন না, কিন্তু একটা বিশ্বকোষে নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়া তথ্য যোগ করতে থাকলে সেটা ব্লগেই পরিণত হয়। হাইপোথেটিকালি আসুন ধরা যাক, বাংলাদেশে কেউ একজন একটা পত্রিকা বের করলো, ধরা যাক তার নাম "কুযুক্তি", আর তাতে কেউ নিবন্ধ লিখলো, যাতে দাবী করা হলো পৃথিবীর আকার চ্যাপ্টা, বা পৃথিবীর চারিদিকে সূর্য্য ঘুরছে। এই পত্রিকার প্রচুর কাটতি থাকতে পারে, অন্যান্য পত্রিকাতে এর রিভিউও ছাপা হতে পারে, ব্লগে ব্লগে সেই নিবন্ধের আলোচনা-সমালোচনাও হতে পারে, কিন্তু তাতে করে কি সেটা রেফারেন্স হিসাবে আসে?
এই থ্রেডে আর বেশি কথা বলতে আগ্রহ বোধ করছি না। নিবন্ধের বিষয়বস্তু নিয়ে আমার বিশেষ মাথা ব্যথা নেই, এই ভুক্তিটিতে আমি কাজও করিনি। কিন্তু এই থ্রেডে বেশ কয়েকবার এই ব্যাপারটাই পরিষ্কার করতে চেয়েছি, ব্লগ, ব্লগের ইবুক, বা অনুল্লেখ্য পত্রিকায় প্রকাশিত লেখা ইত্যাদি বিশ্বকোষে রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করার যোগ্য নয়। বিস্তারিত জানতে এই বিষয়ে উইকিপিডিয়ার নীতিমালাটি ভালো করে পড়তে অনুরোধ করছি। যাচাইযোগ্যতা, নিরপেক্ষতা, নির্ভরযোগ্য সূত্র প্রদান ইত্যাদি উইকিপিডিয়ার মূলনীতি -- এর কোনোটিতে ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। কথাটি এই ভুক্তির প্রশংসা ও সমালোচনাকারী -- দুই পক্ষের জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০১:৩৫, ৭ মার্চ ২০১০ (UTC)

আর Humanist_bd এই লেখাটিকে প্রপাগান্ডামূলক বলছেন, ইতিহাস ঘেঁটে দেখতে পাচ্ছি, সমালোচনা অংশটি বাদে এই লেখাটির প্রায় পুরোটাই রায়হান আবীর লিখেছিলেন। প্রপাগান্ডামূলক অংশটির ব্যাপারে তাঁকে প্রশ্ন করে দেখতে পারেন। বাংলা উইকিতে ২১ হাজার ভুক্তি থাকায় অনেক সময় অনেক ভুক্তি বছরের পর বছর ধরে চোখে নাও পড়তে পারে। তবে সাধারণত প্রতিষ্ঠিত ইউজারেরা প্রপাগান্ডামূলক লেখা লেখেননা বলেই আমার বিশ্বাস ছিলো। রায়হান ২০০৭ সালে উইকিতে অনেক ভালো কাজ করেছেন। তিনি ধর্মীয় প্রপাগান্ডা করার উদ্দেশ্য নিয়ে এই লেখাটি শুরু করেননি, সেটাই আমার ধারণা। তবে বিস্তারিত রায়হান আবীরই বলতে পারবেন। তাঁকে এই বিষয়ে মন্তব্য রাখতে অনুরোধ করছি। কোনো পক্ষেই কোনো প্রপাগান্ডা চোখে পড়লে জানাবেন, নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করে তা দূর করা হবে। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০১:৫০, ৭ মার্চ ২০১০ (UTC)

রাগিব ভাই, সেই সময়টাই এমন ছিল যাই দেখতাম যাই পড়তাম সেইটাই উইকিভুক্ত করা যায় কীনা ভাবতাম। বিষয়টিকে আমার তেমনই মনে হয়েছিল। পরবর্তীতে বুঝতে পারি, নিজের অজান্তে প্রপাগান্ডা ছড়িয়েছি (কারণ রাশাদ খলিফার বই পিয়ার রিভিউড নয়, এটা সবার কাছে গ্রহণযোগ্যও নয়, এমনি বিজ্ঞানীরা পরিষ্কারভাবে নিউমারোলোজিকে অপবিজ্ঞান বলে থাকেন)। সুতরাং বলতে পারেন পাপ মোচনের জন্য পরবর্তীতে বিভিন্ন ঘাটাঘাটি করে আমি এই সংখ্যাতত্ত্বের রিবাটাল লিখি- অবশ্যই ব্লগে।

সুতরাং এই লেখাটি হয় মুছে ফেলা হোক, নতুবা উইকির নিয়ম অনুসারে তথ্যসূত্র সমৃদ্ধ সমালোচনা অংশ রাখা হোক। রায়হান আবীর (আলাপ) ১১:১৫, ৭ মার্চ ২০১০ (UTC)

অনেক পরে এসে একটা পরামর্শ (না ঠিক মতামত হতে পারে) দিই। তা হচ্ছে ওপরের আলোচনায় পড়লাম যুক্তি তাদের প্রকাশনায় অজস্র তথ্যসূত্র উল্লেখ করেছে। এবং এও জানলাম পত্রিকাটির এই প্রকাশনাটি নাকি পত্রিকা ও কিছু স্থানে সমাদৃত হয়েছে। তাই আমার মনে হয় কষ্ট করে কেউ যদি যুক্তির ঐ রেফারেন্স গুলো থেকে সরাসরি সূত্র উল্লেখ করতেন, তবে গ্রহণযোগ্য হতো। যেহেতু প্রকাশনাটি সমাদৃত, হয়তো সূত্রগুলোর গ্রহণযোগ্যতা আছে। তো সেটার চেষ্টা কী করা যায়? — তানভির আলাপ অবদান ০৩:০৯, ৭ মার্চ ২০১০ (UTC)

Objection[সম্পাদনা]

আমার মনে হয়েছে এই নিবন্ধে কেবল ইসলাম ধর্মের একতরফা প্রচার চলেছে। এবং কেউ সমালোচনা করলে তা চেপে দেওয়া হয়েছে। কুর'আন সম্পর্কে বিভিন্ন যুক্তিনিষ্ঠ তথ্য জাকির নায়েক রচিত বিভিন্ন বইয়ে আছে। আপনারা সেখান হেকে তথ্য নিতে পারেন। সাথে সমগ্র সমালোচনাগুলিও রাখা উচিৎ। তাতে নিরপেক্ষতা বজায় থাকবে।Aroopinkadutta (আলাপ) ১২:৫৫, ৬ মার্চ ২০১০ (UTC)

আপনার মন্তব্যের সাথে সামগ্রীকভাবে একমত পোষণ করছি। কুরআনের সাংখ্যিক তাৎপর্য নামের বিশ্বাস-নির্ভর মূল লেখাটি কোনভাবেই নিরপেক্ষতার মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ হয় না। "এধরনের ধর্মীয় নিবন্ধ নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির আওতায় যুক্তিযুক্ত কি না খতিয়ে দেখা উচিত" বলে অর্ণব সহ অনেকেই আপত্তি জানালেও লেখাটি সরানো হয়নি, কোন ট্যাগও দেয়া হয়নি। কেবল সমালোচনা অনুচ্ছেদ যুক্ত হবার পরেই "এই (সমালোচনামূল্ক) অংশটি বিতর্কের জন্ম দেবে বলে মূল নিবন্ধ থেকে অপসারণ করে সাময়িকভাবে এখানে সংরক্ষণ করা হলো" বলে Faizul Latif Chowdhury সরিয়ে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছেন, এটি আমার মতে নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির অন্তরায়। ব্লগ কিংবা অন্যান্য রেফারেন্স যা অগ্রহনযোগ্য হিসেবে রাগিব ভাই মত দিয়েছেন, সেগুলো বিবেচনা করে যে যুক্তি এবং রেফারন্সগুলোর তাৎপর্য আছে তা অবিকল রেখে দেওয়ার আহবান জানাই। আর বাতিল করলে পুরো লেখাটিই উঠিয়ে ফেলা উচিৎ। - Humanist_bd

বারো হাত কাঁকুড়ের তের হাত বিচি[সম্পাদনা]

শিরোনামই এই অনুচ্ছেদের তাৎপর্য বোঝানোর জন্য যথেষ্ট। অদ্যাবধি নিবন্ধটি না-পূর্ণাঙ্গ, না-পরিবেশনযোগ্যভাবে লিখিত ; নিবন্ধটিকে একটি পাঠযোগ্য অবয়ব প্রদানের পরিবর্তে আত্মপক্ষ সমর্থনের যে তৎপরতা তা আমাদের জাতীয় চরিত্রের অন্যতম একটি দিক নির্দেশ করে। কথা না বাড়িয়ে বিশেষ করে রাগীবকে অনুরোধ করবো নিবন্ধটি সর্ব্বাংশে মুছে ফেলার জন্য। এটি কাজের চেয়ে অকাজের জন্ম দিয়েছে বেশী। অকাজে আমাদের উৎসাহ প্রবাদপ্রতীম ; অধিকতর উদ্দীপনার আবশ্যকতা নিষ্প্রয়োজন।-Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১৫:১৫, ৭ মার্চ ২০১০ (UTC)

নিউমোরলজির সমালোচনামূলক অংশ পুনর্বহাল[সম্পাদনা]

একটি ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ৯/১১ সহ নিউমোরলজির সমালোচনামূলক বিষয়গুলো অনেকেই গুরুত্বপুর্ণ মনে করেছেন। প্রথমে রেফারেন্স সংক্রান্ত কিছু অসুবিধা থাকলেও পরে সেগুলো দূর করা হয়েছিলো। সমস্ত ব্লগের রেফারেন্স উঠিয়ে দিয়ে পিয়ার রিভিউড বই এবং অথেন্টিক ওয়েব সাইটের রেফারেন্স দেয়া হয়েছিলো। এমনকি এই পাতার মূল লেখকও বলেছিলেন (উপরে আলোচনায় দ্রঃ) "৯/১১ এর নিউমারোলোজি আশাকরি নিবন্ধে ফেরৎ নেওয়া হবে। কারণ, এটি Temple University math professor jhon alen Paulos এর লেখা Irreligion বইয়ের ৫১ পাতায় The Argument From Coincidence (and 9/11 oddities) চ্যাপ্টারে বর্নিত আছে। উনি একজন গনিতজ্ঞ এবং বইটি একটি গবেষণা বই।" আশাকরি উইকির নিয়ম অনুসারে এটি অনুল্লেখ্য নয়। আমি লিখেছিলাম - "রাগিব, আপনার এবং রায়হানের আলোচনা এবং সাজেশনের পরিপ্রেক্ষিতে John Allen Paulos এর পিয়ার রিভিউড দুটি বই, Underwood Dudley এবং স্কেপ্টিক্স ডিকশনারির রেফারেন্স যুক্ত হল।" এর পর রাগিব সাহেব এটি নিয়ে আপত্তি তোলেন নি। কিন্তু পর্যাপ্ত রেফারেন্স থাকা সত্ত্বেও একজন কন্ট্রিবিউটার এসে নিউমরলজির গুরুত্বপূর্ণ অংশটিকে আবারো বাদ দিয়েছেন। এ ব্যাপারে রাগিব এবং তানভিরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এ ছাড়া খলিফার নিজেকে 'আল্লাহর ম্যাসেঞ্জার' হিসাবে দাবির বিষয়টি বহু জায়গায় সমালোচিত হয়েছে - এই লাইনটি উঠিয়ে দেয়া হয়েছিলো কেবল 'অনন্ত এবং সৈকতের ভুল বক্তব্য উঠিয়ে দেয়া হল' বলে। অথচ ইন্টারনেটেই এ নিয়ে অনেক রেফারেন্স আছে। সেগুলো দেয়া হল। - Humanist bd

স্বাক্ষর দিতে হলে চারটি টিল্ডা (~) পর পর লিখুন। অর্থাৎ (~~~~)।
নিবন্ধের মূল লেখক বলতে কি রায়হান আবীরকে বোঝাচ্ছেন? কারণ সিংহভাগ তারই লেখা।
নিমারোলজির সমালোচনামূলক অংশটি এখনো synthesis দোষে দূষ্ট। মানে আপনার উল্লেখ করা রেফারেন্সগুলোতে এই নিবন্ধের মূল বিষয় মানে কুরআনের সংখ্যতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে? যদি তা না হয়ে থাকে, তাহলে আপনি একটি বই থেকে ৯/১১ বা আরেকটি বই থেকে বাইবেলের নিউমারোলজির উদাহরণ দিয়ে যদি তা থেকে কুরআনের সংখ্যাতত্ত্বের বিষয়ে কিছু infer করে দেখাতে চান, তাহলে সেটা synthesis এবং অরিজিনাল রিসার্চ হবে। এক্ষেত্রে আপনাকে যেটা করতে হবে তা হলো এই বিষয়ে যে নির্ভরযোগ্য সূত্রে/বইতে/রিসার্চ পেপারে আলোচনা হয়েছে, সেই আলোচনার রেফারেন্স দিতে হবে। ৯/১১ এর বিস্তারিত উদাহরণটি এই ভুক্তির বিষয়ের সাথে কীভাবে যুক্ত বলে কেউ বলেছেন, তা রেফারেন্স দিয়ে দেখাতে হবে। Skeptic's dictionary এর উদাহরণ দিচ্ছেন উপরে, কিন্তু সেই পাতাটিতে এই ভুক্তি বা বাইবেল কোড সম্পর্কে আলোচনা কিছু নেই। বহুভাবে সমালোচিত হয়েছে -- এই কথাটি ধোঁয়াটে ... কে সমালোচনা করেছেন অনুগ্রহ করে active voice এ লিখুন। বই এর রেফারেন্স দিলে অবশ্যই পাতা নম্বর উল্লেখ করবেন। নলেজরাশের যে রেফারেন্স দিয়েছেন, তা আসলে উইকিপিডিয়ারই মিরর সাইট মাত্র, কাজেই রেফারেন্স হিসাবে তা আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়। Answering islam এর যে পাতার রেফারেন্স দিয়েছেন, তার লেখক আবদুল হালিম কি এই বিষয়ে অথরিটি? কয়েকটি বই বাদে এই ভুক্তির অধিকাংশ রেফারেন্সই এরকম বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে নেয়া, যাদের বিশ্বকোষীয় গ্রহনযোগ্যতা নেই। রায়হান আবীরের যোগ করা ১ম অনুচ্ছেদেও যে পরিসংখ্যানগুলো দেয়া আছে, তা অরিজিনাল রিসার্চ, কারণ ১৯ সংখ্যা নিয়ে কে কি বলেছেন তার বদলে মূল উৎস থেকে synthesis করে যুক্তি দেয়া হয়েছে।
এখন আপনার জন্য অ্যাসাইনমেন্ট হলো, নিউমারোলজির অংশটিকে যথাযথভাবে লেখা। অর্থাৎ এই ভুক্তির মূল বিষয় (কুরআনের সংখ্যাগত বিশ্লেষণ) এর উপরে বিভিন্ন scholarly source এ যা বলা হয়েছে, তা তুলে ধরা। ৯/১১ এর অংশটি উদাহরণ দিয়ে যদি কেউ কুরআনের নিউমারোলজিকে debunk করে, অবশ্যই তা উল্লেখ করবেন। কিন্তু ৯/১১ নিয়েও এরকম দেখানো যায়, সেই উদাহরণ থেকে induction পদ্ধতিতে এই ভুক্তির বিষয়বস্তুটিও একই দলে পড়ছে, এই অংশটি original research হচ্ছে। সুতরাং বার বার ঐ অংশটি ফেরত না এনে অন্য যেসব নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই বিষয়ের আলোচনা হয়েছে, তা উল্লেখ করুন। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৬:৪৭, ১০ মার্চ ২০১০ (UTC)
'রায়হান আবীরের যোগ করা ১ম অনুচ্ছেদেও যে পরিসংখ্যানগুলো দেয়া আছে, তা অরিজিনাল রিসার্চ, কারণ ১৯ সংখ্যা নিয়ে কে কি বলেছেন তার বদলে মূল উৎস থেকে synthesis করে যুক্তি দেয়া হয়েছে' - এই বক্তব্যের সাথে মোটেই একমত নই। কিভাবে বোঝা গেল 'অরিজিনাল রিসার্চ'? রাশাদ খালিফার এই রিসার্চ কোন ম্যাথেম্যাটিকাল জার্নালে প্রকাশিত হয়নি, তার বই যে পিয়ার রিভিউড নয় তাও মুল লেখক স্বীকার করেছেন। এমনকি মূল প্রবন্ধটিতে রাশাদ খলিফার কাজের কোন রেফারেন্স নেই। প্রথম রেফারেন্সে আছে - ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক ১৯৯০ সালে মুদ্রিত কুরআন শরীফে ঊনিশ সমর্কে ১৯ জন ফেরেশতার কথাই উল্লেখ আছে, আর দ্বিতীয় রেফারেন্সে আছে - মাওলানা ইউসফ আলী ও মাওলানা দরীয়াবাদীর ব্যাখ্যা। রাশাদের অরিজিনাল কাজের কোন রেফারেন্সই নেই। কিন্তু তারপরে যে লাইনগুলো লেখা হয়েছে - "কিন্তু তাফসির কারক গন এই বলে তাদের কথা শেষ করেছেন যে এই সম্পর্কে আল্লাহ্‌ তায়ালাই ভাল জানেন। অর্থাৎ তারা ১৯ সংখ্যা দ্বারা কি বোঝানো হয়েছে তা নিশ্চিতভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেননি" - এগুলোর কোন রেফারেন্স দেয়া হয়নি। এগুলো বলার অথরিটি কে? আব্দুল হালিম যদি অথরিটি না হন, তবে এখানেও অথইরিটির প্রশ্ন করা যেতে পারে। এমনকি প্রবন্ধটি যে শুরু হয়েছে যে লাইনগুলো দিয়ে - কুরআনের সংখ্যাগত বিশ্লেষণ বলতে বোঝায় আরবী ভাষায় লিখিত এই ধর্মগ্রন্থে বিভিন্ন সংখ্যার পুন:পৌণিক এবং তাৎপর্যময় উপস্থিতি। সর্বসমক্ষে এই কুরআনের সাংখ্যিক তাৎপর্যের বিষয়টি সর্বপ্রথম তুলে ধরেন ইসলামী দার্শনিক রাশাদ খালিফা। তিনি প্রধানত: ১৯ সংখ্যাটির কৌতূহলোদ্দীপক পুন:পৌণিক উপস্থিতির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ১৯ ছাড়াও অন্যান্য কয়েকটি সংখ্যার প্রধান্যের বিষয়েও দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। - একটি লাইনেরও কোন রেফারেন্স পাওয়া গেল না। এভাবে রেফারেন্স ছাড়া ভুক্তি গ্রহণ করে সেটাকে "অরিজিনাল রিসার্চ" আর "synthesis করে যুক্তি দেয়া হয়েছে" বললে আমি নিরূপায়। বরং সমালোচনা অংশটুকুরই রেফারেন্স দেয়া হয়ে ঢের ভালভাবে। আর রাশাদের রিসার্চ যে প্রশ্নবিদ্ধ তা তো দেখানোই হয়েছে। তার আয়াতের সাথে অন্যান্য অনুবাদকের আয়াতের সংখ্যা মেলে না। তিনি যে ৯:১২৮ এবং ৯:১২৯ আয়াতগুলো ইচ্ছে করে কোরান থেকে বাদ দিয়েছেন তা ত সাবমিশন ডট অর্গ সাইটে রাখা তার কোরানের অনুবাদেই পাওয়া যায়। আর নিজের নাম আয়াতে ভরে দেয়াটা না হয় বাদই দিলাম। ১৯ নিয়ে তিনি ম্যানিপুলেশন করেছিলেন যেটার সাথে মিলে সেগুলো নিয়েছিলেন, যেগুলো মেলেনি সেগুলো বাদ দিয়েছিলেন। ৯/১১ এর সাথে এ কারণেই এটা সম্পর্কযুক্ত যে, সেখানেও ইচ্ছাকৃত ভাবে সেখানেও কিছু কিছু ব্যাপারকে ১১র সাথে মিলিয়ে দেয়া হয়েছে, বাকিগুলো বাদ দেয়া হয়েছে। স্কেপ্টিক ডিকশনারিতেও নিউমোরলজির ব্যাখ্যায় ইউরি গেলারের উল্লেখ করে ৯/১১ কে বুঝতে হলে যে এর ভিতরের ১১ সংখ্যাটিকে বুঝতে হবে তার উল্লেখ আছে। কিন্তু এগুলো সবই অপবিজ্ঞান হিসেবে প্রতাখাত হয়েছে (গণিতবিদ John Allen Paulos, Underwood Dudley এর বিশ্লিষন দ্রঃ) -Humanist_bd ।
আপনি "অরিজিনাল রিসার্চ" কথাটির অর্থ পুরোপুরি ভুল বুঝে উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছেন। উইকিপিডিয়ার প্রেক্ষাপটে "অরিজিনাল রিসার্চ" বলতে বোঝানো হয়, উইকিপিডিয়াতে বসে যুক্তির উপস্থাপন। এই প্রসঙ্গে en:WP:NOR এই নীতিমালাটি পড়ে নিলে আপনার বিভ্রান্তি দূর হতে পারে। রায়হান আবীরের যোগ করা অংশে কুরআনের সংখ্যাগত বিশ্লেষণতি যেমন আন-রেফারেন্সড অরিজিনাল রিসার্চ, তেমনি ৯/১১ বা অন্যান্য সংখ্যাগত অপবিজ্ঞানের সাথে এখানে বসে এই ভুক্তির যোগসূত্র স্থাপনের যুক্তি দেয়াটাও অরিজিনাল রিসার্চ। Synthesis বলতে বোঝানো হয়েছে, বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্যকে উইকিতে বসে জোড়া লাগিয়ে তার মাধ্যমে কোনো মতকে সমর্থন দেয়া -- এই বিষয়েও আপনি উলটো বুঝছেন বলে মনে হচ্ছে। আপনার সুবিধার্থে en:WP:SYNTH অংশটি পড়তে অনুরোধ করছি। তার পর বাকি আলাপ করা যাবে। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৮:৩৪, ১০ মার্চ ২০১০ (UTC)
না রাগিব, মেটেই উত্তেজিত হইনি (আসলে উত্তেজনার ব্যাপারটাই অপ্রসঙ্গিক :) ) । আলোচনায় অংশ নিয়ে আমার উপকার হচ্ছে, হয়তো বা আপনারও। আসলে রাশাদ খালিফার ১৯ তত্ত্বের মুল ভুক্তিটাই যে খুব দুর্বল এবং রেফারেন্সবিহীন ছিলো, তা বোধ হয় এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে (নীচে মুহম্মদ, জয়ন্ত এবং আপনার আলোচনায়)। আপনার লিঙ্ক পড়তে শুরু করেছি। ধন্যবাদ। -Humanist_bd

তথ্যসূত্র বিশ্লেষণ[সম্পাদনা]

এই নিবন্ধটা খুবই দুর্বল। প্রথমে কুরআনের যেসব কথা বলা হয়েছে সেগুলোরই কোন রেফারেন্স নেই। তাই প্রথমে তথ্যসূত্র বিশ্লেষণ করছি। যেসব স্থানে রেফারেন্স থাকা উচিত কিন্তু নেই সেরকম প্রতিটি স্থানে cn ট্যাগ বসিয়েছি। শেষের দুটো প্যারায় অনেক রেফারেন্স আছে। এক্ষেত্রে আমাদের দেখতে হবে কোনগুলো reliable. তাহলে একদিক থেকে গ্রহণযোগ্য এবং অগ্রহণযোগ্য রেফারেন্স ঘাঁটা যাক। আর হ্যা, যেখানে ১, ২, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০- এই তথ্যসূত্রগুলো রিলায়েবল নয়। তাহলে প্রথমে অনুরোধ করা হচ্ছে যেখানে তথ্যসূত্র নেই সেখানে তথ্যসূত্র যোগ করতে এবং যে তথ্যসূত্রগুলো গ্রহণযোগ্য নয় সেগুলো সরিয়ে গ্রহণযোগ্য তথ্যসূত্র যোগ করতে। যদি করা না হয় তাহলে নির্দিষ্ট সময় পর অগ্রহণযোগ্য তথ্যসূত্র এবং তথ্যসূত্রহীন সকল বাক্য অপসারণ করা হবে। তারপর যদি নিবন্ধটা অস্তিত্বশীল থাকার মত পর্যায়ে থাকে তো থাকবে, আর নইলে অপসারণ নিয়ে আলোচনা করা যাবে। সিনথেসিস এর বিষয়টাও গুরুত্বপূর্ণ। তথ্যসূত্রের কাজটা হয়ে গেলে ওটা ধরবো আমি। আগে তথ্যসূত্র বিষয়ে সবাই মত দিন। আরেকটা কথা তথ্যসূত্র কেবল গবেষণাপত্র এবং নির্ভরযোগ্য লেখকের নির্ভরযোগ্য বই হতে পারবে। এমনকি রাশাদ খলিফার বইও নির্ভরযোগ্য নয়। কারণ তার বই মোটেই পিয়ার রিভিউড নয় এবং নির্দিষ্ট ফিল্ডে তার দখল আছে বলেও জানা যায় না। -- মুহাম্মদ (আলাপ) ২০:০২, ১০ মার্চ ২০১০ (UTC) একমত পোষণ করছি। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রকাশিত লেখার আসলে বিশ্বকোষীয় গুরুত্ব নেই।

কুরআনের ১৯ থিওরি প্র্তিষ্ঠায় খলিফার বই এর নির্ভরযোগ্যতা নেই। তবে এই দাবিটি পেশ করেছে রাশাদ খলিফা, তার রেফারেন্স হিসাবে ঐ বইটা আসতে পারে। (যেহেতু ঐ বইতেই দাবিটা করা হয়েছে)।

সংশ্লেষণের সমস্যাটির ব্যাপারে উইকিপিডিয়ার নীতিমালা থেকে উদ্ধৃতি দিচ্ছি,

"Do not combine material from multiple sources to reach or imply a conclusion not explicitly stated by any of the sources. If one reliable source says A, and another reliable source says B, do not join A and B together to imply a conclusion C that is not mentioned by either of the sources. This would be a synthesis of published material to advance a new position, which is original research.[5] "A and B, therefore C" is acceptable only if a reliable source has published the same argument in relation to the topic of the article." অর্থাৎ একটি সূত্রে যদি বলা হয় x, আরেকটি সূত্রে বলা হয় y, তাহলে উইকিতে বসে "যেহেতু x এবং y, সেহেতু z" এরকম যুক্তি পেশ করা চলবে না, যদি না x ও y দুই জায়গাতেই z এর উল্লেখ থাকে, অথবা অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে এই কথা বলা হয়ে থাকে। ৯/১১ ও বাইবেল কোডের উল্লেখের অংশটি এই সংশ্লেষণ দোষে পড়েছে। কারণ স্কেপ্টিক্স ডিকশনারিতে কুরআনের উল্লেখ নেই। ৯/১১ দিয়েও সম্ভব, বা বাইবেল কোডেও আছে, সুতরাং কুরআনের এই বিশ্লেষণও একই রকম, তা এখানে বসে সিদ্ধান্ত নেয়া চলবে না ... উল্লেখযোগ্য সূত্র থেকে সেই কথাটির রেফারেন্স দিতে হবে। উইকিপিডিয়ার কাজ সত্য নিরূপণ নয়। সব বিশ্বকোষের মতোই এর কাজ কেবলই অন্যত্র প্রকাশিত তথ্যকে উপস্থাপন করা। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ২১:৩৬, ১০ মার্চ ২০১০ (UTC)

আপনার বিশ্লেষনে সংশ্লেষনের ব্যাপারটা স্পষ্ট হলো। আপনি বলতে চাচ্ছেন যে, ৯/১১ দিয়েও সম্ভব, বা বাইবেল কোডেও আছে, সুতরাং কুরআনের এই বিশ্লেষণও একই রকম, তা এখানে বসে সিদ্ধান্ত নেয়া চলবে না। বুঝলাম। ঙ্কিন্তু আলাদাভাবে সংখ্যা দিয়ে মারপ্যাচ এবং ম্যানিপুলেশন দ্বারা যে বহু জায়গায় যাওয়া যায়, এবং ক্ষেত্রবিশেষে ব্যাপারটাকে যে অলৌকিক এবং অতিন্দ্রীয় পর্যায়ে ঠেলে দেয়া যেতে পারে (বিভিন্ন ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে), সেগুলোর রেফারেন্স কি অপ্রাসঙ্গিক? জাস্ট জানতে চাচ্ছি, আপনার কি মতামত এ ব্যাপারে। ইন জেনেরাল নিউমোরলজির ব্যাপারটা যে দুর্বল এবং তা অপবিজ্ঞান বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সেটা উল্লেখ করা উচিৎ নয়? এটা বলছি কারণ, ১৯ তত্ত্বের বিভিন্ন মারপ্যাচ দেখিয়ে খলিফা ব্যাপারটিকে অতিন্দ্রীয় বলে রায় দিয়েছিলেন। কাজেই সাধাণভাবে নিউমোরলজির দুর্বলতাটুকু না বললে মনে হতে পারে অতিন্দ্রীয়তার ব্যাপারটা সর্বজনগ্রাহ্য। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত জানতে চাই। - Humanist_bd
সিন্থেসিসের লিংকটিতে এরকম একটি উদাহরণ পাবেন। সেখানে দেখানো হয়েছে, ফ্যাক্ট A উল্লেখ করে শব্দের মারপ্যাঁচে তার ঠিক পরেই B উল্লেখ করার মাধ্যমে পরোক্ষভাবে A->B এই রকম ভাব আনা যায়। আপনি ৯/১১ এর সংখ্যাগত বিশ্লেষণ ও তা debunk করার যে বাক্যগুলোর কথা বলছেন, সেগুলো ৯/১১ এর ভুক্তিতে আসতে পারে, কিংবা নিউমারোলজির ভুক্তিতে আসতে পারে। কিন্তু ধরা যাক, প্রেসিডেন্ট লিংকন বা কেনেডির ভুক্তিতে ৯/১১ এর উদাহরণটি দিতে চাচ্ছেন (কারণ লিংকন ও কেনেডির সংখ্যাগত মিলটিও নিউমারোলজিস্টদের কাছে জনপ্রিয়), সেই ক্ষেত্রে এটি সিন্থেসিস হয়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে। রাশাদ খলিফার অতিন্দ্রিয় ঘোষণা দেয়াটার মানে এই নয় যে এই ভুক্তিতে ব্যাপারটি অতিন্দ্রিয় বলে তাকে রেফার করা চলবে। বরং "রাশাদ খলিফা এই বিশ্লেষণকে অতিন্দ্রিয় বলে দাবী করেছেন" এই কথাটি বলা যেতে পারে। অর্থাৎ কে ঠিক কে বেঠিক তার বদলে যাচাইযোগ্য fact-কে নিরাসক্তভাবে উল্লেখ করাই যথেষ্ট। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৯:৫৮, ১১ মার্চ ২০১০ (UTC)


আমার মনে হয় কুরআনের উনিশ বিষয়ক লেখায় ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে অতীন্দ্রিয় করে ফেলার বিষয়টা তখনই থাকতে পারবে যখন এটা ইতিমধ্যে কোন গ্রন্থে আলোচিত হয়েছে। সেই গ্রন্থের আলোচনাটা এখানে উল্লেখ করা যাবে। এখানে বসেই বলা যাবে না যে, এটা একটা ম্যানিপুলেটিভ কাজ যার মাধ্যমে কুরআনকে অতীন্দ্রিয় করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। কোন সনামধন্য লেখক যদি এমন সিদ্ধান্ত টানেন তবে সেটাকে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। এ ধরণের সংখ্যাতত্ত্ব যে একটা অপবিজ্ঞান সেটা উল্লেখ করা যাবে বলে আমার মনে হয়, কারণ এমন উক্তি অনেক বিখ্যাত গণিতবিদই নিশ্চয়ই করেছেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট রেফারেন্স লাগবে। নিউমারোলজির দুর্বলতা নিয়ে আলাদা লেখা থাকতে পারে এবং সেই লেখা থেকে কিছুটা অংশ এই নিবন্ধেও যোগ করা যেতে পারে বলে মনে হয়, তবে বেশি নয়। -- মুহাম্মদ (আলাপ) ১৭:০১, ১১ মার্চ ২০১০ (UTC)
এখানে আমাদের নীতিমালাগুলির অনেক বিশ্লেষনও ঊঠে হয়ে আসছে। এতে সবার ই সুবিধা হচ্ছে। প্রশাকত্বের জন্য আমাকেও বার বার পড়তে হচ্ছে। পড়া আছে বোঝা আছে জেনেও আমি বার বার পড়ছি। যাই হোক যে জন্য বলছি, রাগিব ভাই-এর নীতি মালার এই বিশ্লেষনের ( কুরআনের ১৯ থিওরি প্র্তিষ্ঠায় খলিফার বই এর নির্ভরযোগ্যতা নেই। তবে এই দাবিটি পেশ করেছে রাশাদ খলিফা, তার রেফারেন্স হিসাবে ঐ বইটা আসতে পারে। (যেহেতু ঐ বইতেই দাবিটা করা হয়েছে)। ) একটা প্রশ্ন, এর মানে কি এই ?আমিও যদি এমন কোনো তত্ত্ব খাড়া করি ও আলোচিত বস্তু হয়ে ওঠে, তাহলে তা নির্ভরযোগ্য উৎস হবে? যে বিষয়ের নিবন্ধ তার বইকেই কি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসাবে ব্যবহার করা যায়?যেখানে বই মোটেই পিয়ার রিভিউড নয় ? আমি নীতিমালা পড়ে যেটা বুঝেছি মূল বই থেকে উৎস হিসাবে দেওয়া যায়,যখন ব্যাপারটা নিয়ে তৃতীয় কোনো নির্ভরযোগ্য উৎসতে(Reliable Sources) প্রকাশিত মুদ্রণ/প্রকাশনায় (published works) গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রচার(significant coverage) করা হয়েছে যার বিষয়বস্তুর স্বাধীনতা আছে (independent of the subject)। তারপর মূল বইটা থেকে অতিরিক্ত হিসাবে দেওয়া যেতে পারে। নাকি ভুল বুঝেছি? যাই হোক আলোচনা চলতে থাকুক, এই আলোচনা গুলি হারিয়ে যাবে এই গুলিকে উইকির প্রকল্প পাতায় সরিয়ে রাখবো। এই আলোচনাগুলি যখনই হয়, তখনই মনে হয় আমাদের নীতিমালাগুলিকে বাংলায় করে নেওয়া আসু প্রয়োজন। প্রশাসক হিসাবে আমাদের এই দ্বায়িত্বটা আগে আসে। কিছুদিন আগে এটা নিয়ে লেগেছিলাম,আবার শুরু করতে হবে।--জয়ন্ত (আলাপ | অবদান) ০৭:৪১, ১১ মার্চ ২০১০ (UTC)
রাগিব ভাই ঠিক বলেছেন রাশাদ খলিফার ব্যাপারে। আবার নির্ভরযোগ্যতা বিষয়ে জয়ন্ত-র বিশ্লেষণও ঠিক আছে। ব্যাপারটা হচ্ছে খলিফার বইকে অন্য কোন কিছুর রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না, কিন্তু বইটাতে কি আছে সেটার রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। মানে যেসব সোর্সের নির্ভরযোগ্যতা কম তারা অন্যের রেফারেন্স হতে পারবে না কিন্তু নিজের রেফারেন্স হতে পারবে। মানে ব্যাপারটা এরকম: উইকিতে লেখা যাবে যে রাশাদ খলিফা তার এই বইয়ে এই দাবী করেছেন। কিন্তু কুরআন এ উনিশ নামক কোন কিছুর বিশ্লেষণে রেফারেন্স হিসেবে এটা ব্যবহার করা যাবে না। কারণ তৃতীয় কোন আরও নির্ভরযোগ্য সূত্র দ্বারা এটা সমর্থিত নয়। কুরআনের উনিশ বিশ্লেষণ নিয়ে লেখায় খলিফার বই নিয়ে দুই-একটা লাইনই কেবল থাকতে পারে, শুধু বই এবং তার লেখককে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য। আর কোন কাজে ব্যবহার করা যাবে না। -- মুহাম্মদ (আলাপ) ১৬:৫৬, ১১ মার্চ ২০১০ (UTC)
জয়ন্তদা, এইভাবে আলোচনা আসলে সার্বিকভাবে সবার জন্যই মঙ্গলজনক। নীতিমালাগুলো বাংলা করা দরকার, কারণ এখন পর্যন্ত আমরা ইংরেজি উইকির পাতাই সবাইকে লিংকে দিচ্ছি। যাহোক, আপনার প্রশ্নে ফেরত আসি। খলিফার বইতে উল্লেখ করা তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠা করায় কিন্তু খলিফার বই রেফারেন্স নয়। আমার কথাটি খেয়াল করে দেখুন। আমি বলতে চাচ্ছি এই যে, "রাশাদ খলিফা তার অমুক বইতে তমুক দাবীটি করেছেন", এই ব্যাপারটি কিন্তু একটি নিরপেক্ষ ফ্যাক্ট, কোনো অভিমত নয়। কারণ খলিফা হয় তার বইতে দাবীটি করেছেন, অথবা করেননি, আর তা যাচাই করা যাবে তার বই দিয়েই। তার মানে কিন্তু এই না, "অমুক তথ্যটি সত্য বা তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ তা খলিফার বইতে আছে", সেটা যদি বলা হয়, তাহলে তা হবে Point of View (POV)। সব ক্ষেত্রেই কেবল ফ্যাক্টের আশ্রয় নিলে এবং তার পর্যালোচনা না করলে এসব সমস্যা থেকে দূরে থাকা চলে। খলিফার বইয়ের প্রশংসা বা সমালোচনা, দুইটার ক্ষেত্রেই "অনেকে বলেছেন","সবাই মেনে নিয়েছেন", "অনেকে মানেন" এই ধরণের vague কথাবার্তা না বলে যদি কেবল সুস্পষ্ট করে বলা হয়, তবে সমস্যা থাকবে না। যেমন, "ক তার বই খ তে বলেছেন, রাশাদ খলিফার এই জিনিষটি অসাধারণ/ভিত্বিহীন" -- এখানে উইকি কোনো পক্ষ নিচ্ছেনা, বরং "ক" এর মন্তব্যটিকে তুলে ধরছে মাত্র। অবশ্যই প্রশ্ন আসবে, undue weight দেয়া হচ্ছে কি না, এবং এই বিষয়ে "ক" এর অভিমতের দাম কী। আশা করি আমার এবারের মন্তব্যটিতে মূল কথাটি পরিষ্কার করতে পেরেছি। (অফ টপিক- ইংরেজি উইকিতে রাশাদ খলিফার ভুক্তিতে সমস্যা ও ট্রোলিং ব্যাপক ছিলো। খলিফার যৌন কেলেংকারীর কথা তার সমর্থকেরা প্রায়ই গায়েব করে দিতে ট্রোলিং করতো, বছর পাঁচেক আগে সেই ট্রোলিং ঠেকাতেই ওই ভুক্তিতে মন্তব্য দিয়েছিলাম)। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৯:৫৮, ১১ মার্চ ২০১০ (UTC)
ধন্যবাদ রাগিব ভাই ব্যাপারটাকে আরও ভালোভাবে পরিস্কার করার জন্য, কিন্তু এখানে তো সমস্যাটা থেকেই যাচ্ছে, নিবন্ধটার এখোন যা অবস্থা , কতদিন এই ভাবে রাখা যাবে? নাকি ছবির মতো কেউ একদিন তথ্যসূত্র দেবেন তার অপেক্ষায় বছরের পর বছর নিবন্ধটা থেকে যাবে?--জয়ন্ত (আলাপ | অবদান) ০৬:১২, ১২ মার্চ ২০১০ (UTC)

আর হ্যা প্রথম দুটো রেফারেন্সও ঠিক নেই- ১ ও ২ নং। খেয়াল করুন এখানে বইয়ের পৃষ্ঠা নং তো দূরের কথা বইয়ের নামই উল্লেখ নেই। সুতরাং নির্ভরযোগ্যতা যাচাইয়েরই কোন উপায় নেই। তাই এগুলো অপসারণ করা হবে। আর কয়েকদিন অপেক্ষা করার পর। কয়দিন অপেক্ষা করতে হয় এ ব্যাপারে রাগিব ভাইয়ের পরামর্শ চাচ্ছি। -- মুহাম্মদ (আলাপ) ১৭:০৩, ১১ মার্চ ২০১০ (UTC)

"সূর্য পূর্ব দিকে উঠে" এরকম অবধারিত সত্য ছাড়া আর সব তথ্যেই "চাহিবা মাত্র রেফারেন্স প্রদান করিতে বাধ্য থাকিবে" - এরকম ... তাই রেফারেন্স না দিলে সেই লেখা বাদ দিতে বাধা নেই। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৯:৫৮, ১১ মার্চ ২০১০ (UTC)
হা হা... সিরিয়াস ব্যাপারে একটু ফাজলামো কবি - আশা করি রাগিব ভাই কিছু মনে করবেন না। আসলে "সূর্য পূর্ব দিকে উঠে" এ ব্যাপারটাও অবধারিত সত্য নয়। বিজ্ঞানের চোখ দিয়ে দেখলে সূর্য উঠেও না ডুবেও না। পৃথিবী পশ্চিম থেকে পুবে ঘুরছে বলে আমাদের কাছে "অবধারিত ভাবে" মনে হয় সূর্য পূর্ব দিকে উঠছে। ঠিক যেমন, পৃথিবীর তুলনায় আমরা ক্ষুব ক্ষুদ্র বলে ভুমিকে দেখলে সমতল মনে হয়, আসলে যদিও পৃথিবী গোল :)। এখন এ ধরনের "অবধারিত সত্য"র ব্যাপারে উইকির রেফারেন্স কি হবে তা জানার জোর দাবী তুলিছি, হু! -humanist_bd