আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ
জাতিসত্তাবাঙালি
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ
পিতা-মাতা
পুরস্কারস্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৮০)

আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ হলেন বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত ইসলাম ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। সাধারণ্যে তিনি শর্ষীণার পীর হিসাবেই অধিক পরিচিত।[১] ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি মানবতা বিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তিনি রাজাকার বা রাষ্ট্রদ্রোহী ছিলেন।[২] ১৯৮০ সালে তাকে “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয়।[৩]

== জন্ম ও পারিবারিক পরিচিতি ==তিনি বাংলা১৩২১মোতাবেক ইংরেজী১৯১৫ সনে বর্তমান পিরোজপুর জেলার অন্তর্গত নেছারাবাদ থানার ছারছীনা নামক গ্রামে জন্ম গ্রহণকরেন। তার পিতা শাহ সূফী হযরত মাওলানা নেছারউদ্দীন আহমদ (রঃ)।

== শিক্ষাজীবন ==প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় তার পরিবারে।এরপরে মক্তব শেষ করে প্রথম শ্রেণি থেকে জামাতে উলা পর্যন্ত ঐতিহ্যবাহী ছারছীনা মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন।এরপরে তিনি ভারতের সাহারানপুরে মাজাহিরুল উলুম মাদ্রাসা থেকে কুরআন ও হাদিসের সর্বোচ্চ সনদ লাভ করেন।ইলমে শরীয়তের সাথে সাথে ইলমে মারেফতও হাসিল করেন।

== কর্মজীবন ==তিনি সারা বাংলাদেশে অসংখ্য মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন।তিনি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মুদার্রেসিনের পিষ্ঠপোষক ছিলেন।তালিম তরবিয়তের পাশাপাশি তিনি রাষ্টিয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন খিদমত করেন।তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কে গাজীপুরে রাখার জন্য ১৯৯০ সালে এক সম্মেলনে ১১ দফা দাবি পেশ করে ছিলেন।তিনি বহু অসামাজিক কর্মকান্ডে তৎপর ছিলেন।

== মৃত্যু == ১৯৯০সালে১৩ ই ফেব্রুয়ারী বৃদ্ধজনীত কারনে ইন্তেকাল করেন।

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর রাজনীতিতে যুদ্ধাপরাধীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ শুরু হলে দালালির স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮০ সালে দেশের “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”[৪][৫][৬] হিসাবে পরিচিত “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয় তাকে।[৩]

সমালোচনা[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন তিনি মানবতা বিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকার কথা বিভিন্ন সরকারি নথিতে লিপিবদ্ধ রয়েছে; “বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র” (৮ম খন্ড) এবং “একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়” গ্রন্থদ্বয়ে তার অপরাধের প্রত্যক্ষ বিবরণ দেয়া আছে।[২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "মুক্তিযুদ্ধে শর্ষীনার পীরের ভূমিকা: প্রতিবেদক শওকত মিল্টনকে প্রাণনাশের হুমকি"প্রিয়ডটকম অনলাইন। ১৫ এপ্রিল ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ০৬ নভেম্বর ২০১৭  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  2. "বিতর্কিতদের স্বাধীনতা পুরস্কার বাতিল হচ্ছে"কালেরকন্ঠ অনলাইন। ০৭ সেপ্টেম্ব ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ০৬ নভেম্বর ২০১৭  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ=, |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  3. "স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের তালিকা"মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ০৯ অক্টোবর ২০১৭  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  4. সানজিদা খান (জানুয়ারি ২০০৩)। "জাতীয় পুরস্কার: স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার"। সিরাজুল ইসলাম[[বাংলাপিডিয়া]]ঢাকা: এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশআইএসবিএন 984-32-0576-6। সংগ্রহের তারিখ ০৯ অক্টোবর ২০১৭স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য); ইউআরএল–উইকিসংযোগ দ্বন্দ্ব (সাহায্য)
  5. "স্বাধীনতা পদকের অর্থমূল্য বাড়ছে"কালেরকন্ঠ অনলাইন। ২ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১৭ 
  6. "এবার স্বাধীনতা পদক পেলেন ১৬ ব্যক্তি ও সংস্থা"এনটিভি অনলাইন। ২৪ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১৭ 

7।বীর মুজাহিদ পীর আবু জাফর ছালেহ ( র:)জীবনী,অধ্যক্ষ মুহা: ইসমাইল হোসেন।8। পাক্ষিক তাবলীগ পত্রিকা।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]