আব্দুর রব চৌধুরী
এডভোকেট আব্দুর রব চৌধুরী | |
|---|---|
| লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য | |
| কাজের মেয়াদ সেপ্টেম্বর ১৯৯১ – জুন ১৯৯৬ | |
| পূর্বসূরী | মোশাররফ হোসেন |
| উত্তরসূরী | আ স ম আবদুর রব |
| সচিব কৃষি মন্ত্রণালয় | |
| কাজের মেয়াদ ১৯৭৩ – ১৯৭৪ | |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ১৯৩৪ লক্ষ্মীপুর |
| মৃত্যু | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ঢাকা |
| রাজনৈতিক দল | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল |
| পিতামাতা | ফজলুর রহমান (পিতা) |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় |
এ্যাডভোকেট সিএসপি আবদুর রব চৌধুরী (১৯৩৪-২০১৮) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী, সরকারি কর্মকর্তা, লক্ষ্মীপুর জেলার রাজনীতিবিদ ও লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।[১][২]
জন্ম ও প্রাথমিক জীবন
[সম্পাদনা]এডভোকেট সিএসপি আবদুর রব চৌধুরী ১৯৩৪ সালে লক্ষ্মীপুর জেলায় রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার ইউনিয়নের সেবা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মৃত ফজলুর রহমান। তিনি ১৯৪৯ সালে রামগতি বিবিকে পাইলট হাই স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে মেট্রিক, ১৯৫১ সালে চৌমুহনী এসএ কলেজ থেকে আইএ, ১৯৫৩ সনে বিএ পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৫ সনে এমএ পাশ করেন। এরপর তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এলএলবি পাশ করেন।
রাজনৈতিক ও কর্মজীবন
[সম্পাদনা]আব্দুর রব চৌধুরী ১৯৫৪-৫৫ মেয়াদে ঢাকসুর জিএস ছিলেন। ১৯৫৬ সালে সেণ্টাল সুপিরিয়র সার্ভিস (সিএসপি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি চাকরি জীবন শুরু করেন। তিনি নওগাঁ মহকুমার প্রশাসক, খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, দিনাজপুরের জেলা প্রসাশক, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের উপসচিব, ইসলামাবাদে অর্থ মন্ত্রনালয়ের উপসচিব পদে চাকরি করেন। ১৯৭০ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিভাগীয় রিলিফ কমিশনার এবং ১৯৭২ সালে দেশের প্রধান রিলিফ সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালে কৃষি মন্ত্রনালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে ১৯৭৪ সালে পদত্যাগ করে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে এ্যাপিলিয়েট ডিভিশনে আইন পেশা শুরু করেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ছিলেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের উপদেষ্টামন্ডলীর ও সদস্য ছিলেন।
তিনি ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনয়নে লক্ষ্মীপুর-৪ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।[১] এর পর তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে একই আসন থেকে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।[২]
২০০১ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনয়ন না পেয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেও তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে পরাজিত হন।[৩]
মৃত্যু
[সম্পাদনা]আব্দুর রব চৌধুরী ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ঢাকায় নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন।[৪][৫]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "৫ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
- 1 2 "৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
- ↑ "আবদুর রব চৌধুরী"। দৈনিক প্রথম আলো। ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
- ↑ "লক্ষ্মীপুরের সাবেক এমপি আবদুর রব চৌধুরী আর নেই"। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
- ↑ "লক্ষ্মীপুরের রব চৌধুরী মারা গেছেন"। জাগো নিউজ। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০।