বিষয়বস্তুতে চলুন

আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি এন্ড ট্রান্সফিউশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি এন্ড ট্রান্সফিউশন হলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত একটি প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষাগার ও রক্ত সঞ্চালন কেন্দ্র। এটি ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত। চিকিৎসা ক্ষেত্রে অনন্য সাধারণ অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে এই প্রতিষ্ঠানটিকে “চিকিৎসাবিদ্যায় স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয়।[] আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজির বর্তমান কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল নিশাত জোবাইদা[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি এন্ড ট্রান্সফিউশন ১৯৫১ সালে “আর্মি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরী” (Army Pathological Laboratory - APL) নামে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

[সম্পাদনা]

এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলো হলোঃ[]

  • কেন্দ্রীয় রেফারেল পরীক্ষাগার হিসাবে সেবা প্রদান করা;
  • সাধারণভাবে পুরো জাতিকে এবং বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ডায়াগনিস্টিক পরীক্ষাগার সুবিধা প্রদান করা;
  • একটি প্রশিক্ষণ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসাবে সেবা দান করা;
  • বিদেশে মিশনে, তথা, জাতিসংঘ বাহিনীতে নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করা।

পুরস্কার ও সম্মননা

[সম্পাদনা]

চিকিৎসা ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে দেশের “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”[][][] হিসাবে পরিচিত “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয় এই প্রতিষ্ঠানটিকে।[]

উল্লেখ্য, এর প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে পরিচিত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুর রহমান চৌধুরী (১ জুন ১৯২৮ - ২৪ জুন ১৯৯৯)-ও চিকিৎসা সেবা ও গবেষণায় অনন্য অবদানের জন্য ১৯৭৭ সালে “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রচলনকালীনই “চিকিৎসাবিদ্যায় স্বাধীনতা পুরস্কার” লাভ করেন।[]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 "স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের তালিকা"মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ০৯ অক্টোবর ২০১৭ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |সংগ্রহের-তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)
  2. "দেশের প্রথম নারী মেজর জেনারেল সুসানে গীতি"Bangla Tribune। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ১৭ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ নভেম্বর ২০২১
  3. "Affiliated Colleges / Academies / Institution"। Bangladesh University of Professionals (BUP)। ২ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০১৭
  4. সানজিদা খান (জানুয়ারি ২০০৩)। "জাতীয় পুরস্কার: স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার"। সিরাজুল ইসলাম (সম্পাদক)। [[বাংলাপিডিয়া]]ঢাকা: এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশআইএসবিএন ৯৮৪-৩২-০৫৭৬-৬। সংগ্রহের তারিখ ০৯ অক্টোবর ২০১৭স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। {{বই উদ্ধৃতি}}: |সংগ্রহের-তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য); ইউআরএল–উইকিসংযোগ দ্বন্দ্ব (সাহায্য)
  5. "স্বাধীনতা পদকের অর্থমূল্য বাড়ছে"কালেরকন্ঠ অনলাইন। ২ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১৭
  6. "এবার স্বাধীনতা পদক পেলেন ১৬ ব্যক্তি ও সংস্থা"এনটিভি অনলাইন। ২৪ মার্চ ২০১৬। ১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১৭

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]